Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০১
রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে মর্মান্তিকভাবে নিহত দুই বছরের শিশু সাজিদকে অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ বিদায় জানিয়েছে এলাকার হাজারো মানুষ।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট মধ্যপাড়া এলাকার শিশু সাজিদের বাড়ির পাশের একটি মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাড়ির পাশের নেককিরি কবরস্থানে তাকে দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে শুক্রবার সকাল থেকেই গ্রামের বাতাস নামতে শুরু করে শোকের ছায়া। মসজিদের মাইকে বারবার ভেসে আসছিল সাজিদের মৃত্যুর ঘোষণা। শব্দগুলো শুনেই থেমে গ্রামের কাজকর্ম থেমে গিয়েছিল, কেউ দোকান খোলেননি, সবাই ভিড় করেন জানাজার মাঠে।
জানাজার মাঠে মানুষের ঢল নামে সকালেই। বৃদ্ধ থেকে স্কুলপড়ুয়া ছেলে—সবার চোখ ছিল ভেজা। সাজিদের ছোট্ট দেহটি যখন সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় আনা হয়, তখন কান্নার রোল পড়ে যায়। তার মা বারবার ছুটে আসতে চাইছিলেন আহাজারি করতে করতে।
জানাজার নামাজের ইমাতি করেন কাজী মাওলানা মিজানুর রহমান। ইমাম সাহেব জানাজা শেষে যখন তাকবির দিলেন, মানুষ হাত তুললো দোয়ার ভঙ্গিতে। হাজারো কণ্ঠ দোয়া অনুষ্ঠিত হলো। সবাই তার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন সাজিদের জন্য। একই সঙ্গে তার পরিবারকে আল্লাহ ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করেন এমন দোয়াও সবাই করেছেন। জানাজায় স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সহ-সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষে সাজিদের ছোট্ট কফিনটা যখন কবরের দিকে নেওয়া হলো, তখন বাতাস যেন থেমে গেল, শুধু শোনা যাচ্ছিল কান্নার শব্দ। কান্না করছেন স্বজনরা। একটি শিশুর জানাজা—যেখানে অংশ নিয়েছে পুরো গ্রাম, এমন দৃশ্য কেউ কখনও দেখেনি গ্রামবাসী।
এর আগে, বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে সাজিদ গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ৪০ ফুট মাটি খনন করে ৩২ ঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে মর্মান্তিকভাবে নিহত দুই বছরের শিশু সাজিদকে অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ বিদায় জানিয়েছে এলাকার হাজারো মানুষ।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট মধ্যপাড়া এলাকার শিশু সাজিদের বাড়ির পাশের একটি মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাড়ির পাশের নেককিরি কবরস্থানে তাকে দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে শুক্রবার সকাল থেকেই গ্রামের বাতাস নামতে শুরু করে শোকের ছায়া। মসজিদের মাইকে বারবার ভেসে আসছিল সাজিদের মৃত্যুর ঘোষণা। শব্দগুলো শুনেই থেমে গ্রামের কাজকর্ম থেমে গিয়েছিল, কেউ দোকান খোলেননি, সবাই ভিড় করেন জানাজার মাঠে।
জানাজার মাঠে মানুষের ঢল নামে সকালেই। বৃদ্ধ থেকে স্কুলপড়ুয়া ছেলে—সবার চোখ ছিল ভেজা। সাজিদের ছোট্ট দেহটি যখন সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় আনা হয়, তখন কান্নার রোল পড়ে যায়। তার মা বারবার ছুটে আসতে চাইছিলেন আহাজারি করতে করতে।
জানাজার নামাজের ইমাতি করেন কাজী মাওলানা মিজানুর রহমান। ইমাম সাহেব জানাজা শেষে যখন তাকবির দিলেন, মানুষ হাত তুললো দোয়ার ভঙ্গিতে। হাজারো কণ্ঠ দোয়া অনুষ্ঠিত হলো। সবাই তার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন সাজিদের জন্য। একই সঙ্গে তার পরিবারকে আল্লাহ ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করেন এমন দোয়াও সবাই করেছেন। জানাজায় স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সহ-সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষে সাজিদের ছোট্ট কফিনটা যখন কবরের দিকে নেওয়া হলো, তখন বাতাস যেন থেমে গেল, শুধু শোনা যাচ্ছিল কান্নার শব্দ। কান্না করছেন স্বজনরা। একটি শিশুর জানাজা—যেখানে অংশ নিয়েছে পুরো গ্রাম, এমন দৃশ্য কেউ কখনও দেখেনি গ্রামবাসী।
এর আগে, বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে সাজিদ গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ৪০ ফুট মাটি খনন করে ৩২ ঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৪
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় শত্রুতার জেরে দুই কৃষকের প্রায় ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক পরিবার দুটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী কৃষকরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের মাহবুল হকের ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল এবং ছেরাজুল হকের ছেলে নুরুল হক।
তারা জানান, স্থানীয়ভাবে ঋণ ও দাদন নিয়ে প্রতিজন ১২ একর করে মোট ২৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছিলেন। এতে প্রায় ২২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয় বলে দাবি তাদের।
কৃষকদের অভিযোগ, পাশের এলাকায় মহিষের পাল থেকে তাদের তরমুজ ক্ষেতে আগেও ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হলেও পরে বিরোধ আরও বাড়ে।
এর জের ধরে বুধবার রাতে তাদের হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি দল তাদের তরমুজ ক্ষেত কুপিয়ে ধ্বংস করে বলে অভিযোগ করা হয়।
এতে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান কৃষক পরিবারগুলো।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪১
নরসিংদীর পলাশে প্রতিবেশীর গাছের ডাব পাড়া নিয়ে দ্বন্ধের জেরে মামুন (২০) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন গালিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আব্দুল মোমেন মিয়ার ছেলে। সে পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আজিজুল (৩৫) একই গ্রামের ইসমাইলের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দুই দিন আগে প্রতিবেশী ইসমাইলের ছেলে আজিজুর ইসলাম মামুনকে দিয়ে বাড়ির পাশের গাছ থেকে ডাব পাড়ান। পরে কিছু ডাব মামুন নিয়ে গেলে আজিজুরের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে সামাজিকভাবে আপস-মীমাংসা করা হলেও বিষয়টি মানতে নারাজ ছিলেন আজিজুর।
পরে আজ সকালে মামুনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আজিজুর, তার ভাই হযরত আলীসহ পরিবারের সদস্যরা দা ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মামুনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৮
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় গোপনে ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তুতের সময় তিনজনকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার গাজীপুর এলাকার একটি সুপারি বাগানে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১২ মণ ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেখানে জবাই করা ৬টি ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আব্দুল্লাহ, রুবেল ও রবিউল। তাদের বাড়ি যথাক্রমে নেত্রকোনা, নীলফামারী ও রংপুর জেলায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান জানান, আটক ব্যক্তিরা ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। জব্দকৃত মাংসগুলো জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে মাটিতে পুঁতে নষ্ট করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় শত্রুতার জেরে দুই কৃষকের প্রায় ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক পরিবার দুটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী কৃষকরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের মাহবুল হকের ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল এবং ছেরাজুল হকের ছেলে নুরুল হক।
তারা জানান, স্থানীয়ভাবে ঋণ ও দাদন নিয়ে প্রতিজন ১২ একর করে মোট ২৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছিলেন। এতে প্রায় ২২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয় বলে দাবি তাদের।
কৃষকদের অভিযোগ, পাশের এলাকায় মহিষের পাল থেকে তাদের তরমুজ ক্ষেতে আগেও ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হলেও পরে বিরোধ আরও বাড়ে।
এর জের ধরে বুধবার রাতে তাদের হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি দল তাদের তরমুজ ক্ষেত কুপিয়ে ধ্বংস করে বলে অভিযোগ করা হয়।
এতে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান কৃষক পরিবারগুলো।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নরসিংদীর পলাশে প্রতিবেশীর গাছের ডাব পাড়া নিয়ে দ্বন্ধের জেরে মামুন (২০) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন গালিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আব্দুল মোমেন মিয়ার ছেলে। সে পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আজিজুল (৩৫) একই গ্রামের ইসমাইলের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দুই দিন আগে প্রতিবেশী ইসমাইলের ছেলে আজিজুর ইসলাম মামুনকে দিয়ে বাড়ির পাশের গাছ থেকে ডাব পাড়ান। পরে কিছু ডাব মামুন নিয়ে গেলে আজিজুরের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে সামাজিকভাবে আপস-মীমাংসা করা হলেও বিষয়টি মানতে নারাজ ছিলেন আজিজুর।
পরে আজ সকালে মামুনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আজিজুর, তার ভাই হযরত আলীসহ পরিবারের সদস্যরা দা ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মামুনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় গোপনে ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তুতের সময় তিনজনকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার গাজীপুর এলাকার একটি সুপারি বাগানে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১২ মণ ঘোড়ার মাংস জব্দ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেখানে জবাই করা ৬টি ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আব্দুল্লাহ, রুবেল ও রবিউল। তাদের বাড়ি যথাক্রমে নেত্রকোনা, নীলফামারী ও রংপুর জেলায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিল্লুর রহমান জানান, আটক ব্যক্তিরা ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। জব্দকৃত মাংসগুলো জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে মাটিতে পুঁতে নষ্ট করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।