
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২০
ঝালকাঠি-১ আসনে ভোটারদের নজর এখন ডা. মাহমুদা আলম মিতুর দিকে। বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপির একমাত্র নারী প্রার্থী তিনি। পিরোজপুরে দলটির আরেকজন প্রার্থী থাকলেও শুরু থেকেই মিতুর উপস্থিতি রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
তবে ভোটের আগেই জোটের সমর্থন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ এই আসনে ইসলামপন্থী জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের প্রার্থীও রয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, মিতু ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ালে বরিশালে এনসিপির রাজনৈতিক উপস্থিতি প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তাই ঝালকাঠি-১-এর লড়াই এখন শুধু মিতুর নয়, বরং এনসিপির টিকে থাকার লড়াইও হয়ে উঠেছে।
বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা ড. ফয়জুল হক এখন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন। জামায়াত তাদের পূর্ব ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।
ফয়জুল হক ঝালকাঠীর পীর এ কামেল কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় ইসলামপন্থীরা এই আসনে তাঁকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ কেবল প্রার্থীই নয়, জোটের সমর্থনের ওপরও কেন্দ্রীভূত। সবার একটাই প্রশ্ন- ইসলামপন্থী জোটের চূড়ান্ত সমর্থন কে পাবেন, ড. ফয়জুল নাকি ডা. মিতু?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলছেন, নীতিগত কারণেই এই আসনে ফয়জুল হককে দলীয় সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামপন্থী দলের একাধিক শীর্ষ নেতাদের ভাষ্য, ফয়জুল হক কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় তারা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপি ছেড়ে আসার কারণে ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
ড. ফয়জুল হক বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ আগস্ট দেশে ফেরার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও বিএনপি মনোনয়ন না দিলে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
পরে জামায়াত তাঁকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়।
ফয়জুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান এবং কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি। গত ১৬ বছর ধরে তিনি অনলাইন টকশো, লেখালেখি ও মাঠপর্যায়ে অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ফয়জুল বলেন, মালয়েশিয়ায় বিএনপির দলীয় পদ থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান। কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সরকার গঠন সম্ভব।’
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি এনসিপির ডেপুটি চিফ অরগানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জোটবদ্ধ নির্বাচনের পরও ইসলামী দলগুলোর নেতারা তাঁকে পুরুষ প্রার্থীর তুলনায় বেশি সময় ও সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
মিতু বলেন, ‘এটি নারী হিসেবে আমার ন্যায্য সম্মান ও সমর্থন।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী লড়াই আমাকে শুধু ভোটের রাজনীতি শেখায়নি, মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বও বুঝিয়েছে।’
শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মিতু বলেন, বিষয়টি এখন এনসিপির একার নয়। কারণ ভোটে এনসিপি জোট করেছে। এনসিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১টি আসনের একটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে।
মিতু আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে কাজ করে আসছি। এখন নিয়মিত অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালাই। জোট যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটেই মেনে নেব।
এদিকে, ঝালকাঠি-১ আসনে এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি থেকে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে ইব্রাহীমসহ ৯ জন। ভোটের মাঠে এখন শুরু হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
জামায়াতের ফয়জুল নাকি এনসিপির ডা. মিতু- কে জোটের সমর্থন পাচ্ছেন, সেই দিকেই নজর ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কারণ পিরোজপুর-৩ আসনে এনসিপির প্রাথী মো শামীম হামিদীর অবস্থান তেমন একটা ভালো নয় বলে মনে করছে অনেকে।
ঝালকাঠি-১ আসনে ভোটারদের নজর এখন ডা. মাহমুদা আলম মিতুর দিকে। বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপির একমাত্র নারী প্রার্থী তিনি। পিরোজপুরে দলটির আরেকজন প্রার্থী থাকলেও শুরু থেকেই মিতুর উপস্থিতি রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
তবে ভোটের আগেই জোটের সমর্থন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ এই আসনে ইসলামপন্থী জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের প্রার্থীও রয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, মিতু ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ালে বরিশালে এনসিপির রাজনৈতিক উপস্থিতি প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তাই ঝালকাঠি-১-এর লড়াই এখন শুধু মিতুর নয়, বরং এনসিপির টিকে থাকার লড়াইও হয়ে উঠেছে।
বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা ড. ফয়জুল হক এখন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন। জামায়াত তাদের পূর্ব ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।
ফয়জুল হক ঝালকাঠীর পীর এ কামেল কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় ইসলামপন্থীরা এই আসনে তাঁকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ কেবল প্রার্থীই নয়, জোটের সমর্থনের ওপরও কেন্দ্রীভূত। সবার একটাই প্রশ্ন- ইসলামপন্থী জোটের চূড়ান্ত সমর্থন কে পাবেন, ড. ফয়জুল নাকি ডা. মিতু?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলছেন, নীতিগত কারণেই এই আসনে ফয়জুল হককে দলীয় সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামপন্থী দলের একাধিক শীর্ষ নেতাদের ভাষ্য, ফয়জুল হক কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় তারা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপি ছেড়ে আসার কারণে ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
ড. ফয়জুল হক বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ আগস্ট দেশে ফেরার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও বিএনপি মনোনয়ন না দিলে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
পরে জামায়াত তাঁকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়।
ফয়জুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান এবং কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি। গত ১৬ বছর ধরে তিনি অনলাইন টকশো, লেখালেখি ও মাঠপর্যায়ে অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ফয়জুল বলেন, মালয়েশিয়ায় বিএনপির দলীয় পদ থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান। কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সরকার গঠন সম্ভব।’
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি এনসিপির ডেপুটি চিফ অরগানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জোটবদ্ধ নির্বাচনের পরও ইসলামী দলগুলোর নেতারা তাঁকে পুরুষ প্রার্থীর তুলনায় বেশি সময় ও সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
মিতু বলেন, ‘এটি নারী হিসেবে আমার ন্যায্য সম্মান ও সমর্থন।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী লড়াই আমাকে শুধু ভোটের রাজনীতি শেখায়নি, মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বও বুঝিয়েছে।’
শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মিতু বলেন, বিষয়টি এখন এনসিপির একার নয়। কারণ ভোটে এনসিপি জোট করেছে। এনসিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১টি আসনের একটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে।
মিতু আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে কাজ করে আসছি। এখন নিয়মিত অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালাই। জোট যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটেই মেনে নেব।
এদিকে, ঝালকাঠি-১ আসনে এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি থেকে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে ইব্রাহীমসহ ৯ জন। ভোটের মাঠে এখন শুরু হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
জামায়াতের ফয়জুল নাকি এনসিপির ডা. মিতু- কে জোটের সমর্থন পাচ্ছেন, সেই দিকেই নজর ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কারণ পিরোজপুর-৩ আসনে এনসিপির প্রাথী মো শামীম হামিদীর অবস্থান তেমন একটা ভালো নয় বলে মনে করছে অনেকে।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানগুলোর সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সম্মুখ সড়কের পাশে অবস্থিত দোকানগুলোতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, রাত দেড়টার দিকে ‘রাজিব স্টোর’-এ আগুন জ্বলতে দেখে তারা দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় মুহূর্তের মধ্যে তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। কিন্তু ততক্ষণে দোকানগুলোর সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে একটি মুদি দোকান এবং বাকি পাঁচটি টি-স্টল ছিল।
আগুনে সবকিছু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানান।
রাজিব স্টোরের স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন বলেন, “আসন্ন রমজান উপলক্ষে দোকানে অনেক টাকার মালামাল ছিল। কিছুই রক্ষা করতে পারলাম না। অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। জানি না কিভাবে আগুন লাগলো। সব পুড়ে গেছে, কিছুই অবশিষ্ট নেই।” এ কথা বলতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
নলছিটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মফিজুর রহমান জানান, “আমরা রাত ১টার পরে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছি এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।”
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানগুলোর সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীদের আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সম্মুখ সড়কের পাশে অবস্থিত দোকানগুলোতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, রাত দেড়টার দিকে ‘রাজিব স্টোর’-এ আগুন জ্বলতে দেখে তারা দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় মুহূর্তের মধ্যে তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। কিন্তু ততক্ষণে দোকানগুলোর সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে একটি মুদি দোকান এবং বাকি পাঁচটি টি-স্টল ছিল।
আগুনে সবকিছু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানান।
রাজিব স্টোরের স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন বলেন, “আসন্ন রমজান উপলক্ষে দোকানে অনেক টাকার মালামাল ছিল। কিছুই রক্ষা করতে পারলাম না। অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। জানি না কিভাবে আগুন লাগলো। সব পুড়ে গেছে, কিছুই অবশিষ্ট নেই।” এ কথা বলতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
নলছিটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মফিজুর রহমান জানান, “আমরা রাত ১টার পরে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছি এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।”

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০০
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু ফুসফুসের সংক্রমণসহ কিছু জটিলতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইতোমধ্যে তার জরুরি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডা. মাহমুদা মিতুর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য জানান তার স্বামী। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কিছু জরুরি বিষয় জানাচ্ছি।
আমার স্ত্রী ডা. মাহমুদা মিতুর গত ২৩ তারিখ হঠাৎ গাইনোকোলজিকাল ইমার্জেন্সি দেখা দেওয়ায় জরুরি অপারেশন করতে হয়েছে। অপারেশনের পূর্বে তিনি প্রায় শক অবস্থায় ছিলেন এবং পেটের ভিতরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই দৌড়ে এসে রক্ত দিয়ে গেছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহায়তা, আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় সেই কঠিন সংকট সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
তবে অপারেশনের পর কিছু জটিলতা দেখা দেয়। বর্তমানে অপারেশনজনিত সমস্যা না থাকলেও পোস্ট-অপারেটিভ ফুসফুসের সংক্রমণসহ আরও কিছু জটিলতার কারণে তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সেপটিসেমিয়ার ফিচারসহ, ডি ডাইমার, লিভার এনজাইম, সি আর পি, WBC সব প্যারামিটার রেইজসড সাথে নিউট্রোফিলিয়া। নতুন করে হাই ডায়বেটিক (অন ইন্সুলিন) অবস্থায় আছে। অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়া তার এখনো স্যাচুরেশন ফল করছে, তবে যেগুলো বেশি ছিল সেগুলো এখন কমে আসছে, আজকে শুধু WBC বেড়েছে।
এই সকল প্যারামিটার রেইজ যেহেতু এবং বর্তমানে তার ফুসফুস আক্রান্ত, তাই আপাতত কোনো ভিজিটর অনুমোদন করা হচ্ছে না, বিষয়টি সবাই সহানুভূতির সাথে গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।
দুদিন আগে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা আপাতত সেই কঠিন সময় অতিক্রম করতে পেরেছি, তবে এখনও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নন। চিকিৎসকরা ধারণা করছেন আরও ৪/৫ দিন সময় লাগতে পারে।
পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গত কয়েকদিন তার অনলাইনে অনুপস্থিতি দেখে আপনাদের শত শত কল ও বার্তা এবং এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীদের উদ্বিগ্ন যোগাযোগের কারণে বিষয়টি জানানোকে দায়িত্ব মনে করেছি।
অনেকে হাসপাতালের ঠিকানা জানতে চেয়েছেন। তিনি পাশ করার পর প্রায় ৯ বছর যে গাইনি ক্লিনিকে কাজ করেছেন, সেটিকেই তিনি নিজের দ্বিতীয় ঘর মনে করেন। আমি ঢাকা মেডিকেলে ডিউটিরত থাকার সময়ও তিনি নিজ সিদ্ধান্তে সেখানে ভর্তি হয়েছেন। তার কমফোর্ট জোন বিবেচনায় আমরা তাকে সেখানেই রেখেছি।
গত ২২-২৩ তারিখ থেকেই তিনি অনেক বেশি শারীরিক কষ্ট পেয়েছেন। আমি দেশবাসীর কাছে আমার স্ত্রীর জন্য আন্তরিক দোয়া প্রার্থনা করছি। তার কথা বা অবস্থানের কারণে যদি কেউ কোনোভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমার বাচ্চারা, আমরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে এই মুহূর্তে কিছুটা ভঙ্গুর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
পবিত্র রমযান মাসের বরকতময় সময়ে আপনাদের আন্তরিক দোয়ার উছিলায় মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এই কামনাই করছি। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, তার নাম মনে পড়লেই নাম ধরে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।
আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের জন্য অনেক বড় শক্তি। মহান রাব্বুল আলামিন আপনাদের অন্তরে তার জন্য যে ভালোবাসা ও সম্মান সৃষ্টি করেছেন, সেই ভালোবাসা ও দোয়াতেই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন এবং আপনাদের আশানুরূপ স্থানে আমরা অতি দ্রুতই তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাবো ইনশাআল্লাহ।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু ফুসফুসের সংক্রমণসহ কিছু জটিলতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ইতোমধ্যে তার জরুরি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডা. মাহমুদা মিতুর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য জানান তার স্বামী। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সকলের দোয়া ও ভালোবাসার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কিছু জরুরি বিষয় জানাচ্ছি।
আমার স্ত্রী ডা. মাহমুদা মিতুর গত ২৩ তারিখ হঠাৎ গাইনোকোলজিকাল ইমার্জেন্সি দেখা দেওয়ায় জরুরি অপারেশন করতে হয়েছে। অপারেশনের পূর্বে তিনি প্রায় শক অবস্থায় ছিলেন এবং পেটের ভিতরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই দৌড়ে এসে রক্ত দিয়ে গেছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহায়তা, আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় সেই কঠিন সংকট সামাল দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
তবে অপারেশনের পর কিছু জটিলতা দেখা দেয়। বর্তমানে অপারেশনজনিত সমস্যা না থাকলেও পোস্ট-অপারেটিভ ফুসফুসের সংক্রমণসহ আরও কিছু জটিলতার কারণে তিনি এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
সেপটিসেমিয়ার ফিচারসহ, ডি ডাইমার, লিভার এনজাইম, সি আর পি, WBC সব প্যারামিটার রেইজসড সাথে নিউট্রোফিলিয়া। নতুন করে হাই ডায়বেটিক (অন ইন্সুলিন) অবস্থায় আছে। অক্সিজেন সাপোর্ট ছাড়া তার এখনো স্যাচুরেশন ফল করছে, তবে যেগুলো বেশি ছিল সেগুলো এখন কমে আসছে, আজকে শুধু WBC বেড়েছে।
এই সকল প্যারামিটার রেইজ যেহেতু এবং বর্তমানে তার ফুসফুস আক্রান্ত, তাই আপাতত কোনো ভিজিটর অনুমোদন করা হচ্ছে না, বিষয়টি সবাই সহানুভূতির সাথে গ্রহণ করবেন বলে আশা করছি।
দুদিন আগে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা আপাতত সেই কঠিন সময় অতিক্রম করতে পেরেছি, তবে এখনও পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নন। চিকিৎসকরা ধারণা করছেন আরও ৪/৫ দিন সময় লাগতে পারে।
পরিবারের পক্ষ থেকে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গত কয়েকদিন তার অনলাইনে অনুপস্থিতি দেখে আপনাদের শত শত কল ও বার্তা এবং এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীদের উদ্বিগ্ন যোগাযোগের কারণে বিষয়টি জানানোকে দায়িত্ব মনে করেছি।
অনেকে হাসপাতালের ঠিকানা জানতে চেয়েছেন। তিনি পাশ করার পর প্রায় ৯ বছর যে গাইনি ক্লিনিকে কাজ করেছেন, সেটিকেই তিনি নিজের দ্বিতীয় ঘর মনে করেন। আমি ঢাকা মেডিকেলে ডিউটিরত থাকার সময়ও তিনি নিজ সিদ্ধান্তে সেখানে ভর্তি হয়েছেন। তার কমফোর্ট জোন বিবেচনায় আমরা তাকে সেখানেই রেখেছি।
গত ২২-২৩ তারিখ থেকেই তিনি অনেক বেশি শারীরিক কষ্ট পেয়েছেন। আমি দেশবাসীর কাছে আমার স্ত্রীর জন্য আন্তরিক দোয়া প্রার্থনা করছি। তার কথা বা অবস্থানের কারণে যদি কেউ কোনোভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে নিজ গুণে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমার বাচ্চারা, আমরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে এই মুহূর্তে কিছুটা ভঙ্গুর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
পবিত্র রমযান মাসের বরকতময় সময়ে আপনাদের আন্তরিক দোয়ার উছিলায় মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এই কামনাই করছি। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, তার নাম মনে পড়লেই নাম ধরে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।
আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের জন্য অনেক বড় শক্তি। মহান রাব্বুল আলামিন আপনাদের অন্তরে তার জন্য যে ভালোবাসা ও সম্মান সৃষ্টি করেছেন, সেই ভালোবাসা ও দোয়াতেই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন এবং আপনাদের আশানুরূপ স্থানে আমরা অতি দ্রুতই তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাবো ইনশাআল্লাহ।

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
ঝালকাঠি-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সমবায় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় খলিলুর রহমান (৪৫) নামের এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজাপুর উপজেলা থেকে ভান্ডারিয়াগামী একটি অটোরিকশা সমবায় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে এলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত খলিলুর রহমান রাজাপুর উপজেলার কৈবত্যখালী গ্রামের ইমান আলী খানের ছেলে।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীও আহত হয়েছেন। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজাপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও অসতর্কতার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গতিরোধক স্থাপন ও ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
ঝালকাঠি-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সমবায় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় খলিলুর রহমান (৪৫) নামের এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজাপুর উপজেলা থেকে ভান্ডারিয়াগামী একটি অটোরিকশা সমবায় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে এলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত খলিলুর রহমান রাজাপুর উপজেলার কৈবত্যখালী গ্রামের ইমান আলী খানের ছেলে।
দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীও আহত হয়েছেন। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজাপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও অসতর্কতার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গতিরোধক স্থাপন ও ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.