
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২০
ঝালকাঠি-১ আসনে ভোটারদের নজর এখন ডা. মাহমুদা আলম মিতুর দিকে। বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপির একমাত্র নারী প্রার্থী তিনি। পিরোজপুরে দলটির আরেকজন প্রার্থী থাকলেও শুরু থেকেই মিতুর উপস্থিতি রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
তবে ভোটের আগেই জোটের সমর্থন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ এই আসনে ইসলামপন্থী জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের প্রার্থীও রয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, মিতু ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ালে বরিশালে এনসিপির রাজনৈতিক উপস্থিতি প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তাই ঝালকাঠি-১-এর লড়াই এখন শুধু মিতুর নয়, বরং এনসিপির টিকে থাকার লড়াইও হয়ে উঠেছে।
বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা ড. ফয়জুল হক এখন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন। জামায়াত তাদের পূর্ব ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।
ফয়জুল হক ঝালকাঠীর পীর এ কামেল কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় ইসলামপন্থীরা এই আসনে তাঁকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ কেবল প্রার্থীই নয়, জোটের সমর্থনের ওপরও কেন্দ্রীভূত। সবার একটাই প্রশ্ন- ইসলামপন্থী জোটের চূড়ান্ত সমর্থন কে পাবেন, ড. ফয়জুল নাকি ডা. মিতু?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলছেন, নীতিগত কারণেই এই আসনে ফয়জুল হককে দলীয় সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামপন্থী দলের একাধিক শীর্ষ নেতাদের ভাষ্য, ফয়জুল হক কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় তারা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপি ছেড়ে আসার কারণে ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
ড. ফয়জুল হক বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ আগস্ট দেশে ফেরার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও বিএনপি মনোনয়ন না দিলে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
পরে জামায়াত তাঁকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়।
ফয়জুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান এবং কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি। গত ১৬ বছর ধরে তিনি অনলাইন টকশো, লেখালেখি ও মাঠপর্যায়ে অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ফয়জুল বলেন, মালয়েশিয়ায় বিএনপির দলীয় পদ থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান। কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সরকার গঠন সম্ভব।’
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি এনসিপির ডেপুটি চিফ অরগানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জোটবদ্ধ নির্বাচনের পরও ইসলামী দলগুলোর নেতারা তাঁকে পুরুষ প্রার্থীর তুলনায় বেশি সময় ও সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
মিতু বলেন, ‘এটি নারী হিসেবে আমার ন্যায্য সম্মান ও সমর্থন।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী লড়াই আমাকে শুধু ভোটের রাজনীতি শেখায়নি, মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বও বুঝিয়েছে।’
শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মিতু বলেন, বিষয়টি এখন এনসিপির একার নয়। কারণ ভোটে এনসিপি জোট করেছে। এনসিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১টি আসনের একটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে।
মিতু আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে কাজ করে আসছি। এখন নিয়মিত অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালাই। জোট যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটেই মেনে নেব।
এদিকে, ঝালকাঠি-১ আসনে এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি থেকে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে ইব্রাহীমসহ ৯ জন। ভোটের মাঠে এখন শুরু হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
জামায়াতের ফয়জুল নাকি এনসিপির ডা. মিতু- কে জোটের সমর্থন পাচ্ছেন, সেই দিকেই নজর ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কারণ পিরোজপুর-৩ আসনে এনসিপির প্রাথী মো শামীম হামিদীর অবস্থান তেমন একটা ভালো নয় বলে মনে করছে অনেকে।
ঝালকাঠি-১ আসনে ভোটারদের নজর এখন ডা. মাহমুদা আলম মিতুর দিকে। বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপির একমাত্র নারী প্রার্থী তিনি। পিরোজপুরে দলটির আরেকজন প্রার্থী থাকলেও শুরু থেকেই মিতুর উপস্থিতি রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
তবে ভোটের আগেই জোটের সমর্থন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ এই আসনে ইসলামপন্থী জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের প্রার্থীও রয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, মিতু ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ালে বরিশালে এনসিপির রাজনৈতিক উপস্থিতি প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তাই ঝালকাঠি-১-এর লড়াই এখন শুধু মিতুর নয়, বরং এনসিপির টিকে থাকার লড়াইও হয়ে উঠেছে।
বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা ড. ফয়জুল হক এখন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন। জামায়াত তাদের পূর্ব ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।
ফয়জুল হক ঝালকাঠীর পীর এ কামেল কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় ইসলামপন্থীরা এই আসনে তাঁকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ কেবল প্রার্থীই নয়, জোটের সমর্থনের ওপরও কেন্দ্রীভূত। সবার একটাই প্রশ্ন- ইসলামপন্থী জোটের চূড়ান্ত সমর্থন কে পাবেন, ড. ফয়জুল নাকি ডা. মিতু?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলছেন, নীতিগত কারণেই এই আসনে ফয়জুল হককে দলীয় সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামপন্থী দলের একাধিক শীর্ষ নেতাদের ভাষ্য, ফয়জুল হক কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় তারা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপি ছেড়ে আসার কারণে ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
ড. ফয়জুল হক বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ আগস্ট দেশে ফেরার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও বিএনপি মনোনয়ন না দিলে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
পরে জামায়াত তাঁকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়।
ফয়জুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান এবং কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি। গত ১৬ বছর ধরে তিনি অনলাইন টকশো, লেখালেখি ও মাঠপর্যায়ে অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ফয়জুল বলেন, মালয়েশিয়ায় বিএনপির দলীয় পদ থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান। কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সরকার গঠন সম্ভব।’
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি এনসিপির ডেপুটি চিফ অরগানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জোটবদ্ধ নির্বাচনের পরও ইসলামী দলগুলোর নেতারা তাঁকে পুরুষ প্রার্থীর তুলনায় বেশি সময় ও সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
মিতু বলেন, ‘এটি নারী হিসেবে আমার ন্যায্য সম্মান ও সমর্থন।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী লড়াই আমাকে শুধু ভোটের রাজনীতি শেখায়নি, মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বও বুঝিয়েছে।’
শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মিতু বলেন, বিষয়টি এখন এনসিপির একার নয়। কারণ ভোটে এনসিপি জোট করেছে। এনসিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১টি আসনের একটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে।
মিতু আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে কাজ করে আসছি। এখন নিয়মিত অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালাই। জোট যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটেই মেনে নেব।
এদিকে, ঝালকাঠি-১ আসনে এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি থেকে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে ইব্রাহীমসহ ৯ জন। ভোটের মাঠে এখন শুরু হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
জামায়াতের ফয়জুল নাকি এনসিপির ডা. মিতু- কে জোটের সমর্থন পাচ্ছেন, সেই দিকেই নজর ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কারণ পিরোজপুর-৩ আসনে এনসিপির প্রাথী মো শামীম হামিদীর অবস্থান তেমন একটা ভালো নয় বলে মনে করছে অনেকে।
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:৩৬
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৪
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০১
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৬

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ওলামা লীগ ও যুবলীগের সাবেক দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনচার্জ আবু নাছের মোহাম্মদ রায়হান।
আটকৃতরা হলেন- কাঁঠালিয়া উপজেলা ওলামা লীগের সাবেক সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন (৫৬) এবং পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহারাজ মল্লিক (৪৪)।
পুলিশ জানায়, উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইনকে এবং ঝোড়খালী বাজার এলাকা থেকে মহারাজ মল্লিককে আটক করা হয়।
মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন উপজেলার মশাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চিংড়াখালী সিনিয়র মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক হিসেবেও কর্মরত রয়েছেন। অপরদিকে মহারাজ মল্লিক পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের মোহাম্মদ রায়হান জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ওলামা লীগ ও যুবলীগের সাবেক দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনচার্জ আবু নাছের মোহাম্মদ রায়হান।
আটকৃতরা হলেন- কাঁঠালিয়া উপজেলা ওলামা লীগের সাবেক সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন (৫৬) এবং পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহারাজ মল্লিক (৪৪)।
পুলিশ জানায়, উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইনকে এবং ঝোড়খালী বাজার এলাকা থেকে মহারাজ মল্লিককে আটক করা হয়।
মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন উপজেলার মশাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চিংড়াখালী সিনিয়র মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক হিসেবেও কর্মরত রয়েছেন। অপরদিকে মহারাজ মল্লিক পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের মোহাম্মদ রায়হান জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৮
ঝালকাঠির নলছিটিতে দপদপিয়া ইউনিয়নের চরকয়া গ্রামে সরকারি জমির মাটি কেটে অবৈধভাবে ইটভাটায় নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক, ঝালকাঠি পরিবেশ অধিদপ্তর, নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নলছিটি থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী।অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে নলছিটি উপজেলা প্রশাসন।সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোবায়ের হাবিব।
স্থানীয়দের দাবি, দপদপিয়া ইউনিয়নের ১৪৫ মৌজার নদীর পাড়ে সরকারি জমির মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। এসব মাটি সরাসরি নিকটবর্তী দপদপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধার অ্যাংকর ইটভাটায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও কৃষিজমি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাটি কাটার ফলে আশপাশের এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত দপদপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধাকে একাধিকবার ফোন দিলে রিসিভ না করায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জোবায়ের হাবিব বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে অভিযান চালিয়ে ভাটাটিতে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তাছাড়া এখন আমাদের নজরদারিতে রয়েছে যাতে সরকারি জমির মাটি কেটে না নিতে পারে ।
ঝালকাঠির নলছিটিতে দপদপিয়া ইউনিয়নের চরকয়া গ্রামে সরকারি জমির মাটি কেটে অবৈধভাবে ইটভাটায় নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক, ঝালকাঠি পরিবেশ অধিদপ্তর, নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নলছিটি থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী।অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে নলছিটি উপজেলা প্রশাসন।সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোবায়ের হাবিব।
স্থানীয়দের দাবি, দপদপিয়া ইউনিয়নের ১৪৫ মৌজার নদীর পাড়ে সরকারি জমির মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। এসব মাটি সরাসরি নিকটবর্তী দপদপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধার অ্যাংকর ইটভাটায় ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও কৃষিজমি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাটি কাটার ফলে আশপাশের এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত দপদপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধাকে একাধিকবার ফোন দিলে রিসিভ না করায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জোবায়ের হাবিব বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে অভিযান চালিয়ে ভাটাটিতে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তাছাড়া এখন আমাদের নজরদারিতে রয়েছে যাতে সরকারি জমির মাটি কেটে না নিতে পারে ।

০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩৭
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক দিবস উপেক্ষা করে আনন্দ ভ্রমণে বের হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৩৫ জন একটি বাস রিজার্ভ করে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওনা দেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সরকার ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোক অনুযায়ী শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত শোক পালনের সময় নির্ধারিত ছিল। এ সময়ে সকল সরকারি দপ্তরে শোকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও বিনোদনমূলক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালেই রাজাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটি বাসে করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আনন্দ ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
প্রশ্ন উঠেছে রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালীন এমন সফরের অনুমতি কে দিয়েছেন এবং এটি সরকারি আচরণবিধির সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ঘটনাটি যারা শুনেছেন তারা অনেকেই মন্তব্য করে বলেছেন, রাষ্ট্রীয় শোক দিবসে এ ধরনের আনন্দ ভ্রমণ শোকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম উদাসীনতার পরিচয় দেয়। তারা দ্রুত ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইএলও) আব্দুল্লাহর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বরিশালের বাইরে অবস্থান করছেন, তবে আনন্দ ভ্রমণে যায়নি।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীরোদ বরণ জয়ধর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় শোক আমরা যথাযথ ভাবে পালন করতেছি রাজাপুর থেকে তারা আমাকে অফিসিয়ালি ভাবে জানায়নি। তারা ব্যক্তিগত উদ্দোগে হয়তো গিয়েছে।
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক দিবস উপেক্ষা করে আনন্দ ভ্রমণে বের হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৩৫ জন একটি বাস রিজার্ভ করে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওনা দেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সরকার ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোক অনুযায়ী শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত শোক পালনের সময় নির্ধারিত ছিল। এ সময়ে সকল সরকারি দপ্তরে শোকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও বিনোদনমূলক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালেই রাজাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটি বাসে করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আনন্দ ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
প্রশ্ন উঠেছে রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালীন এমন সফরের অনুমতি কে দিয়েছেন এবং এটি সরকারি আচরণবিধির সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ঘটনাটি যারা শুনেছেন তারা অনেকেই মন্তব্য করে বলেছেন, রাষ্ট্রীয় শোক দিবসে এ ধরনের আনন্দ ভ্রমণ শোকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে চরম উদাসীনতার পরিচয় দেয়। তারা দ্রুত ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইএলও) আব্দুল্লাহর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বরিশালের বাইরে অবস্থান করছেন, তবে আনন্দ ভ্রমণে যায়নি।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীরোদ বরণ জয়ধর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় শোক আমরা যথাযথ ভাবে পালন করতেছি রাজাপুর থেকে তারা আমাকে অফিসিয়ালি ভাবে জানায়নি। তারা ব্যক্তিগত উদ্দোগে হয়তো গিয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.