
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৪
বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার অর্ধশতাধিক যুবকের ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন এখন লিবিয়ায় বন্দি হয়ে পড়েছে। মানব পাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে তারা ওয়ার্ক পারমিটের আশ্বাসে ইউরোপের পথে রওনা হয়ে লিবিয়ায় আটকে মানববেতর দিন কাটাচ্ছেন।
এদের মধ্যে গত চার মাসে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে লিবিয়ার জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন ১৫ যুবক। দেশে ফিরে আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট ডুমুরিয়া গ্রামের মেহেদী হাসান খান ও একই উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা মাদারীপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ এবং পশ্চিম সমরসিংহ গ্রামের আব্দুর রহিম সরদার বাদি হয়ে মানব পাচার চক্রের ৫ সদস্যের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।
বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নালিশী অভিযোগ তিনটি আমলে নিয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে মামলা রুজু (নথিভুক্ত) করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুমুরিয়া গ্রামের জামাল মোল্লা এবং তার ইতালি প্রবাসী দুই ছেলে জাকির মোল্লা ও সাকিব মোল্লা, জামাল মোল্লার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী ও ইউপি সদস্য হাবুল বেপারীকে আসামি করা হয়েছে।
গৌরনদী থানায় তদন্তাধীন দুটি মানব পাচার মামলার আসামি জামাল মোল্লা ও তার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী, হাবুল বেপারীকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে করেছে পুলিশ।
মামলার বাদী মেহেদী হাসান অভিযোগে উল্লেখ করেন, আসামিরা বাংলাদেশ থেকে গত বছরের ২৬ আগস্ট তাকে ইতালির উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে প্রথমে সৌদি আরব নিয়ে যান।
এরপর সেখান থেকে মিশর হয়ে লিবিয়া নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে আটকে রাখেন। তাকে ঠিকমত খাবার না দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর লিবিয়ার পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে বেনগাজির একটি কারাগারে পাঠানো হয়।
সেখানে মেহেদী প্রায় দেড় মাস কারাবন্দী ছিলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন লোকের মোবাইল দিয়ে মেহেদী ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে তার করুণ অবস্থার কথা জানান।
এরপর মেহেদীর অভিভাবকরা আসামি জামাল, বাবুল বেপারি, হাবুল বেপারির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণ না দিলে মেহেদী লাশ হয়ে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঋণ করে দাবিকৃত ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হলে গত ৪ জানুয়ারি মেহেদীকে দেশে ফেরত আনা হয়।
মামলার বাদী মেহেদী অভিযোগ করে বলেন, দেশে ফিরে জানতে পারি আমার মতো আরও ১৫ যুবক দেশে ফিরে এসেছে। তাদের অনেকের কাছ থেকে চক্রটি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
লিবিয়ায় বন্দি গৌরনদীর একাধিক যুবকের অভিভাবকরা জানিয়েছেন— গৌরনদী উপজেলার ৬০ জন ও আগৈলঝাড়ার ১০ জন যুবকের প্রত্যেকে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা দিয়ে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইতালির পথে পা বাড়ান। তারা ঋণ ও জমি বিক্রি করে ইতালি প্রবাসী জাকির মোল্লা, সাজু ও লিটনের কাছে এসব টাকা দেন।
ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা আরও জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দালালরা তাদের ৪/৫ জন সহযোগীর মাধ্যমে লিবিয়ার বেনগাজি থেকে ৩টি স্পিডবোটে ইতালির উদ্দেশে পাঠালে সাগরপথেই ধরা পড়ে ৭০ জন।
এরপর তাদের ঠাই হয় লিবিয়ার কারাগারে। পরবর্তীতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা জাকির মোল্লা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার তাদের কারাগার থেকে বের করে দালালের জিম্মায় রাখেন। এরমধ্যে ১৫ যুবক মুক্তিপন দিয়ে দেশে ফিরে আসলেও অর্ধশতাধিক যুবক এখনও লিবিয়ায় দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, থানায় দুইটি মানব পাচার মামলার তদন্তে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামি বর্তমানে বরিশাল কারাগারে এবং দুই আসামি বিদেশে পলাতাক রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার অর্ধশতাধিক যুবকের ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন এখন লিবিয়ায় বন্দি হয়ে পড়েছে। মানব পাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে তারা ওয়ার্ক পারমিটের আশ্বাসে ইউরোপের পথে রওনা হয়ে লিবিয়ায় আটকে মানববেতর দিন কাটাচ্ছেন।
এদের মধ্যে গত চার মাসে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে লিবিয়ার জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন ১৫ যুবক। দেশে ফিরে আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট ডুমুরিয়া গ্রামের মেহেদী হাসান খান ও একই উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা মাদারীপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ এবং পশ্চিম সমরসিংহ গ্রামের আব্দুর রহিম সরদার বাদি হয়ে মানব পাচার চক্রের ৫ সদস্যের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।
বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নালিশী অভিযোগ তিনটি আমলে নিয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে মামলা রুজু (নথিভুক্ত) করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুমুরিয়া গ্রামের জামাল মোল্লা এবং তার ইতালি প্রবাসী দুই ছেলে জাকির মোল্লা ও সাকিব মোল্লা, জামাল মোল্লার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী ও ইউপি সদস্য হাবুল বেপারীকে আসামি করা হয়েছে।
গৌরনদী থানায় তদন্তাধীন দুটি মানব পাচার মামলার আসামি জামাল মোল্লা ও তার দুই শ্যালক বাবুল বেপারী, হাবুল বেপারীকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে করেছে পুলিশ।
মামলার বাদী মেহেদী হাসান অভিযোগে উল্লেখ করেন, আসামিরা বাংলাদেশ থেকে গত বছরের ২৬ আগস্ট তাকে ইতালির উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে প্রথমে সৌদি আরব নিয়ে যান।
এরপর সেখান থেকে মিশর হয়ে লিবিয়া নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে আটকে রাখেন। তাকে ঠিকমত খাবার না দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর লিবিয়ার পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে বেনগাজির একটি কারাগারে পাঠানো হয়।
সেখানে মেহেদী প্রায় দেড় মাস কারাবন্দী ছিলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন লোকের মোবাইল দিয়ে মেহেদী ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে তার করুণ অবস্থার কথা জানান।
এরপর মেহেদীর অভিভাবকরা আসামি জামাল, বাবুল বেপারি, হাবুল বেপারির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। মুক্তিপণ না দিলে মেহেদী লাশ হয়ে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঋণ করে দাবিকৃত ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হলে গত ৪ জানুয়ারি মেহেদীকে দেশে ফেরত আনা হয়।
মামলার বাদী মেহেদী অভিযোগ করে বলেন, দেশে ফিরে জানতে পারি আমার মতো আরও ১৫ যুবক দেশে ফিরে এসেছে। তাদের অনেকের কাছ থেকে চক্রটি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
লিবিয়ায় বন্দি গৌরনদীর একাধিক যুবকের অভিভাবকরা জানিয়েছেন— গৌরনদী উপজেলার ৬০ জন ও আগৈলঝাড়ার ১০ জন যুবকের প্রত্যেকে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা দিয়ে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইতালির পথে পা বাড়ান। তারা ঋণ ও জমি বিক্রি করে ইতালি প্রবাসী জাকির মোল্লা, সাজু ও লিটনের কাছে এসব টাকা দেন।
ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরা আরও জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বরে দালালরা তাদের ৪/৫ জন সহযোগীর মাধ্যমে লিবিয়ার বেনগাজি থেকে ৩টি স্পিডবোটে ইতালির উদ্দেশে পাঠালে সাগরপথেই ধরা পড়ে ৭০ জন।
এরপর তাদের ঠাই হয় লিবিয়ার কারাগারে। পরবর্তীতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা জাকির মোল্লা গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার তাদের কারাগার থেকে বের করে দালালের জিম্মায় রাখেন। এরমধ্যে ১৫ যুবক মুক্তিপন দিয়ে দেশে ফিরে আসলেও অর্ধশতাধিক যুবক এখনও লিবিয়ায় দুরবস্থার মধ্যে রয়েছেন।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, থানায় দুইটি মানব পাচার মামলার তদন্তে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামি বর্তমানে বরিশাল কারাগারে এবং দুই আসামি বিদেশে পলাতাক রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস