বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বয় সভা
বরিশালের বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে স্থানীয় অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) উপজেলা হলরুমে ইউএনডিপি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়ে) প্রকল্পের আওতায় ওই সমন্বয় সভার আয়োজন করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুসিকান্ত হাজং। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, দেহেরগতি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান খান হিমু প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী মোহাম্মদ পারভেজ। এসময় গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এবং সংশোধিত ২০১৩ ও ২০২৪-এর আলোকে প্রান্তিক পর্যায়ে জনগণকে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সমন্বয় সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
সভার বিশেষ অতিথি ও সুশাসন বিশেষজ্ঞ হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি এবং সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে পরিচালিত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরাসরি বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। সেখানে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করা গেলে আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়ে স্বল্প সময়ে ন্যায়বিচার পাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা এদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান অন্তরায়। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে জমিজমার বিরোধ নিষ্পত্তি ও ছোটখাটো স্থানীয় ফৌজদারি অপরাধের বিচার করা গেলে সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজতর হবে।'
সমন্বয় সভার সভাপতি বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, 'গ্রাম আদালত সচল থাকলে স্থানীয় পর্যায়ে অনেক বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে থানায় এবং আদালতে মামলার চাপ কমবে। এর পাশাপাশি মানুষ হয়রানি এবং অর্থনাশ থেকে রেহাই পাবে। ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সক্রিয় থাকলে এর সুফল পাবে সাধারণ মানুষ। গ্রামের দরিদ্র অসহায় মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাওয়ার যে আইনি সুযোগ রয়েছে সেটা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে হবে। গ্রাম আদালত কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি সকল অংশীজন এবং সুনাগরিকদের ভূমিকা পালন আবশ্যক।'

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩২
দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান।
তিনি জানান, সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তিনটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এই রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার এই উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক নির্মাণ এবং তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করতে হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ— দুটিই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
নদীবেষ্টিত হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। নতুন সড়ক সংযোগ তৈরি হলে সেই নির্ভরতা কমবে।
সভায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের বড় সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়।
বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে এটি একটি কার্যকর বিকল্প পথ হয়ে উঠতে পারে।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদসূত্র: বাসস।
দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান।
তিনি জানান, সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তিনটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এই রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার এই উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক নির্মাণ এবং তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করতে হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ— দুটিই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
নদীবেষ্টিত হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। নতুন সড়ক সংযোগ তৈরি হলে সেই নির্ভরতা কমবে।
সভায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের বড় সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়।
বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে এটি একটি কার্যকর বিকল্প পথ হয়ে উঠতে পারে।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদসূত্র: বাসস।

২১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০৬
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৫
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'

২১ জুন, ২০২৫ ০২:০৯
বরিশালের বাবুগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রম সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে স্থানীয় অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) উপজেলা হলরুমে ইউএনডিপি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়ে) প্রকল্পের আওতায় ওই সমন্বয় সভার আয়োজন করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুসিকান্ত হাজং। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, দেহেরগতি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আহসান খান হিমু প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী মোহাম্মদ পারভেজ। এসময় গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এবং সংশোধিত ২০১৩ ও ২০২৪-এর আলোকে প্রান্তিক পর্যায়ে জনগণকে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সমন্বয় সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
সভার বিশেষ অতিথি ও সুশাসন বিশেষজ্ঞ হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি এবং সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে পরিচালিত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরাসরি বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। সেখানে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করা গেলে আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়ে স্বল্প সময়ে ন্যায়বিচার পাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা এদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান অন্তরায়। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে জমিজমার বিরোধ নিষ্পত্তি ও ছোটখাটো স্থানীয় ফৌজদারি অপরাধের বিচার করা গেলে সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজতর হবে।'
সমন্বয় সভার সভাপতি বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, 'গ্রাম আদালত সচল থাকলে স্থানীয় পর্যায়ে অনেক বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে থানায় এবং আদালতে মামলার চাপ কমবে। এর পাশাপাশি মানুষ হয়রানি এবং অর্থনাশ থেকে রেহাই পাবে। ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত সক্রিয় থাকলে এর সুফল পাবে সাধারণ মানুষ। গ্রামের দরিদ্র অসহায় মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাওয়ার যে আইনি সুযোগ রয়েছে সেটা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে হবে। গ্রাম আদালত কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি সকল অংশীজন এবং সুনাগরিকদের ভূমিকা পালন আবশ্যক।'
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭