
১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৩০
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে আবারও গাছ ফেলে অবরোধ করেছে দুর্বৃত্তরা।মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) ভোর ৫টার দিকে জেলার রাজৈর উপজেলার কামালদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
এর আগে, মহাসড়কের গোপালপুর ও মেলকাইসহ প্রায় ৮টি স্থানে ১২টি মোটা গাছ ফেলে অবরোধ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের আমগ্রাম ব্রিজ ও কামালদি ব্রিজের মাঝামাঝি একটি স্থানে গাছ কেটে ফেলে রাখে দুর্বৃত্তরা। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় তারা। এ সময় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ যাত্রী ও চালকদের।
পরে রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেওয়া হয়। রাজৈর থানা ও মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে গাছ সরিয়ে সকাল ৭টার দিকে যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক করে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে এ ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টেকেরহাট পোর্ট স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার মো. ইসমাইল হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা খবর পেয়ে ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করি। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সকাল ৭টার দিকে সড়কের ওপর থেকে গাছটি সরাতে সক্ষম হই। গাছটি মহাসড়কের পাশ থেকে কেটে সড়কের ওপরে ফেলা হয়েছে।
মাদারীপুরের মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভোরের দিকে মহাসড়কে গাছ ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের ডাকা লকডাউন বাস্তবায়নে গত রোববার (১৬ নভেম্বর) ভোরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গাব্রিজ থেকে ভূরঘাটার মাঝামাঝি ৮টি স্থানে ১২টি গাছ ফেলে অবরোধ করা হয়। এ সময় মহাসড়কে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন দলটির নেতাকর্মীরা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশও করেন তারা।
এতে প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর কালকিনি থানা, ডাসার থানা ও মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে আবারও গাছ ফেলে অবরোধ করেছে দুর্বৃত্তরা।মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) ভোর ৫টার দিকে জেলার রাজৈর উপজেলার কামালদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
এর আগে, মহাসড়কের গোপালপুর ও মেলকাইসহ প্রায় ৮টি স্থানে ১২টি মোটা গাছ ফেলে অবরোধ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের আমগ্রাম ব্রিজ ও কামালদি ব্রিজের মাঝামাঝি একটি স্থানে গাছ কেটে ফেলে রাখে দুর্বৃত্তরা। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় তারা। এ সময় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ যাত্রী ও চালকদের।
পরে রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেওয়া হয়। রাজৈর থানা ও মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে গাছ সরিয়ে সকাল ৭টার দিকে যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক করে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে এ ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টেকেরহাট পোর্ট স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার মো. ইসমাইল হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা খবর পেয়ে ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করি। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সকাল ৭টার দিকে সড়কের ওপর থেকে গাছটি সরাতে সক্ষম হই। গাছটি মহাসড়কের পাশ থেকে কেটে সড়কের ওপরে ফেলা হয়েছে।
মাদারীপুরের মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভোরের দিকে মহাসড়কে গাছ ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের ডাকা লকডাউন বাস্তবায়নে গত রোববার (১৬ নভেম্বর) ভোরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গাব্রিজ থেকে ভূরঘাটার মাঝামাঝি ৮টি স্থানে ১২টি গাছ ফেলে অবরোধ করা হয়। এ সময় মহাসড়কে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন দলটির নেতাকর্মীরা। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশও করেন তারা।
এতে প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর কালকিনি থানা, ডাসার থানা ও মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১
সদ্য স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তান হারানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভুইয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ আসামি সাদ্দামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।
তিনি বলেন, মানবিক বিবেচনায় আদালত সাদ্দামকে জামিন দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা ছিল, এর আগে ছয়টিতে তিনি জামিন পেয়েছিলেন। আজ সর্বশেষ মামলায় তিনি জামিন পেলেন।
গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) ও তার ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনরা জানান, শিশুসন্তানকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী।
স্বজনরা আরও জানান, স্বর্ণালী তার স্বামীকে খুব ভালোবাসতেন। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্বামীর মুক্তির জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশার কারণে স্বর্ণালী প্রথমে তার ৯ মাসের শিশুকে বালতিতে থাকা পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন। পরে নিজেও গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
তবে স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পরও কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি সাদ্দামের। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবিদায় জানান তিনি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে বাগেরহাট থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হলে শোকার্ত হৃদয়ে তিনি চিরবিদায় জানান।
কারাগারের ভেতরে মরদেহ দুটি নেওয়া হলে সাদ্দামকে তার স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি স্ত্রীকে ছুঁয়ে দেখেন এবং জীবনে প্রথমবার নিজের শিশুসন্তানকে কোলে নেন। তবে তখন শিশুটি মৃত ছিল। এ সময় সেখানে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি এই কারাগারে রয়েছেন।
সদ্য স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তান হারানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভুইয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ আসামি সাদ্দামের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।
তিনি বলেন, মানবিক বিবেচনায় আদালত সাদ্দামকে জামিন দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা ছিল, এর আগে ছয়টিতে তিনি জামিন পেয়েছিলেন। আজ সর্বশেষ মামলায় তিনি জামিন পেলেন।
গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) ও তার ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনরা জানান, শিশুসন্তানকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী।
স্বজনরা আরও জানান, স্বর্ণালী তার স্বামীকে খুব ভালোবাসতেন। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্বামীর মুক্তির জন্য অনেক চেষ্টা করেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। হতাশার কারণে স্বর্ণালী প্রথমে তার ৯ মাসের শিশুকে বালতিতে থাকা পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন। পরে নিজেও গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
তবে স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর পরও কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি সাদ্দামের। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবিদায় জানান তিনি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে বাগেরহাট থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হলে শোকার্ত হৃদয়ে তিনি চিরবিদায় জানান।
কারাগারের ভেতরে মরদেহ দুটি নেওয়া হলে সাদ্দামকে তার স্ত্রী ও সন্তানকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি স্ত্রীকে ছুঁয়ে দেখেন এবং জীবনে প্রথমবার নিজের শিশুসন্তানকে কোলে নেন। তবে তখন শিশুটি মৃত ছিল। এ সময় সেখানে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। এরপর থেকেই তিনি এই কারাগারে রয়েছেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গে ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য।
গতকাল রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি- বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়স্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকতা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন বৃহস্পতিবার হওয়ায় এর পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে শিল্পাঞ্চলে টানা পাঁচ দিন এবং অন্যদের জন্য চার দিন ছুটি থাকবে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৭
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য নেই মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ঐক্য না থাকার কারণেই নানা পক্ষ সুযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করে থাকে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কাছে সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১