
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:২৩
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় লাঠির আঘাতে মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের চোখ প্রায় উপড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিলেও এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্ট্রোক করে মারা যান মজিদের মা মাজেদা খাতুন।
গতকাল সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাসুদ রানা মজিদ ছাড়াও অন্য আহতারা হলেন– তাঁর ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রবিউল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের বগুড়া শহর শাখার সাথি পারশুন গ্রামের আসাদুল্লাহ হিল গালিব। মাসুদ ও তাঁর ভাই রবিউলকে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাসুদকে আজ মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের জন্য স্থানীয় জামায়াতকর্মী বেলাল হোসেন ও ফারুক আহম্মেদ পারশুন গ্রামে যান। এ সময় বিএনপির লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকর্মী অন্য এলাকা থেকে সেখানে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তারা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে মাসুদের ডান চোখ প্রায় উপড়ে যায়।
অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, পারশুন এলাকায় বিএনপির মিছিল থেকে তাদের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের কর্মীকে গালিব মারধর এবং আরও দুই কর্মীকে আটকে রাখে বিএনপিকর্মীরা। মারধরে আহত গালিবকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আজ বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও জামায়াত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরকে দায়ী করেছেন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখনও থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নন্দীগ্রামের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আরা বলেন, উভয় পক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশ এবং এসিল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় লাঠির আঘাতে মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের চোখ প্রায় উপড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিলেও এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্ট্রোক করে মারা যান মজিদের মা মাজেদা খাতুন।
গতকাল সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাসুদ রানা মজিদ ছাড়াও অন্য আহতারা হলেন– তাঁর ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রবিউল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের বগুড়া শহর শাখার সাথি পারশুন গ্রামের আসাদুল্লাহ হিল গালিব। মাসুদ ও তাঁর ভাই রবিউলকে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাসুদকে আজ মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের জন্য স্থানীয় জামায়াতকর্মী বেলাল হোসেন ও ফারুক আহম্মেদ পারশুন গ্রামে যান। এ সময় বিএনপির লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকর্মী অন্য এলাকা থেকে সেখানে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তারা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে মাসুদের ডান চোখ প্রায় উপড়ে যায়।
অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, পারশুন এলাকায় বিএনপির মিছিল থেকে তাদের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের কর্মীকে গালিব মারধর এবং আরও দুই কর্মীকে আটকে রাখে বিএনপিকর্মীরা। মারধরে আহত গালিবকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আজ বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও জামায়াত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরকে দায়ী করেছেন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখনও থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নন্দীগ্রামের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আরা বলেন, উভয় পক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশ এবং এসিল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৭
গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিচারকের এমন অপ্রত্যাশিত ব্যবহারের জন্য আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালতে বিচার কার্যক্রম চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনের সারিতে কয়েকজন আইনজীবী ও মক্কেলকে কথা বলতে দেখেন তিনি। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি গিয়ে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে উল্লেখ করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবী জানান।
এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ফোনে এবং হোয়ার্টসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেনই।

২২ জুলাই, ২০২৬ ০০:০৬

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:২৫
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতে থাকে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিচারকের এমন অপ্রত্যাশিত ব্যবহারের জন্য আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালতে বিচার কার্যক্রম চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনের সারিতে কয়েকজন আইনজীবী ও মক্কেলকে কথা বলতে দেখেন তিনি। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি গিয়ে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে উল্লেখ করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবী জানান।
এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ফোনে এবং হোয়ার্টসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেনই।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামির নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন খবর প্রচারিত হয়েছে। বিষয়টি নজরে রাখছে জামায়াতে ইসলামীও।
দলটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।
এ বিষয়ে আরও খোঁজখবর নিয়ে এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াতের যে কেউ অপরাধ করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। জামায়াত আমির কিংবা আমিও যদি কোনো অপরাধ করি তাহলে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
নিয়ম শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার ব্যাপারে জামায়াত কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে কারো মুখের দিকে তাকায় না।
প্রশ্ন হচ্ছে জামায়াত যদি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বরখাস্ত করে তাহলে কী তার এমপি পদ বহাল থাকবে?
যদি কোনো দল কাউকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বরখাস্ত করে এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার এমপি পদ রহিত করার জন্য আবেদন করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার রেওয়াজ আছে।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকির ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল। আর কোনো দল যদি শুধু সাংগঠিক পদ বাতিল করে এবং স্পিকারের কাছে এমপি পদ বাতিলের আবেদন না করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
নবম জাতীয় সংসদের জাতীয় পার্টির এমপি সাতক্ষীরা ৪ আসনের এইচএম গোলাম রেজাকে দল থেকে বহিষ্কার কলা হলেও স্পিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানোর কারণে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল ছিল।
গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার রাত থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে দেখা যায়। এরপর ভিডিওতে দেখা তরুণীকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা।
মঙ্গলবার সকালে দলটির জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।
এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত ইসলামির নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন খবর প্রচারিত হয়েছে। বিষয়টি নজরে রাখছে জামায়াতে ইসলামীও।
দলটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নজর রাখছে।
এ বিষয়ে আরও খোঁজখবর নিয়ে এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াতের যে কেউ অপরাধ করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। জামায়াত আমির কিংবা আমিও যদি কোনো অপরাধ করি তাহলে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
নিয়ম শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার ব্যাপারে জামায়াত কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে কারো মুখের দিকে তাকায় না।
প্রশ্ন হচ্ছে জামায়াত যদি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বরখাস্ত করে তাহলে কী তার এমপি পদ বহাল থাকবে?
যদি কোনো দল কাউকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বরখাস্ত করে এবং জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার এমপি পদ রহিত করার জন্য আবেদন করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার রেওয়াজ আছে।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকির ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল। আর কোনো দল যদি শুধু সাংগঠিক পদ বাতিল করে এবং স্পিকারের কাছে এমপি পদ বাতিলের আবেদন না করে তাহলে এমপি পদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
নবম জাতীয় সংসদের জাতীয় পার্টির এমপি সাতক্ষীরা ৪ আসনের এইচএম গোলাম রেজাকে দল থেকে বহিষ্কার কলা হলেও স্পিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানোর কারণে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল ছিল।
গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার রাত থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে দেখা যায়। এরপর ভিডিওতে দেখা তরুণীকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা।
মঙ্গলবার সকালে দলটির জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।
এ বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে তিনি রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়াতে থাকে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যায়।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
এবার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন ভিডিওতে থাকা তরুণী ও তার বাবা মাসুম বিল্লাহ।
তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তরুণীর বাবা। একইসঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী দাবি করেন ওই তরুণীও।
২২ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৫
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৭
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৪