এবারের ঈদযাত্রার সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার (২৭ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নির্ধারিত ভাড়া ও শৃঙ্খলার সঙ্গে যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারছেন। নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও সবকিছু মিলিয়ে একটা ভালো ঈদযাত্রা ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়েছি আমরা।
শেখ রবিউল আলম বলেন, সরকার সার্বক্ষণিকভাবে ঈদযাত্রা পর্যবেক্ষণ করছে। যমুনা সেতুর আগে চন্দ্রা এলাকায় কিছু যানজট বা ধীরগতি থাকলেও সেটি স্বাভাবিক। কারণ সাত লেনের যানবাহন দুই লেনে প্রবেশ করায় সেখানে গাড়ির গতি কমে যাচ্ছে। তবে ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা নেই।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিআরটিএর কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে বসে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে আমি জেনেছি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্ধারিত ভাড়ায় যাত্রীরা বাড়ি যাচ্ছেন। দেড় কোটি মানুষ দুই-তিন দিনের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছে। আবার প্রায় ৮০ লাখ কোরবানিযোগ্য পশুও পরিবহন করতে হচ্ছে। পরিবহন খাতের সামর্থ্যের শতভাগ দিয়ে আমরা চেষ্টা করেছি।’
বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী তিনি বলেন, কাউন্টার ও বাসস্ট্যান্ডের বাইরে কিছু অসাধু ব্যক্তি সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। যাত্রীদের বাড়ি যাওয়ার তাড়াহুড়োকে পুঁজি করে কেউ কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে। তবে অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং জরিমানাও করা হচ্ছে। যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা না যায়, সে জন্য কঠোর নজরদারি চলছে।
রেলপথে নারীদের জন্য বিশেষ কোচ সংযোজনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এরইমধ্যে তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনে বিশেষ কোচ যুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব ট্রেনে এখনই এটি সম্ভব হয়নি, কারণ আগেই অধিকাংশ টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে এবং পর্যাপ্ত কোচও হাতে নেই। ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত ৫১টি কোচ এরইমধ্যে যুক্ত করা হয়েছে।
এ সময় উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রো স্টেশনের নিচে পশুর হাট বসানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত ছিল না। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনকে জিজ্ঞেস করেন। যারা এখানে ইজারা দিয়েছে, টাকা নিয়েছে- দায়টা তাদের।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০২
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৫
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
২৭ মে, ২০২৬ ১৭:০৯
এবারের ঈদযাত্রার সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার (২৭ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নির্ধারিত ভাড়া ও শৃঙ্খলার সঙ্গে যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারছেন। নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও সবকিছু মিলিয়ে একটা ভালো ঈদযাত্রা ম্যানেজ করতে সক্ষম হয়েছি আমরা।
শেখ রবিউল আলম বলেন, সরকার সার্বক্ষণিকভাবে ঈদযাত্রা পর্যবেক্ষণ করছে। যমুনা সেতুর আগে চন্দ্রা এলাকায় কিছু যানজট বা ধীরগতি থাকলেও সেটি স্বাভাবিক। কারণ সাত লেনের যানবাহন দুই লেনে প্রবেশ করায় সেখানে গাড়ির গতি কমে যাচ্ছে। তবে ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা নেই।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিআরটিএর কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে বসে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে আমি জেনেছি, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্ধারিত ভাড়ায় যাত্রীরা বাড়ি যাচ্ছেন। দেড় কোটি মানুষ দুই-তিন দিনের মধ্যে ঢাকা ছাড়ছে। আবার প্রায় ৮০ লাখ কোরবানিযোগ্য পশুও পরিবহন করতে হচ্ছে। পরিবহন খাতের সামর্থ্যের শতভাগ দিয়ে আমরা চেষ্টা করেছি।’
বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী তিনি বলেন, কাউন্টার ও বাসস্ট্যান্ডের বাইরে কিছু অসাধু ব্যক্তি সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। যাত্রীদের বাড়ি যাওয়ার তাড়াহুড়োকে পুঁজি করে কেউ কেউ বেশি ভাড়া নিচ্ছে। তবে অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং জরিমানাও করা হচ্ছে। যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা না যায়, সে জন্য কঠোর নজরদারি চলছে।
রেলপথে নারীদের জন্য বিশেষ কোচ সংযোজনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এরইমধ্যে তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনে বিশেষ কোচ যুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব ট্রেনে এখনই এটি সম্ভব হয়নি, কারণ আগেই অধিকাংশ টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে এবং পর্যাপ্ত কোচও হাতে নেই। ঈদ উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত ৫১টি কোচ এরইমধ্যে যুক্ত করা হয়েছে।
এ সময় উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রো স্টেশনের নিচে পশুর হাট বসানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত ছিল না। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনকে জিজ্ঞেস করেন। যারা এখানে ইজারা দিয়েছে, টাকা নিয়েছে- দায়টা তাদের।
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২২
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৪
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০