
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৫
পটুয়াখালীর বাউফলে পরিত্যক্ত স্থানে ক্রিকেট খেলার সময় ক্রিকেট বল ঘরে প্রবেশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর গায়ে গরম ভাতের মাড় নিক্ষেপ করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে বাউফল পৌর শহরের উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের পাশের পরিত্যক্ত মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষার্থীর নাম মোহাম্মদ নেহাল (১৫)। সে পৌর শহরের গার্লস স্কুল সড়কের নেছার উদ্দিনের ছেলে। এতে ওই শিশুর ডান হাতের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকা বার্ন ইনস্টিটিউটে রেফার্ড করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হালিমা বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা নেছার উদ্দিন।
শিক্ষার্থীর অভিযোগ, ভূমি কার্যালয়ের পাশের পরিত্যক্ত মাঠে সহপাঠীদের সঙ্গে তারা প্রতিদিন বিকেলে ক্রিকেট খেলে। খেলা নিয়ে আগে একাধিকবার হালিমা বেগম তাদের বকাঝকা করেন।
শনিবার বিকেলে ক্রিকেট বল হালিমা বেগমের বাসার আঙিনায় ঢুকলে মোহাম্মদ নেহাল বল আনতে গেলে তার গায়ে গরম ভাতের মাড় নিক্ষেপ করেন হালিমা বেগম।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হালিমা বেগম জানান, তিনি কাউকে উদ্দেশ করে ভাতের মাড় নিক্ষেপ করেননি। ভুলবশত সেটি নেহালের হাতে লাগতে পারে।
বাউফল থানার এসআই মাসুদুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর বাউফলে পরিত্যক্ত স্থানে ক্রিকেট খেলার সময় ক্রিকেট বল ঘরে প্রবেশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর গায়ে গরম ভাতের মাড় নিক্ষেপ করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে বাউফল পৌর শহরের উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের পাশের পরিত্যক্ত মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষার্থীর নাম মোহাম্মদ নেহাল (১৫)। সে পৌর শহরের গার্লস স্কুল সড়কের নেছার উদ্দিনের ছেলে। এতে ওই শিশুর ডান হাতের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকা বার্ন ইনস্টিটিউটে রেফার্ড করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হালিমা বেগমের (৪৫) বিরুদ্ধে বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা নেছার উদ্দিন।
শিক্ষার্থীর অভিযোগ, ভূমি কার্যালয়ের পাশের পরিত্যক্ত মাঠে সহপাঠীদের সঙ্গে তারা প্রতিদিন বিকেলে ক্রিকেট খেলে। খেলা নিয়ে আগে একাধিকবার হালিমা বেগম তাদের বকাঝকা করেন।
শনিবার বিকেলে ক্রিকেট বল হালিমা বেগমের বাসার আঙিনায় ঢুকলে মোহাম্মদ নেহাল বল আনতে গেলে তার গায়ে গরম ভাতের মাড় নিক্ষেপ করেন হালিমা বেগম।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হালিমা বেগম জানান, তিনি কাউকে উদ্দেশ করে ভাতের মাড় নিক্ষেপ করেননি। ভুলবশত সেটি নেহালের হাতে লাগতে পারে।
বাউফল থানার এসআই মাসুদুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল টাইমস

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে পুকুর থেকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ব্যক্তির নাম শাকিল মৃধা (২৫)। সে মহাশ্রাদ্ধি গ্রামের হাতেম মৃধা বাড়ির মৃত ছোবহান মৃধার ছেলে। নিহতের আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা বলেন, স্থানীয় মীলঘর এলাকায় ঢাকাগামী একটি বাস কাউন্টারে টিকিট বিক্রির কাজ করতেন শাকিল। প্রায় সাত মাস আগে সে বিয়ে করে।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। দুপুরের দিকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনের পুকুরে একটি লাশ ভাসতে দেখা যায় । এ সময় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান, উদ্ধারের পর শাকিলের লাশ শনাক্ত করে পরিবারের লোকজন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে পুকুর থেকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ব্যক্তির নাম শাকিল মৃধা (২৫)। সে মহাশ্রাদ্ধি গ্রামের হাতেম মৃধা বাড়ির মৃত ছোবহান মৃধার ছেলে। নিহতের আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা বলেন, স্থানীয় মীলঘর এলাকায় ঢাকাগামী একটি বাস কাউন্টারে টিকিট বিক্রির কাজ করতেন শাকিল। প্রায় সাত মাস আগে সে বিয়ে করে।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। দুপুরের দিকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনের পুকুরে একটি লাশ ভাসতে দেখা যায় । এ সময় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান, উদ্ধারের পর শাকিলের লাশ শনাক্ত করে পরিবারের লোকজন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৯
পটুয়াখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট চৌরাস্তার মুন্সিবাড়ি এলাকায় আগুন লেগে এক ব্যবসায়ীর বসতবাড়ি পুড়ে গেছে। সোমবার সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে আগুন লাগে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কামরুল মুন্সি একজন ব্যবসায়ী এবং মিনিবাস মালিক সমিতির সদস্য। তার মালিকানাধীন যানবাহনের মধ্যে রয়েছে ‘সিহাব’ ও ‘মুবিন ক্লাসিক’ নামের মিনিবাস।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার সময় বাজার থেকে ফিরে ধোঁয়া উঠতে দেখে বাড়ির মালিক স্থানীয়দের ডাকাডাকি শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন বাড়ির পেছন দিক থেকে সামনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কামরুল মুন্সি বলেন, ‘সন্তানদের স্কুলে দিয়ে বাসায় ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। এ সময় রান্নাঘরের দিক থেকে শব্দ শুনে উঁকি দিয়ে দেখি আগুন লেগেছে। দ্রুত স্ত্রীকে নিয়ে খালি হাতে ঘর থেকে বের হয়ে যাই। এর মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। সব মালামাল পুড়ে যায়। নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. রাজিব হোসেন জানান, ‘ফোনকল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির পেছনের রান্নাঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুনে আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
পটুয়াখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট চৌরাস্তার মুন্সিবাড়ি এলাকায় আগুন লেগে এক ব্যবসায়ীর বসতবাড়ি পুড়ে গেছে। সোমবার সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে আগুন লাগে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কামরুল মুন্সি একজন ব্যবসায়ী এবং মিনিবাস মালিক সমিতির সদস্য। তার মালিকানাধীন যানবাহনের মধ্যে রয়েছে ‘সিহাব’ ও ‘মুবিন ক্লাসিক’ নামের মিনিবাস।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার সময় বাজার থেকে ফিরে ধোঁয়া উঠতে দেখে বাড়ির মালিক স্থানীয়দের ডাকাডাকি শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন বাড়ির পেছন দিক থেকে সামনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কামরুল মুন্সি বলেন, ‘সন্তানদের স্কুলে দিয়ে বাসায় ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। এ সময় রান্নাঘরের দিক থেকে শব্দ শুনে উঁকি দিয়ে দেখি আগুন লেগেছে। দ্রুত স্ত্রীকে নিয়ে খালি হাতে ঘর থেকে বের হয়ে যাই। এর মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। সব মালামাল পুড়ে যায়। নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. রাজিব হোসেন জানান, ‘ফোনকল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির পেছনের রান্নাঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুনে আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪৪
পটুয়াখালীর বাউফলে এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আয়নাবাজ কালাইয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ভুক্তভোগী রমিজ দর্জি কালাইয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
তার অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর থেকে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে স্থানীয় জামায়াত নেতা আব্দুর রব ও তসলিম মৃধার নেতৃত্বে প্রায় দেড় শতাধিক লোক রামদা, লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে রমিজ দর্জিকে খুঁজতে থাকে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। রমিজের স্ত্রী লাইজু বেগম জানান, হামলাকারীরা তার গলায় রামদা ঠেকিয়ে রমিজের খোঁজ করে এবং রগ কেটে হত্যার হুমকি দেয়।
লাইজু বেগম আরও অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীরা ঘর থেকে নগদ ২ লাখ টাকা, ২ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, একটি এলইডি টেলিভিশন ও স্মার্টফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে।
এমনকি ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ছোটখাটো আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়েছে। এর আগে নির্বাচনের আগের দিন রমিজ দর্জির বড় ছেলে রায়হানকে কুপিয়ে জখম করা হয়, তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার এ ঘটনাকে ‘মধ্যযুগীয় বর্বরতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনে জয়ের পর জামায়াত-শিবির পুরো উপজেলায় নৃশংসতা চালাচ্ছে। আমাদের দলীয় নেতার বাড়িতে হামলা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালেদুর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর আমাদের কাছে নেই। বিজয়ের পর নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ আমাদের নাম ব্যবহার করে এসব করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আয়নাবাজ কালাইয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ভুক্তভোগী রমিজ দর্জি কালাইয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
তার অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর থেকে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে স্থানীয় জামায়াত নেতা আব্দুর রব ও তসলিম মৃধার নেতৃত্বে প্রায় দেড় শতাধিক লোক রামদা, লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে রমিজ দর্জিকে খুঁজতে থাকে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। রমিজের স্ত্রী লাইজু বেগম জানান, হামলাকারীরা তার গলায় রামদা ঠেকিয়ে রমিজের খোঁজ করে এবং রগ কেটে হত্যার হুমকি দেয়।
লাইজু বেগম আরও অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীরা ঘর থেকে নগদ ২ লাখ টাকা, ২ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, একটি এলইডি টেলিভিশন ও স্মার্টফোনসহ মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে।
এমনকি ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ছোটখাটো আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়েছে। এর আগে নির্বাচনের আগের দিন রমিজ দর্জির বড় ছেলে রায়হানকে কুপিয়ে জখম করা হয়, তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার এ ঘটনাকে ‘মধ্যযুগীয় বর্বরতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনে জয়ের পর জামায়াত-শিবির পুরো উপজেলায় নৃশংসতা চালাচ্ছে। আমাদের দলীয় নেতার বাড়িতে হামলা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালেদুর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর আমাদের কাছে নেই। বিজয়ের পর নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ আমাদের নাম ব্যবহার করে এসব করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.