
০২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:২৭
বরগুনায় সরকারি টেলিযোগাযোগ সংস্থা বিটিসিএল এর প্রায় ৯ শতাধিক গ্রাহকের কাছে টেলিফোন বিল বকেয়া রয়েছে। আর এসব গ্রাহকের অধিকাংশের প্রকৃত তথ্য জানা না থাকায় এবং জনবল সংকটের কারণে বকেয়া বিল আদায়ে বিড়ম্বনায় পড়ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তাদের ধারণা, বর্তমানে গ্রাহকের কাছে বিল বকেয়া রয়েছে অন্তত অর্ধকোটি টাকা। তবে এসব বকেয়া বিল আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন বরগুনার বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ।
টেলিযোগাযোগ সংস্থা বিটিসিএল বরগুনা অফিস সূত্রে জানা যায়, বরগুনায় বকেয়া বিলসহ বিভিন্ন কারণে বর্তমানে ৯ শতাধিক গ্রাহকের সংযোগ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী বরগুনা সদরসহ ছয়টি উপজেলায় মোট ৬৯৪টি টেলিফোন সংযোগ সচল রয়েছে।
এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৭৪টি, পাথরঘাটায় ৫২টি, আমতলী ৭৭টি, বেতাগী ৫১টি, বামনা ৩৭টি এবং তালতলীতে রয়েছে ২৫টি। এছাড়াও এডিএসএল সংযোগ রয়েছে ৭৮টি এবং জিপন সংযোগ রয়েছে আরও ১০৭৫টি।
বরগুনায় টেলিফোন সার্ভিসের বিভিন্ন সুবিধা পেতে সংযোগ নেওয়া গ্রাহকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিল বকেয়া থাকা ১৫ গ্রাহককে সনাক্ত করছে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ। প্রায় ১০ লাখ টাকা বকেয়া বিল আদায় করতে তাদের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করেছেন বিটিসিএল।
এছাড়া ৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকা বকেয়া বিল আদায় করতে আরও ২০ গ্রাহকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতিও নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে অনেক গ্রাহকেরই সঠিক পরিচয় এবং দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় খুঁজে না পাওয়ায় বকেয়া আদায়ে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছেন না বরগুনার বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ।
বিটিসিএল বরগুনা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বরগুনা পৌর শহরের কলেজ রোড নামক এলাকার বাসিন্দা স্বপন কুমার রায় নামে এক গ্রাহকের কাছে টেলিফোন বিল বকেয়া রয়েছে।
তবে ওই এলাকায় স্বপন কুমার বা তার কোনো স্বজনকেও খুঁজে না পাওয়ায় আদায় করা যাচ্ছে না তার কাছে পাওনা টেলিফোন বিলের ২ লাখ ৯ হাজার টাকা। এছাড়াও খোঁজ নেই পৌর শহরের বালিকা বিদ্যালয় সড়কের আরেক গ্রাহক কামরুল ইসলাম কাঞ্চনের। তার কাছেও বর্তমানে টেলিফোন বিল বকেয়া রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার টাকা। এদের মতোই খোঁজ মিলছে বরগুনার আরও অনেক গ্রাহকের।
সরেজমিনে কলেজ রোড এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তেমন কেউই স্বপন কুমার নামে কাউকে চেনেন না। আবার অনেকে বলেছেন তিনি দীর্ঘদিন আগেই বরগুনা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। বর্তমানে তিনি ভারতে বসবাস করছেন এমন কথাও বলছেন অনেকে।
ওই এলাকার স্থানীয় এক প্রবীণ বাসিন্দা শান্তি রঞ্জন সরকার বলেন, এলাকর বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় সকলেরই আমি নাম বলতে পারি। তবে স্বপন কুমার রায় নামে কাউকে আমি চিনি না। এবং তিনি যদি এ এলাকায় থাকেনও তবে তার টেলিফোন সংযোগ ছিল কীনা তা আমার জানা নেই।
কলেজ রোড এলাকায় রতন নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, আমি ছোট থেকেই এ এলাকায় বসবাস করছি, কিন্তু স্বপন কুমার রায় নামে কাউকে চিনি না। এমনকি এ নামের কেউ এ এলাকায় আছেন তাও শুনিনি।
অজয় নামে স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বলেন, স্বপন কুমার রায়ের বাবার নাম ছিল স্বর্ণ কর্মকার। রায় বংশ বলে পরিচিত থাকলেও মূলত তারা ছিল কর্মকার। আমি যতটুকু জানি প্রায় ২০-২৫ বছর আগে বরগুনায় থাকা তাদের সকল পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে ভারতে চলে গেছেন।
বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন মেয়াদে এভাবেই বিটিসিএল এর টেলিফোন বিল বকেয়া রয়েছে বরগুনার প্রায় ৯ শতাধিক গ্রাহকের। এদের মধ্যে অনেকেরই পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণ না থাকায় পরিচয় শনাক্ত করতে পারছে না বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ। ফলে আটকে আছে বকেয়া বিল আদায় প্রক্রিয়া।
বিটিসিএল বরগুনা কার্যালয়ের অফিস সহকারী ওবায়দুর রহমান ফজলু বলেন, বরগুনায় ১৯৮০-১৯৯৫ সালের দিকে যে সমস্ত সংযোগ দেওয়া হয়েছে সেখানে শুধুমাত্র গ্রাহকেরই নাম আছে। কোন এলাকার বাসিন্দা এবং গ্রাহকের বাবার নাম কী তাও উল্লেখ নেই। এ কারণেই ওই সময়ে সংযোগ প্রাপ্ত গ্রাহকদের খুঁজে বের করে বকেয়া আদায় করতে পারছি না।
রাষ্ট্রের টাকা কোনোভাবে অনাদায়ী রাখার সুযোগ নেই জানিয়ে বরগুনা জেলার পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকদের যখন সংযোগ দেওয়া হয়েছে তখন ব্যাংকে টাকা জমা নেওয়া হয়েছে। হয়তো তারা কিছু বিল জমাও দিয়েছেন।
ব্যক্তি পর্যায়ে এখন যারা বকেয়া বিল দিচ্ছে না এবং যাদের সনাক্ত করা যাচ্ছে না তাদেরকে ওই সময় যারা সংযোগ দিয়েছেন তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন। বিটিসিএল কোনোভাবেই তাদের দায় দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। বরগুনায় বকেয়া বিল আদায় করতে বিটিসিএল কর্তৃক যেকোনো আইনি পদক্ষেপে আমাদের সহযোগিতা থাকবে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে বরগুনা টেলিকম উপ-বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. বনি আমিন বলেন, দীর্ঘদিন যাদের বিল বকেয়া থাকে তাদের সংযোগগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে পরবর্তীতে তাদের বিল আরও বাড়তে না পারে। এছাড়াও বকেয়া থাকা প্রত্যেক গ্রাহককেই আমরা পরপর তিনটি নোটিশ প্রদান করি। নোটিশের জবাব পেলে অথবা না পেলে সেই অনুযায়ী আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের রেভিনিউ শাখা রয়েছে কিন্তু জনবল শূন্য। একজন টেকনিক্যাল পার্সনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার জানাশোনা কম এবং প্রশিক্ষণের ঘাটতিসহ জনবল কম থাকায় সবকিছু সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হয়।
বরগুনায় বকেয়া বিলের প্রকৃত তথ্য অজানা থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, বিটিসিএল এর জিপন সার্ভিসটি আসার পর ২০২২ সালের আগস্ট থেকে অনলাইন সিস্টেম চালু হয়েছে। ওই সময়ের পর থেকে আমাদের সকল গ্রাহকদের তথ্য হালনাগাদ করা আছে।
তবে এর আগে লেজার সিস্টেম থাকায় তা দেখে দেখে ওই সময়ের গ্রাহকদের সনাক্ত করতে হয়। কিন্তু আমাদের জনবল ঘাটতি এবং আগের কপার সিস্টেমে যে গ্রাহক আছেন তাদের বকেয়া বিল এখন পর্যন্ত হালনাগাদ করতে পারিনি। তবে পর্যাপ্ত জনবল পেলে আমরা দ্রুতই সবকিছু হালনাগাদ করতে পারবো।
বরগুনায় সরকারি টেলিযোগাযোগ সংস্থা বিটিসিএল এর প্রায় ৯ শতাধিক গ্রাহকের কাছে টেলিফোন বিল বকেয়া রয়েছে। আর এসব গ্রাহকের অধিকাংশের প্রকৃত তথ্য জানা না থাকায় এবং জনবল সংকটের কারণে বকেয়া বিল আদায়ে বিড়ম্বনায় পড়ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তাদের ধারণা, বর্তমানে গ্রাহকের কাছে বিল বকেয়া রয়েছে অন্তত অর্ধকোটি টাকা। তবে এসব বকেয়া বিল আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন বরগুনার বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ।
টেলিযোগাযোগ সংস্থা বিটিসিএল বরগুনা অফিস সূত্রে জানা যায়, বরগুনায় বকেয়া বিলসহ বিভিন্ন কারণে বর্তমানে ৯ শতাধিক গ্রাহকের সংযোগ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী বরগুনা সদরসহ ছয়টি উপজেলায় মোট ৬৯৪টি টেলিফোন সংযোগ সচল রয়েছে।
এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৭৪টি, পাথরঘাটায় ৫২টি, আমতলী ৭৭টি, বেতাগী ৫১টি, বামনা ৩৭টি এবং তালতলীতে রয়েছে ২৫টি। এছাড়াও এডিএসএল সংযোগ রয়েছে ৭৮টি এবং জিপন সংযোগ রয়েছে আরও ১০৭৫টি।
বরগুনায় টেলিফোন সার্ভিসের বিভিন্ন সুবিধা পেতে সংযোগ নেওয়া গ্রাহকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিল বকেয়া থাকা ১৫ গ্রাহককে সনাক্ত করছে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ। প্রায় ১০ লাখ টাকা বকেয়া বিল আদায় করতে তাদের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করেছেন বিটিসিএল।
এছাড়া ৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকা বকেয়া বিল আদায় করতে আরও ২০ গ্রাহকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতিও নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে অনেক গ্রাহকেরই সঠিক পরিচয় এবং দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় খুঁজে না পাওয়ায় বকেয়া আদায়ে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছেন না বরগুনার বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ।
বিটিসিএল বরগুনা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বরগুনা পৌর শহরের কলেজ রোড নামক এলাকার বাসিন্দা স্বপন কুমার রায় নামে এক গ্রাহকের কাছে টেলিফোন বিল বকেয়া রয়েছে।
তবে ওই এলাকায় স্বপন কুমার বা তার কোনো স্বজনকেও খুঁজে না পাওয়ায় আদায় করা যাচ্ছে না তার কাছে পাওনা টেলিফোন বিলের ২ লাখ ৯ হাজার টাকা। এছাড়াও খোঁজ নেই পৌর শহরের বালিকা বিদ্যালয় সড়কের আরেক গ্রাহক কামরুল ইসলাম কাঞ্চনের। তার কাছেও বর্তমানে টেলিফোন বিল বকেয়া রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার টাকা। এদের মতোই খোঁজ মিলছে বরগুনার আরও অনেক গ্রাহকের।
সরেজমিনে কলেজ রোড এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তেমন কেউই স্বপন কুমার নামে কাউকে চেনেন না। আবার অনেকে বলেছেন তিনি দীর্ঘদিন আগেই বরগুনা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। বর্তমানে তিনি ভারতে বসবাস করছেন এমন কথাও বলছেন অনেকে।
ওই এলাকার স্থানীয় এক প্রবীণ বাসিন্দা শান্তি রঞ্জন সরকার বলেন, এলাকর বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় সকলেরই আমি নাম বলতে পারি। তবে স্বপন কুমার রায় নামে কাউকে আমি চিনি না। এবং তিনি যদি এ এলাকায় থাকেনও তবে তার টেলিফোন সংযোগ ছিল কীনা তা আমার জানা নেই।
কলেজ রোড এলাকায় রতন নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, আমি ছোট থেকেই এ এলাকায় বসবাস করছি, কিন্তু স্বপন কুমার রায় নামে কাউকে চিনি না। এমনকি এ নামের কেউ এ এলাকায় আছেন তাও শুনিনি।
অজয় নামে স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বলেন, স্বপন কুমার রায়ের বাবার নাম ছিল স্বর্ণ কর্মকার। রায় বংশ বলে পরিচিত থাকলেও মূলত তারা ছিল কর্মকার। আমি যতটুকু জানি প্রায় ২০-২৫ বছর আগে বরগুনায় থাকা তাদের সকল পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে ভারতে চলে গেছেন।
বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন মেয়াদে এভাবেই বিটিসিএল এর টেলিফোন বিল বকেয়া রয়েছে বরগুনার প্রায় ৯ শতাধিক গ্রাহকের। এদের মধ্যে অনেকেরই পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণ না থাকায় পরিচয় শনাক্ত করতে পারছে না বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ। ফলে আটকে আছে বকেয়া বিল আদায় প্রক্রিয়া।
বিটিসিএল বরগুনা কার্যালয়ের অফিস সহকারী ওবায়দুর রহমান ফজলু বলেন, বরগুনায় ১৯৮০-১৯৯৫ সালের দিকে যে সমস্ত সংযোগ দেওয়া হয়েছে সেখানে শুধুমাত্র গ্রাহকেরই নাম আছে। কোন এলাকার বাসিন্দা এবং গ্রাহকের বাবার নাম কী তাও উল্লেখ নেই। এ কারণেই ওই সময়ে সংযোগ প্রাপ্ত গ্রাহকদের খুঁজে বের করে বকেয়া আদায় করতে পারছি না।
রাষ্ট্রের টাকা কোনোভাবে অনাদায়ী রাখার সুযোগ নেই জানিয়ে বরগুনা জেলার পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকদের যখন সংযোগ দেওয়া হয়েছে তখন ব্যাংকে টাকা জমা নেওয়া হয়েছে। হয়তো তারা কিছু বিল জমাও দিয়েছেন।
ব্যক্তি পর্যায়ে এখন যারা বকেয়া বিল দিচ্ছে না এবং যাদের সনাক্ত করা যাচ্ছে না তাদেরকে ওই সময় যারা সংযোগ দিয়েছেন তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন। বিটিসিএল কোনোভাবেই তাদের দায় দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। বরগুনায় বকেয়া বিল আদায় করতে বিটিসিএল কর্তৃক যেকোনো আইনি পদক্ষেপে আমাদের সহযোগিতা থাকবে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে বরগুনা টেলিকম উপ-বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. বনি আমিন বলেন, দীর্ঘদিন যাদের বিল বকেয়া থাকে তাদের সংযোগগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় যাতে পরবর্তীতে তাদের বিল আরও বাড়তে না পারে। এছাড়াও বকেয়া থাকা প্রত্যেক গ্রাহককেই আমরা পরপর তিনটি নোটিশ প্রদান করি। নোটিশের জবাব পেলে অথবা না পেলে সেই অনুযায়ী আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের রেভিনিউ শাখা রয়েছে কিন্তু জনবল শূন্য। একজন টেকনিক্যাল পার্সনকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার জানাশোনা কম এবং প্রশিক্ষণের ঘাটতিসহ জনবল কম থাকায় সবকিছু সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হয়।
বরগুনায় বকেয়া বিলের প্রকৃত তথ্য অজানা থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, বিটিসিএল এর জিপন সার্ভিসটি আসার পর ২০২২ সালের আগস্ট থেকে অনলাইন সিস্টেম চালু হয়েছে। ওই সময়ের পর থেকে আমাদের সকল গ্রাহকদের তথ্য হালনাগাদ করা আছে।
তবে এর আগে লেজার সিস্টেম থাকায় তা দেখে দেখে ওই সময়ের গ্রাহকদের সনাক্ত করতে হয়। কিন্তু আমাদের জনবল ঘাটতি এবং আগের কপার সিস্টেমে যে গ্রাহক আছেন তাদের বকেয়া বিল এখন পর্যন্ত হালনাগাদ করতে পারিনি। তবে পর্যাপ্ত জনবল পেলে আমরা দ্রুতই সবকিছু হালনাগাদ করতে পারবো।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৭
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯