Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৪
সিটি ব্যাংক পিএলসি নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকটি ‘ম্যানেজমেন্ট’-এ জনবল নিয়োগ দেবে। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন এ পদে।
নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীরা প্রশিক্ষণকালীন মাসে ৮০ হাজার টাকা বেতন পাবেন। সফলভাবে এক বছরের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর প্রার্থীকে নির্বাহী কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি দিয়ে এক লাখ টাকা মাসিক বেতন দেওয়া হবে।
পদের নাম: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর
কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা
অন্যান্য সুবিধা: সিটি ব্যাংকের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী প্রযোজ্য সব সুবিধা পাওয়া যাবে
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ৩০ জুন ২০২৫
সিটি ব্যাংক পিএলসি নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকটি ‘ম্যানেজমেন্ট’-এ জনবল নিয়োগ দেবে। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন এ পদে।
নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীরা প্রশিক্ষণকালীন মাসে ৮০ হাজার টাকা বেতন পাবেন। সফলভাবে এক বছরের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর প্রার্থীকে নির্বাহী কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি দিয়ে এক লাখ টাকা মাসিক বেতন দেওয়া হবে।
পদের নাম: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর
কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা
অন্যান্য সুবিধা: সিটি ব্যাংকের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী প্রযোজ্য সব সুবিধা পাওয়া যাবে
আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ৩০ জুন ২০২৫

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৬

০৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩২
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ট্রেড-২-এর (বিশেষ পেশা) অধীনে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। ট্রেড-২ (বিশেষ পেশা)-এর পেশাসমূহ হলো কুক (মেস), কুক (ইউনিট), কুক (হাসপাতাল), ব্যান্ডসম্যান, পেইন্টার, পেইন্টার অ্যান্ড ডেকোরেটর, কার্পেন্টার ও টিন স্মিথ।
৮ মার্চ থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হবে। আবেদন করা যাবে আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম : বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
পদের নাম : সৈনিক
পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট
ট্রেড-২ (বিশেষ পেশা)-এর পেশাসমূহ : কুক (মেস), কুক (ইউনিট), কুক (হাসপাতাল), ব্যান্ডসম্যান, পেইন্টার, পেইন্টার অ্যান্ড ডেকোরেটর, কার্পেন্টার ও টিন স্মিথ।
শিক্ষাগত যোগ্যতা : এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ-২.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ। জিপিএ-৩.০০ ও ততোধিক জিপিএপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে ট্রেড-১-এ স্থানান্তরের সুযোগ রয়েছে।
পেশাগত যোগ্যতা : ১. কুক পেশায় যোগদানে আগ্রহী প্রার্থীদের রান্নায় পারদর্শী হতে হবে। ২. ব্যান্ডসম্যান পেশার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রে (ড্রাম, ব্রাসব্যান্ড ক্ল্যারিনেট, ব্যাগ পাইপ, ট্রামপেট ইত্যাদি) পারদর্শী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ৩. পেইন্টার/পেইন্টার অ্যান্ড ডেকোরেটর পেশায় যোগদানে আগ্রহী প্রার্থীদের পেইন্টিং কাজের ওপর পারদর্শী হতে হবে। ৪. কার্পেন্টার পেশায় যোগদানে আগ্রহী প্রার্থীদের কাঠমিস্ত্রির কাজে পারদর্শী হতে হবে। ৫. টিন স্মিথ পেশায় যোগদানে আগ্রহী প্রার্থীদের ঝালাই কাজে পারদর্শী হতে হবে।
আবেদন ফি : ৩০০ টাকা (ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০ টাকা এবং অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ১০০ টাকা)
আবেদন যেভাবে : আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৩:০৩
বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামে অবস্থিত ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র দারুল উলূম হোসাইনিয়া কওমিয়া কেরাতিয়া মাদরাসা। স্থানীয়ভাবে মাদরাসাটি সলিয়াবাকপুর কেরাতিয়া মাদরাসা নামে অধিক পরিচিত। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাটি সম্প্রতি প্রতিষ্ঠার ৭৭ বছর পূর্ণ করেছে। বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট সংস্কারক, ইসলামী শিক্ষা সংগঠক ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব শাহ সুফী আরেফ আলী মুনশী রহ. (মৃত্যু ১৯৭৮ খ্রি.) মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে বৃটিশ ভারতের নিপীড়িত মুসলিম সমাজের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর রূপে ভারতের উত্তর প্রদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বখ্যাত দারুল উলূম দেওবন্দ। তৎকালীন বৃটিশ ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠী ছিল সামাজিক ও ধর্মীয় আগ্রাসনের শিকার। মুসলমানদের দুর্দশা লাঘবের পাশাপাশি উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে দারুল উলূম দেওবন্দ অসামান্য অবদান রাখে। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে দেওবন্দী আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে সলিয়াবাকপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় দারুল উলূম হোসাইনিয়া কওমিয়া কেরাতিয়া মাদরাসা। এটি বরিশাল বিভাগের অন্যতম ঐতিহ্যাবাহী কওমি মাদরাসা। এর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন সমাজে ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিস্তার, তরুণদের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক চেতনায় গড়ে তোলা এবং ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার ঘটানো।
২০২৩ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্ণ করে। এ উপলক্ষ্যে ‘দারুল উলূম হোসাইনিয়া কওমিয়া কেরাতিয়া মাদরাসা: ইতিহাস ঐতিহ্যের পঁচাত্তর বছর’ শিরোনামে একটি বই প্রকাশিত হয়।
প্রাথমিক পর্যায়ে কেরাত বিভাগ দিয়ে এর যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এখানে নূরানী তথা প্রাথমিক শিক্ষা, মকতব, হিফজ বিভাগ ও কিতাব বিভাগ (মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর) চালু আছে।’
আজ বরিশাল প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হয়ে আমি মোঃ মানিক সরদার, পিতা- কাদের আলী সরদার ঠিকানা- ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, বরিশাল, আমার বিরুদ্ধে করা একটি মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। জনমনে বিভ্রান্তি দূর করতে প্রকৃত সত্য নিচে তুলে ধরা হলো: মূল ঘটনা:
আমি দীর্ঘ দিন যাবৎ নগরীর চাঁদমারি এলাকায় সততার সাথে ব্যবসা করে আসছি। আমার প্রতিবেশী লিন্ডা কলি সরকার এবং তার স্বামী জেমস প্রান্তোষ পাড়ৈ-এর সাথে পারিবারিক ও ব্যবসায়িক সুসম্পর্ক ছিল। এই সুসম্পর্কের সূত্র ধরে জেমস বিভিন্ন সময় ব্যবসায়িক প্রয়োজনে আমার কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন এবং সময়মতো পরিশোধ করতেন।
বিগত ২০২৪ সালে উজিরপুরের সাতলায় একটি মাছের ঘের লিজ নেওয়ার কথা বলে জেমস প্রান্তোষ পাড়ৈ এবং তার স্ত্রী লিন্ডা কলি সরকার আমার কাছ থেকে বড় অংকের টাকা ধার চান। তাদের পূর্বের বিশ্বস্ততা বিবেচনা করে আমি বিভিন্ন ধাপে স্ট্যাম্প এবং চেকের মাধ্যমে মোট ৪৭,৫৯,০০০/- (সাতচল্লিশ লক্ষ ঊনষাট হাজার) টাকা ধার দেই। তারিখগুলো হলো:
১. ১৪/০৪/২০২৪: নগদ ১৩,০০,০০০/- (তের লক্ষ) টাকা।
২. ৩০/০৭/২০২৪: আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা।
৩. ৩০/০৭/২০২৫: নগদ ১২,০০,০০০/- (বার লক্ষ) টাকা।
৪. ৩০/০৮/২০২৫: নগদ ২,৪৯,০০০/- (দুই লক্ষ ঊনপঞ্চাশ হাজার) টাকা।
পরবর্তীতে ২৭/০৩/২০২৫ তারিখে তারা আমাকে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা ফেরত দেন। বর্তমানে তাদের কাছে আমার পাওনা দাঁড়িয়েছে ৪৫,৫৯,০০০/- (পঁয়তাল্লিশ লক্ষ ঊনষাট হাজার) টাকা।
মিথ্যা অপপ্রচারের উদ্দেশ্য:
জেমস প্রান্তোষ পাড়ৈ সরকারি স্ট্যাম্প ও একটি চেক প্রদান করে। আগামী ৩০/০৯/২০২৫ তারিখের মধ্যে এই টাকা পরিশোধের অঙ্গীকার করেছিলেন কিন্তু দুঃখের বিষয় একটি দুর্ঘটনায় জেমস প্রান্তোষ পাড়ৈ বরণ করে পরবর্তীতে আমি খ্রিস্টান ধর্মের মোড়ল ব্যক্তিদের আমার টাকা পয়সা লেনদেনের কথা জানাই তারা আমাকে আশ্বস্ত করে মৃত ব্যক্তিকে দাপনের পরে আমার টাকা পয়সার ব্যাপার নিয়ে বসা হবে। বিগত ৪১ দিন যাবৎ তারা আমাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘোরাতে থাকে। পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে আমি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, সেই সালিশিতেও বিবাদীর ওয়ারিশগণ আমার পাওনা টাকা পরিশোধ করতে অস্বীকার করে। এমতাবস্থায়, নিজের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কোনো উপায় না দেখে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি। সবাইকে বিনীতভাবে জানাতে চাই যে, লিন্ডা কলি সরকার ও তাঁর সংশ্লিষ্টদের কাছে আমার পাওনা টাকা উদ্ধারের লক্ষ্যে আমি প্রথমে আইনি নোটিশ পাঠাই। কিন্তু তারা কোনো সুষ্ঠু সমাধান না দিয়ে উল্টো পাওনা টাকার বিষয়টি অস্বীকার করে। এই পরিস্থিতিতে আমি বাধ্য হয়ে বরিশাল ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে আইনানুযায়ী মামলা দায়ের করি (মামলা নং-০১/২০২৬
বর্তমানে মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন। আমি মানিক সরদার, অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, জনৈক লিন্ডা কলি সরকার আমার পাওনা টাকা পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে বর্তমানে বিভিন্ন মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যেখানে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রকৃত সত্য এই যে, আমি নিরুপায় হয়ে উক্ত পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য বিজ্ঞ ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালত, বরিশালে একটি মামলা দায়ের করেছি (যার প্রক্রিয়া চলমান)। যেহেতু বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন, সেহেতু আদালত চলাকালীন সময়ে আমার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করা কেবল আমার মানহানিই নয়, বরং সরাসরি আদালত অবমাননার সামিল।
আমি আমার পরিবারের সাথে আলোচনা করেছি এবং এই পরিকল্পিত মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে ও আমার সম্মান রক্ষার্থে খুব শীঘ্রই যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করবো সত্য ঘটনা পার্থ প্রমান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করুন অন্যথায় আমার মানহানি হলে আমি কিন্তু আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব। অথচ লিন্ডা কলি সরকার একজন প্রকৃত প্রতারকের মতো আমার পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এমনকি তিনি সম্মানিত সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট, যা আমার জন্য মানহানিকর।
যেহেতু বিষয়টি এখন বিজ্ঞ আদালতের এখতিয়ারাধীন (Sub-judice), তাই এই অবস্থায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল। আমি মানিক সরদার, আমার পরিবারের সাথে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে—আমার বিরুদ্ধে আনা এসব মিথ্যা অভিযোগ এবং মানহানিকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমি খুব শীঘ্রই কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
আমি সত্যের পথে অবিচল এবং আদালতের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। কিন্তু পাওনা টাকা পরিশোধ না করার হীন উদ্দেশ্যে এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে তারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়েছে।
আমি উক্ত ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি তথ্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যারা প্রমাণ ছাড়াই মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রশাসন এবং সংবাদকর্মীদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, প্রকৃত দালিলিক প্রমাণ যাচাই করে সত্য তুলে ধরুন।
বিনীত,
মোঃ মানিক সরদার
ব্যবসায়ী, চাঁদমারি, বরিশাল
আজ বরিশাল প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হয়ে আমি মোঃ মানিক সরদার, পিতা- কাদের আলী সরদার ঠিকানা- ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, বরিশাল, আমার বিরুদ্ধে করা একটি মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। জনমনে বিভ্রান্তি দূর করতে প্রকৃত সত্য নিচে তুলে ধরা হলো: মূল ঘটনা:
আমি দীর্ঘ দিন যাবৎ নগরীর চাঁদমারি এলাকায় সততার সাথে ব্যবসা করে আসছি। আমার প্রতিবেশী লিন্ডা কলি সরকার এবং তার স্বামী জেমস প্রান্তোষ পাড়ৈ-এর সাথে পারিবারিক ও ব্যবসায়িক সুসম্পর্ক ছিল। এই সুসম্পর্কের সূত্র ধরে জেমস বিভিন্ন সময় ব্যবসায়িক প্রয়োজনে আমার কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন এবং সময়মতো পরিশোধ করতেন।
বিগত ২০২৪ সালে উজিরপুরের সাতলায় একটি মাছের ঘের লিজ নেওয়ার কথা বলে জেমস প্রান্তোষ পাড়ৈ এবং তার স্ত্রী লিন্ডা কলি সরকার আমার কাছ থেকে বড় অংকের টাকা ধার চান। তাদের পূর্বের বিশ্বস্ততা বিবেচনা করে আমি বিভিন্ন ধাপে স্ট্যাম্প এবং চেকের মাধ্যমে মোট ৪৭,৫৯,০০০/- (সাতচল্লিশ লক্ষ ঊনষাট হাজার) টাকা ধার দেই। তারিখগুলো হলো:
১. ১৪/০৪/২০২৪: নগদ ১৩,০০,০০০/- (তের লক্ষ) টাকা।
২. ৩০/০৭/২০২৪: আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা।
৩. ৩০/০৭/২০২৫: নগদ ১২,০০,০০০/- (বার লক্ষ) টাকা।
৪. ৩০/০৮/২০২৫: নগদ ২,৪৯,০০০/- (দুই লক্ষ ঊনপঞ্চাশ হাজার) টাকা।
পরবর্তীতে ২৭/০৩/২০২৫ তারিখে তারা আমাকে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা ফেরত দেন। বর্তমানে তাদের কাছে আমার পাওনা দাঁড়িয়েছে ৪৫,৫৯,০০০/- (পঁয়তাল্লিশ লক্ষ ঊনষাট হাজার) টাকা।
মিথ্যা অপপ্রচারের উদ্দেশ্য:
জেমস প্রান্তোষ পাড়ৈ সরকারি স্ট্যাম্প ও একটি চেক প্রদান করে। আগামী ৩০/০৯/২০২৫ তারিখের মধ্যে এই টাকা পরিশোধের অঙ্গীকার করেছিলেন কিন্তু দুঃখের বিষয় একটি দুর্ঘটনায় জেমস প্রান্তোষ পাড়ৈ বরণ করে পরবর্তীতে আমি খ্রিস্টান ধর্মের মোড়ল ব্যক্তিদের আমার টাকা পয়সা লেনদেনের কথা জানাই তারা আমাকে আশ্বস্ত করে মৃত ব্যক্তিকে দাপনের পরে আমার টাকা পয়সার ব্যাপার নিয়ে বসা হবে। বিগত ৪১ দিন যাবৎ তারা আমাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘোরাতে থাকে। পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে আমি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, সেই সালিশিতেও বিবাদীর ওয়ারিশগণ আমার পাওনা টাকা পরিশোধ করতে অস্বীকার করে। এমতাবস্থায়, নিজের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কোনো উপায় না দেখে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি। সবাইকে বিনীতভাবে জানাতে চাই যে, লিন্ডা কলি সরকার ও তাঁর সংশ্লিষ্টদের কাছে আমার পাওনা টাকা উদ্ধারের লক্ষ্যে আমি প্রথমে আইনি নোটিশ পাঠাই। কিন্তু তারা কোনো সুষ্ঠু সমাধান না দিয়ে উল্টো পাওনা টাকার বিষয়টি অস্বীকার করে। এই পরিস্থিতিতে আমি বাধ্য হয়ে বরিশাল ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে আইনানুযায়ী মামলা দায়ের করি (মামলা নং-০১/২০২৬
বর্তমানে মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন। আমি মানিক সরদার, অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, জনৈক লিন্ডা কলি সরকার আমার পাওনা টাকা পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে বর্তমানে বিভিন্ন মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যেখানে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রকৃত সত্য এই যে, আমি নিরুপায় হয়ে উক্ত পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য বিজ্ঞ ১ম যুগ্ম জেলা জজ আদালত, বরিশালে একটি মামলা দায়ের করেছি (যার প্রক্রিয়া চলমান)। যেহেতু বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন, সেহেতু আদালত চলাকালীন সময়ে আমার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করা কেবল আমার মানহানিই নয়, বরং সরাসরি আদালত অবমাননার সামিল।
আমি আমার পরিবারের সাথে আলোচনা করেছি এবং এই পরিকল্পিত মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে ও আমার সম্মান রক্ষার্থে খুব শীঘ্রই যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করবো সত্য ঘটনা পার্থ প্রমান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করুন অন্যথায় আমার মানহানি হলে আমি কিন্তু আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব। অথচ লিন্ডা কলি সরকার একজন প্রকৃত প্রতারকের মতো আমার পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এমনকি তিনি সম্মানিত সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট, যা আমার জন্য মানহানিকর।
যেহেতু বিষয়টি এখন বিজ্ঞ আদালতের এখতিয়ারাধীন (Sub-judice), তাই এই অবস্থায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল। আমি মানিক সরদার, আমার পরিবারের সাথে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে—আমার বিরুদ্ধে আনা এসব মিথ্যা অভিযোগ এবং মানহানিকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমি খুব শীঘ্রই কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
আমি সত্যের পথে অবিচল এবং আদালতের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। কিন্তু পাওনা টাকা পরিশোধ না করার হীন উদ্দেশ্যে এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে তারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়েছে।
আমি উক্ত ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলনের প্রতিটি তথ্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যারা প্রমাণ ছাড়াই মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রশাসন এবং সংবাদকর্মীদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, প্রকৃত দালিলিক প্রমাণ যাচাই করে সত্য তুলে ধরুন।
বিনীত,
মোঃ মানিক সরদার
ব্যবসায়ী, চাঁদমারি, বরিশাল
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ট্রেড-২-এর (বিশেষ পেশা) অধীনে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। ট্রেড-২ (বিশেষ পেশা)-এর পেশাসমূহ হলো কুক (মেস), কুক (ইউনিট), কুক (হাসপাতাল), ব্যান্ডসম্যান, পেইন্টার, পেইন্টার অ্যান্ড ডেকোরেটর, কার্পেন্টার ও টিন স্মিথ।
৮ মার্চ থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হবে। আবেদন করা যাবে আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম : বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
পদের নাম : সৈনিক
পদসংখ্যা : অনির্দিষ্ট
ট্রেড-২ (বিশেষ পেশা)-এর পেশাসমূহ : কুক (মেস), কুক (ইউনিট), কুক (হাসপাতাল), ব্যান্ডসম্যান, পেইন্টার, পেইন্টার অ্যান্ড ডেকোরেটর, কার্পেন্টার ও টিন স্মিথ।
শিক্ষাগত যোগ্যতা : এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ-২.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ। জিপিএ-৩.০০ ও ততোধিক জিপিএপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে ট্রেড-১-এ স্থানান্তরের সুযোগ রয়েছে।
পেশাগত যোগ্যতা : ১. কুক পেশায় যোগদানে আগ্রহী প্রার্থীদের রান্নায় পারদর্শী হতে হবে। ২. ব্যান্ডসম্যান পেশার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রে (ড্রাম, ব্রাসব্যান্ড ক্ল্যারিনেট, ব্যাগ পাইপ, ট্রামপেট ইত্যাদি) পারদর্শী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ৩. পেইন্টার/পেইন্টার অ্যান্ড ডেকোরেটর পেশায় যোগদানে আগ্রহী প্রার্থীদের পেইন্টিং কাজের ওপর পারদর্শী হতে হবে। ৪. কার্পেন্টার পেশায় যোগদানে আগ্রহী প্রার্থীদের কাঠমিস্ত্রির কাজে পারদর্শী হতে হবে। ৫. টিন স্মিথ পেশায় যোগদানে আগ্রহী প্রার্থীদের ঝালাই কাজে পারদর্শী হতে হবে।
আবেদন ফি : ৩০০ টাকা (ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ ২০০ টাকা এবং অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ১০০ টাকা)
আবেদন যেভাবে : আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামে অবস্থিত ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র দারুল উলূম হোসাইনিয়া কওমিয়া কেরাতিয়া মাদরাসা। স্থানীয়ভাবে মাদরাসাটি সলিয়াবাকপুর কেরাতিয়া মাদরাসা নামে অধিক পরিচিত। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাটি সম্প্রতি প্রতিষ্ঠার ৭৭ বছর পূর্ণ করেছে। বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট সংস্কারক, ইসলামী শিক্ষা সংগঠক ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব শাহ সুফী আরেফ আলী মুনশী রহ. (মৃত্যু ১৯৭৮ খ্রি.) মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে বৃটিশ ভারতের নিপীড়িত মুসলিম সমাজের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর রূপে ভারতের উত্তর প্রদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বখ্যাত দারুল উলূম দেওবন্দ। তৎকালীন বৃটিশ ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠী ছিল সামাজিক ও ধর্মীয় আগ্রাসনের শিকার। মুসলমানদের দুর্দশা লাঘবের পাশাপাশি উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে দারুল উলূম দেওবন্দ অসামান্য অবদান রাখে। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে দেওবন্দী আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে সলিয়াবাকপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় দারুল উলূম হোসাইনিয়া কওমিয়া কেরাতিয়া মাদরাসা। এটি বরিশাল বিভাগের অন্যতম ঐতিহ্যাবাহী কওমি মাদরাসা। এর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন সমাজে ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিস্তার, তরুণদের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক চেতনায় গড়ে তোলা এবং ইসলামী মূল্যবোধের প্রসার ঘটানো।
২০২৩ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্ণ করে। এ উপলক্ষ্যে ‘দারুল উলূম হোসাইনিয়া কওমিয়া কেরাতিয়া মাদরাসা: ইতিহাস ঐতিহ্যের পঁচাত্তর বছর’ শিরোনামে একটি বই প্রকাশিত হয়।
প্রাথমিক পর্যায়ে কেরাত বিভাগ দিয়ে এর যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এখানে নূরানী তথা প্রাথমিক শিক্ষা, মকতব, হিফজ বিভাগ ও কিতাব বিভাগ (মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর) চালু আছে।’