
০৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:২১
বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগ নেতা প্রতাপশালী নেতা মো. ওয়াহেদ শেখকে জুলাই আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে আয়োজিত বিএনপির বিজয় মিছিলের অগ্রভাগে দেখা গেছে। শহরের ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে ওই মিছিলটি হলেও শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদ সামনের সারিতে থাকা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এবং স্বৈরাচারের দোসরকে নিয়ে মিছিল করায় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি জানিয়েছে বরিশাল মহানগরের নেতাকর্মীরা।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়াহেদ শেখ বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক পরিমল চন্দ্র দাস এবং বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুলের রাজনীতি করতেন। গত ১৬ বছর এই ওয়াহেদের নেতৃত্বে শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের কেডিসি এলাকা থেকে সবচে বড় মিছিল বের হতো। এবং তিনি কেডিসি ঘাট এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আওয়ামী লীগের শাসনামলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়েছেন, যা দিয়ে শহরের ভাটিখানা এলাকায় একটি বহুতল ভবন করেছেন। এই শ্রমিক লীগ নেতাকে নিয়ে বিজয় মিছিল করে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছেন বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান।
ওয়ার্ড বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীর অভিযোগ, ওয়াহেদ শেখ চিহ্নিত শ্রমিক লীগ নেতা, তিনি আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপি এবং শহীদ জিয়ার পরিবার নিয়ে নানা ‘খিস্তিখেউর’ করেছেন। গত বছরের ৫ আগস্টের পরে তার শেল্টারদাতা পরিমাল এবং টুটুল আত্মগোপনে গেলেও তিনি বহাল তবিয়তে আছেন। এবং পূর্বের ন্যায় কেডিসিতে রাম-রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। চিন্তার বিষয় হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে একটি মামলা পর্যন্ত হয়নি। বরং তিনি এখন বিএনপির ঘাড়ে উঠে বসেছেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতা জানান, ওয়াহেদকে বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন এবং তাকে নিয়ে বিজয় মিছিল করে বিতর্ক তৈরি করার বিষয়টিও মহানগর বিএনপি নেতাদের অবহিত করা হয়েছে। এখন বিষয়টি পত্রিকার শিরোনাম হওয়ায় শীর্ষ নেতাদেরও চোখ এড়াতে পারে না।
শ্রমিক লীগ নেতাকে নিয়ে মিছিল করার বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা। এই বিএনপি নেতা জানান, বিষয়টি তারও নজরে এসেছে এবং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা অভিযোগ আকারে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে ওয়ার্ডের তরফ থেকে বিষয়টি মহানগরের শীর্ষ নেতাদেরও অবহিত করা হয়েছে।
তবে স্বৈরাচারের দোসর ওয়াহেদকে নিয়ে মিছিল করা কোনো দোষের নয় বলে দাবি করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান। এবং তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে প্রশ্ন রাখেন, মহানগরের নেতারাওতো আওয়ামী লীগের অনেককে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন, সেগুলো লেখেন না কেনো?
নিজের অপকর্ম আড়াল করতে খোদ মহানগরের শীর্ষ নেতাদের কর্মকান্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ধরনের ধৃষ্টতা বলে মনে করছেন কর্মী-সমর্থকেরা। শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদকে সামনের সারিতে রেখে বিজয় মিছিল করার ঘটনায় বিএনপি নেতা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের ভাষ্য হচ্ছে, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে এই ধরনের অভিযোগ আসলে এবং এর প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
# শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদের বিলাসবহুল বাড়িসহ অঢেল সম্পদ নিয়ে আরেকটি প্রতিবেদন আসছে।
বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগ নেতা প্রতাপশালী নেতা মো. ওয়াহেদ শেখকে জুলাই আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে আয়োজিত বিএনপির বিজয় মিছিলের অগ্রভাগে দেখা গেছে। শহরের ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে ওই মিছিলটি হলেও শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদ সামনের সারিতে থাকা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এবং স্বৈরাচারের দোসরকে নিয়ে মিছিল করায় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি জানিয়েছে বরিশাল মহানগরের নেতাকর্মীরা।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওয়াহেদ শেখ বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক পরিমল চন্দ্র দাস এবং বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুলের রাজনীতি করতেন। গত ১৬ বছর এই ওয়াহেদের নেতৃত্বে শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের কেডিসি এলাকা থেকে সবচে বড় মিছিল বের হতো। এবং তিনি কেডিসি ঘাট এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আওয়ামী লীগের শাসনামলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়েছেন, যা দিয়ে শহরের ভাটিখানা এলাকায় একটি বহুতল ভবন করেছেন। এই শ্রমিক লীগ নেতাকে নিয়ে বিজয় মিছিল করে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছেন বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান।
ওয়ার্ড বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীর অভিযোগ, ওয়াহেদ শেখ চিহ্নিত শ্রমিক লীগ নেতা, তিনি আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপি এবং শহীদ জিয়ার পরিবার নিয়ে নানা ‘খিস্তিখেউর’ করেছেন। গত বছরের ৫ আগস্টের পরে তার শেল্টারদাতা পরিমাল এবং টুটুল আত্মগোপনে গেলেও তিনি বহাল তবিয়তে আছেন। এবং পূর্বের ন্যায় কেডিসিতে রাম-রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। চিন্তার বিষয় হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে একটি মামলা পর্যন্ত হয়নি। বরং তিনি এখন বিএনপির ঘাড়ে উঠে বসেছেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতা জানান, ওয়াহেদকে বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন এবং তাকে নিয়ে বিজয় মিছিল করে বিতর্ক তৈরি করার বিষয়টিও মহানগর বিএনপি নেতাদের অবহিত করা হয়েছে। এখন বিষয়টি পত্রিকার শিরোনাম হওয়ায় শীর্ষ নেতাদেরও চোখ এড়াতে পারে না।
শ্রমিক লীগ নেতাকে নিয়ে মিছিল করার বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা। এই বিএনপি নেতা জানান, বিষয়টি তারও নজরে এসেছে এবং ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা অভিযোগ আকারে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে ওয়ার্ডের তরফ থেকে বিষয়টি মহানগরের শীর্ষ নেতাদেরও অবহিত করা হয়েছে।
তবে স্বৈরাচারের দোসর ওয়াহেদকে নিয়ে মিছিল করা কোনো দোষের নয় বলে দাবি করেছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান। এবং তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে প্রশ্ন রাখেন, মহানগরের নেতারাওতো আওয়ামী লীগের অনেককে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন, সেগুলো লেখেন না কেনো?
নিজের অপকর্ম আড়াল করতে খোদ মহানগরের শীর্ষ নেতাদের কর্মকান্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক ধরনের ধৃষ্টতা বলে মনে করছেন কর্মী-সমর্থকেরা। শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদকে সামনের সারিতে রেখে বিজয় মিছিল করার ঘটনায় বিএনপি নেতা কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করা জরুরি বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকের ভাষ্য হচ্ছে, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে এই ধরনের অভিযোগ আসলে এবং এর প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
# শ্রমিক লীগ নেতা ওয়াহেদের বিলাসবহুল বাড়িসহ অঢেল সম্পদ নিয়ে আরেকটি প্রতিবেদন আসছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস