
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক–অষ্টমাংশ ভোট না পেলে জামানত হিসেবে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এ বিধান অনুযায়ী জেলার চারটি আসনে ১০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পটুয়াখালী–১ (পটুয়াখালী সদর–মির্জাগঞ্জ–দুমকি) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনে ৫ জনের মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে ৫ জনের মধ্যে ২ জন এবং পটুয়াখালী–৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে ৪ জনের মধ্যে ২ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।
পটুয়াখালী–১
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ২৯৪টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩২ হাজার ৪১২ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের আ. মন্নান হাওলাদার পান ১ হাজার ৫৫ ভোট, জাসদের গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনোনীত মোটরগাড়ি প্রতীকের গৌতম চন্দ্র শীল পান ১ হাজার ৩৩৪ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের শহিদুল ইসলাম ফাহিম পান ৩৪৭ ভোট। নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–২
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৩ হাজার ৫৭৬ ভোট। বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অন্য তিন প্রার্থী নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। হাতপাখা প্রতীকের মালেক হোসেন পান ১৪ হাজার ৪১৪ ভোট, এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের মো. রুহুল আমিন পান ৪১০ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের হাবিবুর রহমান পান ৩৫৩ ভোট। তাঁরা জামানত হারিয়েছেন।
পটুয়াখালী–৩
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৬১টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৯ হাজার ৭৪৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম ফজলুল হক (জাহাজ প্রতীক) পান ৯৭৮ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ শাহআলম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পান ১৬ হাজার ২৫৫ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–৪
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৯ হাজার ৩২৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৬ হাজার ১৬৬ ভোট। খেলাফত মজলিসের দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ পান ১৪ হাজার ৯৮৫ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের মো. রবিউল হাসান পান ২০২ ভোট। নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
তবে জামানত হারানোদের মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনী প্রচারণার মাঝপথে অন্য প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী–১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী–২ আসনে জামায়াত–সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, পটুয়াখালী–৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর এবং পটুয়াখালী–৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশারফ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক–অষ্টমাংশ ভোট না পেলে জামানত হিসেবে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এ বিধান অনুযায়ী জেলার চারটি আসনে ১০ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পটুয়াখালী–১ (পটুয়াখালী সদর–মির্জাগঞ্জ–দুমকি) আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনে ৫ জনের মধ্যে ৩ জন, পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে ৫ জনের মধ্যে ২ জন এবং পটুয়াখালী–৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে ৪ জনের মধ্যে ২ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।
পটুয়াখালী–১
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ২৯৪টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩২ হাজার ৪১২ ভোট। জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের আ. মন্নান হাওলাদার পান ১ হাজার ৫৫ ভোট, জাসদের গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনোনীত মোটরগাড়ি প্রতীকের গৌতম চন্দ্র শীল পান ১ হাজার ৩৩৪ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের শহিদুল ইসলাম ফাহিম পান ৩৪৭ ভোট। নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–২
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৩ হাজার ৫৭৬ ভোট। বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অন্য তিন প্রার্থী নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করতে পারেননি। হাতপাখা প্রতীকের মালেক হোসেন পান ১৪ হাজার ৪১৪ ভোট, এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের মো. রুহুল আমিন পান ৪১০ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের হাবিবুর রহমান পান ৩৫৩ ভোট। তাঁরা জামানত হারিয়েছেন।
পটুয়াখালী–৩
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৬১টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৯ হাজার ৭৪৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম ফজলুল হক (জাহাজ প্রতীক) পান ৯৭৮ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ শাহআলম (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পান ১৬ হাজার ২৫৫ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
পটুয়াখালী–৪
এই আসনে মোট বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৯ হাজার ৩২৭টি। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২৬ হাজার ১৬৬ ভোট। খেলাফত মজলিসের দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ পান ১৪ হাজার ৯৮৫ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের মো. রবিউল হাসান পান ২০২ ভোট। নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
তবে জামানত হারানোদের মধ্যে কয়েকজন নির্বাচনী প্রচারণার মাঝপথে অন্য প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী–১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী–২ আসনে জামায়াত–সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, পটুয়াখালী–৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর এবং পটুয়াখালী–৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশারফ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩১
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯