
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:৫০
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়র হলে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবেন তিনি। তবে মামদানির এ সতর্কতা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে যাবেন বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘোষণা দেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামে ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি নিউইয়র্কে আসব।’ নব নির্বাচিত মেয়র মামদানির সঙ্গে কথা বলতে চান কি না জানতে চাইলে নেতানিয়াহু উত্তর দেন, ‘যদি তিনি (মামদানি) তার মন পরিবর্তন করেন এবং বলেন, আমাদের (ইসরায়েল) অস্তিত্বের অধিকার আছে, তাহলে আলোচনার জন্য এটি একটি ভালো সূচনা হবে।’
মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র। যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যেসব বিশ্বনেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে (যেমন নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন), তারা নিউইয়র্কে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার করা হবে।
গত বছর হেগভিত্তিক আইসিসি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ি। এমনটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
ইসরায়েল এসব অভিযোগের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া, এই তিন দেশই আইসিসিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে মামদানির বক্তব্য সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন নির্বাচিত মেয়রের কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
ফেডারেল সরকারই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে।
আর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এমনকি আইসিসির বিচারক ও প্রসিকিউটরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করেছিল ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক শহর ইসরায়েলের বাইরে বিশ্বের সর্বাধিক ইহুদি জনসংখ্যার আবাসস্থল। পাশাপাশি এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তরও অবস্থিত, যেখানে নেতানিয়াহু প্রতিবছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অংশ নেন।
চুক্তি অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘের সরকারি কার্যক্রমের জন্য ভিসা প্রদান করা বাধ্যতামূলক। যদিও গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়র হলে যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করবেন তিনি। তবে মামদানির এ সতর্কতা সত্ত্বেও নিউইয়র্কে যাবেন বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘোষণা দেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামে ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি নিউইয়র্কে আসব।’ নব নির্বাচিত মেয়র মামদানির সঙ্গে কথা বলতে চান কি না জানতে চাইলে নেতানিয়াহু উত্তর দেন, ‘যদি তিনি (মামদানি) তার মন পরিবর্তন করেন এবং বলেন, আমাদের (ইসরায়েল) অস্তিত্বের অধিকার আছে, তাহলে আলোচনার জন্য এটি একটি ভালো সূচনা হবে।’
মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র। যিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যেসব বিশ্বনেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে (যেমন নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন), তারা নিউইয়র্কে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার করা হবে।
গত বছর হেগভিত্তিক আইসিসি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলার কারণে নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ি। এমনটি বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
ইসরায়েল এসব অভিযোগের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া, এই তিন দেশই আইসিসিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে মামদানির বক্তব্য সত্ত্বেও নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার কার্যত অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন নির্বাচিত মেয়রের কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।
ফেডারেল সরকারই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে।
আর সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এমনকি আইসিসির বিচারক ও প্রসিকিউটরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করেছিল ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক শহর ইসরায়েলের বাইরে বিশ্বের সর্বাধিক ইহুদি জনসংখ্যার আবাসস্থল। পাশাপাশি এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তরও অবস্থিত, যেখানে নেতানিয়াহু প্রতিবছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে অংশ নেন।
চুক্তি অনুযায়ী, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘের সরকারি কার্যক্রমের জন্য ভিসা প্রদান করা বাধ্যতামূলক। যদিও গত সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০২
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২ এপ্রিল একটি তৃতীয় দেশকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়।
শনিবার (৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজকে একটি সূত্র জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ২ এপ্রিল তাদের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায়।’
তবে সংস্থাটির দাবি, ইরান এ বিষয়ে লিখিতভাবে কোনো জবাব দেয়নি। বরং তারা ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখে ‘মাঠ পর্যায়ে’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চলেছে।
সূত্রটি আরও জানায়, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ডিপোতে হামলার খবরে এই প্রচেষ্টা আরও বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। এতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২ এপ্রিল একটি তৃতীয় দেশকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়।
শনিবার (৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজকে একটি সূত্র জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ২ এপ্রিল তাদের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায়।’
তবে সংস্থাটির দাবি, ইরান এ বিষয়ে লিখিতভাবে কোনো জবাব দেয়নি। বরং তারা ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখে ‘মাঠ পর্যায়ে’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চলেছে।
সূত্রটি আরও জানায়, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ডিপোতে হামলার খবরে এই প্রচেষ্টা আরও বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। এতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.