
০৮ আগস্ট, ২০২৫ ১২:৪৪
কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা প্রকল্প দুই যুগেও বাস্তবায়ন হয়নি। শুধু পরিকল্পনা প্রস্তাবনায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এছাড়া জরুরি মেরামতের নামে জিওব্যাগ, জিওটিউব স্থাপনসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়েও এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। কারণ এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সৈকতে বালু খনন করে ওই বালু জিওব্যাগ ও জিওটিউবে দেওয়ায় সৈকতে কুয়া হয়ে গেছে। বিচটি এবড়ো-থেবড়ো হয়ে গেছে।
জোয়ারের সময় এসব কুয়া এখন মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। সবশেষ শূন্য পয়েন্টে সরদার মার্কেট ঘেঁষা সৈকতে বুধবার বেলা ১১টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে পর্যটক মিয়া সামাদ সিদ্দিকী ওরফে পারভেজের (১৭) সলিল সমাধি ঘটে। ঘূর্ণিস্রোতে ভেসে যাওয়া ওই পর্যটককে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল প্রায় আড়াই ঘণ্টা পরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
নিহত পর্যটক মাগুরা জেলার হাজীপুর পশ্চিম বাড়িয়াল এলাকার অলিউল ইসলামের ছেলে। তিনি খুলনার খালিশপুরে ‘সেভ আওয়ার সোল (এসওএস) ইয়ুথ হাউস’ নামের একটি বেসরকারি এতিমখানায় অফিস প্রোগ্রামার হিসাবে দায়িত্ব পালন করতেন।
এ বছরের ২৫ জুলাই ভেসে যাওয়ার প্রাক্কালে শূন্য পয়েন্টে তানভির (২৩) নামের এক পর্যটককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এভাবে প্রতি বছর সৈকতে গোসলে ভেসে যাওয়ার খবর মিলছে।
স্থানীয়রা ও পর্যটকরা কুয়াকাটা সৈকতের শূন্য পয়েন্ট থেকে আশপাশ এলাকাকে জোয়ারের সময় গোসলের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক মনে করছেন। কেউ কেউ মৃত্যুকূপও মনে করছেন।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সৈকতটি এখন নদীর পাড়ের মতো হয়ে গেছে। জোয়ারের সময় ওয়াকিং জোন নেই। বিশেষ করে ট্যুরিজম পার্ক থেকে মিরাবাড়ি পর্যন্ত সৈকতটি জোয়ারের সময় পর্যটকের জন্য ঝুঁকি বহুগুণে বেড়েছে।
এই তিন কিলোমিটার এলাকার ভাঙন রক্ষার নামে গত এক যুগে যে যার মতো বালু উত্তোলন করে এবড়ো-থেবড়ো করে দিয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দিলে বলা হয়েছে, জোয়ারের সময় লেভেল হয়ে যাবে। এছাড়া এই সৈকত থেকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বালু উত্তোলন করে ব্যবসা-বাণিজ্য করা হয়েছে। ফলে শূন্য পয়েন্টে গোসলের জন্য বিপজ্জনক হয়ে গেছে।
অপরদিকে সৈকতের মিরাবাড়ি থেকে পশ্চিম দিকের খাজুরা পর্যন্ত এবং ট্যুরিজম পার্ক থেকে গঙ্গামতি পর্যন্ত জোয়ারের সময় সৈকত অনেক কম ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। একই অবস্থা ঝাউবাগান থেকে পূর্ব দিকের সৈকতের। এখানটার স্লোপ এবড়ো-থেবড়ো নয়। স্লোপ লেভেল ভাটার সময় চোখে দেখলেই এই ব্যত্যয় দেখা যায়।
আব্দুর রশিদ নামের এক খুটা জেলে দাবি করেন, বালু উত্তোলন ছাড়াও ২০২১ সাল থেকে পায়রা বন্দরের চ্যানেলে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করার পর থেকে সাগরের ভাঙন বহুগুণে বেড়ে গেছে। স্রোতের তোড় এখন কিনার থেকে যায়।
ফলে ভাঙন বেড়েছে। তবে তার এই ধারণাভিত্তিক অভিযোগের সাথে ভিন্নমত পোষণ করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা। কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাহ আলম জানান, জরুরি প্রটেকশনের জন্য সঠিকভাবেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখানে জিওব্যাগ ও জিওটিউবের কোনো বিকল্প নেই।
এছাড়া বিচের বেলাভূমিতে দেওয়া পুরনো জিওব্যাগ এখন অপসারণ করা হবে আত্মঘাতী। কেননা, বালুতে অর্ধেক দেবে যাওয়া জিওব্যাগ ঢেউয়ের ঝাপটা প্রতিরোধ করছে।
আর তুলে ফেললে সৈকত আরও দ্রুত সাগরে বিলীন হবে। তবে পর্যটক-দর্শনার্থীকে গোসলের জন্য সতর্ক অবস্থান ও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। ব্যক্তিগতভাবে সৈকতের বালু কেউ তুললে এটি বন্ধ করতে হবে। আর স্থায়ীভাবে প্রতিরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।
সূত্র মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৪৮ নম্বর পোল্ডারের ১৭ দশমিক ২৫০তম কিলোমিটার থেকে ৩৭ দশমিক ২৫০তম কিমি পর্যন্ত বেড়িবাঁধের বাইরের দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার মূলত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এলাকা নির্ধারণ করা রয়েছে।
এর মধ্যে গঙ্গামতি লেকের ২৪ দশমিক ২৫০তম কিমি থেকে আন্ধারমানিক নদী মোহনার ৩৪ দশমিক ৭৫০তম কিমি পর্যন্ত সাড়ে দশ কিলোমিটার সৈকত সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। যেখানে মূলত পর্যটকরা বিচরণ করেন।
এই সাড়ে দশ কিলোমিটারের মধ্যে ২৭ দশমিক ৪০০ কিলোমিটার থেকে ৩২ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাঁচ দশমিক এক কিলোমিটার সাগরের তীব্র ভাঙন এলাকা। বর্তমানে সৈকতে ঝুঁকিপূর্ণ পাঁচ কিলোমিটার অংশের মধ্যে আড়াই কিলোমিটার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু কখনোই ঝুঁকিপূর্ণ পুরো পাঁচ কিলোমিটার জরুরিভাবে প্রটেকশন দেওয়া হয়নি। মূলত শূন্য পয়েন্টের আশপাশের স্থাপনা রক্ষার নামে বর্ষা মৌসুমের আগে আগে এই জরুরি প্রটেকশন দেওয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এ বছরও বরাবরের মতো ট্যুরিজম পার্ক থেকে ২৯ দশমিক ৫০০ মিটার থেকে ৩০ দশমিক ৬০০তম অংশের এক কিলোমিটার একশ মিটার এলাকা খুবই বিধ্বস্ত দশায় রয়েছে।
কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড ট্যুরিজম পার্ক থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত দুই-তিন শ’ মিটার এলাকা জিওটিউব দিয়ে সাময়িক প্রটেকশন দিচ্ছে। যা নিয়েও স্থানীয়দের প্রশ্ন রয়েছে।
কারণ সাগরের বেলাভূমি থেকে ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এছাড়া কেন বর্ষা মৌসুমের আগেই এই প্রটেকশন দেওয়া হলো না, এ নিয়ে মানুষ ক্ষুব্ধ মনোভাব পোষণ করেন।
পরিবেশ ও উন্নয়ন কর্মী কেএম বাচ্চু জানান, বর্তমানে সীবিচটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। প্রশস্ত বিচটি জোয়ারের সময় ব্যবহৃত হয় না, শুধু গোসল করতে পারে। ভাটায় পর্যটক বিচ ব্যবহার করতে পারে।
এই বিচকে পুঁজি করে অনেকে বালুর ব্যবসা করেছে। বর্তমানে ছেঁড়া, শ্যাওলা ধরা টিউব ও জিওব্যাগের মাঝখানে গর্ত হয়ে গেছে। জোয়ারের সময় ওই সমস্ত জায়গায় ঘূর্ণিস্রোত তৈরি হয়।
যেখানে পর্যটকরা ভেসে প্রাণহানির মতো দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটেই চলছে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত রক্ষায় সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে। স্থায়ী প্রটেকশন বাস্তবায়নের দাবি তার।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, সৈকতের শূন্য পয়েন্টে জিওব্যাগ দেওয়া হয়েছে সৈকতের বালু কেটে। সৈকত ঢালু হয়ে গেছে। ব্যাগের আশপাশে জোয়ারের সময় ঢেউয়ের তোড়ে ঘূর্ণিস্রোত হয়। সেখানে পর্যটকরা পড়ে যাচ্ছে, ভেসে যাচ্ছে। স্থায়ী প্রটেকশন না দিলে বড় ধরনের সর্বনাশ হবে সৈকতের।
পাথর কিংবা ব্লক দিয়ে স্থায়ী প্রটেকশন দেওয়া প্রয়োজন বলে তার দাবি। তারা বিষয়টি বারবার মৌখিক ও লিখিতভাবে সরকারের কাছে জানিয়েছেন। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় তারা হতাশা ব্যক্ত করেন ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, বিচ থেকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে বালু তুললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া শূন্য পয়েন্টে গোসলে সতর্ক থাকার জন্য পর্যটক-দর্শনার্থীর জন্য সচেতনতামূলক বিলবোর্ড দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গোসলের জন্য শূন্য পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ থাকলে এটি এড়ানো যায় কি না, তা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা প্রকল্প দুই যুগেও বাস্তবায়ন হয়নি। শুধু পরিকল্পনা প্রস্তাবনায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এছাড়া জরুরি মেরামতের নামে জিওব্যাগ, জিওটিউব স্থাপনসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়েও এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। কারণ এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সৈকতে বালু খনন করে ওই বালু জিওব্যাগ ও জিওটিউবে দেওয়ায় সৈকতে কুয়া হয়ে গেছে। বিচটি এবড়ো-থেবড়ো হয়ে গেছে।
জোয়ারের সময় এসব কুয়া এখন মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। সবশেষ শূন্য পয়েন্টে সরদার মার্কেট ঘেঁষা সৈকতে বুধবার বেলা ১১টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে পর্যটক মিয়া সামাদ সিদ্দিকী ওরফে পারভেজের (১৭) সলিল সমাধি ঘটে। ঘূর্ণিস্রোতে ভেসে যাওয়া ওই পর্যটককে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল প্রায় আড়াই ঘণ্টা পরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
নিহত পর্যটক মাগুরা জেলার হাজীপুর পশ্চিম বাড়িয়াল এলাকার অলিউল ইসলামের ছেলে। তিনি খুলনার খালিশপুরে ‘সেভ আওয়ার সোল (এসওএস) ইয়ুথ হাউস’ নামের একটি বেসরকারি এতিমখানায় অফিস প্রোগ্রামার হিসাবে দায়িত্ব পালন করতেন।
এ বছরের ২৫ জুলাই ভেসে যাওয়ার প্রাক্কালে শূন্য পয়েন্টে তানভির (২৩) নামের এক পর্যটককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এভাবে প্রতি বছর সৈকতে গোসলে ভেসে যাওয়ার খবর মিলছে।
স্থানীয়রা ও পর্যটকরা কুয়াকাটা সৈকতের শূন্য পয়েন্ট থেকে আশপাশ এলাকাকে জোয়ারের সময় গোসলের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক মনে করছেন। কেউ কেউ মৃত্যুকূপও মনে করছেন।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সৈকতটি এখন নদীর পাড়ের মতো হয়ে গেছে। জোয়ারের সময় ওয়াকিং জোন নেই। বিশেষ করে ট্যুরিজম পার্ক থেকে মিরাবাড়ি পর্যন্ত সৈকতটি জোয়ারের সময় পর্যটকের জন্য ঝুঁকি বহুগুণে বেড়েছে।
এই তিন কিলোমিটার এলাকার ভাঙন রক্ষার নামে গত এক যুগে যে যার মতো বালু উত্তোলন করে এবড়ো-থেবড়ো করে দিয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দিলে বলা হয়েছে, জোয়ারের সময় লেভেল হয়ে যাবে। এছাড়া এই সৈকত থেকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বালু উত্তোলন করে ব্যবসা-বাণিজ্য করা হয়েছে। ফলে শূন্য পয়েন্টে গোসলের জন্য বিপজ্জনক হয়ে গেছে।
অপরদিকে সৈকতের মিরাবাড়ি থেকে পশ্চিম দিকের খাজুরা পর্যন্ত এবং ট্যুরিজম পার্ক থেকে গঙ্গামতি পর্যন্ত জোয়ারের সময় সৈকত অনেক কম ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। একই অবস্থা ঝাউবাগান থেকে পূর্ব দিকের সৈকতের। এখানটার স্লোপ এবড়ো-থেবড়ো নয়। স্লোপ লেভেল ভাটার সময় চোখে দেখলেই এই ব্যত্যয় দেখা যায়।
আব্দুর রশিদ নামের এক খুটা জেলে দাবি করেন, বালু উত্তোলন ছাড়াও ২০২১ সাল থেকে পায়রা বন্দরের চ্যানেলে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করার পর থেকে সাগরের ভাঙন বহুগুণে বেড়ে গেছে। স্রোতের তোড় এখন কিনার থেকে যায়।
ফলে ভাঙন বেড়েছে। তবে তার এই ধারণাভিত্তিক অভিযোগের সাথে ভিন্নমত পোষণ করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা। কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাহ আলম জানান, জরুরি প্রটেকশনের জন্য সঠিকভাবেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখানে জিওব্যাগ ও জিওটিউবের কোনো বিকল্প নেই।
এছাড়া বিচের বেলাভূমিতে দেওয়া পুরনো জিওব্যাগ এখন অপসারণ করা হবে আত্মঘাতী। কেননা, বালুতে অর্ধেক দেবে যাওয়া জিওব্যাগ ঢেউয়ের ঝাপটা প্রতিরোধ করছে।
আর তুলে ফেললে সৈকত আরও দ্রুত সাগরে বিলীন হবে। তবে পর্যটক-দর্শনার্থীকে গোসলের জন্য সতর্ক অবস্থান ও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। ব্যক্তিগতভাবে সৈকতের বালু কেউ তুললে এটি বন্ধ করতে হবে। আর স্থায়ীভাবে প্রতিরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।
সূত্র মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৪৮ নম্বর পোল্ডারের ১৭ দশমিক ২৫০তম কিলোমিটার থেকে ৩৭ দশমিক ২৫০তম কিমি পর্যন্ত বেড়িবাঁধের বাইরের দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার মূলত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এলাকা নির্ধারণ করা রয়েছে।
এর মধ্যে গঙ্গামতি লেকের ২৪ দশমিক ২৫০তম কিমি থেকে আন্ধারমানিক নদী মোহনার ৩৪ দশমিক ৭৫০তম কিমি পর্যন্ত সাড়ে দশ কিলোমিটার সৈকত সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। যেখানে মূলত পর্যটকরা বিচরণ করেন।
এই সাড়ে দশ কিলোমিটারের মধ্যে ২৭ দশমিক ৪০০ কিলোমিটার থেকে ৩২ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পাঁচ দশমিক এক কিলোমিটার সাগরের তীব্র ভাঙন এলাকা। বর্তমানে সৈকতে ঝুঁকিপূর্ণ পাঁচ কিলোমিটার অংশের মধ্যে আড়াই কিলোমিটার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু কখনোই ঝুঁকিপূর্ণ পুরো পাঁচ কিলোমিটার জরুরিভাবে প্রটেকশন দেওয়া হয়নি। মূলত শূন্য পয়েন্টের আশপাশের স্থাপনা রক্ষার নামে বর্ষা মৌসুমের আগে আগে এই জরুরি প্রটেকশন দেওয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এ বছরও বরাবরের মতো ট্যুরিজম পার্ক থেকে ২৯ দশমিক ৫০০ মিটার থেকে ৩০ দশমিক ৬০০তম অংশের এক কিলোমিটার একশ মিটার এলাকা খুবই বিধ্বস্ত দশায় রয়েছে।
কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড ট্যুরিজম পার্ক থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত দুই-তিন শ’ মিটার এলাকা জিওটিউব দিয়ে সাময়িক প্রটেকশন দিচ্ছে। যা নিয়েও স্থানীয়দের প্রশ্ন রয়েছে।
কারণ সাগরের বেলাভূমি থেকে ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এছাড়া কেন বর্ষা মৌসুমের আগেই এই প্রটেকশন দেওয়া হলো না, এ নিয়ে মানুষ ক্ষুব্ধ মনোভাব পোষণ করেন।
পরিবেশ ও উন্নয়ন কর্মী কেএম বাচ্চু জানান, বর্তমানে সীবিচটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। প্রশস্ত বিচটি জোয়ারের সময় ব্যবহৃত হয় না, শুধু গোসল করতে পারে। ভাটায় পর্যটক বিচ ব্যবহার করতে পারে।
এই বিচকে পুঁজি করে অনেকে বালুর ব্যবসা করেছে। বর্তমানে ছেঁড়া, শ্যাওলা ধরা টিউব ও জিওব্যাগের মাঝখানে গর্ত হয়ে গেছে। জোয়ারের সময় ওই সমস্ত জায়গায় ঘূর্ণিস্রোত তৈরি হয়।
যেখানে পর্যটকরা ভেসে প্রাণহানির মতো দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটেই চলছে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত রক্ষায় সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে। স্থায়ী প্রটেকশন বাস্তবায়নের দাবি তার।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, সৈকতের শূন্য পয়েন্টে জিওব্যাগ দেওয়া হয়েছে সৈকতের বালু কেটে। সৈকত ঢালু হয়ে গেছে। ব্যাগের আশপাশে জোয়ারের সময় ঢেউয়ের তোড়ে ঘূর্ণিস্রোত হয়। সেখানে পর্যটকরা পড়ে যাচ্ছে, ভেসে যাচ্ছে। স্থায়ী প্রটেকশন না দিলে বড় ধরনের সর্বনাশ হবে সৈকতের।
পাথর কিংবা ব্লক দিয়ে স্থায়ী প্রটেকশন দেওয়া প্রয়োজন বলে তার দাবি। তারা বিষয়টি বারবার মৌখিক ও লিখিতভাবে সরকারের কাছে জানিয়েছেন। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় তারা হতাশা ব্যক্ত করেন ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, বিচ থেকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে বালু তুললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া শূন্য পয়েন্টে গোসলে সতর্ক থাকার জন্য পর্যটক-দর্শনার্থীর জন্য সচেতনতামূলক বিলবোর্ড দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গোসলের জন্য শূন্য পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ থাকলে এটি এড়ানো যায় কি না, তা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২২
পটুয়াখালীর বাউফলে ফুটন্ত ভাতের পাতিল ঢেলে এক গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দগ্ধ গৃহবধূকে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা খারাপ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শারমিন বেগম কর্পূরকাঠী গ্রামের দুলাল প্যাদার স্ত্রী। অভিযুক্ত সালমা বেগম তার (স্বামীর বোন) ননদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শারমিন বেগম রান্নাঘরে ভাত রান্না করছিলেন এবং সবজি কাটছিলেন। এ সময় ননদ সালমা বেগমের সাথে তুচ্ছ ঘটনায় বাকবিতন্ডা হয়। হঠাৎ ফুটন্ত ভাতের পাতিল তার শরীরের ওপর ঢেলে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহতের স্বামী দুলাল প্যাদা বলেন, “আমার বোন সালমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। হঠাৎ করেই সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শারমিন বেগমের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ফুটন্ত ভাতের পাতিল ঢেলে এক গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দগ্ধ গৃহবধূকে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা খারাপ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শারমিন বেগম কর্পূরকাঠী গ্রামের দুলাল প্যাদার স্ত্রী। অভিযুক্ত সালমা বেগম তার (স্বামীর বোন) ননদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শারমিন বেগম রান্নাঘরে ভাত রান্না করছিলেন এবং সবজি কাটছিলেন। এ সময় ননদ সালমা বেগমের সাথে তুচ্ছ ঘটনায় বাকবিতন্ডা হয়। হঠাৎ ফুটন্ত ভাতের পাতিল তার শরীরের ওপর ঢেলে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহতের স্বামী দুলাল প্যাদা বলেন, “আমার বোন সালমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। হঠাৎ করেই সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শারমিন বেগমের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৯
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত বাবাকে ঘরের সিল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে মাদকাশক্ত ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে (৩৪) আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত উত্তম দেবনাথ (৬০) পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস দেবনাথ ঘরের ভেতরে এবং স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার ভোরে তাপস দেবনাথ ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা শিল-পাটা দিয়ে বাবার মাথার ডান পাশে সজোরে আঘাত করেন। উত্তম দেবনাথের চিৎকার শুনে তার স্ত্রী ঘরে এসে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি প্রতিবেশীদের ডাকলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে উত্তম দেবনাথকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন।
স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তাপস দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মানসিক ভারসাম্যহীন আচরণ করতেন।
খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।’
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত বাবাকে ঘরের সিল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে মাদকাশক্ত ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে (৩৪) আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত উত্তম দেবনাথ (৬০) পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস দেবনাথ ঘরের ভেতরে এবং স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার ভোরে তাপস দেবনাথ ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা শিল-পাটা দিয়ে বাবার মাথার ডান পাশে সজোরে আঘাত করেন। উত্তম দেবনাথের চিৎকার শুনে তার স্ত্রী ঘরে এসে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি প্রতিবেশীদের ডাকলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে উত্তম দেবনাথকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন।
স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তাপস দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মানসিক ভারসাম্যহীন আচরণ করতেন।
খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিষয়ে বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের নেতাবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাকসুদ আহম্মেদ বায়জীদ পান্না এর সভাপতিত্বে ও জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আল আমিন সুজনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান পটুয়াখালী-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
সভায় প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট সর্বোউচ্চ বাজেট। এ বাজেট দেশের উন্নয়নে ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। এ বাজেট দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। এতে দেশের উন্নয়ন যেমন হবে, তেমনি মানুষের কল্যাণ হবে।
তাই বিএনপি সরকারের জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যারা ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি এবং যারা বিরোধীতা করেছেন আমি এখন সবার এমপি। বিএনপি সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষকেই দেখভাল করছে এবং করবে। এ সময় বিএনপির শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জেলা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল আজম রঞ্জু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম কিবরিয়া মৃধা, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি একেএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর প্রধান লায়লা ইয়াসমিন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জেসমিন জাফর, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিচুর রহমান ও লাউকাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ প্রমুখ।
বরিশাল টাইমস
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিষয়ে বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের নেতাবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাকসুদ আহম্মেদ বায়জীদ পান্না এর সভাপতিত্বে ও জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আল আমিন সুজনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান পটুয়াখালী-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
সভায় প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট সর্বোউচ্চ বাজেট। এ বাজেট দেশের উন্নয়নে ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। এ বাজেট দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। এতে দেশের উন্নয়ন যেমন হবে, তেমনি মানুষের কল্যাণ হবে।
তাই বিএনপি সরকারের জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যারা ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি এবং যারা বিরোধীতা করেছেন আমি এখন সবার এমপি। বিএনপি সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষকেই দেখভাল করছে এবং করবে। এ সময় বিএনপির শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জেলা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল আজম রঞ্জু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম কিবরিয়া মৃধা, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি একেএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর প্রধান লায়লা ইয়াসমিন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জেসমিন জাফর, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিচুর রহমান ও লাউকাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ প্রমুখ।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৯
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৯