Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:০৬
পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ।
অনেকটা বিলম্বে হলেও বরিশালবাসীর প্রত্যাশিত ‘ বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) গঠন হতে যাচ্ছে। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ সরকার অতীতে একাধিকবার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হলেও এর সপক্ষে দাবি উত্থ্যাপিত ছিল। বিচার-বিশ্লেষণ শেষে উপদেষ্টা পরিষদ ‘বউক’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে, যা বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তুলে ধরেন। এই ঘোষণার মধ্যদিয়ে বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশ পূরণের পথে। খুশির এ খবরে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রাজনৈতিক সুশীলসমাজসহ সর্ব শ্রেণি-পেশার মানুষ। নগর পরিকল্পনায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একাধিক ব্যক্তিও সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন।
পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বরিশাল শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং আবহাওয়াগত দিক থেকে নিরাপদ একটি নগর গড়তে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) অগ্রণী ভূমিকা রাখবে, যা মানুষের দীর্ঘদিনে প্রত্যাশা ছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যার গুরুত্ব অনুধাবন করেছে, মূল্যয়ন করতেও ভুল করেনি। সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে এবং উদ্যোক্তাদের প্রলুব্ধ করবে।
জানা গেছে, ১৮৬৯ সালে বরিশাল টাউন কমিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত পায়, পরবর্তীতে ১৮৭৬ সালে বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটিতে উন্নীত হয়। এরপর ১৯৮৫ সালে বরিশাল শহরকে একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০০২ সালে “বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন ২০০২” এর মাধ্যমে পৌরসভা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। তৎসময়ে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) গঠনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার উদ্যোগ নিলেও একপর্যায়ে থেমে যায় বা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের মেয়াদে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজও শুরু করে। এতে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হলেও পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের বরিশাল শহরে ২০১৬ সালে ‘নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করে। তবে সেখানে রয়েছে জনবলসংকট। ত্রিশটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল সিটিতে দুজন নগর পরিকল্পনাবিদসহ ৬জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে কাজ চলছে এই বিভাগের।
শহর নিয়ে চিন্তা-ভাবনা এমন অন্তত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, এর আগে বরিশাল নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য মাস্টারপ্ল্যান, নকশা তৈরি করলেও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সে অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করেন না। অপরিকল্পিত এই নগরায়নের কারণে শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলা তীরের জনপদটি ক্রমশই বিবর্ণ হয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে জৌলুশ। বিশেষ করে নদী-খাল দখলের মচ্ছপে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে কবি জীবনানন্দের প্রাণের বরিশালের পরিবেশ-প্রকৃতি। এমন বাস্তবতায় অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসার দাবি রাখে।
‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ অধ্যাদেশ অনুমোদনে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারও। তিনি শনিবার অপরাহ্নে জানান, বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে সরকার। এমন খুশির সংবাদ এই অঞ্চলের মানুষকে অভিভুত করেছে, মন্তব্য করেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক এই সাংসদ।
বউক গঠনের প্রক্রিয়া শিগগিরই শেষ কার্যক্রম শুরু করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বরিশালের সুশীলসমাজ। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, ‘একটি নগরের উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে এখন পরিবেশ, প্রতিবেশ, পানি ব্যবস্থাপনাসহ প্রাকৃতিক বিষয়গুলো যুক্ত থাকতে হবে। এর বাইরে কিছু হলে সেই উন্নয়ন নগরবাসীর জন্য অপউন্নয়নে পর্যবসিত হবে। এর জন্য জনপ্রতিনিধি, পানি, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বরিশাল নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে থাকা আবশ্যক। সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, নাগরিক সমাজের সমন্বয় করে কমিটি করা গেলে এর সুফল মিলবে।
‘উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের উদ্যোগকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন বরিশাল নগর-পরিকল্পনাবিদ মিলন মন্ডল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নগর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। তার ভাষায়, বরিশাল নগরকে এখনো পরিকল্পিত আদর্শ নগর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন পরিকল্পনামাফিক এগোনো ও সদিচ্ছা। মূল শহরের বিশেষ করে বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তাগুলো প্রশস্ত করার এখন আর সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নগরকে যানজটমুক্ত করতে সিটি সার্কুলার রোড করা যেতে পারে। একই সঙ্গে খালগুলো খনন করে হাঁটার পথ ও পাড়ে গাছ লাগানো গেলে নগরের পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি এসব খাল যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের পর বেশ কিছু উন্নয়ন কাজ স্থানীয় প্রশাসন থেকে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যাবে। যেমন ঢাকার দুই সিটি এলাকায় ভবনের নকশা, জমির শ্রেণি পরিবর্তনসহ বেশ কিছু কাজের ক্ষমতা রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) হাতে।
বউক গঠন করে বরিশাল শহরকে মানুষের নিরাপদ আবাসস্থল করার সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিকদের পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজও ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেছে। এনিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন বলেন, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃক্ষ’ বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নের দিকে ধাবিত করবে। এবং বরিশাল হবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন নিরাপদ নগরী।’
পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ।
অনেকটা বিলম্বে হলেও বরিশালবাসীর প্রত্যাশিত ‘ বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) গঠন হতে যাচ্ছে। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ সরকার অতীতে একাধিকবার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হলেও এর সপক্ষে দাবি উত্থ্যাপিত ছিল। বিচার-বিশ্লেষণ শেষে উপদেষ্টা পরিষদ ‘বউক’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে, যা বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তুলে ধরেন। এই ঘোষণার মধ্যদিয়ে বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশ পূরণের পথে। খুশির এ খবরে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রাজনৈতিক সুশীলসমাজসহ সর্ব শ্রেণি-পেশার মানুষ। নগর পরিকল্পনায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একাধিক ব্যক্তিও সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন।
পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বরিশাল শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং আবহাওয়াগত দিক থেকে নিরাপদ একটি নগর গড়তে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) অগ্রণী ভূমিকা রাখবে, যা মানুষের দীর্ঘদিনে প্রত্যাশা ছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যার গুরুত্ব অনুধাবন করেছে, মূল্যয়ন করতেও ভুল করেনি। সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে এবং উদ্যোক্তাদের প্রলুব্ধ করবে।
জানা গেছে, ১৮৬৯ সালে বরিশাল টাউন কমিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত পায়, পরবর্তীতে ১৮৭৬ সালে বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটিতে উন্নীত হয়। এরপর ১৯৮৫ সালে বরিশাল শহরকে একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০০২ সালে “বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন ২০০২” এর মাধ্যমে পৌরসভা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। তৎসময়ে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) গঠনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার উদ্যোগ নিলেও একপর্যায়ে থেমে যায় বা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের মেয়াদে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজও শুরু করে। এতে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হলেও পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের বরিশাল শহরে ২০১৬ সালে ‘নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করে। তবে সেখানে রয়েছে জনবলসংকট। ত্রিশটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল সিটিতে দুজন নগর পরিকল্পনাবিদসহ ৬জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে কাজ চলছে এই বিভাগের।
শহর নিয়ে চিন্তা-ভাবনা এমন অন্তত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, এর আগে বরিশাল নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য মাস্টারপ্ল্যান, নকশা তৈরি করলেও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সে অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করেন না। অপরিকল্পিত এই নগরায়নের কারণে শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলা তীরের জনপদটি ক্রমশই বিবর্ণ হয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে জৌলুশ। বিশেষ করে নদী-খাল দখলের মচ্ছপে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে কবি জীবনানন্দের প্রাণের বরিশালের পরিবেশ-প্রকৃতি। এমন বাস্তবতায় অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসার দাবি রাখে।
‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ অধ্যাদেশ অনুমোদনে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারও। তিনি শনিবার অপরাহ্নে জানান, বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে সরকার। এমন খুশির সংবাদ এই অঞ্চলের মানুষকে অভিভুত করেছে, মন্তব্য করেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক এই সাংসদ।
বউক গঠনের প্রক্রিয়া শিগগিরই শেষ কার্যক্রম শুরু করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বরিশালের সুশীলসমাজ। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, ‘একটি নগরের উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে এখন পরিবেশ, প্রতিবেশ, পানি ব্যবস্থাপনাসহ প্রাকৃতিক বিষয়গুলো যুক্ত থাকতে হবে। এর বাইরে কিছু হলে সেই উন্নয়ন নগরবাসীর জন্য অপউন্নয়নে পর্যবসিত হবে। এর জন্য জনপ্রতিনিধি, পানি, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বরিশাল নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে থাকা আবশ্যক। সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, নাগরিক সমাজের সমন্বয় করে কমিটি করা গেলে এর সুফল মিলবে।
‘উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের উদ্যোগকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন বরিশাল নগর-পরিকল্পনাবিদ মিলন মন্ডল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নগর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। তার ভাষায়, বরিশাল নগরকে এখনো পরিকল্পিত আদর্শ নগর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন পরিকল্পনামাফিক এগোনো ও সদিচ্ছা। মূল শহরের বিশেষ করে বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তাগুলো প্রশস্ত করার এখন আর সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নগরকে যানজটমুক্ত করতে সিটি সার্কুলার রোড করা যেতে পারে। একই সঙ্গে খালগুলো খনন করে হাঁটার পথ ও পাড়ে গাছ লাগানো গেলে নগরের পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি এসব খাল যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের পর বেশ কিছু উন্নয়ন কাজ স্থানীয় প্রশাসন থেকে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যাবে। যেমন ঢাকার দুই সিটি এলাকায় ভবনের নকশা, জমির শ্রেণি পরিবর্তনসহ বেশ কিছু কাজের ক্ষমতা রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) হাতে।
বউক গঠন করে বরিশাল শহরকে মানুষের নিরাপদ আবাসস্থল করার সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিকদের পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজও ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেছে। এনিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন বলেন, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃক্ষ’ বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নের দিকে ধাবিত করবে। এবং বরিশাল হবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন নিরাপদ নগরী।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস