
১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:০৬
পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ।
অনেকটা বিলম্বে হলেও বরিশালবাসীর প্রত্যাশিত ‘ বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) গঠন হতে যাচ্ছে। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ সরকার অতীতে একাধিকবার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হলেও এর সপক্ষে দাবি উত্থ্যাপিত ছিল। বিচার-বিশ্লেষণ শেষে উপদেষ্টা পরিষদ ‘বউক’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে, যা বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তুলে ধরেন। এই ঘোষণার মধ্যদিয়ে বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশ পূরণের পথে। খুশির এ খবরে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রাজনৈতিক সুশীলসমাজসহ সর্ব শ্রেণি-পেশার মানুষ। নগর পরিকল্পনায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একাধিক ব্যক্তিও সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন।
পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বরিশাল শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং আবহাওয়াগত দিক থেকে নিরাপদ একটি নগর গড়তে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) অগ্রণী ভূমিকা রাখবে, যা মানুষের দীর্ঘদিনে প্রত্যাশা ছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যার গুরুত্ব অনুধাবন করেছে, মূল্যয়ন করতেও ভুল করেনি। সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে এবং উদ্যোক্তাদের প্রলুব্ধ করবে।
জানা গেছে, ১৮৬৯ সালে বরিশাল টাউন কমিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত পায়, পরবর্তীতে ১৮৭৬ সালে বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটিতে উন্নীত হয়। এরপর ১৯৮৫ সালে বরিশাল শহরকে একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০০২ সালে “বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন ২০০২” এর মাধ্যমে পৌরসভা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। তৎসময়ে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) গঠনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার উদ্যোগ নিলেও একপর্যায়ে থেমে যায় বা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের মেয়াদে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজও শুরু করে। এতে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হলেও পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের বরিশাল শহরে ২০১৬ সালে ‘নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করে। তবে সেখানে রয়েছে জনবলসংকট। ত্রিশটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল সিটিতে দুজন নগর পরিকল্পনাবিদসহ ৬জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে কাজ চলছে এই বিভাগের।
শহর নিয়ে চিন্তা-ভাবনা এমন অন্তত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, এর আগে বরিশাল নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য মাস্টারপ্ল্যান, নকশা তৈরি করলেও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সে অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করেন না। অপরিকল্পিত এই নগরায়নের কারণে শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলা তীরের জনপদটি ক্রমশই বিবর্ণ হয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে জৌলুশ। বিশেষ করে নদী-খাল দখলের মচ্ছপে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে কবি জীবনানন্দের প্রাণের বরিশালের পরিবেশ-প্রকৃতি। এমন বাস্তবতায় অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসার দাবি রাখে।
‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ অধ্যাদেশ অনুমোদনে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারও। তিনি শনিবার অপরাহ্নে জানান, বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে সরকার। এমন খুশির সংবাদ এই অঞ্চলের মানুষকে অভিভুত করেছে, মন্তব্য করেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক এই সাংসদ।
বউক গঠনের প্রক্রিয়া শিগগিরই শেষ কার্যক্রম শুরু করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বরিশালের সুশীলসমাজ। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, ‘একটি নগরের উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে এখন পরিবেশ, প্রতিবেশ, পানি ব্যবস্থাপনাসহ প্রাকৃতিক বিষয়গুলো যুক্ত থাকতে হবে। এর বাইরে কিছু হলে সেই উন্নয়ন নগরবাসীর জন্য অপউন্নয়নে পর্যবসিত হবে। এর জন্য জনপ্রতিনিধি, পানি, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বরিশাল নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে থাকা আবশ্যক। সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, নাগরিক সমাজের সমন্বয় করে কমিটি করা গেলে এর সুফল মিলবে।
‘উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের উদ্যোগকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন বরিশাল নগর-পরিকল্পনাবিদ মিলন মন্ডল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নগর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। তার ভাষায়, বরিশাল নগরকে এখনো পরিকল্পিত আদর্শ নগর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন পরিকল্পনামাফিক এগোনো ও সদিচ্ছা। মূল শহরের বিশেষ করে বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তাগুলো প্রশস্ত করার এখন আর সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নগরকে যানজটমুক্ত করতে সিটি সার্কুলার রোড করা যেতে পারে। একই সঙ্গে খালগুলো খনন করে হাঁটার পথ ও পাড়ে গাছ লাগানো গেলে নগরের পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি এসব খাল যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের পর বেশ কিছু উন্নয়ন কাজ স্থানীয় প্রশাসন থেকে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যাবে। যেমন ঢাকার দুই সিটি এলাকায় ভবনের নকশা, জমির শ্রেণি পরিবর্তনসহ বেশ কিছু কাজের ক্ষমতা রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) হাতে।
বউক গঠন করে বরিশাল শহরকে মানুষের নিরাপদ আবাসস্থল করার সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিকদের পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজও ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেছে। এনিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন বলেন, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃক্ষ’ বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নের দিকে ধাবিত করবে। এবং বরিশাল হবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন নিরাপদ নগরী।’
পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ।
অনেকটা বিলম্বে হলেও বরিশালবাসীর প্রত্যাশিত ‘ বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) গঠন হতে যাচ্ছে। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ সরকার অতীতে একাধিকবার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হলেও এর সপক্ষে দাবি উত্থ্যাপিত ছিল। বিচার-বিশ্লেষণ শেষে উপদেষ্টা পরিষদ ‘বউক’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে, যা বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তুলে ধরেন। এই ঘোষণার মধ্যদিয়ে বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশ পূরণের পথে। খুশির এ খবরে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রাজনৈতিক সুশীলসমাজসহ সর্ব শ্রেণি-পেশার মানুষ। নগর পরিকল্পনায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একাধিক ব্যক্তিও সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন।
পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বরিশাল শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং আবহাওয়াগত দিক থেকে নিরাপদ একটি নগর গড়তে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) অগ্রণী ভূমিকা রাখবে, যা মানুষের দীর্ঘদিনে প্রত্যাশা ছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যার গুরুত্ব অনুধাবন করেছে, মূল্যয়ন করতেও ভুল করেনি। সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে এবং উদ্যোক্তাদের প্রলুব্ধ করবে।
জানা গেছে, ১৮৬৯ সালে বরিশাল টাউন কমিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত পায়, পরবর্তীতে ১৮৭৬ সালে বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটিতে উন্নীত হয়। এরপর ১৯৮৫ সালে বরিশাল শহরকে একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০০২ সালে “বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন ২০০২” এর মাধ্যমে পৌরসভা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। তৎসময়ে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) গঠনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার উদ্যোগ নিলেও একপর্যায়ে থেমে যায় বা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের মেয়াদে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজও শুরু করে। এতে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হলেও পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের বরিশাল শহরে ২০১৬ সালে ‘নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করে। তবে সেখানে রয়েছে জনবলসংকট। ত্রিশটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল সিটিতে দুজন নগর পরিকল্পনাবিদসহ ৬জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে কাজ চলছে এই বিভাগের।
শহর নিয়ে চিন্তা-ভাবনা এমন অন্তত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, এর আগে বরিশাল নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য মাস্টারপ্ল্যান, নকশা তৈরি করলেও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সে অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করেন না। অপরিকল্পিত এই নগরায়নের কারণে শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলা তীরের জনপদটি ক্রমশই বিবর্ণ হয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে জৌলুশ। বিশেষ করে নদী-খাল দখলের মচ্ছপে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে কবি জীবনানন্দের প্রাণের বরিশালের পরিবেশ-প্রকৃতি। এমন বাস্তবতায় অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসার দাবি রাখে।
‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ অধ্যাদেশ অনুমোদনে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারও। তিনি শনিবার অপরাহ্নে জানান, বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে সরকার। এমন খুশির সংবাদ এই অঞ্চলের মানুষকে অভিভুত করেছে, মন্তব্য করেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক এই সাংসদ।
বউক গঠনের প্রক্রিয়া শিগগিরই শেষ কার্যক্রম শুরু করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বরিশালের সুশীলসমাজ। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, ‘একটি নগরের উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে এখন পরিবেশ, প্রতিবেশ, পানি ব্যবস্থাপনাসহ প্রাকৃতিক বিষয়গুলো যুক্ত থাকতে হবে। এর বাইরে কিছু হলে সেই উন্নয়ন নগরবাসীর জন্য অপউন্নয়নে পর্যবসিত হবে। এর জন্য জনপ্রতিনিধি, পানি, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বরিশাল নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে থাকা আবশ্যক। সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, নাগরিক সমাজের সমন্বয় করে কমিটি করা গেলে এর সুফল মিলবে।
‘উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের উদ্যোগকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন বরিশাল নগর-পরিকল্পনাবিদ মিলন মন্ডল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নগর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। তার ভাষায়, বরিশাল নগরকে এখনো পরিকল্পিত আদর্শ নগর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন পরিকল্পনামাফিক এগোনো ও সদিচ্ছা। মূল শহরের বিশেষ করে বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তাগুলো প্রশস্ত করার এখন আর সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নগরকে যানজটমুক্ত করতে সিটি সার্কুলার রোড করা যেতে পারে। একই সঙ্গে খালগুলো খনন করে হাঁটার পথ ও পাড়ে গাছ লাগানো গেলে নগরের পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি এসব খাল যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের পর বেশ কিছু উন্নয়ন কাজ স্থানীয় প্রশাসন থেকে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যাবে। যেমন ঢাকার দুই সিটি এলাকায় ভবনের নকশা, জমির শ্রেণি পরিবর্তনসহ বেশ কিছু কাজের ক্ষমতা রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) হাতে।
বউক গঠন করে বরিশাল শহরকে মানুষের নিরাপদ আবাসস্থল করার সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিকদের পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজও ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেছে। এনিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন বলেন, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃক্ষ’ বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নের দিকে ধাবিত করবে। এবং বরিশাল হবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন নিরাপদ নগরী।’

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১