
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার চরগোলকনগর গ্রামে ভিজিএফ কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় রাত ১১টা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে চরগোলকনগর গ্রামে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েম মণ্ডলের কাছে ভিজিএফ কার্ড বিতরণ নিয়ে কথা বলতে যান যুবদল নেতা শামীম। এ সময় শামীম তার সমর্থকদের জন্য কিছু কার্ড দাবি করলে বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। শামীমের অভিযোগ, ওই সময় সায়েম মণ্ডলের লোকজন তাকে মারধরের হুমকি দিয়ে খুঁজতে থাকে।
পরিস্থিতি শান্ত করতে দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়। পরে সন্ধ্যায় স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে সায়েম মণ্ডলের সমর্থকরা শামীমের লোকজনের ওপর অতর্কিতে হামলা চালালে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং উভয় পক্ষ দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৬০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের সময় গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হিমশিম খেলে পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
যুবদল নেতা শামীম অভিযোগ করে বলেন, ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে সায়েম মণ্ডলের কাছে অনেক ভিজিএফ কার্ড ছিল। আমি আমার কিছু সমর্থকের জন্য কার্ড চাইলে তিনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন এবং তার লোকজন আমাকে হুমকি দেয়। সমঝোতা বৈঠকের নামে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েম মণ্ডল পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী কার্ড বণ্টন করেছি। শামীম যুবদল করে, সে আমার সঙ্গে মূল দল বিএনপি করে না, তাই তাকে কার্ড দেওয়া হয়নি।
এদিকে সরকারি ভিজিএফ কার্ড বিতরণ নিয়ে দুই নেতার এই বিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় দরিদ্র মানুষের অভিযোগ, প্রভাবশালী নেতা ও মাতবরদের খামখেয়ালিপনার কারণে প্রকৃত গরিবরা কার্ড পাচ্ছেন না। তালিকায় রাখা হচ্ছে শুধু নেতাদের পছন্দের লোকজনকে।
শৈলকুপা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শাকিল আহমেদ জানান, এলাকায় নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার চরগোলকনগর গ্রামে ভিজিএফ কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় রাত ১১টা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে চরগোলকনগর গ্রামে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েম মণ্ডলের কাছে ভিজিএফ কার্ড বিতরণ নিয়ে কথা বলতে যান যুবদল নেতা শামীম। এ সময় শামীম তার সমর্থকদের জন্য কিছু কার্ড দাবি করলে বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। শামীমের অভিযোগ, ওই সময় সায়েম মণ্ডলের লোকজন তাকে মারধরের হুমকি দিয়ে খুঁজতে থাকে।
পরিস্থিতি শান্ত করতে দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়। পরে সন্ধ্যায় স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে সায়েম মণ্ডলের সমর্থকরা শামীমের লোকজনের ওপর অতর্কিতে হামলা চালালে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং উভয় পক্ষ দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৬০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের সময় গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হিমশিম খেলে পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
যুবদল নেতা শামীম অভিযোগ করে বলেন, ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে সায়েম মণ্ডলের কাছে অনেক ভিজিএফ কার্ড ছিল। আমি আমার কিছু সমর্থকের জন্য কার্ড চাইলে তিনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন এবং তার লোকজন আমাকে হুমকি দেয়। সমঝোতা বৈঠকের নামে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েম মণ্ডল পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী কার্ড বণ্টন করেছি। শামীম যুবদল করে, সে আমার সঙ্গে মূল দল বিএনপি করে না, তাই তাকে কার্ড দেওয়া হয়নি।
এদিকে সরকারি ভিজিএফ কার্ড বিতরণ নিয়ে দুই নেতার এই বিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় দরিদ্র মানুষের অভিযোগ, প্রভাবশালী নেতা ও মাতবরদের খামখেয়ালিপনার কারণে প্রকৃত গরিবরা কার্ড পাচ্ছেন না। তালিকায় রাখা হচ্ছে শুধু নেতাদের পছন্দের লোকজনকে।
শৈলকুপা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শাকিল আহমেদ জানান, এলাকায় নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় মসজিদে ইতিকাফে থাকা অবস্থায় নামাজরত এক বৃদ্ধ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত ওই বৃদ্ধের নাম হারুনুর রশিদ (৮০)। তিনি সাদকপুর মাস্টার বাড়ির বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্য।
মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের জানান, মাহে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ পালনের জন্য হারুনুর রশিদ মসজিদে অবস্থান করছিলেন। বৃহস্পতিবার এশার নামাজ আদায় করতে দাঁড়ান তিনি। দুই রাকাত সুন্নাত নামাজ শেষ করার পরই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মসজিদের ভেতরেই মারা যান।
নিহতের জামাতা কাজী মো. সেফাউল করিম জানান, ইতিকাফ অবস্থায় এশার নামাজ পড়ার সময় তার শ্বশুরের মৃত্যু হয়। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৬

১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চালের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সংবলিত স্লোগান থাকায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণকালে বিষয়টি জানাজানি হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে চর কালকিনি ইউনিয়নের ৪ হাজার অসহায় পরিবারের জন্য মাথাপিছু ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিতরণের সময় দেখা যায়, চালের বস্তাগুলোতে লেখা রয়েছে— ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারি ত্রাণের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এমন স্লোগান দেখে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা ও সুবিধাভোগীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
চালের বস্তায় এ স্লোগান থাকায় বিতরণকাজে অংশ নেওয়া সরকারি তদারকি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের।
উপজেলা খাদ্য ভাণ্ডার পরিদর্শক নিশাদ জাহান জানান, গুদাম থেকে চাল সরবরাহের সময় সাধারণত পুরোনো নাম বা স্লোগানগুলো রং দিয়ে মুছে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তিনি বলেন, বস্তাগুলো ডেলিভারি দেওয়ার সময় রং দিয়ে মুছে দেওয়া হয়। এরপরও দু-একটি বস্তায় চোখের অগোচরে পূর্বের নাম থেকে যেতে পারে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।
কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, এমন হওয়ার কথা নয়। খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও ওসিএলএসডির সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বিতর্ক এড়াতে বর্তমানে বিতরণ কেন্দ্রে থাকা বাকি বস্তাগুলোর লেখা মুছে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কাজে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল যাতে এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি না ছড়ায়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় মসজিদে ইতিকাফে থাকা অবস্থায় নামাজরত এক বৃদ্ধ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত ওই বৃদ্ধের নাম হারুনুর রশিদ (৮০)। তিনি সাদকপুর মাস্টার বাড়ির বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত সদস্য।
মসজিদের ইমাম হাফেজ আবুল খায়ের জানান, মাহে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ পালনের জন্য হারুনুর রশিদ মসজিদে অবস্থান করছিলেন। বৃহস্পতিবার এশার নামাজ আদায় করতে দাঁড়ান তিনি। দুই রাকাত সুন্নাত নামাজ শেষ করার পরই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মসজিদের ভেতরেই মারা যান।
নিহতের জামাতা কাজী মো. সেফাউল করিম জানান, ইতিকাফ অবস্থায় এশার নামাজ পড়ার সময় তার শ্বশুরের মৃত্যু হয়। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে শুক্রবার (১৩ মার্চ) বাদ জুমা সাদকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার পালশা থান্দারপাড়ায় অবস্থিত প্রায় ২৭০ বছরের পুরোনো এক গম্বুজবিশিষ্ট একটি মসজিদকে ঘিরে ডালপালা মেলছে নানা রহস্য। স্থানীয়দের দাবি, মুঘল আমলের এই প্রাচীন স্থাপনাটিতে প্রায়ই অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী হন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, মসজিদে আজান শুরু হলেই আশপাশে সাপের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। অবাক করার বিষয় হলো, আজান শেষ হওয়ার পরপরই সাপগুলো আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
আবার অনেক সময় গভীর রাতে বা ফজরের আগে শোনা যায় ওজুর পানির শব্দ— যেন একসঙ্গে অনেক মানুষ ওজু করছেন। তবে কাছে গিয়ে কাউকে দেখা যায় না। এ ঘটনা বহুবার প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানান মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান।
স্থানীয়দের কাছে ঘটনাগুলো দীর্ঘদিনের পরিচিত হলেও বাইরের মানুষের কাছে তা বেশ বিস্ময়ের। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এলাকাবাসীর দাবি— এ ঘটনাগুলো তারা বহু বছর ধরেই প্রত্যক্ষ করে আসছেন।
ইতিহাস অনুযায়ী, ১৭৪৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত ছোট্ট এই এক গম্বুজ মসজিদটি মুঘল আমলের স্থাপত্যশৈলী বহন করে আজও দাঁড়িয়ে আছে। সময়ের পরিক্রমায় আশপাশের পরিবেশ ও বসতবাড়িতে অনেক পরিবর্তন এলেও মসজিদটির প্রাচীন কাঠামো অনেকটাই আগের মতোই রয়েছে।
মসজিদের দীর্ঘদিনের খাদেম আনসার আলী মৃধা কালবেলাকে বলেন, বহু বছর ধরে তিনি মসজিদটির দেখভাল করছেন এবং মাঝেমধ্যেই এমন অদ্ভুত ঘটনার কথা শুনেছেন ও কিছুটা অনুভবও করেছেন।
তিনি বলেন, শুধু সাপের উপস্থিতিই নয়, মাঝে মাঝে গভীর রাতে বা ফজরের আগে মসজিদের ওজুখানার দিক থেকে পানির শব্দ শোনা যায়। মনে হয় যেন কেউ ওজু করছেন। তবে কাছে গিয়ে কাউকে দেখা যায় না।
এলাকার বাসিন্দা রুহুল কুদ্দুস মাস্টার, ইমরান ও কাবেদ আলী জানান, ছোটবেলা থেকেই তারা এই মসজিদকে ঘিরে নানা গল্প শুনে আসছেন। কেউ এটিকে অলৌকিক ঘটনা বলে মনে করেন, আবার কেউ মনে করেন এটি প্রাচীন মসজিদের রহস্যময় পরিবেশেরই অংশ।
স্থানীয়দের মতে, এই মসজিদটি শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়; বরং এটি এলাকাবাসীর বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক। একসময় ছোট্ট এই মসজিদে একসঙ্গে মাত্র সাতজন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতেন। বর্তমানে পাশেই নতুন একটি জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, তবে পুরোনো মসজিদটি এখনো ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।
এলাকার অনেক মানুষের বিশ্বাস, এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূরণ হয়। তাই স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এখানে আসেন নামাজ আদায় করতে কিংবা প্রাচীন এই স্থাপনাটি এক নজর দেখতে।
সময়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই প্রাচীন মসজিদটি আজও বহন করছে ইতিহাস, বিশ্বাস ও রহস্যের এক অনন্য মেলবন্ধন।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ঐতিহাসিক এই মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে কিছুটা জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রাচীন স্থাপনাটির মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, যথাযথ সংস্কার করা হলে এটি একদিকে যেমন ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে, তেমনি দর্শনার্থীদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার পালশা থান্দারপাড়ায় অবস্থিত প্রায় ২৭০ বছরের পুরোনো এক গম্বুজবিশিষ্ট একটি মসজিদকে ঘিরে ডালপালা মেলছে নানা রহস্য। স্থানীয়দের দাবি, মুঘল আমলের এই প্রাচীন স্থাপনাটিতে প্রায়ই অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী হন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, মসজিদে আজান শুরু হলেই আশপাশে সাপের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। অবাক করার বিষয় হলো, আজান শেষ হওয়ার পরপরই সাপগুলো আবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
আবার অনেক সময় গভীর রাতে বা ফজরের আগে শোনা যায় ওজুর পানির শব্দ— যেন একসঙ্গে অনেক মানুষ ওজু করছেন। তবে কাছে গিয়ে কাউকে দেখা যায় না। এ ঘটনা বহুবার প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানান মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিন আব্দুর রহমান।
স্থানীয়দের কাছে ঘটনাগুলো দীর্ঘদিনের পরিচিত হলেও বাইরের মানুষের কাছে তা বেশ বিস্ময়ের। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এলাকাবাসীর দাবি— এ ঘটনাগুলো তারা বহু বছর ধরেই প্রত্যক্ষ করে আসছেন।
ইতিহাস অনুযায়ী, ১৭৪৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত ছোট্ট এই এক গম্বুজ মসজিদটি মুঘল আমলের স্থাপত্যশৈলী বহন করে আজও দাঁড়িয়ে আছে। সময়ের পরিক্রমায় আশপাশের পরিবেশ ও বসতবাড়িতে অনেক পরিবর্তন এলেও মসজিদটির প্রাচীন কাঠামো অনেকটাই আগের মতোই রয়েছে।
মসজিদের দীর্ঘদিনের খাদেম আনসার আলী মৃধা কালবেলাকে বলেন, বহু বছর ধরে তিনি মসজিদটির দেখভাল করছেন এবং মাঝেমধ্যেই এমন অদ্ভুত ঘটনার কথা শুনেছেন ও কিছুটা অনুভবও করেছেন।
তিনি বলেন, শুধু সাপের উপস্থিতিই নয়, মাঝে মাঝে গভীর রাতে বা ফজরের আগে মসজিদের ওজুখানার দিক থেকে পানির শব্দ শোনা যায়। মনে হয় যেন কেউ ওজু করছেন। তবে কাছে গিয়ে কাউকে দেখা যায় না।
এলাকার বাসিন্দা রুহুল কুদ্দুস মাস্টার, ইমরান ও কাবেদ আলী জানান, ছোটবেলা থেকেই তারা এই মসজিদকে ঘিরে নানা গল্প শুনে আসছেন। কেউ এটিকে অলৌকিক ঘটনা বলে মনে করেন, আবার কেউ মনে করেন এটি প্রাচীন মসজিদের রহস্যময় পরিবেশেরই অংশ।
স্থানীয়দের মতে, এই মসজিদটি শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়; বরং এটি এলাকাবাসীর বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক। একসময় ছোট্ট এই মসজিদে একসঙ্গে মাত্র সাতজন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতেন। বর্তমানে পাশেই নতুন একটি জামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, তবে পুরোনো মসজিদটি এখনো ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে।
এলাকার অনেক মানুষের বিশ্বাস, এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূরণ হয়। তাই স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এখানে আসেন নামাজ আদায় করতে কিংবা প্রাচীন এই স্থাপনাটি এক নজর দেখতে।
সময়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই প্রাচীন মসজিদটি আজও বহন করছে ইতিহাস, বিশ্বাস ও রহস্যের এক অনন্য মেলবন্ধন।
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ঐতিহাসিক এই মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে কিছুটা জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রাচীন স্থাপনাটির মূল কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, যথাযথ সংস্কার করা হলে এটি একদিকে যেমন ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে, তেমনি দর্শনার্থীদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চালের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সংবলিত স্লোগান থাকায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণকালে বিষয়টি জানাজানি হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে চর কালকিনি ইউনিয়নের ৪ হাজার অসহায় পরিবারের জন্য মাথাপিছু ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিতরণের সময় দেখা যায়, চালের বস্তাগুলোতে লেখা রয়েছে— ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারি ত্রাণের বস্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এমন স্লোগান দেখে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা ও সুবিধাভোগীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
চালের বস্তায় এ স্লোগান থাকায় বিতরণকাজে অংশ নেওয়া সরকারি তদারকি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের।
উপজেলা খাদ্য ভাণ্ডার পরিদর্শক নিশাদ জাহান জানান, গুদাম থেকে চাল সরবরাহের সময় সাধারণত পুরোনো নাম বা স্লোগানগুলো রং দিয়ে মুছে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তিনি বলেন, বস্তাগুলো ডেলিভারি দেওয়ার সময় রং দিয়ে মুছে দেওয়া হয়। এরপরও দু-একটি বস্তায় চোখের অগোচরে পূর্বের নাম থেকে যেতে পারে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।
কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ-জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, এমন হওয়ার কথা নয়। খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ও ওসিএলএসডির সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বিতর্ক এড়াতে বর্তমানে বিতরণ কেন্দ্রে থাকা বাকি বস্তাগুলোর লেখা মুছে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কাজে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল যাতে এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি না ছড়ায়।