
১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:৪৬
অক্টোবর মাসে দেশজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) প্রতিবেদনে। গত মাসে সারাদেশে ৪৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪২৩ জন মানুষ নিহত এবং ৫৮৯ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারাদেশের বিভাগীয় অফিসগুলো থেকে এই পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল আরোহীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় বিভাগভিত্তিক হতাহতের পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এই বিভাগে ১১৫টি দুর্ঘটনায় ১০৯ জন নিহত এবং ১৬৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যার দিক থেকে এরপরেই রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ, যেখানে ৯৮টি দুর্ঘটনায় ৮৯ জন নিহত এবং ১৮৮ জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, খুলনা বিভাগে ৫৯টি দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন এবং রাজশাহী বিভাগে ৫৪টি দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত ও ৪৪ জন আহত হয়েছেন। তুলনামূলকভাবে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে (উভয় ক্ষেত্রে ২৩টি করে), তবে এই দুটি বিভাগে যথাক্রমে ২৬ জন এবং ২২ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। রংপুর বিভাগে ৫১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪৮ জন এবং বরিশাল বিভাগে ২৯টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২১ জন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অক্টোবর মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেলই ছিল প্রধানত দায়ী, যার সংখ্যা ছিল ১৬৪টি। এর পরেই রয়েছে ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান (১২৪টি) এবং বাস বা মিনিবাস (১১৪টি)। নিহতের সংখ্যার দিক থেকেও মোটরসাইকেল আরোহীর সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ (১৩০ জন)।
এ ছাড়া, বাস বা মিনিবাস দুর্ঘটনায় ৬৪ জন এবং ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় ৪৮ জন নিহত হন। অন্যান্য যানবাহনের মধ্যে অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৩২ জন, ভ্যান দুর্ঘটনায় ২১ জন, পিকআপ দুর্ঘটনায় ১১ জন এবং ইজিবাইক দুর্ঘটনায় ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
অক্টোবর মাসে দেশজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) প্রতিবেদনে। গত মাসে সারাদেশে ৪৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪২৩ জন মানুষ নিহত এবং ৫৮৯ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সারাদেশের বিভাগীয় অফিসগুলো থেকে এই পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে মোটরসাইকেল আরোহীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় বিভাগভিত্তিক হতাহতের পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এই বিভাগে ১১৫টি দুর্ঘটনায় ১০৯ জন নিহত এবং ১৬৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যার দিক থেকে এরপরেই রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ, যেখানে ৯৮টি দুর্ঘটনায় ৮৯ জন নিহত এবং ১৮৮ জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, খুলনা বিভাগে ৫৯টি দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন এবং রাজশাহী বিভাগে ৫৪টি দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত ও ৪৪ জন আহত হয়েছেন। তুলনামূলকভাবে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে (উভয় ক্ষেত্রে ২৩টি করে), তবে এই দুটি বিভাগে যথাক্রমে ২৬ জন এবং ২২ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। রংপুর বিভাগে ৫১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪৮ জন এবং বরিশাল বিভাগে ২৯টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২১ জন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অক্টোবর মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেলই ছিল প্রধানত দায়ী, যার সংখ্যা ছিল ১৬৪টি। এর পরেই রয়েছে ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান (১২৪টি) এবং বাস বা মিনিবাস (১১৪টি)। নিহতের সংখ্যার দিক থেকেও মোটরসাইকেল আরোহীর সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ (১৩০ জন)।
এ ছাড়া, বাস বা মিনিবাস দুর্ঘটনায় ৬৪ জন এবং ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় ৪৮ জন নিহত হন। অন্যান্য যানবাহনের মধ্যে অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৩২ জন, ভ্যান দুর্ঘটনায় ২১ জন, পিকআপ দুর্ঘটনায় ১১ জন এবং ইজিবাইক দুর্ঘটনায় ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৫
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৪
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস

১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩০
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’