
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২১
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা পর পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বর্তমানে উক্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
জানা গেছে, ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে হাবিবুর রহমান তালুকদার ও কবির খান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত দুদিন আগে কবির খানের পক্ষের লোক শহীদ খানকে গ্রামের রাস্তার ওপরে প্রতিপক্ষ বেদম মারধর করে।
এ ঘটনায় গত দুদিন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গত দুদিনের উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল-সড়কি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
তুজারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওলিউর রহমান বলেন, ‘জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সরইবাড়ী গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে আমরা প্রশাসনকে অবহিত করি। পরে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’
ভাঙ্গা থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা পর পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বর্তমানে উক্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
জানা গেছে, ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে হাবিবুর রহমান তালুকদার ও কবির খান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত দুদিন আগে কবির খানের পক্ষের লোক শহীদ খানকে গ্রামের রাস্তার ওপরে প্রতিপক্ষ বেদম মারধর করে।
এ ঘটনায় গত দুদিন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গত দুদিনের উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল-সড়কি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
তুজারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওলিউর রহমান বলেন, ‘জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সরইবাড়ী গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে আমরা প্রশাসনকে অবহিত করি। পরে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’
ভাঙ্গা থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অন্তত ৩৫০ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নাজিম উদ্দিন আহমেদের ভাই রিয়াজ উদ্দিন রাজন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেন তারা। এ সময় নতুন যোগদানকারীদের ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
যোগদান অনুষ্ঠান শেষে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে একটি গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থী মাহবুব আলম, রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির নাজমুল হাসান পাটওয়ারী, রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির হাসান মাহমুদ বান্নাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৬
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অন্তত ৩৫০ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নাজিম উদ্দিন আহমেদের ভাই রিয়াজ উদ্দিন রাজন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেন তারা। এ সময় নতুন যোগদানকারীদের ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
যোগদান অনুষ্ঠান শেষে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে একটি গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থী মাহবুব আলম, রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির নাজমুল হাসান পাটওয়ারী, রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির হাসান মাহমুদ বান্নাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৩
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬