Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:২৫
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ধর্ষণ ও পরিকল্পিতভাবে গর্ভপাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান আহম্মেদ প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ জুন) দাউদকান্দি থানার ওসি মো. আব্দুল বারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, একটি ধর্ষণ মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই মামলার প্রধান আসামি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) সকালে জিসানের চাচাতো ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল আহমেদ রাফি দাউদকান্দি থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং পরে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে লাকসাম জংশন এলাকায় তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। পরে তাকে লাকসাম জেনারেল হাসপাতাল ও পরবর্তীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জিসান জানান, তাকে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে তিনি কিছুই মনে করতে পারছেন না।
এদিকে, উদ্ধার হওয়ার পর এক বিধবা নারী দাউদকান্দি থানায় জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলা করেন। পরে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলার অভিযোগ সূত্র ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে প্রায় ৫-৬ মাস আগে জিসানের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, গত ২০ মে দাউদকান্দি এলাকায় ভাড়া বাসায় ওই নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক অব্যাহত রাখা হয় এবং পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে গর্ভপাত করাতে চাপ দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওষুধ সেবনে বাধ্য করা হয়। কয়েকদিন পর শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
অন্যদিকে, আত্মগোপন ও নিখোঁজ জিডি করার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের তারিখ নির্ধারণের আগের দিন তিনি আত্মগোপনে যান এবং পরে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি করানো হয়।
দাউদকান্দি থানার ওসি মো. আব্দুল বারী বলেন, ধর্ষণ মামলায় জিসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি- সংগৃহীত
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ধর্ষণ ও পরিকল্পিতভাবে গর্ভপাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান আহম্মেদ প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ জুন) দাউদকান্দি থানার ওসি মো. আব্দুল বারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, একটি ধর্ষণ মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই মামলার প্রধান আসামি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) সকালে জিসানের চাচাতো ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল আহমেদ রাফি দাউদকান্দি থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং পরে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে লাকসাম জংশন এলাকায় তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। পরে তাকে লাকসাম জেনারেল হাসপাতাল ও পরবর্তীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জিসান জানান, তাকে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে তিনি কিছুই মনে করতে পারছেন না।
এদিকে, উদ্ধার হওয়ার পর এক বিধবা নারী দাউদকান্দি থানায় জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলা করেন। পরে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলার অভিযোগ সূত্র ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে প্রায় ৫-৬ মাস আগে জিসানের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, গত ২০ মে দাউদকান্দি এলাকায় ভাড়া বাসায় ওই নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক অব্যাহত রাখা হয় এবং পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে গর্ভপাত করাতে চাপ দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওষুধ সেবনে বাধ্য করা হয়। কয়েকদিন পর শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
অন্যদিকে, আত্মগোপন ও নিখোঁজ জিডি করার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের তারিখ নির্ধারণের আগের দিন তিনি আত্মগোপনে যান এবং পরে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি করানো হয়।
দাউদকান্দি থানার ওসি মো. আব্দুল বারী বলেন, ধর্ষণ মামলায় জিসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৬:২০

১১ জুন, ২০২৬ ২০:৩৩
দেশের পাঁচ জেলায় পুলিশ সুপার (এসপি) পদে রদবদল আনা হয়েছে। জেলাগুলো হলো- পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, নোয়াখালী, ঝিনাইদহ এবং ফেনী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়। রাষ্ট্রপতি আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব নাসরীন সুলতানা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আবু সাইমকে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার, পঞ্চগড় থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মনিরুল ইসলামকে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার, মৌলভীবাজার থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলামকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনকে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেনকে সিআইডির পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, প্রসিকিউশন) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানকে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার, ঝিনাইদহ থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজালকে এপিবিএনে, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (ঝালকাঠির পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি আদেশপ্রাপ্ত) প্রত্যুষ কুমার মজুমদারকে ফেনীর পুলিশ সুপার, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত এবং পুলিশ সদরদপ্তরে রিপোর্টকৃত) মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়াও পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রাজীব ফরহানকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ানকে সংযুক্ত করা হয়েছে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে।

১১ জুন, ২০২৬ ১৮:৪৪
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আগেই বলেছি বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশের দাঁড়ানোর জন্য খালখনন কর্মসূচি যেমন শুরু করেছি। একই সাথে আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি দেব কৃষক কার্ডের মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজারে পাতালী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগেই বলেছি, আমাদের রাজনীতি হচ্ছে এই বাংলাদেশের মানুষের জন্য। আমরা জানি গ্রামে-গঞ্জে মিলিয়ে বাংলাদেশে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে নারী, এই নারীদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বিনা মূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন। এই নারীরা যদি স্বাবলম্ভী না হয়, তাহলে পুরুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে না এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে না। সে জন্য এই নরীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বর্তমান সরকার ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, যারা ভালো করবে তাদেরকে আমরা উপবৃত্তিও দেব, সে ব্যবস্থাও আমরা রেখেছি।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন।
পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে মাসুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান। এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত কক্সবাজারের শহিদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। পাশাপাশি পেকুয়া পৌরসভা ও নতুন মাতামুহুরী উপজেলার অবকাঠামোগত কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
রাজনৈতিকভাবে সফরের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজন হতে যাচ্ছে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠের জনসভা। বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে এ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
দিনের শেষ ভাগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করবেন তিনি। পরে একটি সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে রাতেই বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপত্তা, জনসভা আয়োজন এবং সরকারি কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আগেই কক্সবাজারে পৌঁছে সফর-সংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বয় করছেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আগেই বলেছি বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশের দাঁড়ানোর জন্য খালখনন কর্মসূচি যেমন শুরু করেছি। একই সাথে আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি দেব কৃষক কার্ডের মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজারে পাতালী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগেই বলেছি, আমাদের রাজনীতি হচ্ছে এই বাংলাদেশের মানুষের জন্য। আমরা জানি গ্রামে-গঞ্জে মিলিয়ে বাংলাদেশে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে নারী, এই নারীদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বিনা মূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন। এই নারীরা যদি স্বাবলম্ভী না হয়, তাহলে পুরুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে না এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে না। সে জন্য এই নরীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বর্তমান সরকার ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, যারা ভালো করবে তাদেরকে আমরা উপবৃত্তিও দেব, সে ব্যবস্থাও আমরা রেখেছি।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন।
পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে মাসুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান। এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত কক্সবাজারের শহিদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। পাশাপাশি পেকুয়া পৌরসভা ও নতুন মাতামুহুরী উপজেলার অবকাঠামোগত কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
রাজনৈতিকভাবে সফরের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজন হতে যাচ্ছে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠের জনসভা। বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে এ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
দিনের শেষ ভাগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করবেন তিনি। পরে একটি সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে রাতেই বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপত্তা, জনসভা আয়োজন এবং সরকারি কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আগেই কক্সবাজারে পৌঁছে সফর-সংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বয় করছেন।
দেশের পাঁচ জেলায় পুলিশ সুপার (এসপি) পদে রদবদল আনা হয়েছে। জেলাগুলো হলো- পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, নোয়াখালী, ঝিনাইদহ এবং ফেনী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়। রাষ্ট্রপতি আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব নাসরীন সুলতানা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আবু সাইমকে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার, পঞ্চগড় থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মনিরুল ইসলামকে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার, মৌলভীবাজার থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলামকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনকে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেনকে সিআইডির পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি, প্রসিকিউশন) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানকে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার, ঝিনাইদহ থেকে প্রত্যাহারকৃত পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ আফজালকে এপিবিএনে, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (ঝালকাঠির পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি আদেশপ্রাপ্ত) প্রত্যুষ কুমার মজুমদারকে ফেনীর পুলিশ সুপার, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ফেনীর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির আদেশপ্রাপ্ত এবং পুলিশ সদরদপ্তরে রিপোর্টকৃত) মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়াও পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রাজীব ফরহানকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ানকে সংযুক্ত করা হয়েছে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এনসিপি নেতা আশরাফ শেখকে অবরুদ্ধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। হবু স্ত্রীর সঙ্গে এসএসসির পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে এই ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টার দিকে ভাঙ্গা কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ঘটে এই ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা চলছে। আজ সকালে ভাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. আশরাফ তাঁর হবু স্ত্রীর সঙ্গে পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রে আসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে কিছু পরীক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এই ঘটনার প্রতিবাদে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়া বন্ধ করে দেয়।
একপর্যায়ে এনসিপির নেতাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ ধাওয়া দেয় কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে কেন্দ্রসচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন এনসিপির নেতা। তখন স্কুলের কয়েক শিক্ষক এগিয়ে এলে ইটের আঘাতে আহত হন প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া অবরুদ্ধ অবস্থায় এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের সঙ্গে বহিরাগতদেরও স্লোগান দিতে দেখা যায়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত আজকের পত্রিকাকে বলেন, এনসিপি নেতা আশরাফ প্রতিটি পরীক্ষায় তাঁর হবু স্ত্রীকে নিয়ে এসেছিল। পরীক্ষা শুরুর আগেই অভিভাবকদের সঙ্গে সে কেন্দ্রে অবস্থান করে থাকে। আজও পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রে এসেছিল এবং তাঁর হবু স্ত্রীর কক্ষের কয়েকজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হলে ঘটনাটি ঘটে। এতে এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা শুরু হয়।
এই ঘটনার পর ভাঙ্গা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ কয়েক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের জানান, ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই এনসিপি নেতা আশরাফ শেখ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তাঁর হবু স্ত্রী ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন। সেই সুবাদে প্রত্যেক পরীক্ষায় কেন্দ্রে ঢুকে বিভিন্নভাবে তাঁর স্ত্রীকে সহায়তা করছিলেন। আজও পরীক্ষা শুরু হতেই তাঁর স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে পরীক্ষায় সহায়তা করছিলেন।
আওয়ামী লীগ নেতাদের পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়েছেন বলে এনসিপি নেতা আশরাফ বলেন, পারিবারিকভাবে আমাদের বাগ্দান হয়েছে। তাকে আমি প্রায়ই কেন্দ্রে দিয়ে আসি। এর মধ্যে আমার হবু স্ত্রীকে কয়েক দিন ধরে বখাটে পরীক্ষার্থীরা উত্ত্যক্ত করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আজ গিয়ে প্রতিবাদ করলে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা করা হয়। হামলাকারী সবাই ছাত্রলীগের কর্মী এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের সন্তান।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এনসিপির নেতাকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এনসিপি নেতা আশরাফ শেখকে অবরুদ্ধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। হবু স্ত্রীর সঙ্গে এসএসসির পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে এই ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টার দিকে ভাঙ্গা কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ঘটে এই ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কাজী শামসুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা চলছে। আজ সকালে ভাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. আশরাফ তাঁর হবু স্ত্রীর সঙ্গে পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রে আসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে কিছু পরীক্ষার্থীর কথা-কাটাকাটি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এই ঘটনার প্রতিবাদে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়া বন্ধ করে দেয়।
একপর্যায়ে এনসিপির নেতাকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ ধাওয়া দেয় কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে কেন্দ্রসচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন এনসিপির নেতা। তখন স্কুলের কয়েক শিক্ষক এগিয়ে এলে ইটের আঘাতে আহত হন প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া অবরুদ্ধ অবস্থায় এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের সঙ্গে বহিরাগতদেরও স্লোগান দিতে দেখা যায়।
ঘটনাটি নিশ্চিত করে প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত আজকের পত্রিকাকে বলেন, এনসিপি নেতা আশরাফ প্রতিটি পরীক্ষায় তাঁর হবু স্ত্রীকে নিয়ে এসেছিল। পরীক্ষা শুরুর আগেই অভিভাবকদের সঙ্গে সে কেন্দ্রে অবস্থান করে থাকে। আজও পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রে এসেছিল এবং তাঁর হবু স্ত্রীর কক্ষের কয়েকজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হলে ঘটনাটি ঘটে। এতে এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা শুরু হয়।
এই ঘটনার পর ভাঙ্গা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ কয়েক শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের জানান, ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই এনসিপি নেতা আশরাফ শেখ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তাঁর হবু স্ত্রী ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন। সেই সুবাদে প্রত্যেক পরীক্ষায় কেন্দ্রে ঢুকে বিভিন্নভাবে তাঁর স্ত্রীকে সহায়তা করছিলেন। আজও পরীক্ষা শুরু হতেই তাঁর স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে পরীক্ষায় সহায়তা করছিলেন।
আওয়ামী লীগ নেতাদের পরিকল্পিত হামলার শিকার হয়েছেন বলে এনসিপি নেতা আশরাফ বলেন, পারিবারিকভাবে আমাদের বাগ্দান হয়েছে। তাকে আমি প্রায়ই কেন্দ্রে দিয়ে আসি। এর মধ্যে আমার হবু স্ত্রীকে কয়েক দিন ধরে বখাটে পরীক্ষার্থীরা উত্ত্যক্ত করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে আজ গিয়ে প্রতিবাদ করলে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা করা হয়। হামলাকারী সবাই ছাত্রলীগের কর্মী এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের সন্তান।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এনসিপির নেতাকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’