পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০৯
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আদালতের একটি মামলায় ওয়ারেন্ট জারির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এক আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন মির্জাগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কর্মরত আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামিউল আলীম মল্লিক (৪৪)। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন তার স্ত্রীও।
স্থানীয় সূত্র ও আইনজীবীর পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মো. জাকির হোসেন ফরাজী (৪২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) ওই মামলার শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীর মাধ্যমে সময় প্রার্থনা (টাইম পিটিশন) করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর না করে ওয়ারেন্ট জারি করেন।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে বিকেলে মোটরসাইকেলে করে উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামে অ্যাডভোকেট সামিউল আলীম মল্লিকের বাড়িতে যান জাকির হোসেন ফরাজী। সেখানে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আইনজীবীর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেন।
এ সময় আইনজীবীর স্ত্রী স্বামীকে রক্ষার জন্য এগিয়ে এলে তার হাত ও আঙুলে কোপ লাগে। তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা ছুটে এলে হামলাকারী রক্তমাখা অবস্থায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহত আইনজীবীকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত জাকির হোসেন ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীর ছোট ভাই। এছাড়া জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী পূর্বে বিদেশি অস্ত্রসহ যৌথবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন এবং সংশ্লিষ্ট অস্ত্র মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি।
এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।'
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে আদালতের একটি মামলায় ওয়ারেন্ট জারির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এক আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন মির্জাগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কর্মরত আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামিউল আলীম মল্লিক (৪৪)। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন তার স্ত্রীও।
স্থানীয় সূত্র ও আইনজীবীর পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মো. জাকির হোসেন ফরাজী (৪২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) ওই মামলার শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীর মাধ্যমে সময় প্রার্থনা (টাইম পিটিশন) করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর না করে ওয়ারেন্ট জারি করেন।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে বিকেলে মোটরসাইকেলে করে উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামে অ্যাডভোকেট সামিউল আলীম মল্লিকের বাড়িতে যান জাকির হোসেন ফরাজী। সেখানে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আইনজীবীর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেন।
এ সময় আইনজীবীর স্ত্রী স্বামীকে রক্ষার জন্য এগিয়ে এলে তার হাত ও আঙুলে কোপ লাগে। তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা ছুটে এলে হামলাকারী রক্তমাখা অবস্থায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহত আইনজীবীকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত জাকির হোসেন ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীর ছোট ভাই। এছাড়া জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজী পূর্বে বিদেশি অস্ত্রসহ যৌথবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন এবং সংশ্লিষ্ট অস্ত্র মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি।
এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।'

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৮
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের বাহেরচর বাজার এলাকায় নদীর পাড় থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাটিসহ একটি ভেকু মেশিন, পল্টুন ও বাল্কহেড জব্দ করা হয়।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১টার দিকে বাহেরচর বাজারসংলগ্ন এলাকায় নদীর পাড় থেকে মাটি কাটার সময় দুইজনকে হাতেনাতে আটক করেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তাঁদের উপস্থিতিতে জব্দ করা মাটিকাটা কাজে ব্যবহৃত ভেকু মেশিন, পল্টুন ও বাল্কহেড উদ্ধার করা হয়। আটক দুইজনকে নেওয়া হয় থানার হেফাজতে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় রবিবার বাউফল থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা ভেকু মেশিন, পল্টুন, বাল্কহেড ও উত্তোলন করা মাটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, নদীর পাড় থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আটক আসামিদের আদালতে পাঠানোর হয়েছে। নদী ও ফসলি জমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে রাতের আঁধারে নদীর পাড় থেকে মাটি কাটার ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এভাবে নদীর পাড় কেটে মাটি উত্তোলন করা হলে নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের বাহেরচর বাজার এলাকায় নদীর পাড় থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাটিসহ একটি ভেকু মেশিন, পল্টুন ও বাল্কহেড জব্দ করা হয়।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাত প্রায় ১টার দিকে বাহেরচর বাজারসংলগ্ন এলাকায় নদীর পাড় থেকে মাটি কাটার সময় দুইজনকে হাতেনাতে আটক করেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তাঁদের উপস্থিতিতে জব্দ করা মাটিকাটা কাজে ব্যবহৃত ভেকু মেশিন, পল্টুন ও বাল্কহেড উদ্ধার করা হয়। আটক দুইজনকে নেওয়া হয় থানার হেফাজতে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় রবিবার বাউফল থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা ভেকু মেশিন, পল্টুন, বাল্কহেড ও উত্তোলন করা মাটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, নদীর পাড় থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আটক আসামিদের আদালতে পাঠানোর হয়েছে। নদী ও ফসলি জমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে রাতের আঁধারে নদীর পাড় থেকে মাটি কাটার ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এভাবে নদীর পাড় কেটে মাটি উত্তোলন করা হলে নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৪
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে হলুদ সোনালি বাটা (Yellow Goatfish) নামে একটি সামুদ্রিক মাছ। মঙ্গলবার গভীর রাতে এফবি জারিফ-৪ ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এটি আলিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। মাছটি স্থানীয়দেয় কাছে সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
জানা যায়, আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের মায়ের দোয়া ফিস গদিতে নিয়ে আসা হলে এর উজ্জ্বল হলুদ-সোনালি রঙ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
এর আগেও কুয়াকাটা উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে বিভিন্ন সময়ে বিরল ও ভিন্ন প্রজাতির একাধিক সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের সমৃদ্ধিরই ইঙ্গিত বহন করে।
ট্রলার মাঝি আসাদ বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এটি আমাদের জালে উঠে আসে। মাছটির রং ও গঠন অন্য মাছের চেয়ে আলাদা হওয়ায় বন্দরে আনার পর অনেক মানুষ দেখতে আসে।
মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, এত সুন্দর রঙের মাছ আগে কাছ থেকে দেখিনি। তাই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি, তবে মাছটি অনেক ছোট।
আরেক দর্শনার্থী মো. সোহেল মিয়া বলেন, কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে মাঝেমধ্যেই নতুন নতুন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। এগুলো সংরক্ষণ ও গবেষণা করা প্রয়োজন।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, হলুদ সোনালি বাটা (Upeneus sulphureus) বা গোটফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ, যা সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
তিনি বলেন, থুতনির নিচে থাকা দুটি শুঁড় (barbels) ব্যবহার করে এটি সমুদ্রের তলদেশে বালি ও কাদা খুঁড়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। এ প্রক্রিয়ায় তলদেশের পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাছটি স্থানীয় বাজার ও শুঁটকি শিল্পে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর প্রোটিনেরও একটি ভালো উৎস।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, হলুদ সোনালি বাটা আমাদের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের প্রজাতির সংরক্ষণ এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে হলুদ সোনালি বাটা (Yellow Goatfish) নামে একটি সামুদ্রিক মাছ। মঙ্গলবার গভীর রাতে এফবি জারিফ-৪ ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এটি আলিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। মাছটি স্থানীয়দেয় কাছে সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
জানা যায়, আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের মায়ের দোয়া ফিস গদিতে নিয়ে আসা হলে এর উজ্জ্বল হলুদ-সোনালি রঙ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
এর আগেও কুয়াকাটা উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে বিভিন্ন সময়ে বিরল ও ভিন্ন প্রজাতির একাধিক সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের সমৃদ্ধিরই ইঙ্গিত বহন করে।
ট্রলার মাঝি আসাদ বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এটি আমাদের জালে উঠে আসে। মাছটির রং ও গঠন অন্য মাছের চেয়ে আলাদা হওয়ায় বন্দরে আনার পর অনেক মানুষ দেখতে আসে।
মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, এত সুন্দর রঙের মাছ আগে কাছ থেকে দেখিনি। তাই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি, তবে মাছটি অনেক ছোট।
আরেক দর্শনার্থী মো. সোহেল মিয়া বলেন, কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে মাঝেমধ্যেই নতুন নতুন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। এগুলো সংরক্ষণ ও গবেষণা করা প্রয়োজন।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, হলুদ সোনালি বাটা (Upeneus sulphureus) বা গোটফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ, যা সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
তিনি বলেন, থুতনির নিচে থাকা দুটি শুঁড় (barbels) ব্যবহার করে এটি সমুদ্রের তলদেশে বালি ও কাদা খুঁড়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। এ প্রক্রিয়ায় তলদেশের পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাছটি স্থানীয় বাজার ও শুঁটকি শিল্পে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর প্রোটিনেরও একটি ভালো উৎস।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, হলুদ সোনালি বাটা আমাদের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের প্রজাতির সংরক্ষণ এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৫০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮