
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অস্বাভাবিকভাবে ভেসে আসছে হাজার হাজার মৃত জেলিফিশ। গত কয়েকদিন ধরে সৈকতের লেম্বুরবন, মাঝিবাড়ি, গঙ্গামতি ও ঝাউ বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব স্বচ্ছ মৃত জেলিফিশ বালিয়াড়িতে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।
কখনো জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, আবার কখনো বালিতে আটকে নিথর হয়ে পড়ছে এগুলো। এদিকে সৈকতের চেয়েও গভীর সমুদ্রের অবস্থা আরও ভয়াবহ বলে জানা গেছে।
জেলেদের ভাষ্য, মাছ ধরার জালে হাজার হাজার জেলিফিশ আটকে পড়ায় জাল নষ্ট হচ্ছে ও মাছ ধরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন অনেক জেলে। এতে দিন কাটছে চরম লোকসান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।
হোসেন পাড়ার জেলে মো. মাহাতাব আঁকন বলেন, প্রতিদিন সাগরে গেলে জালে মাছের চেয়ে জেলিফিশই বেশি উঠছে। জাল পরিষ্কার করতেই সময় চলে যায়, মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। সংসার চালানো নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
ঝাউবন এলাকার জেলে মো. শামিম হোসেন জানান, প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে কিছু জেলিফিশ আসে, কিন্তু এবার দুই সপ্তাহ আগেই সাগর ভরে গেছে। এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। এখন সাগরে গেলে শুধু ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জেলিফিশের দেখা মিললেও এ বছর আগেভাগেই এর ব্যাপকতা বেড়েছে। এতে উপকূলের কয়েক হাজার জেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গবেষকদের মতে, জেলিফিশ সমুদ্রের একটি প্রাকৃতিক প্রাণী ও সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলিফিশ মূলত অতিক্ষুদ্র প্ল্যাংকটন খেয়ে বেঁচে থাকে ও নিজে আবার কচ্ছপ, কিছু মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান খাবারের একটি হলো জেলিফিশ।
তবে সাগরে কচ্ছপসহ জেলিফিশভোজী প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অক্সিজেনের ঘাটতি ও দূষণ জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে সহায়তা করছে। গবেষকরা বলছেন, জেলিফিশের আধিক্য অনেক সময় সমুদ্রের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।
বিষয়টি নজরে এসেছে সমুদ্র অর্থনীতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোফিশের। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী গবেষক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, তারা মৃত জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করেছেন ও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, জেলিফিশের আক্রমণের পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বৈরী আবহাওয়া এবং বছরে দুই দফা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলীয় জেলেরা এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এর ফলে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান এই কঠিন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় জেলেরা সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানোর জোর দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি বারবার অনুরোধ জানিয়ে আসছি গবেষকদের সম্পৃক্ত করে জেলিফিশসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে গভীর গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে জেলেদের কীভাবে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স, মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার বলেন, জেলিফিশ কচ্ছপের প্রধান খাদ্য। কিন্তু সাগরে কচ্ছপের সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বিস্তার স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের গভীরে অক্সিজেনের ঘাটতি ও পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধিও জেলিফিশ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সাগরের স্রোতের গতিপথে পরিবর্তন আসে। এসময় প্রজননের জন্য উপযোগী লবণাক্ততা ও পর্যাপ্ত আলোর সন্ধানে জেলিফিশ উপকূলের দিকে চলে আসে, ফলে জেলেদের জালে ব্যাপকভাবে জেলিফিশ আটকে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতি বছর পরিকল্পিতভাবে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সামুদ্রিক কচ্ছপ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করে, তাহলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র পুনরুদ্ধার হবে ও দীর্ঘমেয়াদে জেলিফিশের আধিক্য কমিয়ে জেলেদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, প্রতিবছরই নির্দিষ্ট সময়ে জেলিফিশ তীরে আসে। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এই সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে কমে যায়।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অস্বাভাবিকভাবে ভেসে আসছে হাজার হাজার মৃত জেলিফিশ। গত কয়েকদিন ধরে সৈকতের লেম্বুরবন, মাঝিবাড়ি, গঙ্গামতি ও ঝাউ বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব স্বচ্ছ মৃত জেলিফিশ বালিয়াড়িতে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।
কখনো জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, আবার কখনো বালিতে আটকে নিথর হয়ে পড়ছে এগুলো। এদিকে সৈকতের চেয়েও গভীর সমুদ্রের অবস্থা আরও ভয়াবহ বলে জানা গেছে।
জেলেদের ভাষ্য, মাছ ধরার জালে হাজার হাজার জেলিফিশ আটকে পড়ায় জাল নষ্ট হচ্ছে ও মাছ ধরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন অনেক জেলে। এতে দিন কাটছে চরম লোকসান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।
হোসেন পাড়ার জেলে মো. মাহাতাব আঁকন বলেন, প্রতিদিন সাগরে গেলে জালে মাছের চেয়ে জেলিফিশই বেশি উঠছে। জাল পরিষ্কার করতেই সময় চলে যায়, মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। সংসার চালানো নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
ঝাউবন এলাকার জেলে মো. শামিম হোসেন জানান, প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে কিছু জেলিফিশ আসে, কিন্তু এবার দুই সপ্তাহ আগেই সাগর ভরে গেছে। এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। এখন সাগরে গেলে শুধু ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জেলিফিশের দেখা মিললেও এ বছর আগেভাগেই এর ব্যাপকতা বেড়েছে। এতে উপকূলের কয়েক হাজার জেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গবেষকদের মতে, জেলিফিশ সমুদ্রের একটি প্রাকৃতিক প্রাণী ও সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলিফিশ মূলত অতিক্ষুদ্র প্ল্যাংকটন খেয়ে বেঁচে থাকে ও নিজে আবার কচ্ছপ, কিছু মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান খাবারের একটি হলো জেলিফিশ।
তবে সাগরে কচ্ছপসহ জেলিফিশভোজী প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অক্সিজেনের ঘাটতি ও দূষণ জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে সহায়তা করছে। গবেষকরা বলছেন, জেলিফিশের আধিক্য অনেক সময় সমুদ্রের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।
বিষয়টি নজরে এসেছে সমুদ্র অর্থনীতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোফিশের। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী গবেষক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, তারা মৃত জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করেছেন ও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, জেলিফিশের আক্রমণের পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বৈরী আবহাওয়া এবং বছরে দুই দফা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলীয় জেলেরা এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এর ফলে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান এই কঠিন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় জেলেরা সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানোর জোর দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি বারবার অনুরোধ জানিয়ে আসছি গবেষকদের সম্পৃক্ত করে জেলিফিশসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে গভীর গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে জেলেদের কীভাবে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স, মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার বলেন, জেলিফিশ কচ্ছপের প্রধান খাদ্য। কিন্তু সাগরে কচ্ছপের সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বিস্তার স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের গভীরে অক্সিজেনের ঘাটতি ও পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধিও জেলিফিশ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সাগরের স্রোতের গতিপথে পরিবর্তন আসে। এসময় প্রজননের জন্য উপযোগী লবণাক্ততা ও পর্যাপ্ত আলোর সন্ধানে জেলিফিশ উপকূলের দিকে চলে আসে, ফলে জেলেদের জালে ব্যাপকভাবে জেলিফিশ আটকে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতি বছর পরিকল্পিতভাবে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সামুদ্রিক কচ্ছপ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করে, তাহলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র পুনরুদ্ধার হবে ও দীর্ঘমেয়াদে জেলিফিশের আধিক্য কমিয়ে জেলেদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, প্রতিবছরই নির্দিষ্ট সময়ে জেলিফিশ তীরে আসে। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এই সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে কমে যায়।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৮
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট- ফেজ ২’ চলাকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাবুল মল্লিককে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুবিদখালী বন্দর বাজার মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ার হোসেন বাবুল মল্লিক উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামের মৃত আজাহার আলী মল্লিকের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ ফারুক হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃত বাবুল মল্লিকের বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুতর মামলা রয়েছে। তিনি ২০২৩ সালের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়িবহরে হামলার মামলার এজাহারভুক্ত এবং ২০২৪ সালের দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস ছালাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,"অপারেশন ডেভিল হান্ট- ফেজ ২ এর আওতায় দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।"
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট- ফেজ ২’ চলাকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাবুল মল্লিককে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুবিদখালী বন্দর বাজার মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ার হোসেন বাবুল মল্লিক উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামের মৃত আজাহার আলী মল্লিকের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ ফারুক হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃত বাবুল মল্লিকের বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুতর মামলা রয়েছে। তিনি ২০২৩ সালের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়িবহরে হামলার মামলার এজাহারভুক্ত এবং ২০২৪ সালের দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস ছালাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,"অপারেশন ডেভিল হান্ট- ফেজ ২ এর আওতায় দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।"

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৩
“চলো একসাথে বাংলাদেশ গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা গাড়ির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বাউফল পৌরশহরের কাগুজিরপুল বাজার এলাকা থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে গাড়িটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। উদ্বোধনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, বাকশালি ৭২ সালের সংবিধান পরিবর্তন এবং ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কারের জন্য দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে সংস্কার প্রস্তাব দিয়ে গণভোটে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এই গণভোট শুধু একটি ভোট নয় এটি বাংলাদেশের পরিবর্তনের ভোট, আজাদির ভোট এবং দীর্ঘদিনের গোলামির শৃঙ্খল ভাঙার ভোট। তিনি আরও বলেন, অতীতে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দেশকে করতরাজ্য ও পরাধীনতার জিঞ্জিরে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল।
এই গণভোট সেই শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ও পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির জহির উদ্দিন বাবর, পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারী, সহকারী সেক্রেটারি এবিএম সাইফুল্লাহ, বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইসাহাক, নায়েবে আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং নির্বাচন পরিচালক আতিকুর রহমান নজরুল সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বর্ণাঢ্য সাজে সজ্জিত প্রচারণা গাড়িটি বাউফল উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরশহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনসচেতনতা ও প্রচারণা চালাবে বলে আয়োজকরা জানান।
“চলো একসাথে বাংলাদেশ গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা গাড়ির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বাউফল পৌরশহরের কাগুজিরপুল বাজার এলাকা থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে গাড়িটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। উদ্বোধনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, বাকশালি ৭২ সালের সংবিধান পরিবর্তন এবং ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কারের জন্য দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে সংস্কার প্রস্তাব দিয়ে গণভোটে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এই গণভোট শুধু একটি ভোট নয় এটি বাংলাদেশের পরিবর্তনের ভোট, আজাদির ভোট এবং দীর্ঘদিনের গোলামির শৃঙ্খল ভাঙার ভোট। তিনি আরও বলেন, অতীতে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দেশকে করতরাজ্য ও পরাধীনতার জিঞ্জিরে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল।
এই গণভোট সেই শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ও পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির জহির উদ্দিন বাবর, পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারী, সহকারী সেক্রেটারি এবিএম সাইফুল্লাহ, বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইসাহাক, নায়েবে আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং নির্বাচন পরিচালক আতিকুর রহমান নজরুল সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বর্ণাঢ্য সাজে সজ্জিত প্রচারণা গাড়িটি বাউফল উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরশহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনসচেতনতা ও প্রচারণা চালাবে বলে আয়োজকরা জানান।

০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৮
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে নুরুল হক নুরের ট্রাক প্রতীকের সমর্থকদের একটি মিছিল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের আরেকটি মিছিল মুখোমুখি হয়। মিছিল দুটি অতিক্রম করার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে মারুফ, অজিত, ওয়াজিব, অলিউল ইসলাম টিটু, বায়েজিদসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে হাসান মামুনের ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক মারুফ গাজী (২৪), ওয়াজিব হাওলাদার (২৪) ও জায়েদকে (২২) গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে নুরুল হক নুরের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আবু নাঈম বলেন, ডাকুয়ায় আমাদের তিনজন লোককে তারা মিছিলে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। এ নিয়ে সংঘর্ষের শুরু হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টার দিকে গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে নুরুল হক নুরের ট্রাক প্রতীকের সমর্থকদের একটি মিছিল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের আরেকটি মিছিল মুখোমুখি হয়। মিছিল দুটি অতিক্রম করার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে মারুফ, অজিত, ওয়াজিব, অলিউল ইসলাম টিটু, বায়েজিদসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে হাসান মামুনের ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক মারুফ গাজী (২৪), ওয়াজিব হাওলাদার (২৪) ও জায়েদকে (২২) গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে নুরুল হক নুরের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আবু নাঈম বলেন, ডাকুয়ায় আমাদের তিনজন লোককে তারা মিছিলে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। এ নিয়ে সংঘর্ষের শুরু হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৮
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩