
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অস্বাভাবিকভাবে ভেসে আসছে হাজার হাজার মৃত জেলিফিশ। গত কয়েকদিন ধরে সৈকতের লেম্বুরবন, মাঝিবাড়ি, গঙ্গামতি ও ঝাউ বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব স্বচ্ছ মৃত জেলিফিশ বালিয়াড়িতে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।
কখনো জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, আবার কখনো বালিতে আটকে নিথর হয়ে পড়ছে এগুলো। এদিকে সৈকতের চেয়েও গভীর সমুদ্রের অবস্থা আরও ভয়াবহ বলে জানা গেছে।
জেলেদের ভাষ্য, মাছ ধরার জালে হাজার হাজার জেলিফিশ আটকে পড়ায় জাল নষ্ট হচ্ছে ও মাছ ধরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন অনেক জেলে। এতে দিন কাটছে চরম লোকসান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।
হোসেন পাড়ার জেলে মো. মাহাতাব আঁকন বলেন, প্রতিদিন সাগরে গেলে জালে মাছের চেয়ে জেলিফিশই বেশি উঠছে। জাল পরিষ্কার করতেই সময় চলে যায়, মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। সংসার চালানো নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
ঝাউবন এলাকার জেলে মো. শামিম হোসেন জানান, প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে কিছু জেলিফিশ আসে, কিন্তু এবার দুই সপ্তাহ আগেই সাগর ভরে গেছে। এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। এখন সাগরে গেলে শুধু ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জেলিফিশের দেখা মিললেও এ বছর আগেভাগেই এর ব্যাপকতা বেড়েছে। এতে উপকূলের কয়েক হাজার জেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গবেষকদের মতে, জেলিফিশ সমুদ্রের একটি প্রাকৃতিক প্রাণী ও সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলিফিশ মূলত অতিক্ষুদ্র প্ল্যাংকটন খেয়ে বেঁচে থাকে ও নিজে আবার কচ্ছপ, কিছু মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান খাবারের একটি হলো জেলিফিশ।
তবে সাগরে কচ্ছপসহ জেলিফিশভোজী প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অক্সিজেনের ঘাটতি ও দূষণ জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে সহায়তা করছে। গবেষকরা বলছেন, জেলিফিশের আধিক্য অনেক সময় সমুদ্রের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।
বিষয়টি নজরে এসেছে সমুদ্র অর্থনীতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোফিশের। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী গবেষক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, তারা মৃত জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করেছেন ও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, জেলিফিশের আক্রমণের পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বৈরী আবহাওয়া এবং বছরে দুই দফা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলীয় জেলেরা এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এর ফলে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান এই কঠিন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় জেলেরা সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানোর জোর দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি বারবার অনুরোধ জানিয়ে আসছি গবেষকদের সম্পৃক্ত করে জেলিফিশসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে গভীর গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে জেলেদের কীভাবে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স, মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার বলেন, জেলিফিশ কচ্ছপের প্রধান খাদ্য। কিন্তু সাগরে কচ্ছপের সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বিস্তার স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের গভীরে অক্সিজেনের ঘাটতি ও পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধিও জেলিফিশ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সাগরের স্রোতের গতিপথে পরিবর্তন আসে। এসময় প্রজননের জন্য উপযোগী লবণাক্ততা ও পর্যাপ্ত আলোর সন্ধানে জেলিফিশ উপকূলের দিকে চলে আসে, ফলে জেলেদের জালে ব্যাপকভাবে জেলিফিশ আটকে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতি বছর পরিকল্পিতভাবে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সামুদ্রিক কচ্ছপ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করে, তাহলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র পুনরুদ্ধার হবে ও দীর্ঘমেয়াদে জেলিফিশের আধিক্য কমিয়ে জেলেদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, প্রতিবছরই নির্দিষ্ট সময়ে জেলিফিশ তীরে আসে। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এই সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে কমে যায়।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অস্বাভাবিকভাবে ভেসে আসছে হাজার হাজার মৃত জেলিফিশ। গত কয়েকদিন ধরে সৈকতের লেম্বুরবন, মাঝিবাড়ি, গঙ্গামতি ও ঝাউ বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব স্বচ্ছ মৃত জেলিফিশ বালিয়াড়িতে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।
কখনো জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, আবার কখনো বালিতে আটকে নিথর হয়ে পড়ছে এগুলো। এদিকে সৈকতের চেয়েও গভীর সমুদ্রের অবস্থা আরও ভয়াবহ বলে জানা গেছে।
জেলেদের ভাষ্য, মাছ ধরার জালে হাজার হাজার জেলিফিশ আটকে পড়ায় জাল নষ্ট হচ্ছে ও মাছ ধরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন অনেক জেলে। এতে দিন কাটছে চরম লোকসান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।
হোসেন পাড়ার জেলে মো. মাহাতাব আঁকন বলেন, প্রতিদিন সাগরে গেলে জালে মাছের চেয়ে জেলিফিশই বেশি উঠছে। জাল পরিষ্কার করতেই সময় চলে যায়, মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। সংসার চালানো নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
ঝাউবন এলাকার জেলে মো. শামিম হোসেন জানান, প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে কিছু জেলিফিশ আসে, কিন্তু এবার দুই সপ্তাহ আগেই সাগর ভরে গেছে। এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। এখন সাগরে গেলে শুধু ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জেলিফিশের দেখা মিললেও এ বছর আগেভাগেই এর ব্যাপকতা বেড়েছে। এতে উপকূলের কয়েক হাজার জেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গবেষকদের মতে, জেলিফিশ সমুদ্রের একটি প্রাকৃতিক প্রাণী ও সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলিফিশ মূলত অতিক্ষুদ্র প্ল্যাংকটন খেয়ে বেঁচে থাকে ও নিজে আবার কচ্ছপ, কিছু মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান খাবারের একটি হলো জেলিফিশ।
তবে সাগরে কচ্ছপসহ জেলিফিশভোজী প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অক্সিজেনের ঘাটতি ও দূষণ জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে সহায়তা করছে। গবেষকরা বলছেন, জেলিফিশের আধিক্য অনেক সময় সমুদ্রের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।
বিষয়টি নজরে এসেছে সমুদ্র অর্থনীতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোফিশের। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী গবেষক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, তারা মৃত জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করেছেন ও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, জেলিফিশের আক্রমণের পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বৈরী আবহাওয়া এবং বছরে দুই দফা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলীয় জেলেরা এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এর ফলে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান এই কঠিন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় জেলেরা সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানোর জোর দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি বারবার অনুরোধ জানিয়ে আসছি গবেষকদের সম্পৃক্ত করে জেলিফিশসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে গভীর গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে জেলেদের কীভাবে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স, মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার বলেন, জেলিফিশ কচ্ছপের প্রধান খাদ্য। কিন্তু সাগরে কচ্ছপের সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বিস্তার স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের গভীরে অক্সিজেনের ঘাটতি ও পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধিও জেলিফিশ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সাগরের স্রোতের গতিপথে পরিবর্তন আসে। এসময় প্রজননের জন্য উপযোগী লবণাক্ততা ও পর্যাপ্ত আলোর সন্ধানে জেলিফিশ উপকূলের দিকে চলে আসে, ফলে জেলেদের জালে ব্যাপকভাবে জেলিফিশ আটকে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতি বছর পরিকল্পিতভাবে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সামুদ্রিক কচ্ছপ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করে, তাহলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র পুনরুদ্ধার হবে ও দীর্ঘমেয়াদে জেলিফিশের আধিক্য কমিয়ে জেলেদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, প্রতিবছরই নির্দিষ্ট সময়ে জেলিফিশ তীরে আসে। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এই সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে কমে যায়।

১১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৪
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় লিপি আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে হাত–পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী শাহ জামাল (৩৫) এবং শ্বশুর মোসলেম মৃধাকে (৭০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই নারীর করা মামলায় পরে স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীকে নির্যাতনের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
২ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, টমটমের ওপর এক নারীর হাত বেঁধে তাঁকে মারধর করা হচ্ছে। মারধরের শিকার ওই নারী চিৎকার করে সাহায্য চাইছেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি টমটম থামিয়ে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে নির্যাতনে যুক্ত দুই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত দুজনকে আটক করেন এবং দশমিনা থানা-পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভুক্তভোগী লিপি আক্তারকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল মৃধা (৬৫) আহত হন। অভিযোগ আছে, এ সময় লিপি আক্তারের শ্বশুর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে হেলাল মৃধার মাথায় আঘাত করেন। এতে হেলালের মাথা ফেটে যায় এবং তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত অবস্থায় হেলাল মৃধা বলেন, ওই নারীর চিৎকার শুনে তিনি এবং আরও কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে টমটমটি থামান। তখন টমটমে থাকা শাহ জামাল ও তাঁর বাবা মোসলেম মৃধা তাঁদের ওপর চড়াও হন এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের আটক করে পুলিশে খবর দেন।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন লিপি আক্তার বলেন, তাঁর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে আছে। তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। এর পর থেকে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। স্বামী শাহ জামাল ও শ্বশুর মোসলেম মৃধা প্রায়ই তাঁর ওপর নির্যাতন চালাতেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিসবৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
লিপি আক্তারের ভাষ্য, গতকাল সকালে মারধরের একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জ্ঞান ফিরলে দেখেন, তাঁর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় টমটমে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে স্বামী শাহ জামাল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে প্রথম স্ত্রী লিপি আক্তারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকালও তাঁকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে স্বামী ও শ্বশুর কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।’
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় লিপি আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে হাত–পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী শাহ জামাল (৩৫) এবং শ্বশুর মোসলেম মৃধাকে (৭০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই নারীর করা মামলায় পরে স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীকে নির্যাতনের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
২ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, টমটমের ওপর এক নারীর হাত বেঁধে তাঁকে মারধর করা হচ্ছে। মারধরের শিকার ওই নারী চিৎকার করে সাহায্য চাইছেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি টমটম থামিয়ে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে নির্যাতনে যুক্ত দুই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত দুজনকে আটক করেন এবং দশমিনা থানা-পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভুক্তভোগী লিপি আক্তারকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল মৃধা (৬৫) আহত হন। অভিযোগ আছে, এ সময় লিপি আক্তারের শ্বশুর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে হেলাল মৃধার মাথায় আঘাত করেন। এতে হেলালের মাথা ফেটে যায় এবং তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত অবস্থায় হেলাল মৃধা বলেন, ওই নারীর চিৎকার শুনে তিনি এবং আরও কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে টমটমটি থামান। তখন টমটমে থাকা শাহ জামাল ও তাঁর বাবা মোসলেম মৃধা তাঁদের ওপর চড়াও হন এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের আটক করে পুলিশে খবর দেন।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন লিপি আক্তার বলেন, তাঁর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে আছে। তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। এর পর থেকে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। স্বামী শাহ জামাল ও শ্বশুর মোসলেম মৃধা প্রায়ই তাঁর ওপর নির্যাতন চালাতেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিসবৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
লিপি আক্তারের ভাষ্য, গতকাল সকালে মারধরের একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জ্ঞান ফিরলে দেখেন, তাঁর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় টমটমে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে স্বামী শাহ জামাল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে প্রথম স্ত্রী লিপি আক্তারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকালও তাঁকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে স্বামী ও শ্বশুর কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।’

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:১০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:০৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.