Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:২৬
গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও চেক জালিয়াতির অভিযোগে করা এক মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেলকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও এক মাস বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। তবে মামলার অপর আসামি ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
একসময় দেশের ই-কমার্স খাতে আলোচিত ও সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ইভ্যালি বর্তমানে একের পর এক মামলা ও আইনি জটিলতায় জর্জরিত। আদালত ও মামলার নথি অনুযায়ী, মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন।
গত দেড় বছরে পৃথক সাতটি মামলায় মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ২ জুন চট্টগ্রামে একটি চেক জালিয়াতি মামলায় এ দম্পতিকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই রায়ের পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন তারা।
আদালতের তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত পৃথক ছয়টি মামলায় এই দম্পতির বিরুদ্ধে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড এবং দুই লাখ সাত হাজার টাকা জরিমানার আদেশ রয়েছে। গত বছরের ১২ নভেম্বর একটি মামলায় তাঁদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর ও ১৩ এপ্রিল ঢাকার আদালত পৃথক দুটি মামলায় তিন বছর করে সাজা দেন।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইভ্যালির কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে শামীমা নাসরিন ২০২২ সালে এবং মোহাম্মদ রাসেল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে জামিনে মুক্তি পান।
জামিনে মুক্তির পর তারা ‘ইভ্যালি ২.০’ নামে নতুনভাবে ব্যবসা শুরুর ঘোষণা দিয়ে গ্রাহকদের বকেয়া অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দেন। তবে ধারাবাহিকভাবে মামলার রায় ও সাজা ঘোষণার পর আবারও তারা আত্মগোপনে চলে যান।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন আদালতে ইভ্যালির বিরুদ্ধে শত শত প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত ছাড় ও লোভনীয় অফারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি হাজার হাজার গ্রাহকের কয়েক শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
সর্বশেষ এ রায়ের ফলে মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে সাজার বোঝা আরও বাড়ল। অন্যদিকে, একটি মামলা থেকে খালাস পেলেও শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে চলমান অন্যান্য মামলার নিষ্পত্তি এখনো বাকি রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও চেক জালিয়াতির অভিযোগে করা এক মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেলকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও এক মাস বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। তবে মামলার অপর আসামি ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
একসময় দেশের ই-কমার্স খাতে আলোচিত ও সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ইভ্যালি বর্তমানে একের পর এক মামলা ও আইনি জটিলতায় জর্জরিত। আদালত ও মামলার নথি অনুযায়ী, মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন।
গত দেড় বছরে পৃথক সাতটি মামলায় মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ২ জুন চট্টগ্রামে একটি চেক জালিয়াতি মামলায় এ দম্পতিকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই রায়ের পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন তারা।
আদালতের তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত পৃথক ছয়টি মামলায় এই দম্পতির বিরুদ্ধে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড এবং দুই লাখ সাত হাজার টাকা জরিমানার আদেশ রয়েছে। গত বছরের ১২ নভেম্বর একটি মামলায় তাঁদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর ও ১৩ এপ্রিল ঢাকার আদালত পৃথক দুটি মামলায় তিন বছর করে সাজা দেন।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইভ্যালির কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে শামীমা নাসরিন ২০২২ সালে এবং মোহাম্মদ রাসেল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে জামিনে মুক্তি পান।
জামিনে মুক্তির পর তারা ‘ইভ্যালি ২.০’ নামে নতুনভাবে ব্যবসা শুরুর ঘোষণা দিয়ে গ্রাহকদের বকেয়া অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দেন। তবে ধারাবাহিকভাবে মামলার রায় ও সাজা ঘোষণার পর আবারও তারা আত্মগোপনে চলে যান।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন আদালতে ইভ্যালির বিরুদ্ধে শত শত প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত ছাড় ও লোভনীয় অফারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি হাজার হাজার গ্রাহকের কয়েক শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
সর্বশেষ এ রায়ের ফলে মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে সাজার বোঝা আরও বাড়ল। অন্যদিকে, একটি মামলা থেকে খালাস পেলেও শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে চলমান অন্যান্য মামলার নিষ্পত্তি এখনো বাকি রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬