
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৩
কুড়িগ্রামে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নজরুল ইসলাম নামের এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল বেলা ১১টার দিকে শহরের তারামন বিবি মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নজরুল ইসলাম (৫৮) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ধরলার পাড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি যাত্রাপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নজরুল ইসলাম মোটরসাইকেল যোগে কুড়িগ্রাম শহরের দিকে যাচ্ছিলেন।
এ সময় তারামন বিবি মোড়ে পাথরবোঝাই একটি ট্রাক মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি নিচে পড়ে চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কুড়িগ্রামে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নজরুল ইসলাম নামের এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল বেলা ১১টার দিকে শহরের তারামন বিবি মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নজরুল ইসলাম (৫৮) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ধরলার পাড় এলাকার বাসিন্দা। তিনি যাত্রাপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নজরুল ইসলাম মোটরসাইকেল যোগে কুড়িগ্রাম শহরের দিকে যাচ্ছিলেন।
এ সময় তারামন বিবি মোড়ে পাথরবোঝাই একটি ট্রাক মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি নিচে পড়ে চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৬
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩
ভোট কেনাবেচার অভিযোগ তুলে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের নির্বাচনী অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবু পাড়া এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। এতে ৯ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাঙ্গল প্রতীকের অফিস থেকে ভোটারদের মাঝে টাকা বিলি করা হচ্ছে— এমন একটি গুজব ছড়িয়ে গভীর রাতে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে চড়াও হয়।
একপর্যায়ে তারা ‘মব’ সৃষ্টি করে অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান বুলেট বাবু (৪৫) ও কর্মী শাকিল আহমেদসহ (৩৮) ৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম অভিযোগ করে বলেন, আমার নিশ্চিত বিজয় দেখে একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ছক কষেছে। তারা অবৈধ অর্থ রাখার মিথ্যা অজুহাতে গভীর রাতে তাণ্ডব চালিয়েছে এবং আমার অফিস লুট করেছে।
অথচ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তল্লাশি চালিয়ে সেখানে অবৈধ কিছুর অস্তিত্ব পাননি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
হামলার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সৈয়দপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী ইমাম জানান, টাকা বিলি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
ভোট কেনাবেচার অভিযোগ তুলে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের নির্বাচনী অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবু পাড়া এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। এতে ৯ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাঙ্গল প্রতীকের অফিস থেকে ভোটারদের মাঝে টাকা বিলি করা হচ্ছে— এমন একটি গুজব ছড়িয়ে গভীর রাতে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে চড়াও হয়।
একপর্যায়ে তারা ‘মব’ সৃষ্টি করে অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান বুলেট বাবু (৪৫) ও কর্মী শাকিল আহমেদসহ (৩৮) ৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম অভিযোগ করে বলেন, আমার নিশ্চিত বিজয় দেখে একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ছক কষেছে। তারা অবৈধ অর্থ রাখার মিথ্যা অজুহাতে গভীর রাতে তাণ্ডব চালিয়েছে এবং আমার অফিস লুট করেছে।
অথচ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তল্লাশি চালিয়ে সেখানে অবৈধ কিছুর অস্তিত্ব পাননি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
হামলার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সৈয়দপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী ইমাম জানান, টাকা বিলি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০২
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৮