
০৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:২৭
ঝালকাঠিতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান মতবিনিময় করেছেন।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও রাজনৈতিক সম্প্রীতি রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
ঝালকাঠি জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য, কৃষি, পরিবেশ, সম্ভাবনা এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনা করেন সহকারী কমিশনার তামান্না ইয়াসমিন মেরিনা। উপস্থাপনায় জেলার সামাজিক, অর্থনৈতিক অবস্থা, প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সমস্যার তথ্যচিত্র তুলে ধরা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক এডভোকেট সৈয়দ হোসেন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এডভোকেট খান হাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সভাপতি হাফেজ মো. আলমগীর হোসেন, এনসিপি জেলা সমন্বয়ক মাইনুল ইসলাম মান্না।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ও ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. আককাস সিকদার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোস্তফা কামাল মন্টু এবং সনাক-টিআইবি ঝালকাঠির সভাপতি সত্যবান সেন গুপ্তসহ সরকারি দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক-সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকবৃন্দ।
মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, ঝালকাঠি কৃষি, নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ একটি সম্ভাবনাময় জেলা। এই সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগিয়ে অর্থনীতি এগিয়ে নিতে সরকারি-বেসরকারি সব মহলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তিনি প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, যুব সমাজের উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ এবং স্থানীয় সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা, সহিংসতা পরিহার এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়ে নির্দেশনা দেন।
ঝালকাঠিতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান মতবিনিময় করেছেন।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ও রাজনৈতিক সম্প্রীতি রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
ঝালকাঠি জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য, কৃষি, পরিবেশ, সম্ভাবনা এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনা করেন সহকারী কমিশনার তামান্না ইয়াসমিন মেরিনা। উপস্থাপনায় জেলার সামাজিক, অর্থনৈতিক অবস্থা, প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সমস্যার তথ্যচিত্র তুলে ধরা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক এডভোকেট সৈয়দ হোসেন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এডভোকেট খান হাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সভাপতি হাফেজ মো. আলমগীর হোসেন, এনসিপি জেলা সমন্বয়ক মাইনুল ইসলাম মান্না।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ও ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. আককাস সিকদার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোস্তফা কামাল মন্টু এবং সনাক-টিআইবি ঝালকাঠির সভাপতি সত্যবান সেন গুপ্তসহ সরকারি দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক-সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকবৃন্দ।
মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, ঝালকাঠি কৃষি, নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ একটি সম্ভাবনাময় জেলা। এই সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগিয়ে অর্থনীতি এগিয়ে নিতে সরকারি-বেসরকারি সব মহলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তিনি প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, যুব সমাজের উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ এবং স্থানীয় সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা, সহিংসতা পরিহার এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়ে নির্দেশনা দেন।

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী আক্তার (২৪) তার শিশুসন্তান ফাহিমাকে (৫) নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার মেয়ে লাকী আক্তারের সঙ্গে নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দেড়েক পর তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়।
লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্বামীকে তিন সপ্তাহ আগে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে দিতে চান না। এ নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এতে লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় পরিবারের প্রতি অভিমান করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী আক্তার (২৪) তার শিশুসন্তান ফাহিমাকে (৫) নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার মেয়ে লাকী আক্তারের সঙ্গে নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দেড়েক পর তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়।
লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্বামীকে তিন সপ্তাহ আগে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে দিতে চান না। এ নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এতে লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় পরিবারের প্রতি অভিমান করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
বরিশাল টাইমস

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২৮
দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রস্তাবিত বিভিন্ন সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সেতু সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তারা সুগন্ধা নদীর নলছিটির ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করেন।
প্রস্তাবিত সেতুটি বাস্তবায়িত হলে শুধু দুই উপজেলার যোগাযোগই সহজ হবে না, বরং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কও আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি নদীর দুই তীরের অবহেলিত জনপদে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রস্তাবিত বিভিন্ন সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সেতু সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তারা সুগন্ধা নদীর নলছিটির ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করেন।
প্রস্তাবিত সেতুটি বাস্তবায়িত হলে শুধু দুই উপজেলার যোগাযোগই সহজ হবে না, বরং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কও আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি নদীর দুই তীরের অবহেলিত জনপদে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।