Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫০
রাজধানীর উত্তরায় তরমুজের দাম কম বলায় ৩ জন ক্রেতাকে পিটিয়ে আহত করেছে ফল ব্যবসায়ীরা। রোববার (৮ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টায় রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডে আবাসিক বাড়ির নিচতলায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা মার্কেটে ক্রেতাদের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে।
মায়ের দোয়া ফ্রুট হাউজ এবং বিসমিল্লাহ লাইভ বেকারির স্টাফরা চাকু, রড ও এসএস পাইপ নিয়ে ক্রেতাদের ওপর বেপরোয়া হামলা চালায়। এতে ৩ জন ক্রেতা গুরুতর আহত হন। আহতরা হলেন চান মিয়া, শিপন মিয়া ও মনির হোসেন। তাদের মধ্যে চান মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে। হামলায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
আহত শিপন মিয়া জানান, মায়ের দোয়া ফ্রুট হাউজ থেকে তরমুজ কিনতে আসার পর দরদাম করার সময় তরমুজ ব্যবসায়ীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। তখন ফল ব্যবসায়ীরা তার সঙ্গে থাকা বন্ধু চান মিয়াকে চাকু দিয়ে মাথায় আঘাত করে। তিনি প্রতিবাদ করলে তাকেও এসএস পাইপ দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আহত করা হয়। ফল ব্যবসায়ীর স্বজনদের মালিকানাধীন পাশে অবস্থিত বিসমিল্লাহ লাইভ বেকারির স্টাফরা এসে তারাও অতর্কিত হামলা চালায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইটি দোকানের ৬ জন স্টাফকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পাল্টা হামলা রোধে আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর উত্তরায় তরমুজের দাম কম বলায় ৩ জন ক্রেতাকে পিটিয়ে আহত করেছে ফল ব্যবসায়ীরা। রোববার (৮ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টায় রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডে আবাসিক বাড়ির নিচতলায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা মার্কেটে ক্রেতাদের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে।
মায়ের দোয়া ফ্রুট হাউজ এবং বিসমিল্লাহ লাইভ বেকারির স্টাফরা চাকু, রড ও এসএস পাইপ নিয়ে ক্রেতাদের ওপর বেপরোয়া হামলা চালায়। এতে ৩ জন ক্রেতা গুরুতর আহত হন। আহতরা হলেন চান মিয়া, শিপন মিয়া ও মনির হোসেন। তাদের মধ্যে চান মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে। হামলায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
আহত শিপন মিয়া জানান, মায়ের দোয়া ফ্রুট হাউজ থেকে তরমুজ কিনতে আসার পর দরদাম করার সময় তরমুজ ব্যবসায়ীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। তখন ফল ব্যবসায়ীরা তার সঙ্গে থাকা বন্ধু চান মিয়াকে চাকু দিয়ে মাথায় আঘাত করে। তিনি প্রতিবাদ করলে তাকেও এসএস পাইপ দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আহত করা হয়। ফল ব্যবসায়ীর স্বজনদের মালিকানাধীন পাশে অবস্থিত বিসমিল্লাহ লাইভ বেকারির স্টাফরা এসে তারাও অতর্কিত হামলা চালায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইটি দোকানের ৬ জন স্টাফকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পাল্টা হামলা রোধে আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৫
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) গাড়ি থামিয়ে তার গাড়ি চালককে মারধর এবং মব সৃষ্টি করার অভিযোগে এসআর পরিবহনের এক চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ মার্চ) রাত ৯টার দিকে দিনাজপুরের হিলি চারমাথা মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।
ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা ও ব্যক্তিগত ছুটিতে নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলায় থাকা বাড়ি থেকে ছুটি শেষে তিনি শনিবার বিকেলে মাইক্রোবাসে কর্মস্থল ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে হিলির দিকে যাওয়ার সময় এসআর পরিবহনের একটি কোচ তাদের গাড়ির সামনে চলে আসে। পেছন থেকে এসপির গাড়ি পরিবহনটিকে সাইড দেওয়ার সংকেত দিলে বাসটি চাপ প্রয়োগ করে মাইক্রোবাসের দিকে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িতে থাকা পুলিশ সদস্যরা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।
পরে এসপির গাড়ি চালক ও দেহরক্ষীর সঙ্গে পরিবহনটির চালক ও সুপারভাইজারের বাকবিতণ্ডা হয়। পুলিশের পরিচয় দেয়ার পরও তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ চালিয়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্থানীয় শ্রমিকদের সঙ্গে এসে গাড়ি থামিয়ে চালককে মারধর করা হয়।
হাকিমপুর (হিলি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, এসআর পরিবহনের চালক হাফিজুল ইসলাম মব সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। এ ঘটনায় গাড়ি চালক কনস্টেবল আবু বক্কর সিদ্দীক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতার করা হয়েছে চালককে, বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, আমি শুরু থেকেই পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি। প্রথমে গাড়ি থামিয়ে কথাবার্তা বলে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করি। কিন্তু চালক ও তার সহযোগীরা অসৌজন্যমূলক আচরণ ও মব সৃষ্টি চালিয়ে যান। ভিডিও ফুটেজে তাদের বেপরোয়া আচরণ দেখা গেছে। বিষয়টি রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি ও দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।
হিলি পরিবহন শ্রমিক সভাপতি মাজাহারুল ইসলাম রাজ বলেন, আইন সবার জন্য সমান। যারা বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালায়, তাদের দায়ভার আমরা নেব না। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ হওয়া উচিত।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৩

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩২
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অটোরিকশা ও ভটভটির (ইঞ্জিনচালিত তিন চাকার যান) মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে বাঘা-লালপুর সড়কের বাঘা উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় হজরত আলীর বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোরের লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রাম থেকে একটি অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে বাঘার দিকে আসছিল। পথিমধ্যে চন্ডিপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ভটভটির সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যান।
নিহতরা হলেন- লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম (৪৫), একই উপজেলার বধুপাড়া গ্রামের নিরাপদ দাসের ছেলে বিধান দাস (৫৫) এবং আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী রকেনা বেগম (৯০)।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে শাহাজান আলী (৩৫) ও চকবাদুড়িয়া গ্রামের আবদুল হান্নানের স্ত্রী সীমা বেগম (৫০)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, আহতদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে কোনো কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এতে একে অপরকে দেখতে না পেয়ে অটোরিকশা ও ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক জানান, লালপুর থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি বাঘার দিকে আসছিল। পথে ভটভটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশাচালকসহ তিনজন নিহত হন। মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে এবং দুর্ঘটনায় জড়িত যান দুটি উদ্ধার করা হচ্ছে।
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) গাড়ি থামিয়ে তার গাড়ি চালককে মারধর এবং মব সৃষ্টি করার অভিযোগে এসআর পরিবহনের এক চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ মার্চ) রাত ৯টার দিকে দিনাজপুরের হিলি চারমাথা মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।
ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসা ও ব্যক্তিগত ছুটিতে নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলায় থাকা বাড়ি থেকে ছুটি শেষে তিনি শনিবার বিকেলে মাইক্রোবাসে কর্মস্থল ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে হিলির দিকে যাওয়ার সময় এসআর পরিবহনের একটি কোচ তাদের গাড়ির সামনে চলে আসে। পেছন থেকে এসপির গাড়ি পরিবহনটিকে সাইড দেওয়ার সংকেত দিলে বাসটি চাপ প্রয়োগ করে মাইক্রোবাসের দিকে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িতে থাকা পুলিশ সদস্যরা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।
পরে এসপির গাড়ি চালক ও দেহরক্ষীর সঙ্গে পরিবহনটির চালক ও সুপারভাইজারের বাকবিতণ্ডা হয়। পুলিশের পরিচয় দেয়ার পরও তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ চালিয়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্থানীয় শ্রমিকদের সঙ্গে এসে গাড়ি থামিয়ে চালককে মারধর করা হয়।
হাকিমপুর (হিলি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, এসআর পরিবহনের চালক হাফিজুল ইসলাম মব সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। এ ঘটনায় গাড়ি চালক কনস্টেবল আবু বক্কর সিদ্দীক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতার করা হয়েছে চালককে, বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, আমি শুরু থেকেই পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি। প্রথমে গাড়ি থামিয়ে কথাবার্তা বলে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করি। কিন্তু চালক ও তার সহযোগীরা অসৌজন্যমূলক আচরণ ও মব সৃষ্টি চালিয়ে যান। ভিডিও ফুটেজে তাদের বেপরোয়া আচরণ দেখা গেছে। বিষয়টি রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি ও দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছে।
হিলি পরিবহন শ্রমিক সভাপতি মাজাহারুল ইসলাম রাজ বলেন, আইন সবার জন্য সমান। যারা বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালায়, তাদের দায়ভার আমরা নেব না। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ হওয়া উচিত।
কারাগার থেকে মুক্তির পরে আওয়ামী লীগ নেতাকে ফুলের মালা পড়িয়ে জেলগেটে স্বাগত জানান বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় জেলগেটে একে অপরকে ফুলের মালা গলায় পরিয়ে দেন।
রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে ফরিদপুর জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান ম.ম. সিদ্দিক। মুক্তি পাওয়া ম. ম. সিদ্দিক মিঞা ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক। তিনি ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) সংসদীয় আসনে কেটে নেওয়ার প্রতিবাদে গড়ে ওঠা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন তিনি।
এ নিয়ে এলাকাবাসীর আন্দোলনের এক পর্যায়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাকে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে আটক করে। পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর পুলিশের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। ১৭৫ দিন কারাগারে থাকার পরে রোববার তিনি মুক্তি পান। জেল থেকে মুক্তির পরে চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞাকে জেলগেটে স্বাগত জানান ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় জেলগেটে তারা একে অপরকে ফুলের মালা গলায় পরিয়ে দেন।
কারামুক্তির পরে ইউপি চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞা বলেন, আমার জেল মুক্তির জন্য নবনির্বাচিত এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
অন্যদিকে ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল রোববার বিকেলে তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আমরা কথা দিয়েছিলাম ভাঙ্গার ইউনিয়ন রক্ষার আন্দোলনে গ্রেপ্তার আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সবাইকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মুক্ত করব। আলহামদুলিল্লাহ আজকে সিদ্দিক চেয়ারম্যান মুক্ত হলেন। আমি জেলগেটে থেকে তাকে রিসিভ করলাম।’
উল্লেখ্য, ভাঙ্গা উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) থেকে কেটে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। গত ৪ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি এলাকাবাসী। এরপর থেকে ভাঙ্গায় প্রথমে দুই দফায় ৪ দিন মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নবাসী। এ আন্দোলনে সমর্থন জানায় ভাঙ্গার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন ও দুই ইউনিয়নের বাসিন্দারা। পুরো আন্দোলনে নেতৃত্বের প্রথম সারিতে ছিলেন আলগী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞা।
চার দিন অবরোধ চলার পরে আলগী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ১৪- ১৬ সেপ্টেম্বর ৩ দিন সকাল-সন্ধ্যা ভাঙ্গায় মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। কর্মসূচি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাকে পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
উল্লেখ্য, পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে ওই দুই ইউনিয়ন পুনরায় ফরিদপুর-৪ আসনে ফিরে আসে। গত নির্বাচনে এ দুটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা ফরিদপুর-৪ আসনেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
কারাগার থেকে মুক্তির পরে আওয়ামী লীগ নেতাকে ফুলের মালা পড়িয়ে জেলগেটে স্বাগত জানান বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় জেলগেটে একে অপরকে ফুলের মালা গলায় পরিয়ে দেন।
রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে ফরিদপুর জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান ম.ম. সিদ্দিক। মুক্তি পাওয়া ম. ম. সিদ্দিক মিঞা ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক। তিনি ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) সংসদীয় আসনে কেটে নেওয়ার প্রতিবাদে গড়ে ওঠা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন তিনি।
এ নিয়ে এলাকাবাসীর আন্দোলনের এক পর্যায়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাকে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে আটক করে। পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর পুলিশের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। ১৭৫ দিন কারাগারে থাকার পরে রোববার তিনি মুক্তি পান। জেল থেকে মুক্তির পরে চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞাকে জেলগেটে স্বাগত জানান ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় জেলগেটে তারা একে অপরকে ফুলের মালা গলায় পরিয়ে দেন।
কারামুক্তির পরে ইউপি চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞা বলেন, আমার জেল মুক্তির জন্য নবনির্বাচিত এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
অন্যদিকে ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল রোববার বিকেলে তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আমরা কথা দিয়েছিলাম ভাঙ্গার ইউনিয়ন রক্ষার আন্দোলনে গ্রেপ্তার আলগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ সবাইকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মুক্ত করব। আলহামদুলিল্লাহ আজকে সিদ্দিক চেয়ারম্যান মুক্ত হলেন। আমি জেলগেটে থেকে তাকে রিসিভ করলাম।’
উল্লেখ্য, ভাঙ্গা উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) থেকে কেটে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। গত ৪ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি এলাকাবাসী। এরপর থেকে ভাঙ্গায় প্রথমে দুই দফায় ৪ দিন মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নবাসী। এ আন্দোলনে সমর্থন জানায় ভাঙ্গার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন ও দুই ইউনিয়নের বাসিন্দারা। পুরো আন্দোলনে নেতৃত্বের প্রথম সারিতে ছিলেন আলগী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ম. ম. সিদ্দিক মিঞা।
চার দিন অবরোধ চলার পরে আলগী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ১৪- ১৬ সেপ্টেম্বর ৩ দিন সকাল-সন্ধ্যা ভাঙ্গায় মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। কর্মসূচি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরেই তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাকে পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
উল্লেখ্য, পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে ওই দুই ইউনিয়ন পুনরায় ফরিদপুর-৪ আসনে ফিরে আসে। গত নির্বাচনে এ দুটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা ফরিদপুর-৪ আসনেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অটোরিকশা ও ভটভটির (ইঞ্জিনচালিত তিন চাকার যান) মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে বাঘা-লালপুর সড়কের বাঘা উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় হজরত আলীর বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোরের লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রাম থেকে একটি অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে বাঘার দিকে আসছিল। পথিমধ্যে চন্ডিপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ভটভটির সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যান।
নিহতরা হলেন- লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম (৪৫), একই উপজেলার বধুপাড়া গ্রামের নিরাপদ দাসের ছেলে বিধান দাস (৫৫) এবং আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী রকেনা বেগম (৯০)।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে শাহাজান আলী (৩৫) ও চকবাদুড়িয়া গ্রামের আবদুল হান্নানের স্ত্রী সীমা বেগম (৫০)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, আহতদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে কোনো কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এতে একে অপরকে দেখতে না পেয়ে অটোরিকশা ও ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক জানান, লালপুর থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি বাঘার দিকে আসছিল। পথে ভটভটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশাচালকসহ তিনজন নিহত হন। মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে এবং দুর্ঘটনায় জড়িত যান দুটি উদ্ধার করা হচ্ছে।