
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৫
দীর্ঘ ১৮ বছর প্রবাস জীবন শেষে দেশের মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে নতুন অধ্যায় তৈরী হবে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা। একই সাথে আগামীতে বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে এর প্রথম ধাপের সূচনা হবে ২৫শে ডিসেম্বর। এদিন তাকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। সারাদেশ থেকে এদিন লাখ লাখ মানুষ অবস্থান করবেন ঢাকা শহরে। শুধু নেতাকর্মীরাই নয় সমর্থকরাও যাবেন একনজর তারেক রহমানকে দেখতে। বরিশাল বিভাগের ৬ জেলা থেকে লাখো মানুষ ঢাকায় যাবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা। সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা আছেন তাদের পাশাপাশি যারা দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের নেতৃত্বেও লোকসমাগম করা হবে বলে জানাগেছে। একাধিক বিএনপি নেতা জানান, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে লঞ্চ-বাস সহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন অগ্রীম ভাড়া করা হয়েছে। এখন রীতিমত যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। যে সংখ্যক লোক টার্গেট তার অর্ধেকও হয়তো যেতে পারবেন না যানবাহন সংকটের কারণে। এজন্য অনেকই আগেভাগে ঢাকা অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বেশিরভাগ নেতাকর্মী ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় অবস্থান করার টার্গেট নিয়েছেন। অনেকে আবার ২২ ডিসেম্বরই বরিশাল ছেড়ে রাজধানীতে অবস্থান করার কথা বলেছেন।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবীর বলেন, তারেক রহমান দেশে আসার সাথে সাথে নতুন অধ্যায় তৈরী হবে। পাশাপাশি দলের মধ্যে ফিরে আসবে শৃঙ্খলা। জাহিদ বলেন আমার নেতৃত্বে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ঢাকা যাবে। ইতিমধ্যে সেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।
জেলা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহীন বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে ২৫ ডিসেম্বর। এতবছর দেশের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, বিএনপির বিরুদ্ধে যত ষড়যন্ত্র হয়েছে আমি মনে করি এর সবকিছুর অবসান হবে তারেক রহমানের দেশের মাটিতে পা রাখার মধ্য দিয়ে। তাকে বরণ করতে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আমরা শুধু জেলা দক্ষিণ বিএনপির পক্ষ থেকেই প্রায় ২০ হাজার লোকের সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।
মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক বলেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে আমরা মহানগরের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। এখানে শুধু দলীয় নেতাকর্মীরাই নয়, সমর্থকরাও ঢাকায় যেতে চাইছেন। তবে তার আগমনকে কেন্দ্র করে যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। এজন্য মহানগর বিএনপির অনেক নেতাকর্মী ২/১দিন আগেই ঢাকায় অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের প্রথম ধাপ রচিত হবে আগামী ২৫ ডিসেম্বর। এদিন কোটি জনতা তারেক রহমানকে বরণ করবেন। বরিশাল থেকে হাজার হাজার মানুষ নিজ উদ্যোগেই দেশনায়ক তারেক রহমানকে দেখতে যাবেন। পাশাপাশি আমরাও অর্গানাইজ করছি। রহমাতুল্লাহ বলেন, তারেক রহমান যাতে দেশে আসতে না পারে সেজন্য অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। ওসমান হাদি কে হত্যা তারই অংশ বলে আমি মনে করি।
বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, দীর্ঘবছর পর তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। তার এই আগমনের দিন নতুন এক ইতিহাস রচিত হবে। এ দিন লাখ লাখ লোকের সমাগম হবে ঢাকা শহরে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আগমনে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সমর্থকরাও বেশ উজ্জীবিত।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, তারেক রহমান যখন বাংলাদেশে আসতেছেন তখন পরিবেশটা বিএনপির পক্ষে। তিনি জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড। আপনারা জানেন বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মিথ্যা মামলায় কারাগারে ছিলেন, তারেক রহমান প্রায় ১৮ বছর লন্ডনে। কিন্তু তিনি (তারেক রহমান) বিদেশে বসে থাকেননি। লন্ডনে বসেই সকল আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশে^র অনেক বড় বড় নেতা দেশের বাইরে থেকে সংগ্রাম করেছেন। তারেক রহমানও তাদের একজন। তিনি যেদিন আসবেন পুরো ঢাকার শহর ব্লক হয়ে যাবে। তার প্রতি ভালবাসা শুধু দলীয় নেতাকর্মীদের নয়, সারাদেশের মানুষের; সেটার বহি:প্রকাশ ঘটবে ২৫শে ডিসেম্বর।
দীর্ঘ ১৮ বছর প্রবাস জীবন শেষে দেশের মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে নতুন অধ্যায় তৈরী হবে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা। একই সাথে আগামীতে বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে এর প্রথম ধাপের সূচনা হবে ২৫শে ডিসেম্বর। এদিন তাকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। সারাদেশ থেকে এদিন লাখ লাখ মানুষ অবস্থান করবেন ঢাকা শহরে। শুধু নেতাকর্মীরাই নয় সমর্থকরাও যাবেন একনজর তারেক রহমানকে দেখতে। বরিশাল বিভাগের ৬ জেলা থেকে লাখো মানুষ ঢাকায় যাবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা। সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা আছেন তাদের পাশাপাশি যারা দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের নেতৃত্বেও লোকসমাগম করা হবে বলে জানাগেছে। একাধিক বিএনপি নেতা জানান, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে লঞ্চ-বাস সহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন অগ্রীম ভাড়া করা হয়েছে। এখন রীতিমত যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। যে সংখ্যক লোক টার্গেট তার অর্ধেকও হয়তো যেতে পারবেন না যানবাহন সংকটের কারণে। এজন্য অনেকই আগেভাগে ঢাকা অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বেশিরভাগ নেতাকর্মী ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকায় অবস্থান করার টার্গেট নিয়েছেন। অনেকে আবার ২২ ডিসেম্বরই বরিশাল ছেড়ে রাজধানীতে অবস্থান করার কথা বলেছেন।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবীর বলেন, তারেক রহমান দেশে আসার সাথে সাথে নতুন অধ্যায় তৈরী হবে। পাশাপাশি দলের মধ্যে ফিরে আসবে শৃঙ্খলা। জাহিদ বলেন আমার নেতৃত্বে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ঢাকা যাবে। ইতিমধ্যে সেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।
জেলা দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহীন বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে ২৫ ডিসেম্বর। এতবছর দেশের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, বিএনপির বিরুদ্ধে যত ষড়যন্ত্র হয়েছে আমি মনে করি এর সবকিছুর অবসান হবে তারেক রহমানের দেশের মাটিতে পা রাখার মধ্য দিয়ে। তাকে বরণ করতে আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আমরা শুধু জেলা দক্ষিণ বিএনপির পক্ষ থেকেই প্রায় ২০ হাজার লোকের সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।
মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক বলেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে আমরা মহানগরের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। এখানে শুধু দলীয় নেতাকর্মীরাই নয়, সমর্থকরাও ঢাকায় যেতে চাইছেন। তবে তার আগমনকে কেন্দ্র করে যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। এজন্য মহানগর বিএনপির অনেক নেতাকর্মী ২/১দিন আগেই ঢাকায় অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের প্রথম ধাপ রচিত হবে আগামী ২৫ ডিসেম্বর। এদিন কোটি জনতা তারেক রহমানকে বরণ করবেন। বরিশাল থেকে হাজার হাজার মানুষ নিজ উদ্যোগেই দেশনায়ক তারেক রহমানকে দেখতে যাবেন। পাশাপাশি আমরাও অর্গানাইজ করছি। রহমাতুল্লাহ বলেন, তারেক রহমান যাতে দেশে আসতে না পারে সেজন্য অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। ওসমান হাদি কে হত্যা তারই অংশ বলে আমি মনে করি।
বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, দীর্ঘবছর পর তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। তার এই আগমনের দিন নতুন এক ইতিহাস রচিত হবে। এ দিন লাখ লাখ লোকের সমাগম হবে ঢাকা শহরে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আগমনে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সমর্থকরাও বেশ উজ্জীবিত।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, তারেক রহমান যখন বাংলাদেশে আসতেছেন তখন পরিবেশটা বিএনপির পক্ষে। তিনি জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড। আপনারা জানেন বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মিথ্যা মামলায় কারাগারে ছিলেন, তারেক রহমান প্রায় ১৮ বছর লন্ডনে। কিন্তু তিনি (তারেক রহমান) বিদেশে বসে থাকেননি। লন্ডনে বসেই সকল আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশে^র অনেক বড় বড় নেতা দেশের বাইরে থেকে সংগ্রাম করেছেন। তারেক রহমানও তাদের একজন। তিনি যেদিন আসবেন পুরো ঢাকার শহর ব্লক হয়ে যাবে। তার প্রতি ভালবাসা শুধু দলীয় নেতাকর্মীদের নয়, সারাদেশের মানুষের; সেটার বহি:প্রকাশ ঘটবে ২৫শে ডিসেম্বর।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.