
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৩:৪৬
ভুক্তভোগীর জবানবন্দিতে লোমহর্ষক কাহিনী শুনে বিস্মিত আদালত। জড়িত জামায়াত কর্মীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে বিচারকের নির্দেশে মামলা
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল বাতেনকে ফাঁসাতে গিয়ে উল্টো ফেঁসে যাচ্ছেন জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলাম। গত ১২ জানুয়ারি অপরাহ্নে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের ডিসি অফিসের পেছনে কালেকটরেট পুকুরের পাড় জনাকীর্ণ রাস্তা থেকে প্রকাশ্যে ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সহযোগীদের সহায়তায় আটকে মারধর করা শেষে তাকে একটি গ্যাসচালিত সিএনজিতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরে তাকে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার আওতাধীন একটি নির্জন কক্ষে আটকে রেখে ফের মারধর করাসহ সাদা স্ট্যাম্প ও বিভিন্ন কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে নেন জামায়াত কর্মী নজরুল। কিন্তু এসব ঘটনা আড়াল করে আব্দুল বাতেনকে আওয়ামী লীগের দোসর তকমা দিয়ে ওইদিনই কোতয়ালি পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। কোতয়ালি পুলিশ বাতেনকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠালে বিচারক রোমহর্ষক এই ঘটনার ইতিবৃত্ত শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং এতে জড়িত জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলামসহ ৯জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল বাতেনের অভিযোগ, বাবুগঞ্জের রহমতপুরের বাসিন্দা কথিত জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম শহরের বিএম কলেজ এলাকার বাসিন্দা মোসা: নারগিজ আক্তার লিপি এবং নুরুন্নাহারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাদের নির্দেশনা অনুসারে তাকে গত ১২ জানুয়ারি শহরের কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে যায়। এতে দুই নারীসহ অন্তত ৯জন তাকে সহযোগিতা করেন, যা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
তাছাড়া প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে আওয়ামী লীগের দোসর বানাতে জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলাম যে প্রয়াস চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন তাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বুঝতে বাকি নেই। পুলিশ বলছে, ববির কর্মকর্তাকে শ্রমিক লীগের বরিশাল মহানগর শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য দাবি করে নজরুল ইসলাম এবং তিনি এর স্বপক্ষে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে পাশ হওয়া একটি তালিকাও সরবরাহ করেন। এই তালিকার ২৯ নম্বর সদস্য হিসেবে আব্দুল বাতেনকে দেখানো হলেও সরকারি কর্মকর্তার নামটি কম্পিউটারের কারসাজি করে বসানো হয়। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের ২৮ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির প্রকৃত তালিকা সংগ্রহ করেছে।
কোতয়ালি পুলিশ বলছে, আব্দুল বাতেনকে ফাঁসাতে অপহরণ এবং নির্জন স্থানে আটকে রেখে মারধর করাসহ স্ট্যাম্পে সই-স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টিও সন্দেহজন করে তুলেছে জড়িতদের আচরণে। তারা ১২ জানুয়ারি সরকারি কর্মকর্তাকে শহরের কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে অপহরণ করলেও মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা হয় নথুল্লাবাদ থেকে ধরা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে ঘটনাস্থল অনুসারে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে চাইলে সেখান থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাকে ১২ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নিয়ে আসা হয়েছিল। এবং নজরুল ইসলামসহ সকলে দাবি করেছিলেন তাকে নথুল্লাবাদ থেকে আটক করা হয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, বাতেনকে আদালতসংলগ্ন কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে আটক করে নিয়ে এসেছে। ফলে তাকে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি থানায় সোপর্দের পরামর্শ দেওয়া হলে পরবর্তীতে সেখানে নিয়ে যায়।
এর আগে আব্দুল বাতেনকে চোখ-মুখ বেঁখে রহমতপুর এলাকার একটি নির্জন স্থানে বাসায় নিয়ে যায় নজরুল ইসলামসহ সহযোগীরা। সেখানে আটকে রেখে দুই নারী নারগিজ এবং নুরুন্নাহারের উপস্থিতিতে তাকে মারধর করাসহ ইলেকট্রিক শর্ট দেওয়া হয়। এতে তার দুই পাসহ শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষত চিহ্ন হলে ভয়ে তিনি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে দেন। এবং বিষয়টি পুলিশ বা অন্য কারও কাছে শেয়ার করলে স্ত্রীসহ তাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছেন নজরুলসহ সহযোগীরা।
সরকারি কর্মকর্তাকে তুলে নেওয়ার বেশ কয়েকটি ভিডিও বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে জামায়াত কর্মী নজরুলের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল তাকে ধরে টেনে হিঁচড়ে সিএনজিতে তুলছেন। এসময় সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় থাকলেও সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে কেউ এগিয়ে আসেনি।
ভুক্তভোগী বাতেন বরিশালটাইমসকে জানান, গত বছরের শেষের দিকে বিএম কলেজ মসজিদ গেটের বিপরিত পাশের বাসিন্দা নারগিজ এবং নুরুন্নাহারের ০.৯২ শতাংশ ভূমি ক্রয়ের উদ্দেশে ১৬ লাখ টাকা দিয়ে বায়না করেন। কিন্তু তারা দুজন এই ভূমিটি এক লক্ষ টাকা বেশি পেয়ে জনৈক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিলে তিনি পরবর্তীতে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪২০/৪০৬ ধারায় একটি মামলা করেন। সেই মামলা দুই নারী আদালতে হাজিরা দিয়ে দুটি কিস্তিতে অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামিন নেন। ১১ জানুয়ারি একটি কিস্তি দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তারা তা রক্ষা করেননি। বরং টাকা না দেওয়ার বিভিন্ন ফন্দি আটছিলেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী মোসা: সাদিয়া আফরিন অভিযোগ, ১১ জানুয়ারি আদালতে গিয়ে জানা যায় দুই নারীর কেউ টাকা নিয়ে আদালতে আসেননি। একদিন বাদে ১২ জানুয়ারি বাতেন ডিসি অফিসের পেছনে আইনজীবী সমিতির কাছে অবস্থান করলে সেখান থেকে তাকে জামায়াত নেতা পরিচয় দিয়ে নজরুল সহযোগীদের সহায়তায় তুলে নিয়ে যায়। প্রকাশ্যে অপহরণ করার এই লোমহর্ষক ঘটনাটি বরিশালের প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-আতঙ্ক তৈরি করেছে।
এদিকে আদালতের নির্দেশে মামলাটি পুলিশ গ্রহণ করার পরে দুই নারীসহ অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম পলাতক আছেন। এই বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার দুপুরে নজরুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি নিজেকে জামায়াত নেতা পরিচয় দেন এবং আব্দুল বাতেনকে স্বৈরাচারের দোসর উল্লেখ করেন। এবং বাতেন শ্রমিক লীগ মহানগরের কার্যনির্বাহী সদস্য বলেও প্রচার করেন। কিন্তু এই তালিকা আপনার তৈরি এবং দুই নারীর কাছ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যে বাতেনকে ফাঁসাতে চেয়েছেন তার প্রমাণও পুলিশ পেয়েছে, এমনটি বলার পরে তিনি বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বর্ণনা শুনে বরিশাল মহানগর জাময়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এবং বলছেন, তিনি নজরুল ইসলামকে চেনেন, তিনি জামায়াতের সমর্থক, তার কোনো দলীয় পদপদবি নেই। এবং এই ধরনের অপরাধ জামায়াত করে না এবং এর দায়ও নেওয়ার সুযোগ নাই। অপরাধর করেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচিত এই মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, আব্দুল বাতেন আসামি থেকে মামলার বাদী হয়েছেন। নজরুল ইসলামসহ ৯জনকে আসামি করে মামলা গ্রহণ করা হয়। এই মামলায় মঙ্গলবার নারগিজের ছেলে মো. নাহিদ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাকে আদালতে প্রেরণ করলে বিচারক কারাকারে পাঠিয়ে দেন। পলাতক বাকি অভিযুক্তদেরও গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চলছে।
সবশেষ খবরে জানা গেছে, নারগিজের ছেলেকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিতে মঙ্গলবার দিনভর কথিত জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম পুলিশের বিভিন্ন মহলে সুপারিশ রাখেন। কিন্তু আলোচিত এই ঘটনাটিতে অভিযুক্তদের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলছে পুলিশ। কারণ মামলা গ্রহণ থেকে শুরু করে সব কিছু আদালত পর্যবেক্ষণ করছেন। ফলে এই মামলাটি থেকে যে কথিত জামায়াত নেতা সহসাই রেহাই পাচ্ছেন না তা পুলিশের বক্তব্যেও অনুমান করা যায়।’
ভুক্তভোগীর জবানবন্দিতে লোমহর্ষক কাহিনী শুনে বিস্মিত আদালত। জড়িত জামায়াত কর্মীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে বিচারকের নির্দেশে মামলা
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল বাতেনকে ফাঁসাতে গিয়ে উল্টো ফেঁসে যাচ্ছেন জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলাম। গত ১২ জানুয়ারি অপরাহ্নে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের ডিসি অফিসের পেছনে কালেকটরেট পুকুরের পাড় জনাকীর্ণ রাস্তা থেকে প্রকাশ্যে ববির প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে সহযোগীদের সহায়তায় আটকে মারধর করা শেষে তাকে একটি গ্যাসচালিত সিএনজিতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরে তাকে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার আওতাধীন একটি নির্জন কক্ষে আটকে রেখে ফের মারধর করাসহ সাদা স্ট্যাম্প ও বিভিন্ন কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে নেন জামায়াত কর্মী নজরুল। কিন্তু এসব ঘটনা আড়াল করে আব্দুল বাতেনকে আওয়ামী লীগের দোসর তকমা দিয়ে ওইদিনই কোতয়ালি পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। কোতয়ালি পুলিশ বাতেনকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠালে বিচারক রোমহর্ষক এই ঘটনার ইতিবৃত্ত শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং এতে জড়িত জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলামসহ ৯জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করতে পুলিশকে নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল বাতেনের অভিযোগ, বাবুগঞ্জের রহমতপুরের বাসিন্দা কথিত জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম শহরের বিএম কলেজ এলাকার বাসিন্দা মোসা: নারগিজ আক্তার লিপি এবং নুরুন্নাহারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাদের নির্দেশনা অনুসারে তাকে গত ১২ জানুয়ারি শহরের কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে যায়। এতে দুই নারীসহ অন্তত ৯জন তাকে সহযোগিতা করেন, যা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
তাছাড়া প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে আওয়ামী লীগের দোসর বানাতে জামায়াত কর্মী নজরুল ইসলাম যে প্রয়াস চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন তাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বুঝতে বাকি নেই। পুলিশ বলছে, ববির কর্মকর্তাকে শ্রমিক লীগের বরিশাল মহানগর শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য দাবি করে নজরুল ইসলাম এবং তিনি এর স্বপক্ষে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে পাশ হওয়া একটি তালিকাও সরবরাহ করেন। এই তালিকার ২৯ নম্বর সদস্য হিসেবে আব্দুল বাতেনকে দেখানো হলেও সরকারি কর্মকর্তার নামটি কম্পিউটারের কারসাজি করে বসানো হয়। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের ২৮ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির প্রকৃত তালিকা সংগ্রহ করেছে।
কোতয়ালি পুলিশ বলছে, আব্দুল বাতেনকে ফাঁসাতে অপহরণ এবং নির্জন স্থানে আটকে রেখে মারধর করাসহ স্ট্যাম্পে সই-স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়টিও সন্দেহজন করে তুলেছে জড়িতদের আচরণে। তারা ১২ জানুয়ারি সরকারি কর্মকর্তাকে শহরের কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে অপহরণ করলেও মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার করা হয় নথুল্লাবাদ থেকে ধরা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে ঘটনাস্থল অনুসারে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করতে চাইলে সেখান থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাকে ১২ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নিয়ে আসা হয়েছিল। এবং নজরুল ইসলামসহ সকলে দাবি করেছিলেন তাকে নথুল্লাবাদ থেকে আটক করা হয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, বাতেনকে আদালতসংলগ্ন কালেকটরেট পুকুরের পাড় থেকে আটক করে নিয়ে এসেছে। ফলে তাকে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি থানায় সোপর্দের পরামর্শ দেওয়া হলে পরবর্তীতে সেখানে নিয়ে যায়।
এর আগে আব্দুল বাতেনকে চোখ-মুখ বেঁখে রহমতপুর এলাকার একটি নির্জন স্থানে বাসায় নিয়ে যায় নজরুল ইসলামসহ সহযোগীরা। সেখানে আটকে রেখে দুই নারী নারগিজ এবং নুরুন্নাহারের উপস্থিতিতে তাকে মারধর করাসহ ইলেকট্রিক শর্ট দেওয়া হয়। এতে তার দুই পাসহ শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষত চিহ্ন হলে ভয়ে তিনি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে দেন। এবং বিষয়টি পুলিশ বা অন্য কারও কাছে শেয়ার করলে স্ত্রীসহ তাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছেন নজরুলসহ সহযোগীরা।
সরকারি কর্মকর্তাকে তুলে নেওয়ার বেশ কয়েকটি ভিডিও বরিশালটাইমসের এ প্রতিবেদকের কাছে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে জামায়াত কর্মী নজরুলের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল তাকে ধরে টেনে হিঁচড়ে সিএনজিতে তুলছেন। এসময় সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় থাকলেও সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে কেউ এগিয়ে আসেনি।
ভুক্তভোগী বাতেন বরিশালটাইমসকে জানান, গত বছরের শেষের দিকে বিএম কলেজ মসজিদ গেটের বিপরিত পাশের বাসিন্দা নারগিজ এবং নুরুন্নাহারের ০.৯২ শতাংশ ভূমি ক্রয়ের উদ্দেশে ১৬ লাখ টাকা দিয়ে বায়না করেন। কিন্তু তারা দুজন এই ভূমিটি এক লক্ষ টাকা বেশি পেয়ে জনৈক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিলে তিনি পরবর্তীতে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪২০/৪০৬ ধারায় একটি মামলা করেন। সেই মামলা দুই নারী আদালতে হাজিরা দিয়ে দুটি কিস্তিতে অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামিন নেন। ১১ জানুয়ারি একটি কিস্তি দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তারা তা রক্ষা করেননি। বরং টাকা না দেওয়ার বিভিন্ন ফন্দি আটছিলেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী মোসা: সাদিয়া আফরিন অভিযোগ, ১১ জানুয়ারি আদালতে গিয়ে জানা যায় দুই নারীর কেউ টাকা নিয়ে আদালতে আসেননি। একদিন বাদে ১২ জানুয়ারি বাতেন ডিসি অফিসের পেছনে আইনজীবী সমিতির কাছে অবস্থান করলে সেখান থেকে তাকে জামায়াত নেতা পরিচয় দিয়ে নজরুল সহযোগীদের সহায়তায় তুলে নিয়ে যায়। প্রকাশ্যে অপহরণ করার এই লোমহর্ষক ঘটনাটি বরিশালের প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-আতঙ্ক তৈরি করেছে।
এদিকে আদালতের নির্দেশে মামলাটি পুলিশ গ্রহণ করার পরে দুই নারীসহ অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম পলাতক আছেন। এই বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার দুপুরে নজরুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি নিজেকে জামায়াত নেতা পরিচয় দেন এবং আব্দুল বাতেনকে স্বৈরাচারের দোসর উল্লেখ করেন। এবং বাতেন শ্রমিক লীগ মহানগরের কার্যনির্বাহী সদস্য বলেও প্রচার করেন। কিন্তু এই তালিকা আপনার তৈরি এবং দুই নারীর কাছ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যে বাতেনকে ফাঁসাতে চেয়েছেন তার প্রমাণও পুলিশ পেয়েছে, এমনটি বলার পরে তিনি বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বর্ণনা শুনে বরিশাল মহানগর জাময়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। এবং বলছেন, তিনি নজরুল ইসলামকে চেনেন, তিনি জামায়াতের সমর্থক, তার কোনো দলীয় পদপদবি নেই। এবং এই ধরনের অপরাধ জামায়াত করে না এবং এর দায়ও নেওয়ার সুযোগ নাই। অপরাধর করেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচিত এই মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, আব্দুল বাতেন আসামি থেকে মামলার বাদী হয়েছেন। নজরুল ইসলামসহ ৯জনকে আসামি করে মামলা গ্রহণ করা হয়। এই মামলায় মঙ্গলবার নারগিজের ছেলে মো. নাহিদ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাকে আদালতে প্রেরণ করলে বিচারক কারাকারে পাঠিয়ে দেন। পলাতক বাকি অভিযুক্তদেরও গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চলছে।
সবশেষ খবরে জানা গেছে, নারগিজের ছেলেকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিতে মঙ্গলবার দিনভর কথিত জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম পুলিশের বিভিন্ন মহলে সুপারিশ রাখেন। কিন্তু আলোচিত এই ঘটনাটিতে অভিযুক্তদের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলছে পুলিশ। কারণ মামলা গ্রহণ থেকে শুরু করে সব কিছু আদালত পর্যবেক্ষণ করছেন। ফলে এই মামলাটি থেকে যে কথিত জামায়াত নেতা সহসাই রেহাই পাচ্ছেন না তা পুলিশের বক্তব্যেও অনুমান করা যায়।’

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নির্বাচনী জনসভা ও গণমিছিল করেছেন বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি নগরীর সদর রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা আয়োজন করে। এ সময় গণমিছিল ও নির্বাচনী জনসভা জনস্রোতে রূপ নেয়। মিছিলে ধানের শীষের ভোট চেয়ে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক প্রকাশ করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া প্রথম নির্বাচন। শোককে শক্তিকে রূপান্তর করে জনগণ তার প্রতি সম্মান এবং ভালোবাসা রেখে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হয়ে ভোটের ফলাল নিয়েই ঘরে ফিরব।
তিনি আরও বলেন, দলের সকল পর্যায়ের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কাজ করতে হবে।
গণমিছিলে বরিশাল মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নির্বাচনী জনসভা ও গণমিছিল করেছেন বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি নগরীর সদর রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা আয়োজন করে। এ সময় গণমিছিল ও নির্বাচনী জনসভা জনস্রোতে রূপ নেয়। মিছিলে ধানের শীষের ভোট চেয়ে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক প্রকাশ করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া প্রথম নির্বাচন। শোককে শক্তিকে রূপান্তর করে জনগণ তার প্রতি সম্মান এবং ভালোবাসা রেখে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হয়ে ভোটের ফলাল নিয়েই ঘরে ফিরব।
তিনি আরও বলেন, দলের সকল পর্যায়ের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কাজ করতে হবে।
গণমিছিলে বরিশাল মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৯
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.