Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ মে, ২০২৬ ১৬:৪৪
শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিতে ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। দাবি আদায়ের আন্দোলনে পাঁচ দিনের বিরতীর পর সর্বশেষ টানা দুই দিনের আন্দোলনে ফের বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল থেকেও ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা অব্যাহত ছিল। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
এর আগে, আন্দোলনরত শিক্ষকরা সোমবার প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন দপ্তর থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে দিয়ে কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। ফলে সব দপ্তরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। যদিও শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিলেন, তবে কোনো বিভাগে ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, ছয় মাস আগে পদোন্নতি বোর্ড গঠন করা হলেও একাধিক সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে গেছেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম। এর প্রতিবাদে সোমবার তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষকরা।
ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ধীমান কুমার রায় বলেন, আমরা উপাচার্যকে প্রশাসনিকভাবে কোনো সহযোগিতা করব না। প্রশাসনিক বিভিন্ন পদ থেকে শিক্ষকদের পদত্যাগ অব্যাহত আছে। এ পর্যন্ত প্রক্টরসহ তিনজন পদত্যাগ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের পদোন্নতির বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। বাধ্য হয়েই আমরা আন্দোলনে নেমেছি। বর্তমানে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও পরে সেশনজট পুষিয়ে দেওয়া হবে।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ৬০ জন শিক্ষক পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও তার এখনো কোনো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল কাইউম বলেন, প্রক্টরসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সিন্ডিকেটের নয়জন শিক্ষক দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ছাড়া, আরও অন্তত ৪০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানতে পেরেছি।
প্রক্টরের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক রাহাত হোসাইন বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্যের দীর্ঘসূত্রতায় তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।
প্রশাসনিক দপ্তরে তালা থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কার্যত কর্মহীন সময় পার করছেন। অর্থ দপ্তরের প্রধান সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, শিক্ষকদের অনুরোধে আমরা কক্ষ ছেড়েছি। উপাচার্য নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই অবস্থান করব।
আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, গত ৩০ এপ্রিল পদোন্নতি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার এবং শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়।
সেখানে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। ওই বৈঠকের পর শিক্ষকরা পাঁচ দিনের জন্য শুধু পাঠদানে ফেরেন। তবে গত ৮ মে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকা হলেও সেখানে সংকট সমাধানের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, বরং অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে উপাচার্য একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন।
উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম আন্দোলনকে আইনবিরোধী আখ্যা দিয়ে বলেন, শিক্ষকরা চাইলে কর্মবিরতি পালন করতে পারেন, কিন্তু অন্যের কাজে বাধা দিতে পারেন না। প্রশাসনিক দপ্তরে তালা দেওয়া সরাসরি আইনবিরোধী।
তিনি আরও বলেন, সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের পাঁচজন প্রতিনিধিসহ সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামী দুই মাসের মধ্যে অভিন্ন সংবিধি প্রণয়ন করে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা বিধি অনুযায়ী পদোন্নতি দিতে আন্তরিক।
পদত্যাগের বিষয়ে উপাচার্য মুঠোফোনে বলেন, এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র আসেনি। কয়েকজন মৌখিকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির কথা জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শুরুতে ২০১৫ সালের বিধি অনুযায়ী পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ২০২১ সালের অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণের পরামর্শ দিলে প্রক্রিয়াটি স্থগিত করা হয়। দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই নীতিমালা কার্যকর হলেও বরিশালসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারণে নতুন সংবিধি অনুমোদনের পর পদোন্নতি দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলন ধাপে ধাপে কর্মবিরতি, শাটডাউন ও সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচিতে রূপ নেয়। বর্তমানে চলমান অচলাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক সেবা ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিতে ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। দাবি আদায়ের আন্দোলনে পাঁচ দিনের বিরতীর পর সর্বশেষ টানা দুই দিনের আন্দোলনে ফের বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল থেকেও ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা অব্যাহত ছিল। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
এর আগে, আন্দোলনরত শিক্ষকরা সোমবার প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন দপ্তর থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে দিয়ে কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। ফলে সব দপ্তরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। যদিও শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিলেন, তবে কোনো বিভাগে ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬০ জন শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, ছয় মাস আগে পদোন্নতি বোর্ড গঠন করা হলেও একাধিক সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে গেছেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম। এর প্রতিবাদে সোমবার তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষকরা।
ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ধীমান কুমার রায় বলেন, আমরা উপাচার্যকে প্রশাসনিকভাবে কোনো সহযোগিতা করব না। প্রশাসনিক বিভিন্ন পদ থেকে শিক্ষকদের পদত্যাগ অব্যাহত আছে। এ পর্যন্ত প্রক্টরসহ তিনজন পদত্যাগ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের পদোন্নতির বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। বাধ্য হয়েই আমরা আন্দোলনে নেমেছি। বর্তমানে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও পরে সেশনজট পুষিয়ে দেওয়া হবে।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ৬০ জন শিক্ষক পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও তার এখনো কোনো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল কাইউম বলেন, প্রক্টরসহ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা সিন্ডিকেটের নয়জন শিক্ষক দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ছাড়া, আরও অন্তত ৪০ জন শিক্ষক পদত্যাগ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানতে পেরেছি।
প্রক্টরের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক রাহাত হোসাইন বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে উপাচার্যের দীর্ঘসূত্রতায় তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।
প্রশাসনিক দপ্তরে তালা থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কার্যত কর্মহীন সময় পার করছেন। অর্থ দপ্তরের প্রধান সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, শিক্ষকদের অনুরোধে আমরা কক্ষ ছেড়েছি। উপাচার্য নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়েই অবস্থান করব।
আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, গত ৩০ এপ্রিল পদোন্নতি-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে উপাচার্য, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার এবং শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়।
সেখানে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। ওই বৈঠকের পর শিক্ষকরা পাঁচ দিনের জন্য শুধু পাঠদানে ফেরেন। তবে গত ৮ মে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকা হলেও সেখানে সংকট সমাধানের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি, বরং অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করে উপাচার্য একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন।
উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ তৌফিক আলম আন্দোলনকে আইনবিরোধী আখ্যা দিয়ে বলেন, শিক্ষকরা চাইলে কর্মবিরতি পালন করতে পারেন, কিন্তু অন্যের কাজে বাধা দিতে পারেন না। প্রশাসনিক দপ্তরে তালা দেওয়া সরাসরি আইনবিরোধী।
তিনি আরও বলেন, সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষকদের পাঁচজন প্রতিনিধিসহ সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামী দুই মাসের মধ্যে অভিন্ন সংবিধি প্রণয়ন করে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা বিধি অনুযায়ী পদোন্নতি দিতে আন্তরিক।
পদত্যাগের বিষয়ে উপাচার্য মুঠোফোনে বলেন, এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র আসেনি। কয়েকজন মৌখিকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির কথা জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শুরুতে ২০১৫ সালের বিধি অনুযায়ী পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ২০২১ সালের অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণের পরামর্শ দিলে প্রক্রিয়াটি স্থগিত করা হয়। দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই নীতিমালা কার্যকর হলেও বরিশালসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারণে নতুন সংবিধি অনুমোদনের পর পদোন্নতি দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
গত ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলন ধাপে ধাপে কর্মবিরতি, শাটডাউন ও সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচিতে রূপ নেয়। বর্তমানে চলমান অচলাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক সেবা ও শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৮:৪১
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৫

২৭ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।