বরিশাল শহরের আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক প্যাদাকে অল্পের জন্য ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার রাতে কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম কলোনী বাসাটিতে হানা দেওয়ার আগাম খবর পেয়ে শীর্ষস্থানীয় এই মাদকবিক্রেতা পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আনু বেগম (৩৮) এবং ছেলে সন্তান রাতুল ইসলামসহ (২৪) অন্তত ৫জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় বাসাটি থেকে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ জানায়, নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত হয়ে রোববার রাতে ১৩ নং ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনীতে রফিকের মালিকানাধীন স্নেহা ভবনে এসআই গোলাম মো. নাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সেখানে হানা দেয়। কিন্তু অভিযানের খবর কোনো মাধ্যম আগেই অবহিত হয়ে রফিক বাসাটি থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পুরিয়া গাঁজা, দুটি মোটরসাইকেলসহ মাদক বিক্রির ১৭ হাজার ৬৯০ টাকা উদ্ধার করে। সেই সাথে রফিকের স্ত্রী আনু বেগম, ছেলে রাতুল ইসলাম এবং একই ওয়ার্ডের কামাল হাওলাদারের ছেলে উজ্জল হাওলাদার (২৪), পার্শ্ববর্তী ১২ নং ওয়ার্ডের আমির আলীর ছেলে বাপ্পি (২৫) এবং বাকেরগঞ্জের খোকন হাওলাদারের ছেলে ইমন হাওলাদারকে (১৯) আটক করা হয়।
রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক বাসাটিতে নিয়মিত মাদকের হাট বসতে এবং সেখানে শহরের বিভিন্ন এলাকার খুচরা-পাইকারী বিক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালে মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে গাঁজা রফিকের বাসাটিতে হানা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে রফিক আগেই স্থান ত্যাগ করেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল শহরের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে অন্তত ডজনখানেক মাদকের মামলা বিচারাধীন আছে। তাকে বিভিন্ন সময় মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হলেও কদিন বাদে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, তৎকালীন মাদকবিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে ধরতে গিয়ে কোতয়ালি পুলিশ হামলার শিকার হয়। অবশ্য সেই ঘটনার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তারও হন। কিন্তু তাকে বেশিদিন কারাগারে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি, কিছুদিন পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদক বাণিজ্যে যুক্ত হন।
মাদক বিক্রির ক্ষেত্রে রফিক বেশকিছু সতর্ক পদক্ষেপ বা পন্থা অবলম্বন করে থাকেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক বছর ধরে রফিক নিজের হাতে মাদক বিক্রি করছেন না, কৌশল হিসেবে স্ত্রী-সন্তানকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাদক বিক্রির সময় তিনি বাসাটির আশেপাশে থাকেন এবং বাইরের সামগ্রিক বিষয়াদী তদারকি করে। কখনও পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলে তিনি সটকে পড়েন এবং স্ত্রী-সন্ত্রানদের ফোন করে সতর্ক থাকার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
তবে গাঁজা রফিকের এই কৌশল এসআই নাসিমের দূরদর্শিতার কাছে ধোপে টেকেনি। তিনি কোনো মতে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী-সন্তানকে ঠিকই আইনের আওতায় নিয়ে আসলেন মাঠপুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযান পরিচালনাকারী কোতয়ালি মডেল থানার এসআই গোলাম মো. নাসিম জানান, এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে রফিক ওরফে গাঁজা রফিক, তার স্ত্রী-সন্তানসহ মোট ৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশ পলাতক রফিককে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।
উল্লেখ মাদকের ব্যবসায় করে গত ১০/১৫ বছরে রফিকুল ইসলাম শহরের একাধিক স্থানে জমিসহ বাড়ি ক্রয় করা এবং অর্থবিত্তে ধনকুবের বনে গেছেন। রোববার রাতে পুলিশ রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক যে বাসটিতে অভিযান চালিয়েছে, সেটিও রফিকের মালিকানাধীন। এছাড়া শহরের ১২/১৩ নং ওয়ার্ডে তিনি একাধিক জমির মালিক ও সিঅ্যান্ডবি কাজীপাড়া রোডেও একটি বিলাসবহুল ভবন কিনেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল শহরের চিহ্নিত এই মাদক বিক্রিতার উত্থ্যান এবং অবৈধ অর্থে কোথায় কোথায় সম্পদ গড়েছেন এই ধরনের প্রতিবেদন পেতে বরিশালটাইমসের সাথে থাকুন।’

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৩

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৪৬

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪০
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন শিক্ষার্থী। এই বোর্ডে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি সংখ্যাগতভাবে কমেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল ঘোষণা করেন সচিব অধ্যাপক মো. আবদুস সালাম।
প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮০ হাজার ৪৫৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৩৭ হাজার ৫৪৫ জন এবং ছাত্রী ৪২ হাজার ৯১৩ জন।
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে মোট ৪৮ হাজার ৫৫৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৯ হাজার ৯৫৫ জন এবং ছাত্রী ২৮ হাজার ৬০০ জন। অর্থাৎ ফলাফলে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে পিরোজপুর জেলা।
গত বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। সে হিসাবে এবার পাসের হার বেড়েছে ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। তবে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এবারও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫১
বরিশাল শহরের আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক প্যাদাকে অল্পের জন্য ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার রাতে কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম কলোনী বাসাটিতে হানা দেওয়ার আগাম খবর পেয়ে শীর্ষস্থানীয় এই মাদকবিক্রেতা পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আনু বেগম (৩৮) এবং ছেলে সন্তান রাতুল ইসলামসহ (২৪) অন্তত ৫জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় বাসাটি থেকে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ জানায়, নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত হয়ে রোববার রাতে ১৩ নং ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনীতে রফিকের মালিকানাধীন স্নেহা ভবনে এসআই গোলাম মো. নাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সেখানে হানা দেয়। কিন্তু অভিযানের খবর কোনো মাধ্যম আগেই অবহিত হয়ে রফিক বাসাটি থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পুরিয়া গাঁজা, দুটি মোটরসাইকেলসহ মাদক বিক্রির ১৭ হাজার ৬৯০ টাকা উদ্ধার করে। সেই সাথে রফিকের স্ত্রী আনু বেগম, ছেলে রাতুল ইসলাম এবং একই ওয়ার্ডের কামাল হাওলাদারের ছেলে উজ্জল হাওলাদার (২৪), পার্শ্ববর্তী ১২ নং ওয়ার্ডের আমির আলীর ছেলে বাপ্পি (২৫) এবং বাকেরগঞ্জের খোকন হাওলাদারের ছেলে ইমন হাওলাদারকে (১৯) আটক করা হয়।
রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক বাসাটিতে নিয়মিত মাদকের হাট বসতে এবং সেখানে শহরের বিভিন্ন এলাকার খুচরা-পাইকারী বিক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালে মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে গাঁজা রফিকের বাসাটিতে হানা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে রফিক আগেই স্থান ত্যাগ করেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল শহরের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে অন্তত ডজনখানেক মাদকের মামলা বিচারাধীন আছে। তাকে বিভিন্ন সময় মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হলেও কদিন বাদে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, তৎকালীন মাদকবিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে ধরতে গিয়ে কোতয়ালি পুলিশ হামলার শিকার হয়। অবশ্য সেই ঘটনার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তারও হন। কিন্তু তাকে বেশিদিন কারাগারে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি, কিছুদিন পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদক বাণিজ্যে যুক্ত হন।
মাদক বিক্রির ক্ষেত্রে রফিক বেশকিছু সতর্ক পদক্ষেপ বা পন্থা অবলম্বন করে থাকেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক বছর ধরে রফিক নিজের হাতে মাদক বিক্রি করছেন না, কৌশল হিসেবে স্ত্রী-সন্তানকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাদক বিক্রির সময় তিনি বাসাটির আশেপাশে থাকেন এবং বাইরের সামগ্রিক বিষয়াদী তদারকি করে। কখনও পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলে তিনি সটকে পড়েন এবং স্ত্রী-সন্ত্রানদের ফোন করে সতর্ক থাকার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
তবে গাঁজা রফিকের এই কৌশল এসআই নাসিমের দূরদর্শিতার কাছে ধোপে টেকেনি। তিনি কোনো মতে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী-সন্তানকে ঠিকই আইনের আওতায় নিয়ে আসলেন মাঠপুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযান পরিচালনাকারী কোতয়ালি মডেল থানার এসআই গোলাম মো. নাসিম জানান, এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে রফিক ওরফে গাঁজা রফিক, তার স্ত্রী-সন্তানসহ মোট ৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশ পলাতক রফিককে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।
উল্লেখ মাদকের ব্যবসায় করে গত ১০/১৫ বছরে রফিকুল ইসলাম শহরের একাধিক স্থানে জমিসহ বাড়ি ক্রয় করা এবং অর্থবিত্তে ধনকুবের বনে গেছেন। রোববার রাতে পুলিশ রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক যে বাসটিতে অভিযান চালিয়েছে, সেটিও রফিকের মালিকানাধীন। এছাড়া শহরের ১২/১৩ নং ওয়ার্ডে তিনি একাধিক জমির মালিক ও সিঅ্যান্ডবি কাজীপাড়া রোডেও একটি বিলাসবহুল ভবন কিনেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল শহরের চিহ্নিত এই মাদক বিক্রিতার উত্থ্যান এবং অবৈধ অর্থে কোথায় কোথায় সম্পদ গড়েছেন এই ধরনের প্রতিবেদন পেতে বরিশালটাইমসের সাথে থাকুন।’
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ঢালে বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত (২১) নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে ইয়াসিনের মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করে সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে হট্টগোল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ইয়াসিনকে ঢাকায় নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময়মতো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর আহত ইয়াসিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের পরিবর্তে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াসিনকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান সহপাঠীরা।
ইয়াসিনের সিনিয়র বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার পর একাধিকবার প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার স্যারকে ফোন করেছি। রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বলেছেন, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করছে। কিন্তু এরপর প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর প্রশাসন হাসপাতালে যায়। আমার ভাইয়ের জন্য বারবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের কথা বলার পরও তারা সেটির ব্যবস্থা করতে পারেনি। আমার ভাইয়ের মৃত্যুর দায় এই প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।’
আবু বক্কর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি নিজে উপাচার্যকে ফোন করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য বলেছি। কিন্তু আমাদের দুঃখ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পারলেও আমাদের প্রশাসন সেটা করতে পারেনি।’
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘যে ক্ষতি হয়ে গেছে, সেটার ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব নয়। এটার ব্যর্থতা, দায়—যাই বলেন, সবই আমাদের।’
প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কেন সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেননি—এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আশিকুর রহমান বলেন, ‘গত এক মাস ধরে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। আমি আমার জায়গা থেকে সময়মতো গিয়েছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আর রশিদ বলেন, ‘রাস্তার জ্যাম থাকার কারণে আমরা সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারিনি। আর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যে বিষয়, সেটা তখন আমার মাথায় ছিল না।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা ইয়াসিনের মৃত্যুর ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ঢালে বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত (২১) নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে ইয়াসিনের মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করে সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে হট্টগোল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ইয়াসিনকে ঢাকায় নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময়মতো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর আহত ইয়াসিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের পরিবর্তে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াসিনকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান সহপাঠীরা।
ইয়াসিনের সিনিয়র বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার পর একাধিকবার প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার স্যারকে ফোন করেছি। রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বলেছেন, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করছে। কিন্তু এরপর প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর প্রশাসন হাসপাতালে যায়। আমার ভাইয়ের জন্য বারবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের কথা বলার পরও তারা সেটির ব্যবস্থা করতে পারেনি। আমার ভাইয়ের মৃত্যুর দায় এই প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।’
আবু বক্কর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি নিজে উপাচার্যকে ফোন করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য বলেছি। কিন্তু আমাদের দুঃখ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পারলেও আমাদের প্রশাসন সেটা করতে পারেনি।’
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘যে ক্ষতি হয়ে গেছে, সেটার ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব নয়। এটার ব্যর্থতা, দায়—যাই বলেন, সবই আমাদের।’
প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কেন সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেননি—এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আশিকুর রহমান বলেন, ‘গত এক মাস ধরে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। আমি আমার জায়গা থেকে সময়মতো গিয়েছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আর রশিদ বলেন, ‘রাস্তার জ্যাম থাকার কারণে আমরা সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারিনি। আর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যে বিষয়, সেটা তখন আমার মাথায় ছিল না।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা ইয়াসিনের মৃত্যুর ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ পাবেন।
ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা এবার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনঃনিরীক্ষণ করতে পারবেন। ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবেঃ
নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলে ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফল দেখা যাবে।
এক বা একাধিক বিষয়ে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে দেওয়া ফি-এর পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।
ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো পোর্টালের ‘হেল্প’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
উল্লেখ্য, ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
এছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনও অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোনও আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ বা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সুযোগ পাবেন।
ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা এবার সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতিতে প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনঃনিরীক্ষণ করতে পারবেন। ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবেন যেভাবেঃ
নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হলে ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয় ভিত্তিক ফল দেখা যাবে।
এক বা একাধিক বিষয়ে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে দেওয়া ফি-এর পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।
ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো পোর্টালের ‘হেল্প’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
উল্লেখ্য, ফি দিয়ে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
এছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনও অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। ম্যানুয়াল কোনও আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন শিক্ষার্থী। এই বোর্ডে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি সংখ্যাগতভাবে কমেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল ঘোষণা করেন সচিব অধ্যাপক মো. আবদুস সালাম।
প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮০ হাজার ৪৫৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৩৭ হাজার ৫৪৫ জন এবং ছাত্রী ৪২ হাজার ৯১৩ জন।
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে মোট ৪৮ হাজার ৫৫৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৯ হাজার ৯৫৫ জন এবং ছাত্রী ২৮ হাজার ৬০০ জন। অর্থাৎ ফলাফলে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন ছয় জেলার মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে পিরোজপুর জেলা।
গত বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। সে হিসাবে এবার পাসের হার বেড়েছে ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। তবে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এবারও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮