
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’

১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৮
কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে মায়ানমার থেকে ছুটে আসা গুলিতে আফনান (১০) নামে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে। সে হোয়াইক্যং তেচ্ছিব্রিজ এলাকার জসিম উদ্দীনের মেয়ে এবং লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। এদিন সকালে ৬৪-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গেছে, টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সে দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মির সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠন আরসার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। গত তিন দিন ধরে সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলিতে এপারেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে মায়ানমার থেকে ছুটে আসা গুলিতে আফনান (১০) নামে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে। সে হোয়াইক্যং তেচ্ছিব্রিজ এলাকার জসিম উদ্দীনের মেয়ে এবং লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। এদিন সকালে ৬৪-বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গেছে, টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সে দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মির সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠন আরসার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। গত তিন দিন ধরে সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলিতে এপারেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৪
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে পুলিশের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। চুরির ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, মুখোশধারী দুজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন।
থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি ইয়ামাহা কম্পানির ‘এফজেডএস ভার্সন-২’ মডেলের ছিল। এর রঙ ছিল কালো। মোটরসাইকেলটি ভাটারা থানার এএসআই মো. ফিরোজের। ভোরের দিকে মোটরসাইকেলটি থানার উত্তর গেটের ভেতরে পানির ট্যাংকের পাশে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। এসময় দুজন তালা ভেঙে মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যান।
সিসিটিভি ফুটেজে ওই দুজনকে মুখোশ পরে থানার গেটের সামনে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে একজন থানার ভেতরে প্রবেশ করে মোটরসাইকেলের তালা ভাঙেন। আরেকজন থানার বাইরে পাহারা দিতে থাকেন। পরে দুজন মিলে বাইকটি ঠেলে থানা এলাকা থেকে বের করে নিয়ে দ্রত সটকে পড়েন।
এএসআই ফিরোজ গণমাধ্যমকে জানান, গত শুক্রবার রাতে তিনি মোটরসাইকেলটি থানার ভেতরে রেখে বাইরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকালে থানায় ফিরে দেখেন, যেখানে মোটরসাইকেলটি রেখেছিলেন, সেখানে নেই। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনি জানতে পারেন, মুখোশধারী দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছেন। মোটরসাইকেলের সঙ্গে রাখা তার হেলমেটটিও তারা নিয়ে গেছেন।
মোটরসাইকেলে একটি জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ট্র্যাকার লাগানো ছিল। তবে চোরেরা মোটরসাইকেলটি থেকে সেই জিপিএস ট্র্যাকার খুলে ফেলেছে। ফলে মোটরসাইকেলটির অবস্থান শনাক্ত করা যাচ্ছে না।
তবে থানার ভেতরে চুরির বিষয়টি অস্বীকার করে ভাটারা থানার ওসি মো. ইমাউল হক জানান, থানার ভেতরে নয়, বাইরের গ্যারেজ থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়েছে। তারা মোটরসাইকেলটি উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে পুলিশের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। চুরির ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, মুখোশধারী দুজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন।
থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি ইয়ামাহা কম্পানির ‘এফজেডএস ভার্সন-২’ মডেলের ছিল। এর রঙ ছিল কালো। মোটরসাইকেলটি ভাটারা থানার এএসআই মো. ফিরোজের। ভোরের দিকে মোটরসাইকেলটি থানার উত্তর গেটের ভেতরে পানির ট্যাংকের পাশে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। এসময় দুজন তালা ভেঙে মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যান।
সিসিটিভি ফুটেজে ওই দুজনকে মুখোশ পরে থানার গেটের সামনে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে একজন থানার ভেতরে প্রবেশ করে মোটরসাইকেলের তালা ভাঙেন। আরেকজন থানার বাইরে পাহারা দিতে থাকেন। পরে দুজন মিলে বাইকটি ঠেলে থানা এলাকা থেকে বের করে নিয়ে দ্রত সটকে পড়েন।
এএসআই ফিরোজ গণমাধ্যমকে জানান, গত শুক্রবার রাতে তিনি মোটরসাইকেলটি থানার ভেতরে রেখে বাইরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকালে থানায় ফিরে দেখেন, যেখানে মোটরসাইকেলটি রেখেছিলেন, সেখানে নেই। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনি জানতে পারেন, মুখোশধারী দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছেন। মোটরসাইকেলের সঙ্গে রাখা তার হেলমেটটিও তারা নিয়ে গেছেন।
মোটরসাইকেলে একটি জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ট্র্যাকার লাগানো ছিল। তবে চোরেরা মোটরসাইকেলটি থেকে সেই জিপিএস ট্র্যাকার খুলে ফেলেছে। ফলে মোটরসাইকেলটির অবস্থান শনাক্ত করা যাচ্ছে না।
তবে থানার ভেতরে চুরির বিষয়টি অস্বীকার করে ভাটারা থানার ওসি মো. ইমাউল হক জানান, থানার ভেতরে নয়, বাইরের গ্যারেজ থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়েছে। তারা মোটরসাইকেলটি উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৬
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানী শেরেবাংলানগর থানায় করা প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার ৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিনা খন্দকার আন্নার আদালত রিমান্ডের এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন বেল্লাল হোসেন, জয়নাল আবেদীন, শ্রী অপূর্ব ব্যানার্জী, মো. আনোয়ার হোসেন ও মো. আল আমিন।
জানা যায়, এদিন আসামিদের আদালতে হাজির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলানগর থানার উপপরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম। রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, গত ৯ জানুয়ারি দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্তে জড়িত আসামি মো. মাহাবুব আলমকে গত ৮ জানুয়ারি রাত ৮ টার সময় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করেন। আসামির কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট আলামত উদ্ধার হয়। আসামির দেওয়া তথ্য মতে তারাসহ অজ্ঞাতপরিচয় আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর প্রার্থীদের কাছে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সরবরাহের কথা বলে পরীক্ষার্থীদের বিশ্বাসভঙ্গ করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করে মর্মে প্রকাশ পায়।
‘এসংক্রান্তে বাদীর এজাহারের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি করা হয়। এরপর যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে আসামিরা নিজ নিজ ঠিকানা থেকে গত ৯ জানুয়ারি ভোর ৪টার পরে আটক হয় এবং তাদের কাছে থেকে যৌথ বাহিনী কর্তৃক ঘটনা প্রমাণের সহায়ক আলামত উদ্ধার করা হয়। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।’
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৯ জানুয়ারি প্রতারণার অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাইয়ার সুলতানা বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানী শেরেবাংলানগর থানায় করা প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার ৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিনা খন্দকার আন্নার আদালত রিমান্ডের এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন বেল্লাল হোসেন, জয়নাল আবেদীন, শ্রী অপূর্ব ব্যানার্জী, মো. আনোয়ার হোসেন ও মো. আল আমিন।
জানা যায়, এদিন আসামিদের আদালতে হাজির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলানগর থানার উপপরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম। রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, গত ৯ জানুয়ারি দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্তে জড়িত আসামি মো. মাহাবুব আলমকে গত ৮ জানুয়ারি রাত ৮ টার সময় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করেন। আসামির কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট আলামত উদ্ধার হয়। আসামির দেওয়া তথ্য মতে তারাসহ অজ্ঞাতপরিচয় আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর প্রার্থীদের কাছে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সরবরাহের কথা বলে পরীক্ষার্থীদের বিশ্বাসভঙ্গ করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করে মর্মে প্রকাশ পায়।
‘এসংক্রান্তে বাদীর এজাহারের পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি করা হয়। এরপর যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে আসামিরা নিজ নিজ ঠিকানা থেকে গত ৯ জানুয়ারি ভোর ৪টার পরে আটক হয় এবং তাদের কাছে থেকে যৌথ বাহিনী কর্তৃক ঘটনা প্রমাণের সহায়ক আলামত উদ্ধার করা হয়। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।’
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৯ জানুয়ারি প্রতারণার অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাইয়ার সুলতানা বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:৩৬
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৪
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০১
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৬