বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে পাতারহাট ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার এক ছাত্রের মাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই মাদ্রাসার শিক্ষক জুনিয়র মৌলভি হাসনাইন মৃধার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জুনিয়র মৌলভি হাসনাইন মৃধাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে এ বিষয়টি জানাজানি হয়। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস শাকুর বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাসনাইন মৃধা উপজেলার সদর ইউনিয়নের রুকন্দি গ্রামের আব্দুল হামিদ মৃধার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, প্রবাসীর স্ত্রীর টাকা ও স্বর্ণালংকারের লোভে পড়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন শিক্ষক হাসনাইন মৃধা (২৫)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী জিয়া উদ্দিন থানায় জিডি করেন এবং আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী স্বামী জিয়া উদ্দিন বলেন, শিক্ষক হাসনাঈন মৃধা আমার ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে জিহাদকে প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে স্ত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সে শিক্ষকতার পাশাপাশি তাবিজের ব্যবসাও করেন।
কুফরি করে আমার স্ত্রীকে নিয়ে গেছেন। আমার স্ত্রী কোথায় আছেন আর কেমন আছেন জানি না। আমার দুই ছেলেসন্তান রেখে চলে গেছে। বড় ছেলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে আর ছোট ছেলে মাদ্রাসায় পড়ে।
তিনি আরও বলেন, আমি থানায় ও আদালতে অভিযোগ দিয়েছি। স্ত্রী-সন্তানের সুখের জন্য ১৮ বছর বিদেশে শ্রমিকের কাজ করছি। আমার পাঁচ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ ৭ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। আমার টাকা ও স্বর্ণ আত্মসাতের লক্ষ্যে স্ত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে।
জিয়া উদ্দিনের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শাপলা বেগম বলেন, ওই শিক্ষক কবিরাজি জানেন। কুফরি করে আমার বড় জা’কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নিয়ে গেছেন। যার সঙ্গে গেছে সে একটা প্রতারক। আগেও একাধিক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক করেছেন। টাকা ও স্বর্ণ হাতিয়ে নিয়েছেন।
বিশ্বাস করে ভাশুর তার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করে টাকা পাঠিয়েছিলেন। স্বর্ণ দিয়ে পুতুলের মতো সাজিয়ে রেখেছিলেন। বিশ্বাসের ঘরে চুরি করে সবকিছু নিয়ে উধাও হলেন। একবারও ভাবলেন না স্বামী ও সন্তানের কথা।
প্রতিবেশী হাসিনা বেগম বলেন, ওই শিক্ষক তাবিজ করে এ মহিলারে নিয়ে গেছে। মহিলার ছোট ছেলেটা মা মা বলে দিনরাত কাঁদছে। আমরা তার ছেলের কান্না সহ্য করতে পারছি না। এভাবে সোনার সংসার ফেলে চলে গেল? অভিযুক্ত মৌলভির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি। এ ছাড়াও তার পরিবারের সবাই বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন রয়েছেন।
অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস শাকুর বলেন, আমাদের মাদ্রাসার শিক্ষক গত ১ জুন ২০২৫ থেকে স্বেচ্ছায় তার পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। সে মোতাবেক আমরা কমিটির মাধ্যমে তাকে অব্যাহতি দিয়েছি। তিনি আমাদের মাদ্রাসার এখন আর কেউ নন। তবে প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও হওয়ার বিষয়ে কেউ আমাকে লিখিত অভিযোগ করেননি।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসাইন বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষকের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়নি। প্রবাসীর বড় ছেলে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন, তার মা বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছে, তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিয়াজুর রহমান বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় জুনিয়র মৌলভি হাসনাঈন মৃধাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৫৮
বরিশাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো. নাজমুল হকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ঘটে যাওয়া এ মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। নাজমুলের বিরুদ্ধে কলেজের ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ থাকলেও তাঁর পরিবারের দাবি, অভিযোগকে কেন্দ্র করে হেনস্তার পর পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, নাজমুল আত্মহত্যা করেছেন।
নাজমুলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে দেখা দিয়েছে ভিন্নতা। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নাজমুলের স্বজন সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, প্রায় তিন বছর আগে সরকারি মহিলা কলেজে ক্যাশিয়ার পদে যোগ দেন নাজমুল। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ভর্তির ৩ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে কলেজে নানা জটিলতা চলছিল।
সিরাজুলের দাবি, বিষয়টি নিয়ে নাজমুলের বাবা এনামুল হকও কয়েকবার কলেজে যান। তাঁর অভিযোগ, নাজমুলকে তাঁর বাবার সামনেই একাধিকবার শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। সোমবার নাজমুলের কাছ থেকে অফিসের সব চাবি নিয়ে নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার তাঁকে কলেজে ডেকে নেওয়ার পর বিকেলে আদালত ভবন থেকে পড়ে মৃত্যুর খবর পান স্বজনেরা।
সিরাজুল বলেন, নাজমুলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। তাহলে তিনি কীভাবে আদালত ভবনে গেলেন- এ প্রশ্নের উত্তরও পরিবারের কাছে স্পষ্ট নয়।
পরিবারের দাবি, নাজমুলকে পরিকল্পিতভাবে আদালত ভবনের ওপর থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস সালাম গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থী ভর্তির টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা না দিয়ে নাজমুল ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অডিট আপত্তি রয়েছে।
তিনি বলেন, এ কারণে নাজমুলকে কলেজের যাবতীয় কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা হয়। একই কারণে সোমবার তাঁর কাছ থেকে অফিসের চাবি নিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
অধ্যক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে নাজমুল কলেজে এসেছিলেন। তবে কখন তিনি কলেজ থেকে বের হয়ে যান, তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারেননি। পরে দুপুরের পর আদালত ভবনের ওপর থেকে লাফ দিয়ে তাঁর আত্মহত্যার খবর তাঁরা পান।
অধ্যক্ষ আরও জানান, পরে তাঁরা জানতে পারেন, কলেজের পেছনের গেটসংলগ্ন ফকিরবাড়ি রোডের একটি সাততলা ভবনে উঠতে চেয়েছিলেন নাজমুল। তবে ভবনটির মালিক তাঁকে সেখানে উঠতে দেননি।
এরপরই কীভাবে তিনি আদালত ভবনে পৌঁছালেন এবং সেখান থেকে পড়ে তাঁর মৃত্যু হলো- এ বিষয়টি এখন তদন্তের আওতায় আসছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, নাজমুলের বিরুদ্ধে কলেজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের কথা পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগের বিষয়ে ওসি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
নাজমুলের মৃত্যু আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড- এ প্রশ্নের উত্তর এখন তদন্তেই মিলবে। ঘটনাটি ঘিরে পরিবার, কলেজ কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
বরিশাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার মো. নাজমুল হকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ঘটে যাওয়া এ মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। নাজমুলের বিরুদ্ধে কলেজের ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ থাকলেও তাঁর পরিবারের দাবি, অভিযোগকে কেন্দ্র করে হেনস্তার পর পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, নাজমুল আত্মহত্যা করেছেন।
নাজমুলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে দেখা দিয়েছে ভিন্নতা। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নাজমুলের স্বজন সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, প্রায় তিন বছর আগে সরকারি মহিলা কলেজে ক্যাশিয়ার পদে যোগ দেন নাজমুল। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ভর্তির ৩ লাখের বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে কলেজে নানা জটিলতা চলছিল।
সিরাজুলের দাবি, বিষয়টি নিয়ে নাজমুলের বাবা এনামুল হকও কয়েকবার কলেজে যান। তাঁর অভিযোগ, নাজমুলকে তাঁর বাবার সামনেই একাধিকবার শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। সোমবার নাজমুলের কাছ থেকে অফিসের সব চাবি নিয়ে নেওয়া হয়।
মঙ্গলবার তাঁকে কলেজে ডেকে নেওয়ার পর বিকেলে আদালত ভবন থেকে পড়ে মৃত্যুর খবর পান স্বজনেরা।
সিরাজুল বলেন, নাজমুলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। তাহলে তিনি কীভাবে আদালত ভবনে গেলেন- এ প্রশ্নের উত্তরও পরিবারের কাছে স্পষ্ট নয়।
পরিবারের দাবি, নাজমুলকে পরিকল্পিতভাবে আদালত ভবনের ওপর থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস সালাম গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থী ভর্তির টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা না দিয়ে নাজমুল ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অডিট আপত্তি রয়েছে।
তিনি বলেন, এ কারণে নাজমুলকে কলেজের যাবতীয় কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা হয়। একই কারণে সোমবার তাঁর কাছ থেকে অফিসের চাবি নিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
অধ্যক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে নাজমুল কলেজে এসেছিলেন। তবে কখন তিনি কলেজ থেকে বের হয়ে যান, তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারেননি। পরে দুপুরের পর আদালত ভবনের ওপর থেকে লাফ দিয়ে তাঁর আত্মহত্যার খবর তাঁরা পান।
অধ্যক্ষ আরও জানান, পরে তাঁরা জানতে পারেন, কলেজের পেছনের গেটসংলগ্ন ফকিরবাড়ি রোডের একটি সাততলা ভবনে উঠতে চেয়েছিলেন নাজমুল। তবে ভবনটির মালিক তাঁকে সেখানে উঠতে দেননি।
এরপরই কীভাবে তিনি আদালত ভবনে পৌঁছালেন এবং সেখান থেকে পড়ে তাঁর মৃত্যু হলো- এ বিষয়টি এখন তদন্তের আওতায় আসছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, নাজমুলের বিরুদ্ধে কলেজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের কথা পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগের বিষয়ে ওসি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
নাজমুলের মৃত্যু আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড- এ প্রশ্নের উত্তর এখন তদন্তেই মিলবে। ঘটনাটি ঘিরে পরিবার, কলেজ কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০১
মেঘনা ব্যাংক পিএলসির বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (এসবিএমসিএইচ) সাব-শাখা নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর করা হয়েছে। জেলার সদর উপজেলার সাগরদী এলাকার আমতলার মোড়ে নতুন স্থানে সাব-শাখাটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেঘনা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মিজানুর রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) ব্যাংকটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে মেঘনা ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মমতাজুল করিম এন আহমেদ, হেড অব হিউম্যান রিসোর্সেস রাশেদুল আলম, হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং সামিউল কবিরসহ ব্যাংকের নিকটস্থ শাখাগুলোর ব্যবস্থাপক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, গ্রাহক ও অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, নতুন স্থানে সাব-শাখাটি স্থানান্তরের ফলে এলাকার গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবা আরও সহজলভ্য, সুবিধাজনক ও কার্যকর হবে।
তিনি বলেন, নতুন অবস্থান থেকে সাব-শাখাটি ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক—উভয় শ্রেণির গ্রাহকদের আরও দক্ষতার সঙ্গে ব্যাংকিং সেবা দিতে সক্ষম হবে। এর মাধ্যমে গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মেঘনা ব্যাংকের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী হবে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, নতুন ঠিকানায় সাব-শাখাটির কার্যক্রমের মাধ্যমে সাগরদী ও আশপাশের এলাকার গ্রাহকরা আরও দ্রুত ও সহজে প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা পাবেন।
খবর বিজ্ঞপ্তি
মেঘনা ব্যাংক পিএলসির বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (এসবিএমসিএইচ) সাব-শাখা নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর করা হয়েছে। জেলার সদর উপজেলার সাগরদী এলাকার আমতলার মোড়ে নতুন স্থানে সাব-শাখাটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেঘনা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মিজানুর রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) ব্যাংকটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে মেঘনা ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মমতাজুল করিম এন আহমেদ, হেড অব হিউম্যান রিসোর্সেস রাশেদুল আলম, হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং সামিউল কবিরসহ ব্যাংকের নিকটস্থ শাখাগুলোর ব্যবস্থাপক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, গ্রাহক ও অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, নতুন স্থানে সাব-শাখাটি স্থানান্তরের ফলে এলাকার গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবা আরও সহজলভ্য, সুবিধাজনক ও কার্যকর হবে।
তিনি বলেন, নতুন অবস্থান থেকে সাব-শাখাটি ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক—উভয় শ্রেণির গ্রাহকদের আরও দক্ষতার সঙ্গে ব্যাংকিং সেবা দিতে সক্ষম হবে। এর মাধ্যমে গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মেঘনা ব্যাংকের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী হবে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, নতুন ঠিকানায় সাব-শাখাটির কার্যক্রমের মাধ্যমে সাগরদী ও আশপাশের এলাকার গ্রাহকরা আরও দ্রুত ও সহজে প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা পাবেন।
খবর বিজ্ঞপ্তি

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:০২
বরিশাল আদালত চত্বরে ১০ তলা জুডিশিয়াল ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে নাজমুল হক (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমুল হক বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি বরিশাল নগরের কাশীপুর হাইস্কুলসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন নাজমুল। পরে তাকে উদ্ধার করা হলেও তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, নাজমুল হক কেন আদালত চত্বরে এসেছিলেন এবং কীভাবে জুডিশিয়াল ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে নিচে পড়ে গেলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় আদালত চত্বরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাজমুলের ভবন থেকে পড়ে যাওয়ার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।’
বরিশাল আদালত চত্বরে ১০ তলা জুডিশিয়াল ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে নাজমুল হক (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমুল হক বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি বরিশাল নগরের কাশীপুর হাইস্কুলসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের ছেলে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন নাজমুল। পরে তাকে উদ্ধার করা হলেও তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, নাজমুল হক কেন আদালত চত্বরে এসেছিলেন এবং কীভাবে জুডিশিয়াল ভবনের ষষ্ঠ তলা থেকে নিচে পড়ে গেলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় আদালত চত্বরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নাজমুলের ভবন থেকে পড়ে যাওয়ার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।’

০৫ আগস্ট, ২০২৫ ১২:৫৮
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে পাতারহাট ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার এক ছাত্রের মাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই মাদ্রাসার শিক্ষক জুনিয়র মৌলভি হাসনাইন মৃধার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জুনিয়র মৌলভি হাসনাইন মৃধাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে এ বিষয়টি জানাজানি হয়। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস শাকুর বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাসনাইন মৃধা উপজেলার সদর ইউনিয়নের রুকন্দি গ্রামের আব্দুল হামিদ মৃধার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, প্রবাসীর স্ত্রীর টাকা ও স্বর্ণালংকারের লোভে পড়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন শিক্ষক হাসনাইন মৃধা (২৫)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী জিয়া উদ্দিন থানায় জিডি করেন এবং আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী স্বামী জিয়া উদ্দিন বলেন, শিক্ষক হাসনাঈন মৃধা আমার ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে জিহাদকে প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে স্ত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সে শিক্ষকতার পাশাপাশি তাবিজের ব্যবসাও করেন।
কুফরি করে আমার স্ত্রীকে নিয়ে গেছেন। আমার স্ত্রী কোথায় আছেন আর কেমন আছেন জানি না। আমার দুই ছেলেসন্তান রেখে চলে গেছে। বড় ছেলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে আর ছোট ছেলে মাদ্রাসায় পড়ে।
তিনি আরও বলেন, আমি থানায় ও আদালতে অভিযোগ দিয়েছি। স্ত্রী-সন্তানের সুখের জন্য ১৮ বছর বিদেশে শ্রমিকের কাজ করছি। আমার পাঁচ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ ৭ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। আমার টাকা ও স্বর্ণ আত্মসাতের লক্ষ্যে স্ত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে।
জিয়া উদ্দিনের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শাপলা বেগম বলেন, ওই শিক্ষক কবিরাজি জানেন। কুফরি করে আমার বড় জা’কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নিয়ে গেছেন। যার সঙ্গে গেছে সে একটা প্রতারক। আগেও একাধিক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক করেছেন। টাকা ও স্বর্ণ হাতিয়ে নিয়েছেন।
বিশ্বাস করে ভাশুর তার নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করে টাকা পাঠিয়েছিলেন। স্বর্ণ দিয়ে পুতুলের মতো সাজিয়ে রেখেছিলেন। বিশ্বাসের ঘরে চুরি করে সবকিছু নিয়ে উধাও হলেন। একবারও ভাবলেন না স্বামী ও সন্তানের কথা।
প্রতিবেশী হাসিনা বেগম বলেন, ওই শিক্ষক তাবিজ করে এ মহিলারে নিয়ে গেছে। মহিলার ছোট ছেলেটা মা মা বলে দিনরাত কাঁদছে। আমরা তার ছেলের কান্না সহ্য করতে পারছি না। এভাবে সোনার সংসার ফেলে চলে গেল? অভিযুক্ত মৌলভির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি। এ ছাড়াও তার পরিবারের সবাই বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন রয়েছেন।
অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস শাকুর বলেন, আমাদের মাদ্রাসার শিক্ষক গত ১ জুন ২০২৫ থেকে স্বেচ্ছায় তার পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। সে মোতাবেক আমরা কমিটির মাধ্যমে তাকে অব্যাহতি দিয়েছি। তিনি আমাদের মাদ্রাসার এখন আর কেউ নন। তবে প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও হওয়ার বিষয়ে কেউ আমাকে লিখিত অভিযোগ করেননি।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসাইন বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষকের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়নি। প্রবাসীর বড় ছেলে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন, তার মা বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছে, তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিয়াজুর রহমান বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় জুনিয়র মৌলভি হাসনাঈন মৃধাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৩০
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:০৮
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৫৮
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০১