
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৪
এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিন মাসের ব্যবধানে সাত শিশুর মৃত্যু, ক্রমগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে আক্রান্তের সখ্যা
হাম বা রুবিওলা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বরিশালে ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভাগের ৬টি জেলার সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ৭৭ শিশুকে চিকিৎসা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। মর্মান্তিক বিষয় হচ্ছে, ভাইরাসজনিত এই রোগে গত তিন মাসে বরিশালে সাত শিশু মৃত্যুবরণ করে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক-ভীতি এবং শঙ্কা বিরাজ করছে। বিশেষ করে হাম প্রাণঘাতী রোগে পরিণত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগ নড়েচড়ে বসে এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় প্রস্তুতি নেয়। তবে দ্বীপ ভোলা জেলায় হামের টিকা সংকট রয়েছে বলে জানা গেছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম (Measles) বা রুবিওলা একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং তীব্র ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে। এটি মিজলস মর্বিলিভাইরাস নামক এক প্রকার ভাইরাসের কারণে হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা ব্যবহৃত জিনিসের মাধ্যমে তড়িৎ গতিতে ছড়ায়। এবং এই ভাইরাসে শিশুরাই বেশিমাত্রায় আক্রান্ত হয়ে থাকে, অনেকের প্রাণহানিরও কারণ হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বরিশাল বিভাগজুড়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৭ শিশু। একই সময়ে বিভাগজুড়ে ২০৬ শিশুর দেহে অত্যন্ত সংক্রামক হামের ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। সোমবার বিকেল পর্যন্ত বিভাগের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয় ৭৭ শিশু। এবং প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর ভিড় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বরিশাল বিভাগের বাসিন্দাদের চিকিৎসার ভরসাস্থল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে এই তিন মাসে ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসে আক্রান্ত হয় ৮৯ জন। সোমবার দুপুরে এই হাসপাতালে ৩৪ জন হাম আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসাধীন দেখা গেছে। এর আগে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) শেবাচিম হাসপাতালে বানারীপাড়ার ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া সোমবার সকালে হামে আক্রান্ত হয়ে আরেক শিশু মারা যায়।
ভাইরাসজনিত এই রোগে আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে আছেন বরিশাল সদর উপজেলার কর্নকাঠি এলাকার বাসিন্দা রহিমা তালুকদার। তিনি জানান, ‘সাত দিন আগে তার ৯ মাসের কন্যাশিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করান। প্রথমে জ্বর মনে হলেও পরে চিকিৎসকরা তা হাম বা রুবিওলা বলে শনাক্ত করেন। অনুরূপভাবে প্রতিদিনই হাম আক্রান্ত শিশু সংখ্যা হাসপাতালে বাড়ছে। বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালগুলোতেও আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে আসার পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ শনাক্ত করা হয়।
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনির বলেন, শিশুদের হামের টিকা ৯ মাস বয়সে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ৭ মাস বয়সের শিশুদেরও এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এই ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট ছিল, তা ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। এবং আক্রান্ত শিশুদের সেবা দিয়ে দ্রুত সুস্থ করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন চিকিৎসকেরা।
হামে আক্রান্ত হয়ে সাত শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক-উদ্বেগ-ভীতি তৈরি হয়েছে তা খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডলও স্বীকার করেনে। এই চিকিৎসক জানান, হাম বা রুবিওলা (Measles) একটি অত্যন্ত ছোয়াঁচে ও তীব্র ভাইরাসঘটিত রোগ। প্যারামক্সিভাইরাস গোত্রের মর্বিলিভাইরাস গণের অন্তর্গত একটি ভাইরাসের কারণে রোগটি ঘটে থাকে; ভাইরাসটির পূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম মিজল্স মর্বিলিভাইরাস (Measles morbillivirus)। বিশেষ করে ছোঁয়াচে এই রোগটি আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে খুব দ্রুত ছড়ায়। রোগীর সঙ্গে একই ঘরে থাকলেও সংক্রমণ হতে পারে। তবে এতে আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের নিরাপদে রাখতে হবে। এছাড়া যেকোনো বয়সের মানুষের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রাণঘাতী এই রোগের টিকা বরিশালের ৫টি জেলায় মজুত থাকলেও দ্বীপ জেলা ভোলায় সংকট রয়েছে? এমন প্রশ্নে বিভাগের শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শ্যামল বলেন, সোমবার সেখানে টিকা সরবরাহ করা হয়। এবং কোথাও সংকট দেখা দিলে সেখানে তাৎক্ষণিক প্রেরণ করা হচ্ছে। এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে হাম বা রুবিওলা প্রতিরোধে প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি সর্বসাধারণকে এই রোগ থেকে নিরাপদ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে অধিক সুরক্ষার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।’
এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিন মাসের ব্যবধানে সাত শিশুর মৃত্যু, ক্রমগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে আক্রান্তের সখ্যা
হাম বা রুবিওলা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বরিশালে ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভাগের ৬টি জেলার সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালগুলোতে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ৭৭ শিশুকে চিকিৎসা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। মর্মান্তিক বিষয় হচ্ছে, ভাইরাসজনিত এই রোগে গত তিন মাসে বরিশালে সাত শিশু মৃত্যুবরণ করে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক-ভীতি এবং শঙ্কা বিরাজ করছে। বিশেষ করে হাম প্রাণঘাতী রোগে পরিণত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগ নড়েচড়ে বসে এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় প্রস্তুতি নেয়। তবে দ্বীপ ভোলা জেলায় হামের টিকা সংকট রয়েছে বলে জানা গেছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম (Measles) বা রুবিওলা একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং তীব্র ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত শ্বাসযন্ত্রকে আক্রমণ করে। এটি মিজলস মর্বিলিভাইরাস নামক এক প্রকার ভাইরাসের কারণে হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা ব্যবহৃত জিনিসের মাধ্যমে তড়িৎ গতিতে ছড়ায়। এবং এই ভাইরাসে শিশুরাই বেশিমাত্রায় আক্রান্ত হয়ে থাকে, অনেকের প্রাণহানিরও কারণ হয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বরিশাল বিভাগজুড়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৭ শিশু। একই সময়ে বিভাগজুড়ে ২০৬ শিশুর দেহে অত্যন্ত সংক্রামক হামের ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। সোমবার বিকেল পর্যন্ত বিভাগের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয় ৭৭ শিশু। এবং প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর ভিড় বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বরিশাল বিভাগের বাসিন্দাদের চিকিৎসার ভরসাস্থল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে এই তিন মাসে ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসে আক্রান্ত হয় ৮৯ জন। সোমবার দুপুরে এই হাসপাতালে ৩৪ জন হাম আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসাধীন দেখা গেছে। এর আগে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) শেবাচিম হাসপাতালে বানারীপাড়ার ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া সোমবার সকালে হামে আক্রান্ত হয়ে আরেক শিশু মারা যায়।
ভাইরাসজনিত এই রোগে আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে আছেন বরিশাল সদর উপজেলার কর্নকাঠি এলাকার বাসিন্দা রহিমা তালুকদার। তিনি জানান, ‘সাত দিন আগে তার ৯ মাসের কন্যাশিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করান। প্রথমে জ্বর মনে হলেও পরে চিকিৎসকরা তা হাম বা রুবিওলা বলে শনাক্ত করেন। অনুরূপভাবে প্রতিদিনই হাম আক্রান্ত শিশু সংখ্যা হাসপাতালে বাড়ছে। বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালগুলোতেও আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে আসার পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ শনাক্ত করা হয়।
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনির বলেন, শিশুদের হামের টিকা ৯ মাস বয়সে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ৭ মাস বয়সের শিশুদেরও এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এই ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট ছিল, তা ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। এবং আক্রান্ত শিশুদের সেবা দিয়ে দ্রুত সুস্থ করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন চিকিৎসকেরা।
হামে আক্রান্ত হয়ে সাত শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক-উদ্বেগ-ভীতি তৈরি হয়েছে তা খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডলও স্বীকার করেনে। এই চিকিৎসক জানান, হাম বা রুবিওলা (Measles) একটি অত্যন্ত ছোয়াঁচে ও তীব্র ভাইরাসঘটিত রোগ। প্যারামক্সিভাইরাস গোত্রের মর্বিলিভাইরাস গণের অন্তর্গত একটি ভাইরাসের কারণে রোগটি ঘটে থাকে; ভাইরাসটির পূর্ণ বৈজ্ঞানিক নাম মিজল্স মর্বিলিভাইরাস (Measles morbillivirus)। বিশেষ করে ছোঁয়াচে এই রোগটি আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে খুব দ্রুত ছড়ায়। রোগীর সঙ্গে একই ঘরে থাকলেও সংক্রমণ হতে পারে। তবে এতে আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের নিরাপদে রাখতে হবে। এছাড়া যেকোনো বয়সের মানুষের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রাণঘাতী এই রোগের টিকা বরিশালের ৫টি জেলায় মজুত থাকলেও দ্বীপ জেলা ভোলায় সংকট রয়েছে? এমন প্রশ্নে বিভাগের শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শ্যামল বলেন, সোমবার সেখানে টিকা সরবরাহ করা হয়। এবং কোথাও সংকট দেখা দিলে সেখানে তাৎক্ষণিক প্রেরণ করা হচ্ছে। এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে হাম বা রুবিওলা প্রতিরোধে প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি সর্বসাধারণকে এই রোগ থেকে নিরাপদ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে অধিক সুরক্ষার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।’

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২১
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুরা বন্দরে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এতে প্রায় কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ধামুরা বন্দরের পূর্ব পাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি টাইলসের দোকান থেকে আগুনের উৎপত্তি ঘটে। প্রথমে দোকানের ভেতরে ধোঁয়া ও আগুন দেখা গেলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে স্থানীয়রা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং এলাকাবাসী যৌথভাবে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে পোল্ট্রি ফিড, স্টিল, ফার্নিচার, স্যানিটারি সামগ্রী, টাইলস ও ফিশ ফিডসহ বিভিন্ন ধরনের আটটি দোকান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ আগুনে তাদের দোকানের মালামাল উদ্ধার করার কোনো সুযোগ ছিল না।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনের প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৩
বরিশালের বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সাইদুল ইসলাম সজিব (২৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সজিব উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের লোচনাবাদ গ্রামের আবুল হোসেন খানের ছেলে। এর আগে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) সকালে উপজেলার লোচনাবাদ মুনির উদ্দিন আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় সজিবের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তাকে প্রথমে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।
নিহতের বাবা আবুল হোসেন খান জানান, শনিবার সকালে তাদের বসতবাড়ির রেকর্ডীয় জমিতে একটি দোকান ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করলে একই গ্রামের মৃত রুস্তম আলী খানের ছেলে মো. মিলন খানের নেতৃত্বে ৮-১০ জন ভাড়াটে লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা দোকান ঘর ভাঙচুর করে এবং বাধা দিতে গেলে সজিবসহ ৫ জনকে পিটিয়ে জখম করে।
হামলায় সজিব ছাড়াও আবুল হোসেন খান (৬৫), তার স্ত্রী পিয়ারা বেগম (৫৫), হাসান আলী খান (৫৮) ও আয়েশা বেগম (৫০) আহত হন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ ঘটনায় সজিবের বাবা আবুল হোসেন খান বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন (জিআর নম্বর ৮৮/২৬)। সজিবের মৃত্যুর পর মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য সজিবের লাশ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৪২
বরিশালের ভাটার খাল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ (সোমবার, ৩০ মার্চ) বরিশালে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশালের ভাটার খাল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ (সোমবার, ৩০ মার্চ) বরিশালে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে...
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুরা বন্দরে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এতে প্রায় কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ধামুরা বন্দরের পূর্ব পাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি টাইলসের দোকান থেকে আগুনের উৎপত্তি ঘটে। প্রথমে দোকানের ভেতরে ধোঁয়া ও আগুন দেখা গেলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে স্থানীয়রা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং এলাকাবাসী যৌথভাবে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে পোল্ট্রি ফিড, স্টিল, ফার্নিচার, স্যানিটারি সামগ্রী, টাইলস ও ফিশ ফিডসহ বিভিন্ন ধরনের আটটি দোকান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ আগুনে তাদের দোকানের মালামাল উদ্ধার করার কোনো সুযোগ ছিল না।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনের প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সাইদুল ইসলাম সজিব (২৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সজিব উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের লোচনাবাদ গ্রামের আবুল হোসেন খানের ছেলে। এর আগে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) সকালে উপজেলার লোচনাবাদ মুনির উদ্দিন আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় সজিবের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তাকে প্রথমে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।
নিহতের বাবা আবুল হোসেন খান জানান, শনিবার সকালে তাদের বসতবাড়ির রেকর্ডীয় জমিতে একটি দোকান ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করলে একই গ্রামের মৃত রুস্তম আলী খানের ছেলে মো. মিলন খানের নেতৃত্বে ৮-১০ জন ভাড়াটে লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা দোকান ঘর ভাঙচুর করে এবং বাধা দিতে গেলে সজিবসহ ৫ জনকে পিটিয়ে জখম করে।
হামলায় সজিব ছাড়াও আবুল হোসেন খান (৬৫), তার স্ত্রী পিয়ারা বেগম (৫৫), হাসান আলী খান (৫৮) ও আয়েশা বেগম (৫০) আহত হন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ ঘটনায় সজিবের বাবা আবুল হোসেন খান বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন (জিআর নম্বর ৮৮/২৬)। সজিবের মৃত্যুর পর মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য সজিবের লাশ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।