বরিশালের বানারীপাড়ার উদয়কাঠী বাজারের মুদি ও বিকাশ ব্যবসায়ী মোঃ তৈয়ব বাহাদুরের (৪৫). রশি দিয়ে গলা ও হাত বাধা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত তৈয়ব বাহাদুর উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মলুহার গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত আজাহার বাহাদুরের ছেলে।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত তিনি উদয়কাঠী বাজারে তার মুদি ও বিকাশের দোকানে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত ছিলেন।
রাত ১১টার পর দোকান বন্ধ করে দিনের লেনদেনের টাকা সঙ্গে নিয়ে তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। কিন্তু গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে না পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি যাওয়ার পথে পার্শ্ববর্তী উদয়কাঠী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বারের বাড়ির উত্তর-পশ্চিম পাশে একটি জমিতে জমে থাকা পানিতে (জলাশয়) রশি দিয়ে গলা ও পিছন দিকে (পিছমোড়া) দুহাত বাধা তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। রোববার (২২ মার্চ) ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে রহস্যজনক ও পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে মনে করছেন। তার স্ত্রী ও দুটি নাবালক ছেলে সন্তান রয়েছে। উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন উর- রশিদ স্বপন জানান শনিবার রাত ১১টার ৫/১০ মিনিট আগেও উদয়কাঠী বাজারের তৈয়বের দোকান লাগোয়া চায়ের দোকানে তৈয়ব বাহাদুরের সঙ্গে তার আলাপচারিতা হয়। রাত পৌণে চার টার দিকে স্থানীয়রা তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বাড়ি ফেরার রাস্তার পাশে জমির জলাশয়ে ব্যবসায়ী তৈয়বের লাশ পাওয়ার কথা জানালে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে রশি দিয়ে গলা ও পিছন মোড়া করা দু'হাত বাধা মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন। তৈয়বের মরদেহের পাশে তার ব্যবসায়িক
চারটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগে ত্রিশ হাজার চার শতাধিক টাকা পাওয়া গেলেও বেশী টাকা রাখার ব্যাগটি পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি। ব্যবসায়ী
তৈয়ব বাহাদুর অত্যন্ত
নম্র ও ভদ্র স্বভাবের এবং তার পরিবারের আপনজন ছিলেন জানিয়ে এ মৃত্যু রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানান সাবেক এ ইউপি চেয়ারম্যান।
এলাকাবাসীর ধারণা, দোকানের মোটা অংকের টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরিচিত একটি চক্র তার ওপর হামলা চালিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এ নির্মম ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে অজানা আতঙ্ক।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বানারীপাড়া-উজিরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) সৌমেন্দ্র কুমার বাইন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তৈয়ব বাহাদুরের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।’

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৩
দেশের প্রতিটি উপজেলায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি করে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামে বিসিসি প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরির সুযোগও সম্প্রসারিত হবে। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলায় তরুণদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে সরকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার উদ্যোগ নিয়েছে।
দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মাঠ নির্মাণ ও সংস্কারের প্রস্তাব পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘খেলাধুলা’ নামে নতুন একটি বই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, বাংলাদেশের খেলাধুলার ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয় স্থান পাবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অতিথিরা।
দেশের প্রতিটি উপজেলায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি করে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামে বিসিসি প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরির সুযোগও সম্প্রসারিত হবে। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলায় তরুণদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে সরকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার উদ্যোগ নিয়েছে।
দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মাঠ নির্মাণ ও সংস্কারের প্রস্তাব পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘খেলাধুলা’ নামে নতুন একটি বই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, বাংলাদেশের খেলাধুলার ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয় স্থান পাবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অতিথিরা।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৩
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৮
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৭
বরিশালের বানারীপাড়ার উদয়কাঠী বাজারের মুদি ও বিকাশ ব্যবসায়ী মোঃ তৈয়ব বাহাদুরের (৪৫). রশি দিয়ে গলা ও হাত বাধা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত তৈয়ব বাহাদুর উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মলুহার গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত আজাহার বাহাদুরের ছেলে।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত তিনি উদয়কাঠী বাজারে তার মুদি ও বিকাশের দোকানে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত ছিলেন।
রাত ১১টার পর দোকান বন্ধ করে দিনের লেনদেনের টাকা সঙ্গে নিয়ে তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। কিন্তু গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে না পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি যাওয়ার পথে পার্শ্ববর্তী উদয়কাঠী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বারের বাড়ির উত্তর-পশ্চিম পাশে একটি জমিতে জমে থাকা পানিতে (জলাশয়) রশি দিয়ে গলা ও পিছন দিকে (পিছমোড়া) দুহাত বাধা তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। রোববার (২২ মার্চ) ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে রহস্যজনক ও পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে মনে করছেন। তার স্ত্রী ও দুটি নাবালক ছেলে সন্তান রয়েছে। উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন উর- রশিদ স্বপন জানান শনিবার রাত ১১টার ৫/১০ মিনিট আগেও উদয়কাঠী বাজারের তৈয়বের দোকান লাগোয়া চায়ের দোকানে তৈয়ব বাহাদুরের সঙ্গে তার আলাপচারিতা হয়। রাত পৌণে চার টার দিকে স্থানীয়রা তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বাড়ি ফেরার রাস্তার পাশে জমির জলাশয়ে ব্যবসায়ী তৈয়বের লাশ পাওয়ার কথা জানালে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে রশি দিয়ে গলা ও পিছন মোড়া করা দু'হাত বাধা মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন। তৈয়বের মরদেহের পাশে তার ব্যবসায়িক
চারটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগে ত্রিশ হাজার চার শতাধিক টাকা পাওয়া গেলেও বেশী টাকা রাখার ব্যাগটি পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি। ব্যবসায়ী
তৈয়ব বাহাদুর অত্যন্ত
নম্র ও ভদ্র স্বভাবের এবং তার পরিবারের আপনজন ছিলেন জানিয়ে এ মৃত্যু রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানান সাবেক এ ইউপি চেয়ারম্যান।
এলাকাবাসীর ধারণা, দোকানের মোটা অংকের টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরিচিত একটি চক্র তার ওপর হামলা চালিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এ নির্মম ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে অজানা আতঙ্ক।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বানারীপাড়া-উজিরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) সৌমেন্দ্র কুমার বাইন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তৈয়ব বাহাদুরের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।’