Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:২৯
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা আবাসিক হোটেল 'সি লোটাস' থেকে অভিনব কায়দায় চারটি স্মার্ট টিভি চুরির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৪ আগস্ট) রাতে এই ঘটনা ঘটে।
হোটেলের রেজিস্ট্রি খাতা ও আইডি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, চুরির সাথে জড়িত ব্যক্তির নাম শাওন রানা, পিতা আনোয়ার হোসেন, স্থায়ী ঠিকানা খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকার খুলনা।
হোটেল ম্যানেজার দীপঙ্কর রায় জানান, অতিথি পরিচয়ে শাওন রানা হোটেলের ২০১, ২০২, ২০৭ ও ২০৮ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন। তিনি ম্যানেজারকে জানান, তাঁর সাথে আরও সাতজন আসবেন এবং তারা অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই রুমে উঠবেন। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও রুমে অতিথিদের কোন উপস্থিতি না পেয়ে ডাইরিতে অন্তর্ভুক্ত নম্বরে যোগাযোগ করলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক রুমে গিয়ে দেখা যায়, চারটি রুমের টিভি নেই।
সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কৌশলে প্রতিটি কক্ষের টিভি খুলে একটি কার্টুনে ভরে সুযোগ বুঝে নিয়ে পালিয়ে যান। এ প্রসঙ্গে কুয়াকাটা হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, 'এটি আসলে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
পর্যটকের ছদ্মবেশে কিছু অসাধু চক্র সুযোগ বুঝে অপকর্ম চালিয়ে থাকে। তাই হোটেল কর্তৃপক্ষ ও ম্যানেজারদের আরও সচেতন এবং সতর্ক থাকতে হবে। আমরা দাবি জানাচ্ছি—এই ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।'
এদিকে, হোটেল মালিক এডভোকেট জহিরুল হক দুষ্কৃতিকারীকে ধরিয়ে দিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে ভবিষ্যতে পর্যটন এলাকায় অতিথির ছদ্মবেশে এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটতে পারে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল সি লোটাস থেকে স্মার্ট টেলিভিশন চুরির অভিযোগ পেয়েছি এবং আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি কক্ষ ভাড়া নেওয়ার সময় যে জাতীয় পরিচয় পত্র ব্যবহার করেছে সেটা ভুয়া। তবে আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাকে শনাক্তের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা আবাসিক হোটেল 'সি লোটাস' থেকে অভিনব কায়দায় চারটি স্মার্ট টিভি চুরির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৪ আগস্ট) রাতে এই ঘটনা ঘটে।
হোটেলের রেজিস্ট্রি খাতা ও আইডি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, চুরির সাথে জড়িত ব্যক্তির নাম শাওন রানা, পিতা আনোয়ার হোসেন, স্থায়ী ঠিকানা খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকার খুলনা।
হোটেল ম্যানেজার দীপঙ্কর রায় জানান, অতিথি পরিচয়ে শাওন রানা হোটেলের ২০১, ২০২, ২০৭ ও ২০৮ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন। তিনি ম্যানেজারকে জানান, তাঁর সাথে আরও সাতজন আসবেন এবং তারা অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই রুমে উঠবেন। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও রুমে অতিথিদের কোন উপস্থিতি না পেয়ে ডাইরিতে অন্তর্ভুক্ত নম্বরে যোগাযোগ করলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক রুমে গিয়ে দেখা যায়, চারটি রুমের টিভি নেই।
সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কৌশলে প্রতিটি কক্ষের টিভি খুলে একটি কার্টুনে ভরে সুযোগ বুঝে নিয়ে পালিয়ে যান। এ প্রসঙ্গে কুয়াকাটা হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, 'এটি আসলে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
পর্যটকের ছদ্মবেশে কিছু অসাধু চক্র সুযোগ বুঝে অপকর্ম চালিয়ে থাকে। তাই হোটেল কর্তৃপক্ষ ও ম্যানেজারদের আরও সচেতন এবং সতর্ক থাকতে হবে। আমরা দাবি জানাচ্ছি—এই ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।'
এদিকে, হোটেল মালিক এডভোকেট জহিরুল হক দুষ্কৃতিকারীকে ধরিয়ে দিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন, যাতে ভবিষ্যতে পর্যটন এলাকায় অতিথির ছদ্মবেশে এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটতে পারে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল সি লোটাস থেকে স্মার্ট টেলিভিশন চুরির অভিযোগ পেয়েছি এবং আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি কক্ষ ভাড়া নেওয়ার সময় যে জাতীয় পরিচয় পত্র ব্যবহার করেছে সেটা ভুয়া। তবে আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাকে শনাক্তের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫২
পটুয়াখালীর বাউফলে উফশী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সারে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সালেহ আহমেদ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ফসলের বৃদ্ধির লক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি,উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি করে মোট দুই হাজার চার শত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সঠিক সময়ে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও সার ব্যবহারের মাধ্যমে বাউফল অঞ্চলে ধান উৎপাদন উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ভাড়ানী খালে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতের তোড়ে খালের উভয় পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বসতভিটা, কৃষিজমি, গাছপালা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অংশ ভেঙে খালে চলে যাওয়ায় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালের বিভিন্ন স্থানে পাড় ধসে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষকসহ প্রতিদিন যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় বিকল্প রাস্তা না থাকায় মানুষের চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
কার্তিক পাশা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার মৃধা জানান, ভাঙনের ফলে তার বাড়ির সামনের জমি ও রাস্তার বড় অংশ ইতোমধ্যে খালের মধ্যে চলে গেছে। এতে বাড়িতে যাতায়াত করাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অবশিষ্ট অংশও হারানোর আশঙ্কা করছেন তিনি।
একই গ্রামের নুরুল ইসলাম সিকদার বলেন, প্রতিদিনই খালের পাড় ভেঙে পড়ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে। যে কোনো সময় ঘরবাড়িও খালের মধ্যে বিলীন হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় সিকদার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও কোনো স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দ্রুত ব্লক ফেলা বা টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে। ভাঙনের কারণে শুধু বসতভিটাই নয়, কৃষিজমিও হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে অনেকের ফলজ ও বনজ গাছপালা খালে বিলীন হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদেকুর রহমান বলেন, ভাঙনের বিষয়টি তার জানা ছিল না। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করা হবে।
এদিকে দ্রুত ভাঙনরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৭
ধানের ন্যায্য ও লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা, বাজারে সক্রিয় সিন্ডিকেট ভাঙা এবং কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকদের অংশগ্রহণে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার এলাকায় বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সংগঠনের উপজেলা শাখার সভাপতি জিএম মাহবুবের সভাপতিত্বে স্থানীয় কৃষকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নয়নাভিরাম গাইন (নয়ন), নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হক গাজী এবং সদস্য আলতাফ গাজীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে এক কেজি ধান উৎপাদনে কৃষকদের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩০ থেকে ৩২ টাকা, অথচ দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের কারণে সেই ধান ১৬ থেকে ১৮ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এতে কৃষকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এছাড়া তেল সংকটকে কেন্দ্র করে হারভেস্টার মালিকদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও তোলেন তারা। এক কানি জমির ধান কাটতে এখন কৃষকদের ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬ হাজার টাকা বেশি। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে কৃষকরা চরম আর্থিক চাপে পড়েছেন।
কৃষক নেতারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয় নিশ্চিত করতে হবে এবং ধান ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালুর দাবি জানান তারা। খাল ও স্লুইসগেটের ইজারা ব্যবস্থা বাতিল করে জলাবদ্ধতা নিরসন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমাবেশ শেষে কৃষকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাখিমারা বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর বাউফলে উফশী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সারে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সালেহ আহমেদ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ফসলের বৃদ্ধির লক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি,উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি করে মোট দুই হাজার চার শত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সঠিক সময়ে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও সার ব্যবহারের মাধ্যমে বাউফল অঞ্চলে ধান উৎপাদন উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ভাড়ানী খালে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতের তোড়ে খালের উভয় পাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বসতভিটা, কৃষিজমি, গাছপালা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অংশ ভেঙে খালে চলে যাওয়ায় দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালের বিভিন্ন স্থানে পাড় ধসে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষকসহ প্রতিদিন যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় বিকল্প রাস্তা না থাকায় মানুষের চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
কার্তিক পাশা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার মৃধা জানান, ভাঙনের ফলে তার বাড়ির সামনের জমি ও রাস্তার বড় অংশ ইতোমধ্যে খালের মধ্যে চলে গেছে। এতে বাড়িতে যাতায়াত করাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অবশিষ্ট অংশও হারানোর আশঙ্কা করছেন তিনি।
একই গ্রামের নুরুল ইসলাম সিকদার বলেন, প্রতিদিনই খালের পাড় ভেঙে পড়ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে। যে কোনো সময় ঘরবাড়িও খালের মধ্যে বিলীন হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় সিকদার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন চললেও কোনো স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। দ্রুত ব্লক ফেলা বা টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে। ভাঙনের কারণে শুধু বসতভিটাই নয়, কৃষিজমিও হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে অনেকের ফলজ ও বনজ গাছপালা খালে বিলীন হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদেকুর রহমান বলেন, ভাঙনের বিষয়টি তার জানা ছিল না। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত সংস্কার ও প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করা হবে।
এদিকে দ্রুত ভাঙনরোধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
ধানের ন্যায্য ও লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা, বাজারে সক্রিয় সিন্ডিকেট ভাঙা এবং কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকদের অংশগ্রহণে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার এলাকায় বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সংগঠনের উপজেলা শাখার সভাপতি জিএম মাহবুবের সভাপতিত্বে স্থানীয় কৃষকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নয়নাভিরাম গাইন (নয়ন), নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হক গাজী এবং সদস্য আলতাফ গাজীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে এক কেজি ধান উৎপাদনে কৃষকদের ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩০ থেকে ৩২ টাকা, অথচ দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের কারণে সেই ধান ১৬ থেকে ১৮ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এতে কৃষকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এছাড়া তেল সংকটকে কেন্দ্র করে হারভেস্টার মালিকদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও তোলেন তারা। এক কানি জমির ধান কাটতে এখন কৃষকদের ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬ হাজার টাকা বেশি। ফলে উৎপাদন খরচ বেড়ে কৃষকরা চরম আর্থিক চাপে পড়েছেন।
কৃষক নেতারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয় নিশ্চিত করতে হবে এবং ধান ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালুর দাবি জানান তারা। খাল ও স্লুইসগেটের ইজারা ব্যবস্থা বাতিল করে জলাবদ্ধতা নিরসন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমাবেশ শেষে কৃষকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাখিমারা বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
বরিশাল টাইমস
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৭
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৪