
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:১৭
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌরসভার সারপার ও চারটভাঙ্গা গ্রামের পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণপুর পৌরসভার নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজ রোড সংলগ্ন মাঠে যোগদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলার চারটভাঙ্গা গ্রামের রতন প্রধানীয়া, শাম দাস ও সারপার গ্রামের নগেন্দ্র চন্দ্র দাস, কাসি দাস, হরি দাস এবং রনজিত দাসের নেতৃত্বে পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী সেই অনুষ্ঠানে এসে বিএনপিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে নগেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, আমরা পাঁচ শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আনোয়ার হোসেন ভাইয়ের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিলাম। আমরা ওয়াদা দিচ্ছি- শতভাগ ভোট ধানের শীষে দেব এবং প্রিয় নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করব।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমরা চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মো. জালাল উদ্দিনকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করব।
তিনি আরও বলেন, আমি ছাত্রদল করেছি, যুবদল করেছি, এখন বিএনপি করছি। আমার রক্তে বিএনপি। আমরা সবাই শান্তি চাই। আমরা একসঙ্গে তারেক রহমানের স্বপ্নের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব। বিএনপি কোনো একক গোষ্ঠীর দল নয়। বিএনপি সব ধর্মের ও সব মানুষের ভালোবাসার দল। আপনারা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে। দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা একে অপরের ভাই। আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। বিএনপি প্রত্যেক ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবার অধিকার রক্ষার জন্য সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। একজনের বিপদে আরেকজন এগিয়ে আসব। আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দলের পক্ষ থেকে আমরা নিচ্ছি। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি সাম্যের, গণতান্ত্রিক ও শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. সোহেল রানা প্রধানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক মোল্লা জাকির, নারায়ণপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌরসভার সারপার ও চারটভাঙ্গা গ্রামের পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণপুর পৌরসভার নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজ রোড সংলগ্ন মাঠে যোগদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলার চারটভাঙ্গা গ্রামের রতন প্রধানীয়া, শাম দাস ও সারপার গ্রামের নগেন্দ্র চন্দ্র দাস, কাসি দাস, হরি দাস এবং রনজিত দাসের নেতৃত্বে পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী সেই অনুষ্ঠানে এসে বিএনপিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে নগেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, আমরা পাঁচ শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আনোয়ার হোসেন ভাইয়ের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিলাম। আমরা ওয়াদা দিচ্ছি- শতভাগ ভোট ধানের শীষে দেব এবং প্রিয় নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করব।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমরা চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মো. জালাল উদ্দিনকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করব।
তিনি আরও বলেন, আমি ছাত্রদল করেছি, যুবদল করেছি, এখন বিএনপি করছি। আমার রক্তে বিএনপি। আমরা সবাই শান্তি চাই। আমরা একসঙ্গে তারেক রহমানের স্বপ্নের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব। বিএনপি কোনো একক গোষ্ঠীর দল নয়। বিএনপি সব ধর্মের ও সব মানুষের ভালোবাসার দল। আপনারা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে। দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা একে অপরের ভাই। আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। বিএনপি প্রত্যেক ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবার অধিকার রক্ষার জন্য সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। একজনের বিপদে আরেকজন এগিয়ে আসব। আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দলের পক্ষ থেকে আমরা নিচ্ছি। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি সাম্যের, গণতান্ত্রিক ও শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. সোহেল রানা প্রধানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক মোল্লা জাকির, নারায়ণপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৩
সারা দেশে জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বগুড়া জেলা প্রশাসন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো গ্রাহককে তেল দেওয়া হবে না।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। জেলা প্রশাসক জানান, সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
এছাড়া প্রতিটি পাম্পে এসব নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কঠোর মনিটরিং চালানো হবে। জানা গেছে, বগুড়া জেলায় মোট ৭৮টি তেলের পাম্প রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন জানান, সংকটের শুরুতে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে।
তবে বর্তমানে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব দ্রুতই জেলার সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
সারা দেশে জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বগুড়া জেলা প্রশাসন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো গ্রাহককে তেল দেওয়া হবে না।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। জেলা প্রশাসক জানান, সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
এছাড়া প্রতিটি পাম্পে এসব নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কঠোর মনিটরিং চালানো হবে। জানা গেছে, বগুড়া জেলায় মোট ৭৮টি তেলের পাম্প রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন জানান, সংকটের শুরুতে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে।
তবে বর্তমানে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব দ্রুতই জেলার সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২০
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের করা মামলার আসামি বাবা জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান।
শাহরাস্তি থানা পুলিশ জানায়, গত ৬ মার্চ স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। কয়েকদিন পর মেয়েটির মা পালিয়ে এসে তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার সংবাদ পেয়ে জসিম উদ্দিন পরিবারের সদস্যদের রেখে পালিয়ে যান। শাহরাস্তি থানা পুলিশ জসিম উদ্দিনকে ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেন। সর্বশেষ আজ (রোববার) থানার এসআই মিঠুন দাসের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার রায়েরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ঢাকা থেকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের করা মামলার আসামি বাবা জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান।
শাহরাস্তি থানা পুলিশ জানায়, গত ৬ মার্চ স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। কয়েকদিন পর মেয়েটির মা পালিয়ে এসে তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার সংবাদ পেয়ে জসিম উদ্দিন পরিবারের সদস্যদের রেখে পালিয়ে যান। শাহরাস্তি থানা পুলিশ জসিম উদ্দিনকে ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেন। সর্বশেষ আজ (রোববার) থানার এসআই মিঠুন দাসের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার রায়েরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ঢাকা থেকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.