নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর ভাটারা ও উত্তরা পশ্চিম থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপারেটরের ৫১,২৫১টি সিম, ৫১টি মোবাইল ফোন, ২১টি ভিওআইপি গেটওয়ে সামগ্রী উদ্ধার এবং পাঁচ চীনা নাগরিকসহ টেলিগ্রাম প্রতারক চক্রের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চেন লিং ফেং (Chen Ling Feng), জেং কং (Zeng Cong), জেং চাংকিয়াং (Zeng Changqiang), ওয়েন জিয়ান কিউ (Wen Xian Qiu), হুয়াং ঝেং জিয়াং (Huang Zheng Xiang), মো. জাকারিয়া (২৬) নিয়াজ মাসুম (২০) কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয় (৩৮)।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিসি মিডিয়া) তালেবুর রহমান এ তথ্য জানান। ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম অনলাইনে জব সংক্রান্ত প্রতারণা, টেলিগ্রাম গ্রুপের প্রতারণাসহ বিভিন্ন প্রতারণা সংক্রান্তে ডিএমপি, ডিবি সাইবার সাপোর্ট সেন্টার ও ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ থেকে পাওয়া অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে রাজধানীতে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতারক চক্রের সন্ধান পায়।
ওই প্রতারক চক্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগরীর ভাটারা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারণায় জড়িত মো. নিয়াজ মাসুম ও কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয়কে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে অনলাইনে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১৪টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, বিভিন্ন অপারেটরের সর্বমোট ৫১ হাজার ৬৭টি সিম, চারটি মোবাইল ফোন, দুইটি সিপিইউ, একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
মামলাটির নিবিড় তদন্তে জানা যায়- রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের আরও অনলাইন প্রতারক চক্র রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ০৯ নম্বর সেক্টর থেকে পাঁচজন বিদেশি নাগরিকসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে অনলাইন প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত সাতটি অবৈধ ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৪৭টি মোবাইল, বিভিন্ন অপারেটরের ১৮৪টি সিম, পাঁচটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
ডিবি সাইবার সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত প্রতারকরা কখনো চাকরি দেওয়ার নামে, কখনো ভালো মুনাফায় বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে বা কখনো নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সস্তায় সরবরাহের চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিত। গ্রেপ্তারকৃত নিয়াজ ও হাসান জয়কে আগেই আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০২
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৭
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: রাজধানীর ভাটারা ও উত্তরা পশ্চিম থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপারেটরের ৫১,২৫১টি সিম, ৫১টি মোবাইল ফোন, ২১টি ভিওআইপি গেটওয়ে সামগ্রী উদ্ধার এবং পাঁচ চীনা নাগরিকসহ টেলিগ্রাম প্রতারক চক্রের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চেন লিং ফেং (Chen Ling Feng), জেং কং (Zeng Cong), জেং চাংকিয়াং (Zeng Changqiang), ওয়েন জিয়ান কিউ (Wen Xian Qiu), হুয়াং ঝেং জিয়াং (Huang Zheng Xiang), মো. জাকারিয়া (২৬) নিয়াজ মাসুম (২০) কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয় (৩৮)।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিসি মিডিয়া) তালেবুর রহমান এ তথ্য জানান। ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম অনলাইনে জব সংক্রান্ত প্রতারণা, টেলিগ্রাম গ্রুপের প্রতারণাসহ বিভিন্ন প্রতারণা সংক্রান্তে ডিএমপি, ডিবি সাইবার সাপোর্ট সেন্টার ও ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ থেকে পাওয়া অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে রাজধানীতে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতারক চক্রের সন্ধান পায়।
ওই প্রতারক চক্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগরীর ভাটারা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারণায় জড়িত মো. নিয়াজ মাসুম ও কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয়কে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে অনলাইনে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১৪টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, বিভিন্ন অপারেটরের সর্বমোট ৫১ হাজার ৬৭টি সিম, চারটি মোবাইল ফোন, দুইটি সিপিইউ, একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
মামলাটির নিবিড় তদন্তে জানা যায়- রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের আরও অনলাইন প্রতারক চক্র রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ০৯ নম্বর সেক্টর থেকে পাঁচজন বিদেশি নাগরিকসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে অনলাইন প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত সাতটি অবৈধ ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৪৭টি মোবাইল, বিভিন্ন অপারেটরের ১৮৪টি সিম, পাঁচটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
ডিবি সাইবার সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত প্রতারকরা কখনো চাকরি দেওয়ার নামে, কখনো ভালো মুনাফায় বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে বা কখনো নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সস্তায় সরবরাহের চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিত। গ্রেপ্তারকৃত নিয়াজ ও হাসান জয়কে আগেই আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৪
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১