ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেই ব্যতিক্রমী এক ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহা। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই আইনজীবী ঘোষণা দিয়েছেন, বিশ্বকাপ চলাকালীন তার চেম্বারে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসা ক্লায়েন্টদের জন্য থাকবে বিশেষ অফার।
শুক্রবার (০৫ জুন) ভোরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ফুটবল বিশ্বকাপের আনন্দকে আরও উপভোগ্য করে তুলতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
তার এ ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই বিষয়টিকে বিশ্বকাপ উন্মাদনার মজার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ এটিকে আইনসেবার ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে চেম্বারে এলে ফি অর্ধেকের ঘোষণা আইনজীবীর
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে অর্ধেক ভিজিটের ঘোষণা চিকিৎসকের
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহা বলেন, ‘আইন পেশা অত্যন্ত গুরুতর একটি বিষয় হলেও মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও আন্তরিকতার জায়গাটাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপ উপলক্ষে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে আমিও সম্পৃক্ত হতে চেয়েছি। তাই আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য এই বিশেষ অফারের ব্যবস্থা করেছি।’
তিনি বলেন, ‘খেলাধুলা মানুষকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে। আমার এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য শুধুই বিশ্বকাপের আনন্দ ভাগাভাগি করা। আশা করি এটি ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং উৎসবের আমেজকে আরও প্রাণবন্ত করবে।’
এদিকে তার এমন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ দেখা গেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টটি শেয়ার করে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন, বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সেবাদাতারা নানা ধরনের অফার দিলেও একজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ সত্যিই ব্যতিক্রমী।
অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহার চেম্বার ঢাকার বনশ্রীর মেরাদিয়া এলাকায় অবস্থিত।চেম্বারের সময়সূচি অনুযায়ী, শুক্র ও শনিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং অন্যান্য দিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত তিনি ক্লায়েন্টদের সেবা প্রদান করে থাকেন।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজন ও অফারের খবর মিললেও আইনসেবার ক্ষেত্রে ফুটবল দলের জার্সির ভিত্তিতে বিশেষ অফারের এমন ঘোষণা তুলনামূলক বিরল বলেই মনে করছেন অনেকে। ফলে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০২
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মেহেদী হাসান ফারুক নামে এক ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্যসচিব ফাহিম, রাশেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত ফারুক বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর বাজার থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ফারুককে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল। পরে কলাপাড়ার একটি হোটেলের পাশের নির্জন এলাকায় নিয়ে ফারুককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি বিয়েতে সাক্ষী হওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই ফারুককে তুলে নেওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল বলেন, ওই রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ফারুককে তুলে নেওয়ার খবর পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হয়। পরে রাত ১টার দিকে কলাপাড়ার রুবান হোটেলের পাশ থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
অভিযোগের বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ফাহিম বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি আমি জানি। তবে এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মাসুদ রানাও। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওয়াকিটকি হাতে এক ব্যক্তির সঙ্গে মাসুদ রানাকে দেখা গেছে।
কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তুষার বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছি। ১৭ সেপ্টেম্বর পারিবারিক কাজে আমি চট্টগ্রামে ছিলাম। তবে ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তদন্তে ডিবি পরিচয় ব্যবহার, হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।'

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:১৮
পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্যবন্দর থেকে মাছ ধরতে গিয়ে গভীর বঙ্গোপসাগরে ১৫ জেলেসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। তবে কাছাকাছি থাকা অন্য একটি ট্রলারের সহায়তায় সাগর থেকে ১৫ জেলেকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে আলীপুর মৎস্যবন্দর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার গভীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির নাম এমবি মায়ের দোয়া-৬।
ট্রলারটির মাঝি মূসা জানান, সকালে আলীপুর বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে তারা সাগরে রওনা হন। কিছুদূর যাওয়ার পর উত্তাল ঢেউয়ের ধাক্কায় ট্রলারের তলা বা কাঠামো ফেটে যায়। এতে দ্রুত ট্রলারে পানি ঢুকতে শুরু করে। একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।
তিনি জানান, ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার আগে তারা সাগরে ভেসে থাকার চেষ্টা করেন। পরে কাছাকাছি থাকা একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা তাদের দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসেন। ওই ট্রলারের সহায়তায় ১৫ জেলেকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়।
ট্রলার মালিক মিজানুর রহমান বলেন, মাছ ধরার জন্য ট্রলারটি সাগরে পাঠানো হয়েছিল। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর জেলেদের উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, গভীর সমুদ্রে ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এটি উদ্ধারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।'

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৪৬
পটুয়াখালীর বাউফলে দুটি গরু জবাই করে মাথা ফেলে রেখে মাংস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের নয়াহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে নয়াহাট এলাকার ভাই ভাই দোকানের সামনে ধানক্ষেত ও পানিভরা ডোবায় দুটি গরুর মাথা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের এলাকায় খোঁজ নিয়ে গরু দুটির মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়ের ধারনা, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা অন্য কোনো এলাকা থেকে গরু দুটি নিয়ে এসে জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে। তবে গরু দুটির মালিক কে বা কোথা থেকে গরু দুটি আনা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে গরু চুরি ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
নওমালা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেফালী আফরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বিষয়টি জানার পর স্থানীয় চৌকিদার ও ইউপি সদস্যদের এলাকায় খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নওমালা ইউনিয়নের কোনো বাসিন্দা গরু নিখোঁজ হওয়ার কথা জানাননি। পার্শ্ববর্তী দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা থেকেও গরু এনে এ ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

০৫ জুন, ২০২৬ ১৩:০০
ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেই ব্যতিক্রমী এক ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহা। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই আইনজীবী ঘোষণা দিয়েছেন, বিশ্বকাপ চলাকালীন তার চেম্বারে আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসা ক্লায়েন্টদের জন্য থাকবে বিশেষ অফার।
শুক্রবার (০৫ জুন) ভোরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ফুটবল বিশ্বকাপের আনন্দকে আরও উপভোগ্য করে তুলতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
তার এ ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই বিষয়টিকে বিশ্বকাপ উন্মাদনার মজার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ এটিকে আইনসেবার ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে চেম্বারে এলে ফি অর্ধেকের ঘোষণা আইনজীবীর
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে অর্ধেক ভিজিটের ঘোষণা চিকিৎসকের
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহা বলেন, ‘আইন পেশা অত্যন্ত গুরুতর একটি বিষয় হলেও মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও আন্তরিকতার জায়গাটাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপ উপলক্ষে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে আমিও সম্পৃক্ত হতে চেয়েছি। তাই আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য এই বিশেষ অফারের ব্যবস্থা করেছি।’
তিনি বলেন, ‘খেলাধুলা মানুষকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে। আমার এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য শুধুই বিশ্বকাপের আনন্দ ভাগাভাগি করা। আশা করি এটি ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং উৎসবের আমেজকে আরও প্রাণবন্ত করবে।’
এদিকে তার এমন ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ দেখা গেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টটি শেয়ার করে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন, বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সেবাদাতারা নানা ধরনের অফার দিলেও একজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ সত্যিই ব্যতিক্রমী।
অ্যাডভোকেট মিঠুন সাহার চেম্বার ঢাকার বনশ্রীর মেরাদিয়া এলাকায় অবস্থিত।চেম্বারের সময়সূচি অনুযায়ী, শুক্র ও শনিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং অন্যান্য দিন বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত তিনি ক্লায়েন্টদের সেবা প্রদান করে থাকেন।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজন ও অফারের খবর মিললেও আইনসেবার ক্ষেত্রে ফুটবল দলের জার্সির ভিত্তিতে বিশেষ অফারের এমন ঘোষণা তুলনামূলক বিরল বলেই মনে করছেন অনেকে। ফলে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মেহেদী হাসান ফারুক নামে এক ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্যসচিব ফাহিম, রাশেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত ফারুক বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর বাজার থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ফারুককে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল। পরে কলাপাড়ার একটি হোটেলের পাশের নির্জন এলাকায় নিয়ে ফারুককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি বিয়েতে সাক্ষী হওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই ফারুককে তুলে নেওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল বলেন, ওই রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ফারুককে তুলে নেওয়ার খবর পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হয়। পরে রাত ১টার দিকে কলাপাড়ার রুবান হোটেলের পাশ থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
অভিযোগের বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ফাহিম বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি আমি জানি। তবে এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মাসুদ রানাও। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওয়াকিটকি হাতে এক ব্যক্তির সঙ্গে মাসুদ রানাকে দেখা গেছে।
কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তুষার বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছি। ১৭ সেপ্টেম্বর পারিবারিক কাজে আমি চট্টগ্রামে ছিলাম। তবে ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তদন্তে ডিবি পরিচয় ব্যবহার, হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।'
পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্যবন্দর থেকে মাছ ধরতে গিয়ে গভীর বঙ্গোপসাগরে ১৫ জেলেসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। তবে কাছাকাছি থাকা অন্য একটি ট্রলারের সহায়তায় সাগর থেকে ১৫ জেলেকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে আলীপুর মৎস্যবন্দর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার গভীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারটির নাম এমবি মায়ের দোয়া-৬।
ট্রলারটির মাঝি মূসা জানান, সকালে আলীপুর বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে তারা সাগরে রওনা হন। কিছুদূর যাওয়ার পর উত্তাল ঢেউয়ের ধাক্কায় ট্রলারের তলা বা কাঠামো ফেটে যায়। এতে দ্রুত ট্রলারে পানি ঢুকতে শুরু করে। একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।
তিনি জানান, ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার আগে তারা সাগরে ভেসে থাকার চেষ্টা করেন। পরে কাছাকাছি থাকা একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা তাদের দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসেন। ওই ট্রলারের সহায়তায় ১৫ জেলেকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়।
ট্রলার মালিক মিজানুর রহমান বলেন, মাছ ধরার জন্য ট্রলারটি সাগরে পাঠানো হয়েছিল। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর জেলেদের উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, গভীর সমুদ্রে ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এটি উদ্ধারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।'
পটুয়াখালীর বাউফলে দুটি গরু জবাই করে মাথা ফেলে রেখে মাংস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের নয়াহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে নয়াহাট এলাকার ভাই ভাই দোকানের সামনে ধানক্ষেত ও পানিভরা ডোবায় দুটি গরুর মাথা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের এলাকায় খোঁজ নিয়ে গরু দুটির মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়ের ধারনা, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা অন্য কোনো এলাকা থেকে গরু দুটি নিয়ে এসে জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে। তবে গরু দুটির মালিক কে বা কোথা থেকে গরু দুটি আনা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে গরু চুরি ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
নওমালা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেফালী আফরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বিষয়টি জানার পর স্থানীয় চৌকিদার ও ইউপি সদস্যদের এলাকায় খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নওমালা ইউনিয়নের কোনো বাসিন্দা গরু নিখোঁজ হওয়ার কথা জানাননি। পার্শ্ববর্তী দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা থেকেও গরু এনে এ ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২২
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৪
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০