
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৩০
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ১১ দলীয় জোট ত্যাগের প্রেক্ষাপট বর্ণনা এবং নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করেন ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা রহমতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামসুল হকের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় ইবতেদায়ী বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা রাসেল হোসাইন, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহসান হাবীব বিশ্বাস, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি বেলাল হোসাইন, ইসলামী যুব আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ্, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ। এছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামপন্থীদের ভোট একবাক্সে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। সেলক্ষ্যে কওমী ঘরনার নেতাদের নিয়ে প্রথমে ৫ দল গঠন করা হয়। ৬ নম্বর দল হিসেবে সেখানে জামায়াত ইসলামী যুক্ত হয় এবং পরে আরো দুটি দল যোগ দেয়। কথা ছিল আমরা ক্ষমতায় গেলে ইসলামী শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবো। কিন্তু জামায়াত সেই আদর্শগত অবস্থান থেকে সরে গিয়ে প্রচলিত আইনেই রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দেয়। এছাড়াও জোটের আহ্বানকারী এবং মূল উদ্যোক্তা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে কোনো বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছাড়াই আরো ৩টি দলকে জোটে যুক্ত করে জামায়াতে ইসলামী। তাদের এই একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা, জোটকে অবজ্ঞা এবং ইসলামী শরিয়া আইনের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণে জোট ত্যাগ করতে বাধ্য হয় ইসলামী আন্দোলন।'
উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাধ্য হয়েই এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সারাদেশে ২৬৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি ৩২ আসনে যে দল বা প্রার্থী ইসলামের আদর্শের মধ্যে থাকবে তাকে সমর্থন দেবে ইসলামী আন্দোলন। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী হিসেবে আমি আগেও মাঠে ছিলাম, এখনো আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমি ভোট কেনার জন্য কাউকে যেমন টাকা দিতে পারবো না, তেমনি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রের একটি টাকাও নিজের পকেটে ঢুকাবো না। জনগণের টাকা লুটপাট হতে দেবো না। আমি নির্বাচিত হতে পারলে দুর্নীতি, মাদক এবং সন্ত্রাসমুক্ত বাবুগঞ্জ আর মুলাদী উপজেলা বির্নিমাণ করতে চাই।'
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ১১ দলীয় জোট ত্যাগের প্রেক্ষাপট বর্ণনা এবং নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থাপন করেন ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা রহমতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামসুল হকের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় ইবতেদায়ী বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা রাসেল হোসাইন, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহসান হাবীব বিশ্বাস, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সহ-সভাপতি বেলাল হোসাইন, ইসলামী যুব আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ্, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ। এছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামপন্থীদের ভোট একবাক্সে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। সেলক্ষ্যে কওমী ঘরনার নেতাদের নিয়ে প্রথমে ৫ দল গঠন করা হয়। ৬ নম্বর দল হিসেবে সেখানে জামায়াত ইসলামী যুক্ত হয় এবং পরে আরো দুটি দল যোগ দেয়। কথা ছিল আমরা ক্ষমতায় গেলে ইসলামী শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবো। কিন্তু জামায়াত সেই আদর্শগত অবস্থান থেকে সরে গিয়ে প্রচলিত আইনেই রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দেয়। এছাড়াও জোটের আহ্বানকারী এবং মূল উদ্যোক্তা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে কোনো বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছাড়াই আরো ৩টি দলকে জোটে যুক্ত করে জামায়াতে ইসলামী। তাদের এই একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা, জোটকে অবজ্ঞা এবং ইসলামী শরিয়া আইনের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়ার কারণে জোট ত্যাগ করতে বাধ্য হয় ইসলামী আন্দোলন।'
উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন বাধ্য হয়েই এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সারাদেশে ২৬৮ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি ৩২ আসনে যে দল বা প্রার্থী ইসলামের আদর্শের মধ্যে থাকবে তাকে সমর্থন দেবে ইসলামী আন্দোলন। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী হিসেবে আমি আগেও মাঠে ছিলাম, এখনো আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমি ভোট কেনার জন্য কাউকে যেমন টাকা দিতে পারবো না, তেমনি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রের একটি টাকাও নিজের পকেটে ঢুকাবো না। জনগণের টাকা লুটপাট হতে দেবো না। আমি নির্বাচিত হতে পারলে দুর্নীতি, মাদক এবং সন্ত্রাসমুক্ত বাবুগঞ্জ আর মুলাদী উপজেলা বির্নিমাণ করতে চাই।'

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০১
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২