
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:১৭
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌরসভার সারপার ও চারটভাঙ্গা গ্রামের পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণপুর পৌরসভার নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজ রোড সংলগ্ন মাঠে যোগদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলার চারটভাঙ্গা গ্রামের রতন প্রধানীয়া, শাম দাস ও সারপার গ্রামের নগেন্দ্র চন্দ্র দাস, কাসি দাস, হরি দাস এবং রনজিত দাসের নেতৃত্বে পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী সেই অনুষ্ঠানে এসে বিএনপিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে নগেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, আমরা পাঁচ শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আনোয়ার হোসেন ভাইয়ের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিলাম। আমরা ওয়াদা দিচ্ছি- শতভাগ ভোট ধানের শীষে দেব এবং প্রিয় নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করব।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমরা চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মো. জালাল উদ্দিনকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করব।
তিনি আরও বলেন, আমি ছাত্রদল করেছি, যুবদল করেছি, এখন বিএনপি করছি। আমার রক্তে বিএনপি। আমরা সবাই শান্তি চাই। আমরা একসঙ্গে তারেক রহমানের স্বপ্নের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব। বিএনপি কোনো একক গোষ্ঠীর দল নয়। বিএনপি সব ধর্মের ও সব মানুষের ভালোবাসার দল। আপনারা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে। দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা একে অপরের ভাই। আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। বিএনপি প্রত্যেক ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবার অধিকার রক্ষার জন্য সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। একজনের বিপদে আরেকজন এগিয়ে আসব। আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দলের পক্ষ থেকে আমরা নিচ্ছি। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি সাম্যের, গণতান্ত্রিক ও শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. সোহেল রানা প্রধানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক মোল্লা জাকির, নারায়ণপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌরসভার সারপার ও চারটভাঙ্গা গ্রামের পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণপুর পৌরসভার নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজ রোড সংলগ্ন মাঠে যোগদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলার চারটভাঙ্গা গ্রামের রতন প্রধানীয়া, শাম দাস ও সারপার গ্রামের নগেন্দ্র চন্দ্র দাস, কাসি দাস, হরি দাস এবং রনজিত দাসের নেতৃত্বে পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী সেই অনুষ্ঠানে এসে বিএনপিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে নগেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, আমরা পাঁচ শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আনোয়ার হোসেন ভাইয়ের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিলাম। আমরা ওয়াদা দিচ্ছি- শতভাগ ভোট ধানের শীষে দেব এবং প্রিয় নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করব।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমরা চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মো. জালাল উদ্দিনকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করব।
তিনি আরও বলেন, আমি ছাত্রদল করেছি, যুবদল করেছি, এখন বিএনপি করছি। আমার রক্তে বিএনপি। আমরা সবাই শান্তি চাই। আমরা একসঙ্গে তারেক রহমানের স্বপ্নের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব। বিএনপি কোনো একক গোষ্ঠীর দল নয়। বিএনপি সব ধর্মের ও সব মানুষের ভালোবাসার দল। আপনারা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে। দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা একে অপরের ভাই। আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। বিএনপি প্রত্যেক ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবার অধিকার রক্ষার জন্য সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। একজনের বিপদে আরেকজন এগিয়ে আসব। আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দলের পক্ষ থেকে আমরা নিচ্ছি। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি সাম্যের, গণতান্ত্রিক ও শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. সোহেল রানা প্রধানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক মোল্লা জাকির, নারায়ণপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৮

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে৷ আহতরা হলেন- ওই গ্রামের সোহেল সেখের ছেলে মইন সেখ, আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিব, মনু সেখের ছেলে রিফাত সেখ, ফজলু তালুকাদারের ছেলে খায়রুল সেখ, নূর নবীর ছেলে হিমেল ও হাছেনের ছেলে হিমেল।
স্থানীয়রা জানান, ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী ধানের শীষের মিছিল করছিলেন। এসময় বিপরীত দিক থেকে জামায়াতের একটি মিছিল আসছিল। এ মিছিল ক্রসিংয়ের সময় হঠাৎ করেই তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি ও কিলঘুসি ছাড়াও মারপিটে জড়ান। এতে উভয় দলের ১০-১২ জন আহত হন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, জামায়াত নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করছে। তারা মিছিলে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের ছয়জনকে আহত করেছে। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। বর্তমানে তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
অপরদিকে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলছেন, ওই গ্রামে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত মিছিল ছিল। কিন্তু মিছিল শেষ হওয়ার আগ মূহুর্তে বিএনপির ছেলেরা পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে নিজেদের আত্মরক্ষার্থে মিছিলে থাকা কিছু লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে তাদের অন্তত ৫-৬ জন আহত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শিমুল তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে ছয়জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ভর্তি রয়েছেন। বাকি তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। তবে ভর্তি হওয়া একজনের অবস্থা গুরুতর।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে৷ আহতরা হলেন- ওই গ্রামের সোহেল সেখের ছেলে মইন সেখ, আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিব, মনু সেখের ছেলে রিফাত সেখ, ফজলু তালুকাদারের ছেলে খায়রুল সেখ, নূর নবীর ছেলে হিমেল ও হাছেনের ছেলে হিমেল।
স্থানীয়রা জানান, ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী ধানের শীষের মিছিল করছিলেন। এসময় বিপরীত দিক থেকে জামায়াতের একটি মিছিল আসছিল। এ মিছিল ক্রসিংয়ের সময় হঠাৎ করেই তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি ও কিলঘুসি ছাড়াও মারপিটে জড়ান। এতে উভয় দলের ১০-১২ জন আহত হন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, জামায়াত নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করছে। তারা মিছিলে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের ছয়জনকে আহত করেছে। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। বর্তমানে তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
অপরদিকে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলছেন, ওই গ্রামে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত মিছিল ছিল। কিন্তু মিছিল শেষ হওয়ার আগ মূহুর্তে বিএনপির ছেলেরা পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে নিজেদের আত্মরক্ষার্থে মিছিলে থাকা কিছু লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে তাদের অন্তত ৫-৬ জন আহত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শিমুল তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে ছয়জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ভর্তি রয়েছেন। বাকি তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। তবে ভর্তি হওয়া একজনের অবস্থা গুরুতর।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১২
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) মূল গেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, রাত ১০টার দিকে দুই মোটরসাইকেলে করে ৪ জন দুর্বৃত্ত বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে ককটেল নিক্ষেপ করে। এরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত শহরের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ককটেল বিস্ফোরণের খবর শুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীবসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সরোয়ার হোসেন (ডিএসবি) বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। ককটেল বিস্ফোরণে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ করে হাতে তৈরি ককটেল নিক্ষেপকারী দুষ্কৃতকারীদের শনাক্তকরণ পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) মূল গেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, রাত ১০টার দিকে দুই মোটরসাইকেলে করে ৪ জন দুর্বৃত্ত বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে ককটেল নিক্ষেপ করে। এরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত শহরের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ককটেল বিস্ফোরণের খবর শুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীবসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সরোয়ার হোসেন (ডিএসবি) বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। ককটেল বিস্ফোরণে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ করে হাতে তৈরি ককটেল নিক্ষেপকারী দুষ্কৃতকারীদের শনাক্তকরণ পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫৯
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আমরা আগে বন্ধু ছিলাম, এখনো বন্ধু আছি বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা-২ আসনে জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আ. লতিফ ফরাজি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বরগুনার পাথরঘাটা পৌরশহরে সকাল ১০টায় জনসংযোগে এসে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে তিনি গণসংযোগ করেন।
আ. লতিফ ফরাজি বলেন, আওয়ামী লীগের আমরা আগে বন্ধু ছিলাম, এখনো বন্ধু আছি। এ ক্ষেত্রে তাদের প্রতি যদি কোনো অন্যায় হয় জাতীয় পার্টি তাদের পাশে আছে। আওয়ামী লীগের যারা আছেন, এটা অবশ্যই তারা মূল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমি যদি অন্যায় করি আমার বিচার হবে। যদি কেউ দোষী সাব্যস্ত হয় তার বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু একটি নিরীহ মানুষকে কোনোভাবেই যেন হ্যারাসমেন্ট করা না হয়। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও তাই।
সবশেষে জাপার এই প্রার্থী বলেন, হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ গ্রামাঞ্চলের সকল রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। সাধারণ মানুষ এবার জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি খলিলুর রহমান, উপজেলা সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদসহ জাতীয় পার্টির ২০-৩০ জন নেতাকর্মী।
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আমরা আগে বন্ধু ছিলাম, এখনো বন্ধু আছি বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা-২ আসনে জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আ. লতিফ ফরাজি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বরগুনার পাথরঘাটা পৌরশহরে সকাল ১০টায় জনসংযোগে এসে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে তিনি গণসংযোগ করেন।
আ. লতিফ ফরাজি বলেন, আওয়ামী লীগের আমরা আগে বন্ধু ছিলাম, এখনো বন্ধু আছি। এ ক্ষেত্রে তাদের প্রতি যদি কোনো অন্যায় হয় জাতীয় পার্টি তাদের পাশে আছে। আওয়ামী লীগের যারা আছেন, এটা অবশ্যই তারা মূল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমি যদি অন্যায় করি আমার বিচার হবে। যদি কেউ দোষী সাব্যস্ত হয় তার বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু একটি নিরীহ মানুষকে কোনোভাবেই যেন হ্যারাসমেন্ট করা না হয়। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও তাই।
সবশেষে জাপার এই প্রার্থী বলেন, হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ গ্রামাঞ্চলের সকল রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। সাধারণ মানুষ এবার জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি খলিলুর রহমান, উপজেলা সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদসহ জাতীয় পার্টির ২০-৩০ জন নেতাকর্মী।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.