বরিশালের বাবুগঞ্জে বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত করা হয়েছে। এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে গণপিটুনির ঘটনার পর উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা এবং একই ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মোল্লার পদ স্থগিত করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় প্যাডে এক নোটিসে এ তথ্য জানানো হয়। চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন হোসেন নোটিসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নোটিসে বলা হয়, ৪ নম্বর চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ড করায় তাদের দলের সব সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। এবং তাদের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক যোগাযোগ থেকে বিরত থাকতে হবে। তারা বিএনপির কোনো সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে সোমবার (১৫ জুন) রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে দুই বিএনপি নেতা আটক হন। এবং তাদের একচোট পিটুনিও দেয়।
পরে এই ধরনের কাজে আর লিপ্ত না হওয়ার মুচলেকা দেওয়ায় মুক্তি পান বলে জানা গেছে। এই ঘটনার কয়েকটি ভিডিওচিত্র ফেসবুকে ছড়িয়েছে এবং এনিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে।’

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৪
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন বন্ধু ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আটিপাড়া এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো আটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির ঢালীর ছেলে সৌরভ ঢালী (১৪), একই গ্রামের তাওহীদ ইসলাম (১৩) এবং মের মনির হোসেনের ছেলে মোস্তাকিন (১৪)। তিনজনই আটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উজিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, তিন বন্ধু মোটরসাইকেলযোগে ঘুরতে বের হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আটিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সুরভী পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলচালক সৌরভ ঢালীসহ আরোহী মোস্তাকিন এবং তাওহীদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে চালকসহ স্টাফরা পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় পর প্রায় আধাঘণ্টা মহাসড়কে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।'
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন বন্ধু ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আটিপাড়া এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো আটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির ঢালীর ছেলে সৌরভ ঢালী (১৪), একই গ্রামের তাওহীদ ইসলাম (১৩) এবং মের মনির হোসেনের ছেলে মোস্তাকিন (১৪)। তিনজনই আটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উজিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, তিন বন্ধু মোটরসাইকেলযোগে ঘুরতে বের হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আটিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সুরভী পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলচালক সৌরভ ঢালীসহ আরোহী মোস্তাকিন এবং তাওহীদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে চালকসহ স্টাফরা পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় পর প্রায় আধাঘণ্টা মহাসড়কে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।'

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৫
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩১
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরও নিয়োগপত্র পাননি বরিশাল জেলার ৭২ প্রার্থী। কেন তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানান নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর বরিশাল জেলায় ৩৭১ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে ৭২ জন এখনো নিয়োগপত্র পাননি বলে দাবি করেছেন তারা।
প্রার্থীদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কথা বলা হলেও তাদের নিয়োগ না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। এ অবস্থায় নিয়োগ বাতিল বা স্থগিতের কোনো লিখিত আদেশ, প্রতিবেদন কিংবা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত থাকলে তার অনুলিপি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোনো কাগজপত্র বা প্রশাসনিক কার্যক্রম অসম্পূর্ণ থাকলে তা সম্পন্ন করার সুযোগ, পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে লিখিত নির্দেশনা এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট স্মারক নম্বর ও বর্তমান অবস্থা জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে অনুসন্ধান করে কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, সেই কারণ স্পষ্ট করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
বিএম কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমার বয়স শেষ পর্যায়ে। পরে আর সুযোগ পাব কি না জানি না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করব—এই আশায় মেট্রোরেলের চাকরিও ছেড়ে দিয়েছিলাম। চাকরি ছাড়ার পর দীর্ঘ আট মাস বেকার সময় পার করছি। এখন আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটিও জানি না।’
তিনি বলেন, ‘এখনো যদি যোগদান করতে না পারি, তাহলে আমার সবকিছু হারাতে হবে। আমরা যারা বাদ পড়েছি, আমার মনে হয় সবাই যোগ্য প্রার্থী। তাই কোনো কারণ না জানিয়ে বাদ না দিয়ে আমাদের একযোগে নিয়োগ দিয়ে কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়া উচিত।’
নিয়োগবঞ্চিত ৭২ প্রার্থীর দাবি, চূড়ান্ত সুপারিশের পরও কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, তা দ্রুত স্পষ্ট করে যোগদানের সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরও নিয়োগপত্র পাননি বরিশাল জেলার ৭২ প্রার্থী। কেন তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানান নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর বরিশাল জেলায় ৩৭১ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে ৭২ জন এখনো নিয়োগপত্র পাননি বলে দাবি করেছেন তারা।
প্রার্থীদের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কথা বলা হলেও তাদের নিয়োগ না দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। এ অবস্থায় নিয়োগ বাতিল বা স্থগিতের কোনো লিখিত আদেশ, প্রতিবেদন কিংবা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত থাকলে তার অনুলিপি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোনো কাগজপত্র বা প্রশাসনিক কার্যক্রম অসম্পূর্ণ থাকলে তা সম্পন্ন করার সুযোগ, পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে লিখিত নির্দেশনা এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট স্মারক নম্বর ও বর্তমান অবস্থা জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে অনুসন্ধান করে কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, সেই কারণ স্পষ্ট করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
বিএম কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমার বয়স শেষ পর্যায়ে। পরে আর সুযোগ পাব কি না জানি না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করব—এই আশায় মেট্রোরেলের চাকরিও ছেড়ে দিয়েছিলাম। চাকরি ছাড়ার পর দীর্ঘ আট মাস বেকার সময় পার করছি। এখন আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটিও জানি না।’
তিনি বলেন, ‘এখনো যদি যোগদান করতে না পারি, তাহলে আমার সবকিছু হারাতে হবে। আমরা যারা বাদ পড়েছি, আমার মনে হয় সবাই যোগ্য প্রার্থী। তাই কোনো কারণ না জানিয়ে বাদ না দিয়ে আমাদের একযোগে নিয়োগ দিয়ে কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়া উচিত।’
নিয়োগবঞ্চিত ৭২ প্রার্থীর দাবি, চূড়ান্ত সুপারিশের পরও কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, তা দ্রুত স্পষ্ট করে যোগদানের সুযোগ নিশ্চিত করা হোক।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১৫
বরিশালের বাবুগঞ্জে বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত করা হয়েছে। এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে গণপিটুনির ঘটনার পর উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা এবং একই ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মোল্লার পদ স্থগিত করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় প্যাডে এক নোটিসে এ তথ্য জানানো হয়। চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন হোসেন নোটিসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নোটিসে বলা হয়, ৪ নম্বর চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ড করায় তাদের দলের সব সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। এবং তাদের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক যোগাযোগ থেকে বিরত থাকতে হবে। তারা বিএনপির কোনো সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে সোমবার (১৫ জুন) রাতে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে দুই বিএনপি নেতা আটক হন। এবং তাদের একচোট পিটুনিও দেয়।
পরে এই ধরনের কাজে আর লিপ্ত না হওয়ার মুচলেকা দেওয়ায় মুক্তি পান বলে জানা গেছে। এই ঘটনার কয়েকটি ভিডিওচিত্র ফেসবুকে ছড়িয়েছে এবং এনিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে।’
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২২
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৪
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০