
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে৷ আহতরা হলেন- ওই গ্রামের সোহেল সেখের ছেলে মইন সেখ, আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিব, মনু সেখের ছেলে রিফাত সেখ, ফজলু তালুকাদারের ছেলে খায়রুল সেখ, নূর নবীর ছেলে হিমেল ও হাছেনের ছেলে হিমেল।
স্থানীয়রা জানান, ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী ধানের শীষের মিছিল করছিলেন। এসময় বিপরীত দিক থেকে জামায়াতের একটি মিছিল আসছিল। এ মিছিল ক্রসিংয়ের সময় হঠাৎ করেই তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি ও কিলঘুসি ছাড়াও মারপিটে জড়ান। এতে উভয় দলের ১০-১২ জন আহত হন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, জামায়াত নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করছে। তারা মিছিলে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের ছয়জনকে আহত করেছে। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। বর্তমানে তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
অপরদিকে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলছেন, ওই গ্রামে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত মিছিল ছিল। কিন্তু মিছিল শেষ হওয়ার আগ মূহুর্তে বিএনপির ছেলেরা পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে নিজেদের আত্মরক্ষার্থে মিছিলে থাকা কিছু লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে তাদের অন্তত ৫-৬ জন আহত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শিমুল তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে ছয়জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ভর্তি রয়েছেন। বাকি তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। তবে ভর্তি হওয়া একজনের অবস্থা গুরুতর।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে৷ আহতরা হলেন- ওই গ্রামের সোহেল সেখের ছেলে মইন সেখ, আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিব, মনু সেখের ছেলে রিফাত সেখ, ফজলু তালুকাদারের ছেলে খায়রুল সেখ, নূর নবীর ছেলে হিমেল ও হাছেনের ছেলে হিমেল।
স্থানীয়রা জানান, ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী ধানের শীষের মিছিল করছিলেন। এসময় বিপরীত দিক থেকে জামায়াতের একটি মিছিল আসছিল। এ মিছিল ক্রসিংয়ের সময় হঠাৎ করেই তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে ধাক্কাধাক্কি ও কিলঘুসি ছাড়াও মারপিটে জড়ান। এতে উভয় দলের ১০-১২ জন আহত হন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, জামায়াত নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করছে। তারা মিছিলে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের ছয়জনকে আহত করেছে। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। বর্তমানে তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
অপরদিকে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম বলছেন, ওই গ্রামে আমাদের পূর্ব নির্ধারিত মিছিল ছিল। কিন্তু মিছিল শেষ হওয়ার আগ মূহুর্তে বিএনপির ছেলেরা পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে নিজেদের আত্মরক্ষার্থে মিছিলে থাকা কিছু লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে তাদের অন্তত ৫-৬ জন আহত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শিমুল তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে ছয়জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন ভর্তি রয়েছেন। বাকি তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। তবে ভর্তি হওয়া একজনের অবস্থা গুরুতর।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১২
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) মূল গেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, রাত ১০টার দিকে দুই মোটরসাইকেলে করে ৪ জন দুর্বৃত্ত বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে ককটেল নিক্ষেপ করে। এরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত শহরের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ককটেল বিস্ফোরণের খবর শুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীবসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সরোয়ার হোসেন (ডিএসবি) বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। ককটেল বিস্ফোরণে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ করে হাতে তৈরি ককটেল নিক্ষেপকারী দুষ্কৃতকারীদের শনাক্তকরণ পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫৯
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আমরা আগে বন্ধু ছিলাম, এখনো বন্ধু আছি বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা-২ আসনে জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আ. লতিফ ফরাজি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বরগুনার পাথরঘাটা পৌরশহরে সকাল ১০টায় জনসংযোগে এসে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে তিনি গণসংযোগ করেন।
আ. লতিফ ফরাজি বলেন, আওয়ামী লীগের আমরা আগে বন্ধু ছিলাম, এখনো বন্ধু আছি। এ ক্ষেত্রে তাদের প্রতি যদি কোনো অন্যায় হয় জাতীয় পার্টি তাদের পাশে আছে। আওয়ামী লীগের যারা আছেন, এটা অবশ্যই তারা মূল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমি যদি অন্যায় করি আমার বিচার হবে। যদি কেউ দোষী সাব্যস্ত হয় তার বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু একটি নিরীহ মানুষকে কোনোভাবেই যেন হ্যারাসমেন্ট করা না হয়। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও তাই।
সবশেষে জাপার এই প্রার্থী বলেন, হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ গ্রামাঞ্চলের সকল রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। সাধারণ মানুষ এবার জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি খলিলুর রহমান, উপজেলা সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদসহ জাতীয় পার্টির ২০-৩০ জন নেতাকর্মী।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩০
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালজুড়ে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে শনাক্ত করেন। পরে তাকে হাসপাতাল পরিচালকসহ অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
টামেক হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুস জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখনো মামলা হয়নি, তবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমীন গণমাধ্যমকে জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) মূল গেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, রাত ১০টার দিকে দুই মোটরসাইকেলে করে ৪ জন দুর্বৃত্ত বিদ্যালয়ের মূল গেটের সামনে ককটেল নিক্ষেপ করে। এরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত শহরের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ককটেল বিস্ফোরণের খবর শুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীবসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সরোয়ার হোসেন (ডিএসবি) বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। ককটেল বিস্ফোরণে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ করে হাতে তৈরি ককটেল নিক্ষেপকারী দুষ্কৃতকারীদের শনাক্তকরণ পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আমরা আগে বন্ধু ছিলাম, এখনো বন্ধু আছি বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা-২ আসনে জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আ. লতিফ ফরাজি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বরগুনার পাথরঘাটা পৌরশহরে সকাল ১০টায় জনসংযোগে এসে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল থেকে শুরু করে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে তিনি গণসংযোগ করেন।
আ. লতিফ ফরাজি বলেন, আওয়ামী লীগের আমরা আগে বন্ধু ছিলাম, এখনো বন্ধু আছি। এ ক্ষেত্রে তাদের প্রতি যদি কোনো অন্যায় হয় জাতীয় পার্টি তাদের পাশে আছে। আওয়ামী লীগের যারা আছেন, এটা অবশ্যই তারা মূল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমি যদি অন্যায় করি আমার বিচার হবে। যদি কেউ দোষী সাব্যস্ত হয় তার বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু একটি নিরীহ মানুষকে কোনোভাবেই যেন হ্যারাসমেন্ট করা না হয়। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রেও তাই।
সবশেষে জাপার এই প্রার্থী বলেন, হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ গ্রামাঞ্চলের সকল রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। সাধারণ মানুষ এবার জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি খলিলুর রহমান, উপজেলা সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদসহ জাতীয় পার্টির ২০-৩০ জন নেতাকর্মী।
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালজুড়ে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে শনাক্ত করেন। পরে তাকে হাসপাতাল পরিচালকসহ অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
টামেক হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুস জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখনো মামলা হয়নি, তবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমীন গণমাধ্যমকে জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৮