
০৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৩৯
গত ১৩ দিনেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় ১৪৫ টন ইলিশ গিয়েছে বাংলাদশ থেকে। পশ্চিমবঙ্গের মাছ আমদানিকারকেরা এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ভারতে বাংলাদেশের ইলিশ রপ্তানি এ বছরই সবচেয়ে কম হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিলেও গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেনাপোল ও আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে ১৪৪ টন ৪৮৯ কেজি ইলিশ এসেছে।
এর মধ্যে ত্রিপুরায় মাত্র ৩৯ টন ২৭৫ কেজি ইলিশ আর বেনাপোল দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছে ১০৫ টন ২১৪ কেজি। ৫ অক্টোবরের মধ্যে এই রপ্তানির কাজ শেষ করার কথা বলা হলেও ৪ অক্টোবর রাত থেকে রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। শারদীয় দুর্গোৎসবের জন্য পাঁচ দিন সব বন্দর দিয়ে আমদানি–রপ্তানি বন্ধ ছিল। ফলে ইলিশ আমদানিতে ১৩ দিন সময় পায় ভারত।
পশ্চিমবঙ্গের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ক্রেতাদের চাহিদা থাকলেও ন্যায্য মূল্যে ইলিশ দেওয়া স্মভব হয়নি। ইলিশ আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে ২৪০০ থেকে ২৫০০ রুপি দরে ইলিশ বিক্রিতে হিমশিম খেতে হয়েছে মাছ ব্যবসায়ীদের। বাংলাদেশেও বাজারেও এবার দাম অনেক বেশি। ফলে রপ্তানিকারকেরাও বেশি দামে মাছ রপ্তানি করতে আগ্রহী হননি।
বাংলাদেশ সরকার ৩৭টি সংস্থাকে সাড়ে ১২ ডলার মূল্যে ৫ অক্টোবরের মধ্যে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল। সে অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর ৩৭ টন ৪৬০ কেজির ইলিশের প্রথম চালানটি ভারতে আসে।
এরপর পর্যায়ক্রমে মোট সাতবারে ইলিশ এসেছে। সর্বশেষ ২৯ সেপ্টেম্বর ইলিশ এসেছে মাত্র ৪ টন ৫২০ কেজি। ২৪ সেপ্টেম্বর ইলিশ এসেছে মাত্র ১ টন ৭২০ কেজি। এই সময়ের মধ্যে ত্রিপুরায় আটবারে মোট ইলিশ এসেছে ৩৯ টন ২৭৫ কেজি।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জুলাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম যে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু এবার অতীতের চেয়ে আরও কম সময় দেওয়া হয়েছিল।
এর মধ্যে দুর্গাপূজা শুরু হওয়ায় আমদানি–রপ্তানি পাঁচ দিন বন্ধ ছিল। তবে এবারের মতো এত কম পরিমাণ ইলিশ অতীতে কখনো আসেনি। গত বছর বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সত্ত্বেও ৫৭৭ টন ইলিশ আমদানি হয়েছিল।’
পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কাছে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও গত পাঁচ বছরে ভারতে ইলিশ কম রপ্তানি হচ্ছে। গত বছর বাংলাদেশ সরকার ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির জন্য বরাদ্দ করলেও সময়ের অভাবে মাত্র ৫৭৭ মেট্রিক টন আমদানি করা সম্ভব হয়।
গত ১৩ দিনেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় ১৪৫ টন ইলিশ গিয়েছে বাংলাদশ থেকে। পশ্চিমবঙ্গের মাছ আমদানিকারকেরা এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ভারতে বাংলাদেশের ইলিশ রপ্তানি এ বছরই সবচেয়ে কম হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিলেও গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেনাপোল ও আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে ১৪৪ টন ৪৮৯ কেজি ইলিশ এসেছে।
এর মধ্যে ত্রিপুরায় মাত্র ৩৯ টন ২৭৫ কেজি ইলিশ আর বেনাপোল দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছে ১০৫ টন ২১৪ কেজি। ৫ অক্টোবরের মধ্যে এই রপ্তানির কাজ শেষ করার কথা বলা হলেও ৪ অক্টোবর রাত থেকে রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। শারদীয় দুর্গোৎসবের জন্য পাঁচ দিন সব বন্দর দিয়ে আমদানি–রপ্তানি বন্ধ ছিল। ফলে ইলিশ আমদানিতে ১৩ দিন সময় পায় ভারত।
পশ্চিমবঙ্গের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ক্রেতাদের চাহিদা থাকলেও ন্যায্য মূল্যে ইলিশ দেওয়া স্মভব হয়নি। ইলিশ আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে ২৪০০ থেকে ২৫০০ রুপি দরে ইলিশ বিক্রিতে হিমশিম খেতে হয়েছে মাছ ব্যবসায়ীদের। বাংলাদেশেও বাজারেও এবার দাম অনেক বেশি। ফলে রপ্তানিকারকেরাও বেশি দামে মাছ রপ্তানি করতে আগ্রহী হননি।
বাংলাদেশ সরকার ৩৭টি সংস্থাকে সাড়ে ১২ ডলার মূল্যে ৫ অক্টোবরের মধ্যে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল। সে অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর ৩৭ টন ৪৬০ কেজির ইলিশের প্রথম চালানটি ভারতে আসে।
এরপর পর্যায়ক্রমে মোট সাতবারে ইলিশ এসেছে। সর্বশেষ ২৯ সেপ্টেম্বর ইলিশ এসেছে মাত্র ৪ টন ৫২০ কেজি। ২৪ সেপ্টেম্বর ইলিশ এসেছে মাত্র ১ টন ৭২০ কেজি। এই সময়ের মধ্যে ত্রিপুরায় আটবারে মোট ইলিশ এসেছে ৩৯ টন ২৭৫ কেজি।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জুলাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম যে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু এবার অতীতের চেয়ে আরও কম সময় দেওয়া হয়েছিল।
এর মধ্যে দুর্গাপূজা শুরু হওয়ায় আমদানি–রপ্তানি পাঁচ দিন বন্ধ ছিল। তবে এবারের মতো এত কম পরিমাণ ইলিশ অতীতে কখনো আসেনি। গত বছর বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সত্ত্বেও ৫৭৭ টন ইলিশ আমদানি হয়েছিল।’
পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কাছে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও গত পাঁচ বছরে ভারতে ইলিশ কম রপ্তানি হচ্ছে। গত বছর বাংলাদেশ সরকার ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির জন্য বরাদ্দ করলেও সময়ের অভাবে মাত্র ৫৭৭ মেট্রিক টন আমদানি করা সম্ভব হয়।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১
সদ্য স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তান হারানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভুইয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ আসামি সাদ্দামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।
তিনি বলেন, মানবিক বিবেচনায় আদালত সাদ্দামকে জামিন দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা ছিল, এর আগে ছয়টিতে তিনি জামিন পেয়েছিলেন। আজ সর্বশেষ মামলায় তিনি জামিন পেলেন।
গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) ও তার ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনরা জানান, শিশুসন্তানকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী।
স্বজনরা আরও জানান, স্বর্ণালী তার স্বামীকে খুব ভালোবাসতেন। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্বামীর মুক্তির জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশার কারণে স্বর্ণালী প্রথমে তার ৯ মাসের শিশুকে বালতিতে থাকা পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন। পরে নিজেও গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
তবে স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পরও কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি সাদ্দামের। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবিদায় জানান তিনি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে বাগেরহাট থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হলে শোকার্ত হৃদয়ে তিনি চিরবিদায় জানান।
কারাগারের ভেতরে মরদেহ দুটি নেওয়া হলে সাদ্দামকে তার স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি স্ত্রীকে ছুঁয়ে দেখেন এবং জীবনে প্রথমবার নিজের শিশুসন্তানকে কোলে নেন। তবে তখন শিশুটি মৃত ছিল। এ সময় সেখানে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি এই কারাগারে রয়েছেন।
সদ্য স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তান হারানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভুইয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ আসামি সাদ্দামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।
তিনি বলেন, মানবিক বিবেচনায় আদালত সাদ্দামকে জামিন দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা ছিল, এর আগে ছয়টিতে তিনি জামিন পেয়েছিলেন। আজ সর্বশেষ মামলায় তিনি জামিন পেলেন।
গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) ও তার ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনরা জানান, শিশুসন্তানকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী।
স্বজনরা আরও জানান, স্বর্ণালী তার স্বামীকে খুব ভালোবাসতেন। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্বামীর মুক্তির জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশার কারণে স্বর্ণালী প্রথমে তার ৯ মাসের শিশুকে বালতিতে থাকা পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন। পরে নিজেও গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
তবে স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পরও কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি সাদ্দামের। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবিদায় জানান তিনি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে বাগেরহাট থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হলে শোকার্ত হৃদয়ে তিনি চিরবিদায় জানান।
কারাগারের ভেতরে মরদেহ দুটি নেওয়া হলে সাদ্দামকে তার স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি স্ত্রীকে ছুঁয়ে দেখেন এবং জীবনে প্রথমবার নিজের শিশুসন্তানকে কোলে নেন। তবে তখন শিশুটি মৃত ছিল। এ সময় সেখানে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি এই কারাগারে রয়েছেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৭
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.