১৭ অক্টোবর, ২০২৫ ০১:৩৮
ভারতের পাঞ্জাবে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। আজ বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে রোপার রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) হরচরণ সিং ভাল্লার নামের ওই আইপিএস কর্মকর্তাকে আটক করে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই)। এ সময় তাঁর কাছ থেকে বিপুল নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, বিলাসবহুল গাড়ি, দামি ঘড়ি ও বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সিবিআইয়ের বিজ্ঞপ্তির বরাতে জানিয়েছে, ভাল্লার একজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মামলা নিষ্পত্তির কথা বলে ঘুষ দাবি করেন। তিনি কৃষ্ণা নামের এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে এ টাকা চেয়েছিলেন।
পাঞ্জাবের ফতেহগড় সাহিবের আকাশ বাট্টা নামের এক ব্যবসায়ী পাঁচ দিন আগে সিবিআইয়ের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি বলেন, ডিআইজি ভাল্লার তাঁকে ব্যবসাসংক্রান্ত একটি ভুয়া মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে ৮ লাখ রুপি দাবি করেছেন। সে সঙ্গে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকাও দাবি করেন ভাল্লার।
সিবিআইয়ের এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, ভাল্লার নির্দেশ দেন ঘুষের টাকা যেন তাঁর সহযোগী কৃষ্ণার মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়। তদন্তকারীরা ফোনের কথোপকথনও রেকর্ড করেন। সেখানে কৃষ্ণাকে বলতে শোনা যায়—‘আগস্টের টাকা আসেনি, সেপ্টেম্বরের টাকাও আসেনি।’
এই অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শেষে সিবিআই চণ্ডীগড়ের সেক্টর-২১ এলাকায় একটি ফাঁদ পাতে। সেখানে কৃষ্ণাকে ৮ লাখ রুপি ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে সিবিআই। পরে ফোনকলে ডিআইজি ভাল্লার দুজনকে তাঁর অফিসে আসার নির্দেশ দেন। এর পরপরই সিবিআই দল মোহালিতে গিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ভারতে দলিত পুলিশ কর্মকর্তার আত্মহত্যায় তোলপাড়, সুইসাইড নোটে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগভারতে দলিত পুলিশ কর্মকর্তার আত্মহত্যায় তোলপাড়, সুইসাইড নোটে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ
গ্রেপ্তারের পর সিবিআই ভাল্লারের রোপার, মোহালি ও চণ্ডীগড়ে অবস্থিত বিভিন্ন বাসভবনে তল্লাশি চালায়। সেখানে তাঁর বিছানায় পাওয়া যায় প্রায় ৫ কোটি রুপি নগদ অর্থ, ১ দশমিক ৫ কেজি স্বর্ণ ও অলংকার, পাঞ্জাবজুড়ে একাধিক স্থাবর সম্পত্তির দলিল, মার্সিডিজ ও অডি গাড়ির চাবি, ২২টি বিলাসবহুল হাতঘড়ি, লকারের চাবি ও ৪০ লিটার আমদানি করা মদ। এ ছাড়া ডাবল ব্যারেল বন্দুক, পিস্তল, রিভলবার, এয়ারগানসহ অস্ত্রভান্ডার।
অন্যদিকে কৃষ্ণার বাড়ি থেকে অতিরিক্ত ২১ লাখ রুপি উদ্ধার করা হয়েছে।
সিবিআই জানিয়েছে, দুজনকেই আগামীকাল শুক্রবার আদালতে তোলা হবে। তদন্তকারীরা এখন সম্পদের পূর্ণ উৎস ও সম্ভাব্য মানি লন্ডারিংয়ের যোগসূত্র খুঁজে দেখছেন।
ভারতে আত্মহত্যা করা পুলিশকে ‘দুর্নীতিবাজ’ বলে তদন্ত কর্মকর্তারও আত্মহত্যা, রেখে গেলেন তিন পাতার ‘সুইসাইড নোট’ভারতে আত্মহত্যা করা পুলিশকে ‘দুর্নীতিবাজ’ বলে তদন্ত কর্মকর্তারও আত্মহত্যা, রেখে গেলেন তিন পাতার ‘সুইসাইড নোট’।
২০০৯ ব্যাচের এই আইপিএস কর্মকর্তা এর আগে পাটিয়ালা রেঞ্জের ডিআইজি, ভিজিল্যান্স ব্যুরোর জয়েন্ট ডিরেক্টর এবং মোহালি, সাঙ্গরুর, খান্না, হোশিয়ারপুর, ফতেহগড় সাহিব ও গুরদাসপুরে এসএসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২১ সালে হরচরণ সিং ভাল্লার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন একটি বিশেষ তদন্তকারী দলের (এসআইটি)। দলটি শিরোমণি আকালি দলের (এসএডি) নেতা বিক্রম সিং মজিঠিয়ার বিরুদ্ধে হাইপ্রোফাইল মাদক পাচার মামলা তদন্ত করেছিল। তিনি রাজ্য সরকারের ‘মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ নামে একটি অভিযানেরও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ছিলেন।
২০২৪ সালের নভেম্বরে হরচরণ সিং ভাল্লার রোপার রেঞ্জের ডিআইজি পদে যোগ দেন। তিনি মোহালি, রূপনগর ও ফতেহগড় সাহিব জেলার দায়িত্বে ছিলেন। ভাল্লার পাঞ্জাবের সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) এম এস ভাল্লারের ছেলে।
ভারতের পাঞ্জাবে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। আজ বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে রোপার রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) হরচরণ সিং ভাল্লার নামের ওই আইপিএস কর্মকর্তাকে আটক করে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই)। এ সময় তাঁর কাছ থেকে বিপুল নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, বিলাসবহুল গাড়ি, দামি ঘড়ি ও বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সিবিআইয়ের বিজ্ঞপ্তির বরাতে জানিয়েছে, ভাল্লার একজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মামলা নিষ্পত্তির কথা বলে ঘুষ দাবি করেন। তিনি কৃষ্ণা নামের এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে এ টাকা চেয়েছিলেন।
পাঞ্জাবের ফতেহগড় সাহিবের আকাশ বাট্টা নামের এক ব্যবসায়ী পাঁচ দিন আগে সিবিআইয়ের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি বলেন, ডিআইজি ভাল্লার তাঁকে ব্যবসাসংক্রান্ত একটি ভুয়া মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে ৮ লাখ রুপি দাবি করেছেন। সে সঙ্গে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকাও দাবি করেন ভাল্লার।
সিবিআইয়ের এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, ভাল্লার নির্দেশ দেন ঘুষের টাকা যেন তাঁর সহযোগী কৃষ্ণার মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়। তদন্তকারীরা ফোনের কথোপকথনও রেকর্ড করেন। সেখানে কৃষ্ণাকে বলতে শোনা যায়—‘আগস্টের টাকা আসেনি, সেপ্টেম্বরের টাকাও আসেনি।’
এই অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শেষে সিবিআই চণ্ডীগড়ের সেক্টর-২১ এলাকায় একটি ফাঁদ পাতে। সেখানে কৃষ্ণাকে ৮ লাখ রুপি ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে সিবিআই। পরে ফোনকলে ডিআইজি ভাল্লার দুজনকে তাঁর অফিসে আসার নির্দেশ দেন। এর পরপরই সিবিআই দল মোহালিতে গিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ভারতে দলিত পুলিশ কর্মকর্তার আত্মহত্যায় তোলপাড়, সুইসাইড নোটে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগভারতে দলিত পুলিশ কর্মকর্তার আত্মহত্যায় তোলপাড়, সুইসাইড নোটে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ
গ্রেপ্তারের পর সিবিআই ভাল্লারের রোপার, মোহালি ও চণ্ডীগড়ে অবস্থিত বিভিন্ন বাসভবনে তল্লাশি চালায়। সেখানে তাঁর বিছানায় পাওয়া যায় প্রায় ৫ কোটি রুপি নগদ অর্থ, ১ দশমিক ৫ কেজি স্বর্ণ ও অলংকার, পাঞ্জাবজুড়ে একাধিক স্থাবর সম্পত্তির দলিল, মার্সিডিজ ও অডি গাড়ির চাবি, ২২টি বিলাসবহুল হাতঘড়ি, লকারের চাবি ও ৪০ লিটার আমদানি করা মদ। এ ছাড়া ডাবল ব্যারেল বন্দুক, পিস্তল, রিভলবার, এয়ারগানসহ অস্ত্রভান্ডার।
অন্যদিকে কৃষ্ণার বাড়ি থেকে অতিরিক্ত ২১ লাখ রুপি উদ্ধার করা হয়েছে।
সিবিআই জানিয়েছে, দুজনকেই আগামীকাল শুক্রবার আদালতে তোলা হবে। তদন্তকারীরা এখন সম্পদের পূর্ণ উৎস ও সম্ভাব্য মানি লন্ডারিংয়ের যোগসূত্র খুঁজে দেখছেন।
ভারতে আত্মহত্যা করা পুলিশকে ‘দুর্নীতিবাজ’ বলে তদন্ত কর্মকর্তারও আত্মহত্যা, রেখে গেলেন তিন পাতার ‘সুইসাইড নোট’ভারতে আত্মহত্যা করা পুলিশকে ‘দুর্নীতিবাজ’ বলে তদন্ত কর্মকর্তারও আত্মহত্যা, রেখে গেলেন তিন পাতার ‘সুইসাইড নোট’।
২০০৯ ব্যাচের এই আইপিএস কর্মকর্তা এর আগে পাটিয়ালা রেঞ্জের ডিআইজি, ভিজিল্যান্স ব্যুরোর জয়েন্ট ডিরেক্টর এবং মোহালি, সাঙ্গরুর, খান্না, হোশিয়ারপুর, ফতেহগড় সাহিব ও গুরদাসপুরে এসএসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২১ সালে হরচরণ সিং ভাল্লার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন একটি বিশেষ তদন্তকারী দলের (এসআইটি)। দলটি শিরোমণি আকালি দলের (এসএডি) নেতা বিক্রম সিং মজিঠিয়ার বিরুদ্ধে হাইপ্রোফাইল মাদক পাচার মামলা তদন্ত করেছিল। তিনি রাজ্য সরকারের ‘মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ নামে একটি অভিযানেরও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ছিলেন।
২০২৪ সালের নভেম্বরে হরচরণ সিং ভাল্লার রোপার রেঞ্জের ডিআইজি পদে যোগ দেন। তিনি মোহালি, রূপনগর ও ফতেহগড় সাহিব জেলার দায়িত্বে ছিলেন। ভাল্লার পাঞ্জাবের সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) এম এস ভাল্লারের ছেলে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:২৪
বাংলাদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান অব্যাহত রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স এন্ড ট্রেড (ডিএফএটি) পরিচালিত সরকারি ভ্রমণ পরামর্শ পোর্টাল স্মার্টট্রাভেলার গত ৯ এপ্রিল হালনাগাদ করে ১০ এপ্রিলও বাংলাদেশের জন্য পূর্বে জারি করা ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ বহাল রেখেছে।
সতর্কতা বার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চলমান নাগরিক অস্থিরতা, বিক্ষোভ এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত। বিশেষ করে বড় ধরনের জমায়েত ও বিক্ষোভ যে কোনো সময় পূর্বসতর্কতা ছাড়াই সহিংস রূপ নিতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল এড়িয়ে চলা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতি নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চিটাগাং হিল ট্রাক্টস অঞ্চলের জন্য আলাদা ও আরও কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে অপহরণ, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ভ্রমণ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মিয়ানমার বর্ডার এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কাও তুলে ধরা হয়েছে।
এই সতর্কতা নতুন নয়। ২০২৪ সালের আগস্টে ডিএফএটি বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ ‘লেভেল-৪: ভ্রমণ করবেন না’ সতর্কতা জারি করেছিল, যেখানে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অস্থির ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে সতর্কতা নামিয়ে বর্তমান ‘লেভেল-৩’-এ আনা হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি সপ্তাহে মিল্টন ডিকের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার উচ্চপর্যায়ের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করেছে। সফরকালে দুই দেশ সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করা এবং আন্তঃসংসদীয় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একদিকে ভ্রমণ সতর্কতা বজায় রাখা এবং অন্যদিকে উচ্চপর্যায়ের সফর পরিচালনা দুইয়ের সমন্বয়ই ইঙ্গিত দেয় যে, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। তবে সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা উদ্বেগ এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান অব্যাহত রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স এন্ড ট্রেড (ডিএফএটি) পরিচালিত সরকারি ভ্রমণ পরামর্শ পোর্টাল স্মার্টট্রাভেলার গত ৯ এপ্রিল হালনাগাদ করে ১০ এপ্রিলও বাংলাদেশের জন্য পূর্বে জারি করা ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ বহাল রেখেছে।
সতর্কতা বার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চলমান নাগরিক অস্থিরতা, বিক্ষোভ এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা পুনর্বিবেচনা করা উচিত। বিশেষ করে বড় ধরনের জমায়েত ও বিক্ষোভ যে কোনো সময় পূর্বসতর্কতা ছাড়াই সহিংস রূপ নিতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল এড়িয়ে চলা এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতি নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চিটাগাং হিল ট্রাক্টস অঞ্চলের জন্য আলাদা ও আরও কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে অপহরণ, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ভ্রমণ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মিয়ানমার বর্ডার এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কাও তুলে ধরা হয়েছে।
এই সতর্কতা নতুন নয়। ২০২৪ সালের আগস্টে ডিএফএটি বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ ‘লেভেল-৪: ভ্রমণ করবেন না’ সতর্কতা জারি করেছিল, যেখানে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অস্থির ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে সতর্কতা নামিয়ে বর্তমান ‘লেভেল-৩’-এ আনা হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি সপ্তাহে মিল্টন ডিকের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার উচ্চপর্যায়ের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করেছে। সফরকালে দুই দেশ সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী করা এবং আন্তঃসংসদীয় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একদিকে ভ্রমণ সতর্কতা বজায় রাখা এবং অন্যদিকে উচ্চপর্যায়ের সফর পরিচালনা দুইয়ের সমন্বয়ই ইঙ্গিত দেয় যে, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। তবে সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা উদ্বেগ এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি।
বরিশাল টাইমস

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
মালয়েশিয়ার পেরাক অঙ্গরাজ্যের চেমোরের কান্থান শিল্প এলাকায় দুটি রাবার গ্লাভস কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৭৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে শ্রমশক্তি বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের সদস্যরা অংশ নেন।
পেরাক অভিবাসন বিভাগের পরিচালক দাতুক জেমস লি জানান, প্রথম কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পরে দ্বিতীয় কারখানায় শিফট পরিবর্তনের সময় আরও ২৩ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিরা ভিজিট পাসের অপব্যবহার করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
অভিযান শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, মূল কোম্পানির অধীনে থাকা দুটি কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অন্যান্য কোম্পানি বা খাতে নিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী তদন্তের জন্য অভিবাসন দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত বছর একই প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত অভিযানের পর এটি ছিল দ্বিতীয় অভিযান।
বরিশাল টাইমস
মালয়েশিয়ার পেরাক অঙ্গরাজ্যের চেমোরের কান্থান শিল্প এলাকায় দুটি রাবার গ্লাভস কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৭৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে শ্রমশক্তি বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের সদস্যরা অংশ নেন।
পেরাক অভিবাসন বিভাগের পরিচালক দাতুক জেমস লি জানান, প্রথম কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫৬ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পরে দ্বিতীয় কারখানায় শিফট পরিবর্তনের সময় আরও ২৩ জনকে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটক ব্যক্তিরা ভিজিট পাসের অপব্যবহার করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
অভিযান শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, মূল কোম্পানির অধীনে থাকা দুটি কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অন্যান্য কোম্পানি বা খাতে নিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী তদন্তের জন্য অভিবাসন দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত বছর একই প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত অভিযানের পর এটি ছিল দ্বিতীয় অভিযান।
বরিশাল টাইমস

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০২
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.