
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২০
ঝালকাঠি-১ আসনে ভোটারদের নজর এখন ডা. মাহমুদা আলম মিতুর দিকে। বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপির একমাত্র নারী প্রার্থী তিনি। পিরোজপুরে দলটির আরেকজন প্রার্থী থাকলেও শুরু থেকেই মিতুর উপস্থিতি রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
তবে ভোটের আগেই জোটের সমর্থন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ এই আসনে ইসলামপন্থী জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের প্রার্থীও রয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, মিতু ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ালে বরিশালে এনসিপির রাজনৈতিক উপস্থিতি প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তাই ঝালকাঠি-১-এর লড়াই এখন শুধু মিতুর নয়, বরং এনসিপির টিকে থাকার লড়াইও হয়ে উঠেছে।
বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা ড. ফয়জুল হক এখন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন। জামায়াত তাদের পূর্ব ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।
ফয়জুল হক ঝালকাঠীর পীর এ কামেল কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় ইসলামপন্থীরা এই আসনে তাঁকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ কেবল প্রার্থীই নয়, জোটের সমর্থনের ওপরও কেন্দ্রীভূত। সবার একটাই প্রশ্ন- ইসলামপন্থী জোটের চূড়ান্ত সমর্থন কে পাবেন, ড. ফয়জুল নাকি ডা. মিতু?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলছেন, নীতিগত কারণেই এই আসনে ফয়জুল হককে দলীয় সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামপন্থী দলের একাধিক শীর্ষ নেতাদের ভাষ্য, ফয়জুল হক কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় তারা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপি ছেড়ে আসার কারণে ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
ড. ফয়জুল হক বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ আগস্ট দেশে ফেরার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও বিএনপি মনোনয়ন না দিলে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
পরে জামায়াত তাঁকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়।
ফয়জুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান এবং কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি। গত ১৬ বছর ধরে তিনি অনলাইন টকশো, লেখালেখি ও মাঠপর্যায়ে অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ফয়জুল বলেন, মালয়েশিয়ায় বিএনপির দলীয় পদ থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান। কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সরকার গঠন সম্ভব।’
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি এনসিপির ডেপুটি চিফ অরগানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জোটবদ্ধ নির্বাচনের পরও ইসলামী দলগুলোর নেতারা তাঁকে পুরুষ প্রার্থীর তুলনায় বেশি সময় ও সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
মিতু বলেন, ‘এটি নারী হিসেবে আমার ন্যায্য সম্মান ও সমর্থন।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী লড়াই আমাকে শুধু ভোটের রাজনীতি শেখায়নি, মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বও বুঝিয়েছে।’
শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মিতু বলেন, বিষয়টি এখন এনসিপির একার নয়। কারণ ভোটে এনসিপি জোট করেছে। এনসিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১টি আসনের একটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে।
মিতু আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে কাজ করে আসছি। এখন নিয়মিত অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালাই। জোট যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটেই মেনে নেব।
এদিকে, ঝালকাঠি-১ আসনে এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি থেকে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে ইব্রাহীমসহ ৯ জন। ভোটের মাঠে এখন শুরু হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
জামায়াতের ফয়জুল নাকি এনসিপির ডা. মিতু- কে জোটের সমর্থন পাচ্ছেন, সেই দিকেই নজর ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কারণ পিরোজপুর-৩ আসনে এনসিপির প্রাথী মো শামীম হামিদীর অবস্থান তেমন একটা ভালো নয় বলে মনে করছে অনেকে।
ঝালকাঠি-১ আসনে ভোটারদের নজর এখন ডা. মাহমুদা আলম মিতুর দিকে। বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপির একমাত্র নারী প্রার্থী তিনি। পিরোজপুরে দলটির আরেকজন প্রার্থী থাকলেও শুরু থেকেই মিতুর উপস্থিতি রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
তবে ভোটের আগেই জোটের সমর্থন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ এই আসনে ইসলামপন্থী জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের প্রার্থীও রয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, মিতু ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ালে বরিশালে এনসিপির রাজনৈতিক উপস্থিতি প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তাই ঝালকাঠি-১-এর লড়াই এখন শুধু মিতুর নয়, বরং এনসিপির টিকে থাকার লড়াইও হয়ে উঠেছে।
বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা ড. ফয়জুল হক এখন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন। জামায়াত তাদের পূর্ব ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।
ফয়জুল হক ঝালকাঠীর পীর এ কামেল কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় ইসলামপন্থীরা এই আসনে তাঁকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ কেবল প্রার্থীই নয়, জোটের সমর্থনের ওপরও কেন্দ্রীভূত। সবার একটাই প্রশ্ন- ইসলামপন্থী জোটের চূড়ান্ত সমর্থন কে পাবেন, ড. ফয়জুল নাকি ডা. মিতু?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলছেন, নীতিগত কারণেই এই আসনে ফয়জুল হককে দলীয় সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামপন্থী দলের একাধিক শীর্ষ নেতাদের ভাষ্য, ফয়জুল হক কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় তারা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপি ছেড়ে আসার কারণে ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
ড. ফয়জুল হক বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ আগস্ট দেশে ফেরার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও বিএনপি মনোনয়ন না দিলে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
পরে জামায়াত তাঁকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়।
ফয়জুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান এবং কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি। গত ১৬ বছর ধরে তিনি অনলাইন টকশো, লেখালেখি ও মাঠপর্যায়ে অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ফয়জুল বলেন, মালয়েশিয়ায় বিএনপির দলীয় পদ থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান। কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সরকার গঠন সম্ভব।’
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি এনসিপির ডেপুটি চিফ অরগানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জোটবদ্ধ নির্বাচনের পরও ইসলামী দলগুলোর নেতারা তাঁকে পুরুষ প্রার্থীর তুলনায় বেশি সময় ও সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
মিতু বলেন, ‘এটি নারী হিসেবে আমার ন্যায্য সম্মান ও সমর্থন।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী লড়াই আমাকে শুধু ভোটের রাজনীতি শেখায়নি, মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বও বুঝিয়েছে।’
শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মিতু বলেন, বিষয়টি এখন এনসিপির একার নয়। কারণ ভোটে এনসিপি জোট করেছে। এনসিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১টি আসনের একটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে।
মিতু আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে কাজ করে আসছি। এখন নিয়মিত অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালাই। জোট যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটেই মেনে নেব।
এদিকে, ঝালকাঠি-১ আসনে এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি থেকে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে ইব্রাহীমসহ ৯ জন। ভোটের মাঠে এখন শুরু হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
জামায়াতের ফয়জুল নাকি এনসিপির ডা. মিতু- কে জোটের সমর্থন পাচ্ছেন, সেই দিকেই নজর ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কারণ পিরোজপুর-৩ আসনে এনসিপির প্রাথী মো শামীম হামিদীর অবস্থান তেমন একটা ভালো নয় বলে মনে করছে অনেকে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২১
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় মাদাকাসক্ত ছেলেকে হত্যার পর ৯৯৯ ফোন করে পুলিশের সাহায্য চেয়ে আত্মসমর্পন করেন পিতা আব্দুল বারেক খান। এ ঘটনায় কাঠালিয়া থানা পুলিশ পিতা আব্দুল বারেক খান (৫৫) কে আটক ও মৃত মেহেদী হাসান শুভর মরদেহ উদ্ধার করেছেন।
রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী রাত ৩ টায় উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ছোনাউটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান-মেহেদী হাসান শুভ (২৫) দীর্ঘদিন যাবৎ মাদাকাসক্ত ছিলেন। প্রায়ই সে পিতা-মাতাকে মারধর, একাধিক এলাকাবাসীকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করেছে। তার অত্যাচার নির্যাতনে পিতা-মাতাসহ এলাকাবাসী আতংকে থাকতো। ঘটনার দিন সকালে শুভ পিতা আব্দুল বারেক খানের কাছে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করেন এবং বসত ভাংচুর করে।
এক পর্যায় সন্ধ্যায় সে বাজার থেকে একটি দাও কিনে নিয়ে বাড়ি যান। মাকে জানান, টাকা না দিলে আজ রাতে তোমাদের ২ জনকে জবাই করা হবে। এ খবর মা খুশি বেগম স্বামী আব্দুল বারেক খানকে জানান। বারেকের পরমার্শে স্ত্রী খুশি বেগম রাতে অন্য ঘরে ঘুমান।
রাত ৩ টার দিকে পিতা বারেক খান ঘুমান্ত ছেলে শুভকে দাও দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে জাতীয় পরিসেবা ৯৯৯ এ কাঠালিয়া থানার পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছান। এ সময় তারা মৃতু শুভ’র মরদেহ উদ্ধার করেন এবং পিতা আব্দুল বারেক খানকে আটক করে কাঠালিয়া থানায় নিয়ে আসেন।
এ ঘটনায় শুভ’র মা খুশি বেগম স্বামী আব্দুল বারেক খানকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (কাঠালিয়া-রাজাপুর) সার্কেল মোঃ শাহ আলম । এ সময় কাঠালিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আবু নাছের রায়হান ও ওসি তদন্ত হারান চন্দ্র পালসহ পুলিশের টিম উপস্থিত ছল।
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় মাদাকাসক্ত ছেলেকে হত্যার পর ৯৯৯ ফোন করে পুলিশের সাহায্য চেয়ে আত্মসমর্পন করেন পিতা আব্দুল বারেক খান। এ ঘটনায় কাঠালিয়া থানা পুলিশ পিতা আব্দুল বারেক খান (৫৫) কে আটক ও মৃত মেহেদী হাসান শুভর মরদেহ উদ্ধার করেছেন।
রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী রাত ৩ টায় উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ছোনাউটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান-মেহেদী হাসান শুভ (২৫) দীর্ঘদিন যাবৎ মাদাকাসক্ত ছিলেন। প্রায়ই সে পিতা-মাতাকে মারধর, একাধিক এলাকাবাসীকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করেছে। তার অত্যাচার নির্যাতনে পিতা-মাতাসহ এলাকাবাসী আতংকে থাকতো। ঘটনার দিন সকালে শুভ পিতা আব্দুল বারেক খানের কাছে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করেন এবং বসত ভাংচুর করে।
এক পর্যায় সন্ধ্যায় সে বাজার থেকে একটি দাও কিনে নিয়ে বাড়ি যান। মাকে জানান, টাকা না দিলে আজ রাতে তোমাদের ২ জনকে জবাই করা হবে। এ খবর মা খুশি বেগম স্বামী আব্দুল বারেক খানকে জানান। বারেকের পরমার্শে স্ত্রী খুশি বেগম রাতে অন্য ঘরে ঘুমান।
রাত ৩ টার দিকে পিতা বারেক খান ঘুমান্ত ছেলে শুভকে দাও দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে জাতীয় পরিসেবা ৯৯৯ এ কাঠালিয়া থানার পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছান। এ সময় তারা মৃতু শুভ’র মরদেহ উদ্ধার করেন এবং পিতা আব্দুল বারেক খানকে আটক করে কাঠালিয়া থানায় নিয়ে আসেন।
এ ঘটনায় শুভ’র মা খুশি বেগম স্বামী আব্দুল বারেক খানকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (কাঠালিয়া-রাজাপুর) সার্কেল মোঃ শাহ আলম । এ সময় কাঠালিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আবু নাছের রায়হান ও ওসি তদন্ত হারান চন্দ্র পালসহ পুলিশের টিম উপস্থিত ছল।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৮
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের চারটি বাড়ি, দুইটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ইউনিয়ন জামায়াতের অফিসে হামলা ও ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুই নারী আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় বিএনপির দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামায়াতকর্মী জহিরুল ইসলাম দুলাল বাদী হয়ে পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান কালামকে প্রধান আসামি করে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কাঁঠালিয়া থানায় মামলা করেছেন।
অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান কালামের নেতৃত্বে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একদল নেতাকর্মী পাটিখালঘাটা গ্রামের জামায়াতে ইসলামীর কর্মী হারুন অর রশিদের বাড়ি, তার ভাই মরিচবুনিয়া গ্রামের কামাল জমাদ্দারের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। হামলাকারীরা হারুন অর রশিদের কুঁড়ে ঘরে আগুন দিয়ে পুড়ে দেয়। হামলায় কামাল জমাদ্দারের স্ত্রী রানু বেগম (৫৬) ও মেয়ে সাবিনা (৩০) আহত হয়।
একই ইউনিয়নের মোস্তফা মাস্টার, ৪নং ওয়ার্ড বর্তমান ইউপি সদস্য মো. রিপনের বাড়িতে ভাঙচুর ও হামলা চালায়। পাটিখালঘাটা বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী দুলালের ফার্মেসি এবং আব্দুর রবের চায়ের দোকানে হামলা করে। পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন জামায়াত অফিসে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সব ঘটনায় পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. ফুয়াদ জমাদ্দার (৪২) ও ছাত্রদল নেতা জনি হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কাঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু নাছের রায়হান জানান, পাটিখালঘাটার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে, দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের চারটি বাড়ি, দুইটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ইউনিয়ন জামায়াতের অফিসে হামলা ও ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুই নারী আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় বিএনপির দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জামায়াতকর্মী জহিরুল ইসলাম দুলাল বাদী হয়ে পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান কালামকে প্রধান আসামি করে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কাঁঠালিয়া থানায় মামলা করেছেন।
অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান কালামের নেতৃত্বে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের একদল নেতাকর্মী পাটিখালঘাটা গ্রামের জামায়াতে ইসলামীর কর্মী হারুন অর রশিদের বাড়ি, তার ভাই মরিচবুনিয়া গ্রামের কামাল জমাদ্দারের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। হামলাকারীরা হারুন অর রশিদের কুঁড়ে ঘরে আগুন দিয়ে পুড়ে দেয়। হামলায় কামাল জমাদ্দারের স্ত্রী রানু বেগম (৫৬) ও মেয়ে সাবিনা (৩০) আহত হয়।
একই ইউনিয়নের মোস্তফা মাস্টার, ৪নং ওয়ার্ড বর্তমান ইউপি সদস্য মো. রিপনের বাড়িতে ভাঙচুর ও হামলা চালায়। পাটিখালঘাটা বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী দুলালের ফার্মেসি এবং আব্দুর রবের চায়ের দোকানে হামলা করে। পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন জামায়াত অফিসে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সব ঘটনায় পাটিখালঘাটা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. ফুয়াদ জমাদ্দার (৪২) ও ছাত্রদল নেতা জনি হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কাঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু নাছের রায়হান জানান, পাটিখালঘাটার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে, দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৮
প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলার অভিযোগে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান কালামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নিজ বাসভবনের সামনে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে রফিকুল ইসলাম জামাল প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন, অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর আগে শুক্রবার দুপুরে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালালুর রহমান আকন অভিযুক্ত মিজানুর রহমান কালামকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। নোটিশে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন নিজাম বলেন, আমাদের নব নির্বাচিত এমপি তাকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন।
আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তদন্ত করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থাৎ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়নি বলে তিনি জানান।
অভিযুক্ত মিজানুর রহমান কালাম বলেন, তিনি শুক্রবার দুপুরের পর কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন এবং জবাব দেওয়ার জন্য এক দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে শুক্রবার রাতেই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে শুনেছেন। এখন পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত বহিষ্কারপত্র পাননি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের পর কোনো ধরনের সহিংসতা, হামলা বা দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা রয়েছে।
প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলার অভিযোগে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার পাটিখালঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান কালামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নিজ বাসভবনের সামনে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে রফিকুল ইসলাম জামাল প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন, অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর আগে শুক্রবার দুপুরে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালালুর রহমান আকন অভিযুক্ত মিজানুর রহমান কালামকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। নোটিশে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন নিজাম বলেন, আমাদের নব নির্বাচিত এমপি তাকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন।
আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তদন্ত করে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থাৎ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়নি বলে তিনি জানান।
অভিযুক্ত মিজানুর রহমান কালাম বলেন, তিনি শুক্রবার দুপুরের পর কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন এবং জবাব দেওয়ার জন্য এক দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে শুক্রবার রাতেই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে শুনেছেন। এখন পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত বহিষ্কারপত্র পাননি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের পর কোনো ধরনের সহিংসতা, হামলা বা দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা রয়েছে।