Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৬
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার পালশা থান্দারপাড়ায় অবস্থিত প্রায় ২৭০ বছরের পুরোনো এক গম্বুজবিশিষ্ট একটি মসজিদকে ঘিরে ডালপালা মেলছে নানা রহস্য। স্থানীয়দের দাবি, মুঘল আমলের এই প্রাচীন স্থাপনাটিতে প্রায়ই অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী হন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, মসজিদে আজান শুরু হলেই আশপাশে সাপের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। অবাক করার বিষয় হলো, আজান শেষ হওয়ার পরপরই সাপগুলো আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
আবার অনেক সময় গভীর রাতে বা ফজরের আগে শোনা যায় ওজুর পানির শব্দ— যেন একসঙ্গে অনেক মানুষ ওজু করছেন। তবে কাছে গিয়ে কাউকে দেখা যায় না। এ ঘটনা বহুবার প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানান মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান।
স্থানীয়দের কাছে ঘটনাগুলো দীর্ঘদিনের পরিচিত হলেও বাইরের মানুষের কাছে তা বেশ বিস্ময়ের। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এলাকাবাসীর দাবি— এ ঘটনাগুলো তারা বহু বছর ধরেই প্রত্যক্ষ করে আসছেন।
ইতিহাস অনুযায়ী, ১৭৪৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত ছোট্ট এই এক গম্বুজ মসজিদটি মুঘল আমলের স্থাপত্যশৈলী বহন করে আজও দাঁড়িয়ে আছে। সময়ের পরিক্রমায় আশপাশের পরিবেশ ও বসতবাড়িতে অনেক পরিবর্তন এলেও মসজিদটির প্রাচীন কাঠামো অনেকটাই আগের মতোই রয়েছে।
মসজিদের দীর্ঘদিনের খাদেম আনসার আলী মৃধা কালবেলাকে বলেন, বহু বছর ধরে তিনি মসজিদটির দেখভাল করছেন এবং মাঝেমধ্যেই এমন অদ্ভুত ঘটনার কথা শুনেছেন ও কিছুটা অনুভবও করেছেন।
তিনি বলেন, শুধু সাপের উপস্থিতিই নয়, মাঝে মাঝে গভীর রাতে বা ফজরের আগে মসজিদের ওজুখানার দিক থেকে পানির শব্দ শোনা যায়। মনে হয় যেন কেউ ওজু করছেন। তবে কাছে গিয়ে কাউকে দেখা যায় না।
এলাকার বাসিন্দা রুহুল কুদ্দুস মাস্টার, ইমরান ও কাবেদ আলী জানান, ছোটবেলা থেকেই তারা এই মসজিদকে ঘিরে নানা গল্প শুনে আসছেন। কেউ এটিকে অলৌকিক ঘটনা বলে মনে করেন, আবার কেউ মনে করেন এটি প্রাচীন মসজিদের রহস্যময় পরিবেশেরই অংশ।
স্থানীয়দের মতে, এই মসজিদটি শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়; বরং এটি এলাকাবাসীর বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক। একসময় ছোট্ট এই মসজিদে একসঙ্গে মাত্র সাতজন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতেন। বর্তমানে পাশেই নতুন একটি জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, তবে পুরোনো মসজিদটি এখনো ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।
এলাকার অনেক মানুষের বিশ্বাস, এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূরণ হয়। তাই স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এখানে আসেন নামাজ আদায় করতে কিংবা প্রাচীন এই স্থাপনাটি এক নজর দেখতে।
সময়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই প্রাচীন মসজিদটি আজও বহন করছে ইতিহাস, বিশ্বাস ও রহস্যের এক অনন্য মেলবন্ধন।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ঐতিহাসিক এই মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে কিছুটা জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রাচীন স্থাপনাটির মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, যথাযথ সংস্কার করা হলে এটি একদিকে যেমন ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে, তেমনি দর্শনার্থীদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার পালশা থান্দারপাড়ায় অবস্থিত প্রায় ২৭০ বছরের পুরোনো এক গম্বুজবিশিষ্ট একটি মসজিদকে ঘিরে ডালপালা মেলছে নানা রহস্য। স্থানীয়দের দাবি, মুঘল আমলের এই প্রাচীন স্থাপনাটিতে প্রায়ই অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী হন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, মসজিদে আজান শুরু হলেই আশপাশে সাপের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। অবাক করার বিষয় হলো, আজান শেষ হওয়ার পরপরই সাপগুলো আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
আবার অনেক সময় গভীর রাতে বা ফজরের আগে শোনা যায় ওজুর পানির শব্দ— যেন একসঙ্গে অনেক মানুষ ওজু করছেন। তবে কাছে গিয়ে কাউকে দেখা যায় না। এ ঘটনা বহুবার প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানান মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান।
স্থানীয়দের কাছে ঘটনাগুলো দীর্ঘদিনের পরিচিত হলেও বাইরের মানুষের কাছে তা বেশ বিস্ময়ের। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এলাকাবাসীর দাবি— এ ঘটনাগুলো তারা বহু বছর ধরেই প্রত্যক্ষ করে আসছেন।
ইতিহাস অনুযায়ী, ১৭৪৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত ছোট্ট এই এক গম্বুজ মসজিদটি মুঘল আমলের স্থাপত্যশৈলী বহন করে আজও দাঁড়িয়ে আছে। সময়ের পরিক্রমায় আশপাশের পরিবেশ ও বসতবাড়িতে অনেক পরিবর্তন এলেও মসজিদটির প্রাচীন কাঠামো অনেকটাই আগের মতোই রয়েছে।
মসজিদের দীর্ঘদিনের খাদেম আনসার আলী মৃধা কালবেলাকে বলেন, বহু বছর ধরে তিনি মসজিদটির দেখভাল করছেন এবং মাঝেমধ্যেই এমন অদ্ভুত ঘটনার কথা শুনেছেন ও কিছুটা অনুভবও করেছেন।
তিনি বলেন, শুধু সাপের উপস্থিতিই নয়, মাঝে মাঝে গভীর রাতে বা ফজরের আগে মসজিদের ওজুখানার দিক থেকে পানির শব্দ শোনা যায়। মনে হয় যেন কেউ ওজু করছেন। তবে কাছে গিয়ে কাউকে দেখা যায় না।
এলাকার বাসিন্দা রুহুল কুদ্দুস মাস্টার, ইমরান ও কাবেদ আলী জানান, ছোটবেলা থেকেই তারা এই মসজিদকে ঘিরে নানা গল্প শুনে আসছেন। কেউ এটিকে অলৌকিক ঘটনা বলে মনে করেন, আবার কেউ মনে করেন এটি প্রাচীন মসজিদের রহস্যময় পরিবেশেরই অংশ।
স্থানীয়দের মতে, এই মসজিদটি শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়; বরং এটি এলাকাবাসীর বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক। একসময় ছোট্ট এই মসজিদে একসঙ্গে মাত্র সাতজন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতেন। বর্তমানে পাশেই নতুন একটি জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, তবে পুরোনো মসজিদটি এখনো ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।
এলাকার অনেক মানুষের বিশ্বাস, এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূরণ হয়। তাই স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এখানে আসেন নামাজ আদায় করতে কিংবা প্রাচীন এই স্থাপনাটি এক নজর দেখতে।
সময়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই প্রাচীন মসজিদটি আজও বহন করছে ইতিহাস, বিশ্বাস ও রহস্যের এক অনন্য মেলবন্ধন।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ঐতিহাসিক এই মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে কিছুটা জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রাচীন স্থাপনাটির মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, যথাযথ সংস্কার করা হলে এটি একদিকে যেমন ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে, তেমনি দর্শনার্থীদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৪
জয়পুরহাটের কালাইয়ে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের হাতে বাবা খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় মা ও বোন গুরুতর আহত হয়েছেন।শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার বফলগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আক্কাস আলী মন্ডল (৬০) ওই গ্রামের মৃত মূলতান মন্ডলের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ছেলে গোলাপ মন্ডল (৩০) বাবার কাছে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বাড়িতে থাকা বাঁশের খুঁটি দিয়ে আক্কাস আলী মন্ডলের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এ সময় তাকে বাঁচাতে মা ও বোন এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন।
পরে গ্রামবাসী তাদের উদ্ধার করে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাদের বগুড়ার জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আক্কাস আলী মন্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত স্ত্রী ও মেয়ে বর্তমানে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার খবর পেয়ে কালাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ছেলে গোলাপ মন্ডলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত গোলাপ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা আহত থাকায় পরে তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে রুবেল চৌধুরী নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়ার সময় হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে গেছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে৷ রুবেল লাখাই উপজেলার মোড়াকরি ইউনিয়নের সুবিদপুর গ্রামের ছিনু চৌধুরীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মারামারি মামলার পলাতক আসামি রুবেল চৌধুরী। শনিবার বিকেলে উপজেলার মোড়াকরি বাজারে তাকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালায় পুলিশ। সন্ধ্যার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করলে কৌশলে হ্যান্ডকাফসহ পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যায়।
লাখাই থানার ওসি (তদন্ত) কৃষ্ণপদ মিত্র বলেন, হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শহিদুল হক মুন্সি বলেন, হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ মাঠে কাজ করছে। খুব শিগ্গিরই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৫
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে একটি কলেজের নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ও নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৩৫-৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শরীফকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার যাদুরানী বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শরীফ উপজেলার নীলগাঁও গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ শুক্রবার হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল।
পরীক্ষা চলাকালে একদল ব্যক্তি অতর্কিত সেখানে প্রবেশ করে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। অভিযোগ উঠেছে, তারা জোরপূর্বক পরীক্ষার খাতা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়, যার ফলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং নিয়োগ কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
এ ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি প্রশাসন ও পুলিশকে অবহিত করে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে হরিপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীনসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা শরীফকে গ্রেপ্তার করে।
হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে শরীফ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জয়পুরহাটের কালাইয়ে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের হাতে বাবা খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় মা ও বোন গুরুতর আহত হয়েছেন।শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে উপজেলার বফলগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আক্কাস আলী মন্ডল (৬০) ওই গ্রামের মৃত মূলতান মন্ডলের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ছেলে গোলাপ মন্ডল (৩০) বাবার কাছে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বাড়িতে থাকা বাঁশের খুঁটি দিয়ে আক্কাস আলী মন্ডলের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এ সময় তাকে বাঁচাতে মা ও বোন এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। এতে তারা গুরুতর আহত হন।
পরে গ্রামবাসী তাদের উদ্ধার করে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাদের বগুড়ার জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আক্কাস আলী মন্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত স্ত্রী ও মেয়ে বর্তমানে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার খবর পেয়ে কালাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ছেলে গোলাপ মন্ডলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত গোলাপ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা আহত থাকায় পরে তাদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে রুবেল চৌধুরী নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়ার সময় হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে গেছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে৷ রুবেল লাখাই উপজেলার মোড়াকরি ইউনিয়নের সুবিদপুর গ্রামের ছিনু চৌধুরীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মারামারি মামলার পলাতক আসামি রুবেল চৌধুরী। শনিবার বিকেলে উপজেলার মোড়াকরি বাজারে তাকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালায় পুলিশ। সন্ধ্যার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করলে কৌশলে হ্যান্ডকাফসহ পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যায়।
লাখাই থানার ওসি (তদন্ত) কৃষ্ণপদ মিত্র বলেন, হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শহিদুল হক মুন্সি বলেন, হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ মাঠে কাজ করছে। খুব শিগ্গিরই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে একটি কলেজের নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ও নথিপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৩৫-৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শরীফকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার যাদুরানী বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শরীফ উপজেলার নীলগাঁও গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ শুক্রবার হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল।
পরীক্ষা চলাকালে একদল ব্যক্তি অতর্কিত সেখানে প্রবেশ করে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। অভিযোগ উঠেছে, তারা জোরপূর্বক পরীক্ষার খাতা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়, যার ফলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং নিয়োগ কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
এ ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি প্রশাসন ও পুলিশকে অবহিত করে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে হরিপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দীনসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে যুবদল নেতা শরীফকে গ্রেপ্তার করে।
হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিয়োগ পরীক্ষার খাতা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে শরীফ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।