
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৪
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইউসুফ আলী বুলু রাড়ী (৫২) নামে এক বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইউসুফ উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পারিবারিক হতাশা থেকে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোনো সময় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হয়েছে।
এরআগে ইউসুফ ইউসুফ আলী বুলু রাড়ী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন, ‘যদি ভুলবশত কারো সাথে অন্যায়-অবিচার করে থাকি, আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।’
বাবুরহাট এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত ঘটনা নিয়ে ইউসুফের সঙ্গে পরিবারের টানাপড়েন শুরু হয়। এ নিয়ে পারিবারিকভাবে সালিশ বৈঠকও হয়। এর জের ধরে হতাশা থেকে ইউসুফ সোমবার রাতে আত্মহত্যা করেন।
উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কবির সরকার বলেন, খবর পেয়ে আমিও তার বাড়িতে দেখতে এসেছি। কয়েকদিন ধরে ইউসুফ সবার সঙ্গে অসংলগ্ন আচরণ করছিলেন। গতরাতে একটি ছুরি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে তিনি এ ঘটনা ঘটান।
হাজীমারা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে। পরকীয়ার জের ধরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ইউসুফ আলী বুলু রাড়ী (৫২) নামে এক বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইউসুফ উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পারিবারিক হতাশা থেকে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোনো সময় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হয়েছে।
এরআগে ইউসুফ ইউসুফ আলী বুলু রাড়ী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন, ‘যদি ভুলবশত কারো সাথে অন্যায়-অবিচার করে থাকি, আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।’
বাবুরহাট এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত ঘটনা নিয়ে ইউসুফের সঙ্গে পরিবারের টানাপড়েন শুরু হয়। এ নিয়ে পারিবারিকভাবে সালিশ বৈঠকও হয়। এর জের ধরে হতাশা থেকে ইউসুফ সোমবার রাতে আত্মহত্যা করেন।
উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কবির সরকার বলেন, খবর পেয়ে আমিও তার বাড়িতে দেখতে এসেছি। কয়েকদিন ধরে ইউসুফ সবার সঙ্গে অসংলগ্ন আচরণ করছিলেন। গতরাতে একটি ছুরি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে তিনি এ ঘটনা ঘটান।
হাজীমারা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে। পরকীয়ার জের ধরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:০৯
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৭
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫০
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩০
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে রাতের আঁধারে ব্যানার টাঙিয়েছে যুবলীগ। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১টায় সদরে অবস্থিত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনের অংশে একটি ব্যানার ঝুলিয়ে স্লোগান দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন কয়েকজন।
স্থানীয়রা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতা এই কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। সোমবার দিনগত গভীর রাতে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের নির্দেশনায় কার্যালয়ের সামনে একটি ব্যানার টাঙিয়ে চলে যান কয়েকজন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিন ব্যক্তি একটি ব্যানার ভবনের গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন। এসময় তারা কয়েক সেকেন্ডের একটি স্লোগান দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। আসলে এটি গুজব। ব্যানার টাঙানোর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে রাতের আঁধারে ব্যানার টাঙিয়েছে যুবলীগ। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১টায় সদরে অবস্থিত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনের অংশে একটি ব্যানার ঝুলিয়ে স্লোগান দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন কয়েকজন।
স্থানীয়রা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতা এই কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। সোমবার দিনগত গভীর রাতে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের নির্দেশনায় কার্যালয়ের সামনে একটি ব্যানার টাঙিয়ে চলে যান কয়েকজন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিন ব্যক্তি একটি ব্যানার ভবনের গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন। এসময় তারা কয়েক সেকেন্ডের একটি স্লোগান দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। আসলে এটি গুজব। ব্যানার টাঙানোর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৭
ভারতের কলকাতা শহরে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-এর তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী। আটক ব্যক্তিদের একজন পেশায় সংগীতশিল্পী।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শহরের কলিন স্ট্রিট এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোটেলটিতে তল্লাশি চালানো হলে বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করা হয়। এ সময় একটি কক্ষে একসঙ্গে অবস্থানরত ছয় বাংলাদেশিকে পাওয়া যায়, যাদের সবার মেডিকেল ভিসার মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তারা নোয়াখালী ও টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে ছয়টি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আবির হোসেন, মহম্মদ মামুন রশিদ, মহম্মদ আলিমুন গাজী, আজম মোল্লা, ফয়জল আমিন ও জায়দুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে আজম মোল্লা একজন গায়ক। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি পরিচিত মহলে গান পরিবেশন করতেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের সময় নিজের গিটার সঙ্গে রাখার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধও করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকে তারা চিকিৎসার অজুহাতে মেডিকেল ভিসায় ভারতে আসেন। গত বছর পৃথকভাবে দেশ ছাড়লেও পরে কলকাতায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। প্রথমদিকে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করলেও অর্থসংকট দেখা দিলে চলতি ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে কলিন স্ট্রিটের ওই হোটেলের একটি কক্ষে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর থেকে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হতে শুরু করে এবং চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে সবার ভিসাই সম্পূর্ণভাবে অবৈধ হয়ে পড়ে। তবে দেশে ফেরার বিষয়ে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বরং কলকাতা হয়ে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।
সোমবার তাদের ব্যাংকশাল আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয়জনকেই জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিয়ম মেনে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ভারতের কলকাতা শহরে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-এর তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী। আটক ব্যক্তিদের একজন পেশায় সংগীতশিল্পী।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শহরের কলিন স্ট্রিট এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোটেলটিতে তল্লাশি চালানো হলে বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করা হয়। এ সময় একটি কক্ষে একসঙ্গে অবস্থানরত ছয় বাংলাদেশিকে পাওয়া যায়, যাদের সবার মেডিকেল ভিসার মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তারা নোয়াখালী ও টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে ছয়টি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আবির হোসেন, মহম্মদ মামুন রশিদ, মহম্মদ আলিমুন গাজী, আজম মোল্লা, ফয়জল আমিন ও জায়দুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে আজম মোল্লা একজন গায়ক। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি পরিচিত মহলে গান পরিবেশন করতেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের সময় নিজের গিটার সঙ্গে রাখার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধও করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকে তারা চিকিৎসার অজুহাতে মেডিকেল ভিসায় ভারতে আসেন। গত বছর পৃথকভাবে দেশ ছাড়লেও পরে কলকাতায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। প্রথমদিকে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করলেও অর্থসংকট দেখা দিলে চলতি ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে কলিন স্ট্রিটের ওই হোটেলের একটি কক্ষে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর থেকে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হতে শুরু করে এবং চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে সবার ভিসাই সম্পূর্ণভাবে অবৈধ হয়ে পড়ে। তবে দেশে ফেরার বিষয়ে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বরং কলকাতা হয়ে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।
সোমবার তাদের ব্যাংকশাল আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয়জনকেই জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিয়ম মেনে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৪
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে স্থানীয় নারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এক দম্পতিকে আটক করেছে প্রশাসন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরও বলেন, কারও কাছে এ ধরনের কার্ড বিক্রির প্রস্তাব এলে যাচাই-বাছাই ছাড়া টাকা না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, কার্ড ক্রেতা ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, কাশিপুর ইউনিয়নের নরসিংপুর এলাকায় নির্বাচনের পরদিন থেকেই রাসেল ওরফে জিলানী ও তার স্ত্রী হাসিনা ‘জিসান ট্রেডার্স’ নাম ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিক্রি শুরু করেন। রমজানকে সামনে রেখে প্রায় ৩০০ পরিবারের কাছে ৫০ টাকা করে কার্ড বিক্রি করা হয়। কার্ড দেখিয়ে প্রতি মাসে ১,২৮৫ টাকায় ১,৭২৫ টাকার পণ্য কেনা যাবে—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন ক্রেতারা।
সোমবার সকালে প্রথম কিস্তির পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল গড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত কোনো পণ্য না পেয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরে কার্ড ক্রেতারা একত্র হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কার্ড ক্রেতা জুলেখা বেগম বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল, সরকারিভাবে কোম্পানি থেকে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকে অপেক্ষা করছি, কেউ আসেনি। এখন ফোনও ধরছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর—এই চারটি এলাকায় কার্ড বিতরণ করা হয়। কার্ড ক্রেতাদের অধিকাংশই নারী ও স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় তারা সহজেই প্রলোভনে পড়েন বলে জানান করেন কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযুক্ত রাসেল ওরফে জিলানী মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও এখনো এ সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। এর মধ্যে একটি প্রতারকচক্র কার্ড ছাপিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে স্থানীয় নারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এক দম্পতিকে আটক করেছে প্রশাসন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরও বলেন, কারও কাছে এ ধরনের কার্ড বিক্রির প্রস্তাব এলে যাচাই-বাছাই ছাড়া টাকা না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, কার্ড ক্রেতা ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, কাশিপুর ইউনিয়নের নরসিংপুর এলাকায় নির্বাচনের পরদিন থেকেই রাসেল ওরফে জিলানী ও তার স্ত্রী হাসিনা ‘জিসান ট্রেডার্স’ নাম ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিক্রি শুরু করেন। রমজানকে সামনে রেখে প্রায় ৩০০ পরিবারের কাছে ৫০ টাকা করে কার্ড বিক্রি করা হয়। কার্ড দেখিয়ে প্রতি মাসে ১,২৮৫ টাকায় ১,৭২৫ টাকার পণ্য কেনা যাবে—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন ক্রেতারা।
সোমবার সকালে প্রথম কিস্তির পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল গড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত কোনো পণ্য না পেয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরে কার্ড ক্রেতারা একত্র হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কার্ড ক্রেতা জুলেখা বেগম বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল, সরকারিভাবে কোম্পানি থেকে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকে অপেক্ষা করছি, কেউ আসেনি। এখন ফোনও ধরছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর—এই চারটি এলাকায় কার্ড বিতরণ করা হয়। কার্ড ক্রেতাদের অধিকাংশই নারী ও স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় তারা সহজেই প্রলোভনে পড়েন বলে জানান করেন কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযুক্ত রাসেল ওরফে জিলানী মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও এখনো এ সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। এর মধ্যে একটি প্রতারকচক্র কার্ড ছাপিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.