ছবি- সংগৃহীত
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ধর্ষণ ও পরিকল্পিতভাবে গর্ভপাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান আহম্মেদ প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ জুন) দাউদকান্দি থানার ওসি মো. আব্দুল বারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, একটি ধর্ষণ মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই মামলার প্রধান আসামি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) সকালে জিসানের চাচাতো ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল আহমেদ রাফি দাউদকান্দি থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং পরে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে লাকসাম জংশন এলাকায় তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। পরে তাকে লাকসাম জেনারেল হাসপাতাল ও পরবর্তীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জিসান জানান, তাকে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে তিনি কিছুই মনে করতে পারছেন না।
এদিকে, উদ্ধার হওয়ার পর এক বিধবা নারী দাউদকান্দি থানায় জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলা করেন। পরে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলার অভিযোগ সূত্র ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে প্রায় ৫-৬ মাস আগে জিসানের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, গত ২০ মে দাউদকান্দি এলাকায় ভাড়া বাসায় ওই নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক অব্যাহত রাখা হয় এবং পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে গর্ভপাত করাতে চাপ দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওষুধ সেবনে বাধ্য করা হয়। কয়েকদিন পর শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
অন্যদিকে, আত্মগোপন ও নিখোঁজ জিডি করার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের তারিখ নির্ধারণের আগের দিন তিনি আত্মগোপনে যান এবং পরে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি করানো হয়।
দাউদকান্দি থানার ওসি মো. আব্দুল বারী বলেন, ধর্ষণ মামলায় জিসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৪৩
সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও কিশোরগঞ্জে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
সিরাজগঞ্জে শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের নলকা ওভারপাস এলাকায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং অন্তত ১২ জন আহত হন।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িয়াগঞ্জ গ্রামের মো. মনসুর আলী (২৬)। অন্যজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার পুলিশ জানায়, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি নৈশকোচ নলকা ওভারপাস এলাকায় পৌঁছালে সিরাজগঞ্জ শহরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সেটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ বাস ও ট্রাকটি আটক করেছে।
নাটোরে সকালে গুরুদাসপুর উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের নয়াবাজার এলাকায় আজ শনিবার বাস ও গবাদিপশুবাহী ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং চারজন আহত হন।
নিহতরা হলেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মো. আব্দুর রহমান (৭০) ও মো. আক্কাস আলী (৬৩)।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, কয়েকজন ব্যবসায়ী ট্রাক্টরে করে গবাদিপশু নিয়ে সিরাজগঞ্জের একটি হাটে যাচ্ছিলেন। নয়াবাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বাসের সঙ্গে ট্রাক্টরটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়ক থেকে যানবাহন সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কিশোরগঞ্জে আজ শনিবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অনন্যা পরিবহনের বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে সেলিম (৩৮) পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। অন্যজন মাহতাব উদ্দিনের ছেলে উজ্জ্বল (৫)।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আরিফুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী বাসটি বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজারের কাছে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাক্টরের পেছনে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রাক্টরের পাশে থাকা সাইকেল আরোহী রেনু মিয়াকে বাসটি চাপা দিরে তিনি আহত হন। পরে বাসটি বাজারে মো. মাসুদের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়।
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ গজ দূরে ছিটকে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে সেলিম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় আহত তিন থেকে চারজনকে স্থানীয়রা পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও কিশোরগঞ্জে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
সিরাজগঞ্জে শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের নলকা ওভারপাস এলাকায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং অন্তত ১২ জন আহত হন।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িয়াগঞ্জ গ্রামের মো. মনসুর আলী (২৬)। অন্যজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার পুলিশ জানায়, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি নৈশকোচ নলকা ওভারপাস এলাকায় পৌঁছালে সিরাজগঞ্জ শহরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সেটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ বাস ও ট্রাকটি আটক করেছে।
নাটোরে সকালে গুরুদাসপুর উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের নয়াবাজার এলাকায় আজ শনিবার বাস ও গবাদিপশুবাহী ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং চারজন আহত হন।
নিহতরা হলেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মো. আব্দুর রহমান (৭০) ও মো. আক্কাস আলী (৬৩)।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, কয়েকজন ব্যবসায়ী ট্রাক্টরে করে গবাদিপশু নিয়ে সিরাজগঞ্জের একটি হাটে যাচ্ছিলেন। নয়াবাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বাসের সঙ্গে ট্রাক্টরটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়ক থেকে যানবাহন সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কিশোরগঞ্জে আজ শনিবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অনন্যা পরিবহনের বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে সেলিম (৩৮) পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। অন্যজন মাহতাব উদ্দিনের ছেলে উজ্জ্বল (৫)।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আরিফুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী বাসটি বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজারের কাছে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাক্টরের পেছনে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রাক্টরের পাশে থাকা সাইকেল আরোহী রেনু মিয়াকে বাসটি চাপা দিরে তিনি আহত হন। পরে বাসটি বাজারে মো. মাসুদের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়।
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ গজ দূরে ছিটকে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে সেলিম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় আহত তিন থেকে চারজনকে স্থানীয়রা পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৬
অতিরিক্ত বিলের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ ধরনের প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেছে, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো এরইমধ্যে নিষ্পত্তি করেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। তবে কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে তা যাচাই করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, কোনো প্রমাণ ছাড়া শুধু বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে গ্রাহকদের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রয়োজনীয় অভিযোগ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
অতিরিক্ত বিলের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ ধরনের প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেছে, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো এরইমধ্যে নিষ্পত্তি করেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। তবে কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে তা যাচাই করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, কোনো প্রমাণ ছাড়া শুধু বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে গ্রাহকদের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রয়োজনীয় অভিযোগ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৩:১৮
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের মাদকের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, মদ কিনতে নিজ কার্যালয়ে বসে মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে কাউকে দিচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, সঞ্জয় কুমার মহন্ত তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন মাদকের বিষয়ে আলোচনা করছেন। একপর্যায়ে তাকে মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে মদ কিনতে কারও হাতে দিতে দেখা যায়। শোনা যায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নাম।
তবে ভিডিওর বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সঙ্গে ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুণ ইউসুফ জাগো নিউজকে বলেন, ‘রক্ষক যদি ভক্ষক হয়, সেটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।’
বরিশাল টাইমস
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের মাদকের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, মদ কিনতে নিজ কার্যালয়ে বসে মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে কাউকে দিচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, সঞ্জয় কুমার মহন্ত তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন মাদকের বিষয়ে আলোচনা করছেন। একপর্যায়ে তাকে মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে মদ কিনতে কারও হাতে দিতে দেখা যায়। শোনা যায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নাম।
তবে ভিডিওর বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সঙ্গে ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুণ ইউসুফ জাগো নিউজকে বলেন, ‘রক্ষক যদি ভক্ষক হয়, সেটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।’
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:২৫
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ধর্ষণ ও পরিকল্পিতভাবে গর্ভপাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান আহম্মেদ প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ জুন) দাউদকান্দি থানার ওসি মো. আব্দুল বারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, একটি ধর্ষণ মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই মামলার প্রধান আসামি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) সকালে জিসানের চাচাতো ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল আহমেদ রাফি দাউদকান্দি থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং পরে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে লাকসাম জংশন এলাকায় তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। পরে তাকে লাকসাম জেনারেল হাসপাতাল ও পরবর্তীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জিসান জানান, তাকে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে তিনি কিছুই মনে করতে পারছেন না।
এদিকে, উদ্ধার হওয়ার পর এক বিধবা নারী দাউদকান্দি থানায় জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলা করেন। পরে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলার অভিযোগ সূত্র ও পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে প্রায় ৫-৬ মাস আগে জিসানের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, গত ২০ মে দাউদকান্দি এলাকায় ভাড়া বাসায় ওই নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক অব্যাহত রাখা হয় এবং পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে গর্ভপাত করাতে চাপ দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওষুধ সেবনে বাধ্য করা হয়। কয়েকদিন পর শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
অন্যদিকে, আত্মগোপন ও নিখোঁজ জিডি করার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের তারিখ নির্ধারণের আগের দিন তিনি আত্মগোপনে যান এবং পরে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি করানো হয়।
দাউদকান্দি থানার ওসি মো. আব্দুল বারী বলেন, ধর্ষণ মামলায় জিসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮