
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩২
রংপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজিব হোসেন সুমন ওরফে 'মেরিল সুমন'-কে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানার কিসমত দৌলতপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) এবং ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা শাখা এ সমন্বিত বিশেষ অভিযান চালায়।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মেরিল সুমনের বয়স ৩৬ বছর। তার পিতার নাম আবু হানিফ। তিনি রংপুর মহানগরীর শালবন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, রংপুর মহানগর এলাকায় মেরিল সুমনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মোট নয়টি মামলা রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা, প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অর্থের বিনিময়ে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিল। বিশেষ করে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সে নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠছিল বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রার্থীদের ওপর হামলা, প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি, ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির পরিকল্পনা করছিল মেরিল সুমন ও তার সহযোগীরা।
গ্রেপ্তার এড়াতে সে ঠাকুরগাঁও জেলায় আত্মগোপনে থাকলেও নিয়মিত রংপুরে এসে নিজের ক্যাডার ও সহযোগীদের সংগঠিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি ও ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। অভিযানে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী বলেন, তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে তার সহযোগী ও অন্যান্য অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ আরো জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী, নাশকতামূলক ও আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করা হবে। জনগণের জানমাল ও ভোটাধিকার সুরক্ষায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
রংপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজিব হোসেন সুমন ওরফে 'মেরিল সুমন'-কে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানার কিসমত দৌলতপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) এবং ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা শাখা এ সমন্বিত বিশেষ অভিযান চালায়।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মেরিল সুমনের বয়স ৩৬ বছর। তার পিতার নাম আবু হানিফ। তিনি রংপুর মহানগরীর শালবন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, রংপুর মহানগর এলাকায় মেরিল সুমনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মোট নয়টি মামলা রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা, প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অর্থের বিনিময়ে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিল। বিশেষ করে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সে নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠছিল বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রার্থীদের ওপর হামলা, প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি, ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির পরিকল্পনা করছিল মেরিল সুমন ও তার সহযোগীরা।
গ্রেপ্তার এড়াতে সে ঠাকুরগাঁও জেলায় আত্মগোপনে থাকলেও নিয়মিত রংপুরে এসে নিজের ক্যাডার ও সহযোগীদের সংগঠিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি ও ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। অভিযানে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী বলেন, তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে তার সহযোগী ও অন্যান্য অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ আরো জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী, নাশকতামূলক ও আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করা হবে। জনগণের জানমাল ও ভোটাধিকার সুরক্ষায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬