০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২৭
পটুয়াখালীর বাউফলে বাকিতে সিগারেট দিতে অস্বীকার করায় এক চা দোকানিকে মারধর এবং পরে থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ফোনে কুপিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত সোহেল আহমেদ ওরফে ‘মচকি সোহেল’ নিজেকে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী এবং সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের ক্যাডার হিসেবে পরিচয় দিয়ে এই হুমকি দেন। হুমকির একটি কল রেকর্ড ইতিমধ্যে ফাঁস হয়েছে, যেখানে সোহেলকে দম্ভোক্তি করে বলতে শোনা যায়, ‘এখন তোরে যদি আমি কোপাই, ধরবে কেডা?’
বুধবার (৪ মার্চ) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দরের বাজার রোডে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী দোকানি ওলি শিকদার (২৬) জানান, বুধবার সকালে সোহেল দোকানে এসে বাকিতে সিগারেট চান। ওলি বাকিতে বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় সোহেল তাকে মারধর করেন। পরে বাজার সমিতির পরামর্শে ওলি থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে সোহেল তাকে মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেন। ওই কল রেকর্ডে শোনা যায়, সোহেল বলছেন, ‘আমি বাকি খাব কি না, তুই না জেনে বললি কেন? তাই তোকে একটা থাপ্পড় দিছি। তুই বাজারের কাউকে বিচার না দিয়ে মামলা করলি কেন? এখন তোরে যদি আমি কোপাই, ধরবে কেডা?’
ভুক্তভোগী ওলি শিকদার বর্তমানে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি জানান, সোহেল এলাকায় সাবেক বিতর্কিত রাজনৈতিক নেতার ছত্রছায়ায় থেকে দীর্ঘদিন ধরে ত্রাস সৃষ্টি করে আসছেন। ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সোহেলের ভয়ে বাজারের অনেক ব্যবসায়ী মুখ খুলতে সাহস পান না। ওলি বলেন, "আমি সামান্য একজন দোকানদার। থানায় বিচার চাইতে যাওয়াই কি আমার অপরাধ? প্রকাশ্যে কুপিয়ে মারার কথা বলার পর আমি এখন ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছি। আমি প্রশাসনের কাছে জীবনের নিরাপত্তা চাই।"
কালাইয়া বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সোহেল আহমেদ প্রায়ই বিভিন্ন দোকানে বাকি খেয়ে টাকা দেন না। কেউ টাকা চাইলে তাকে মারধর বা হেনস্তা করা সোহেলের নিত্যদিনের কাজ। গত বুধবারের ঘটনার পর বাজারের শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং ছোট ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা অভিযুক্ত সোহেলের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, যদি এই ধরণের ক্যাডারদের এখনই থামানো না যায়, তবে সাধারণ ব্যবসায়ীদের জানমালের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল আহমেদের বক্তব্য জানতে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সেটি রিসিভ করেননি। ফলে তার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বাউফল থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। হুমকির অডিও রেকর্ডটি ইতিমধ্যে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে এবং অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মারধরের অভিযোগ পেয়েছি এবং হুমকির বিষয়টিও আমাদের কানে এসেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ ভুক্তভোগী দোকানি ওলি শিকদারের নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর বাউফলে বাকিতে সিগারেট দিতে অস্বীকার করায় এক চা দোকানিকে মারধর এবং পরে থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ফোনে কুপিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত সোহেল আহমেদ ওরফে ‘মচকি সোহেল’ নিজেকে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী এবং সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের ক্যাডার হিসেবে পরিচয় দিয়ে এই হুমকি দেন। হুমকির একটি কল রেকর্ড ইতিমধ্যে ফাঁস হয়েছে, যেখানে সোহেলকে দম্ভোক্তি করে বলতে শোনা যায়, ‘এখন তোরে যদি আমি কোপাই, ধরবে কেডা?’
বুধবার (৪ মার্চ) উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্যিক বন্দরের বাজার রোডে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী দোকানি ওলি শিকদার (২৬) জানান, বুধবার সকালে সোহেল দোকানে এসে বাকিতে সিগারেট চান। ওলি বাকিতে বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় সোহেল তাকে মারধর করেন। পরে বাজার সমিতির পরামর্শে ওলি থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে সোহেল তাকে মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেন। ওই কল রেকর্ডে শোনা যায়, সোহেল বলছেন, ‘আমি বাকি খাব কি না, তুই না জেনে বললি কেন? তাই তোকে একটা থাপ্পড় দিছি। তুই বাজারের কাউকে বিচার না দিয়ে মামলা করলি কেন? এখন তোরে যদি আমি কোপাই, ধরবে কেডা?’
ভুক্তভোগী ওলি শিকদার বর্তমানে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি জানান, সোহেল এলাকায় সাবেক বিতর্কিত রাজনৈতিক নেতার ছত্রছায়ায় থেকে দীর্ঘদিন ধরে ত্রাস সৃষ্টি করে আসছেন। ক্যাডার হিসেবে পরিচিত সোহেলের ভয়ে বাজারের অনেক ব্যবসায়ী মুখ খুলতে সাহস পান না। ওলি বলেন, "আমি সামান্য একজন দোকানদার। থানায় বিচার চাইতে যাওয়াই কি আমার অপরাধ? প্রকাশ্যে কুপিয়ে মারার কথা বলার পর আমি এখন ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছি। আমি প্রশাসনের কাছে জীবনের নিরাপত্তা চাই।"
কালাইয়া বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সোহেল আহমেদ প্রায়ই বিভিন্ন দোকানে বাকি খেয়ে টাকা দেন না। কেউ টাকা চাইলে তাকে মারধর বা হেনস্তা করা সোহেলের নিত্যদিনের কাজ। গত বুধবারের ঘটনার পর বাজারের শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং ছোট ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা অভিযুক্ত সোহেলের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, যদি এই ধরণের ক্যাডারদের এখনই থামানো না যায়, তবে সাধারণ ব্যবসায়ীদের জানমালের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল আহমেদের বক্তব্য জানতে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সেটি রিসিভ করেননি। ফলে তার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বাউফল থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। হুমকির অডিও রেকর্ডটি ইতিমধ্যে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে এবং অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মারধরের অভিযোগ পেয়েছি এবং হুমকির বিষয়টিও আমাদের কানে এসেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ ভুক্তভোগী দোকানি ওলি শিকদারের নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
বরিশাল টাইমস
০৬ মার্চ, ২০২৬ ০২:১৪
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২২:২৪
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৩
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪

০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে দালাল তাড়ানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক ব্যবসায়ী, অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার এবং অটোরিকশাচালকদের উদ্দেশ্য করে বুধবার ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রউফ। তার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আপনাদের স্টাফ ও কর্মচারীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে অবস্থান করায় দালালের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে।
এতে হাপাতালে আসা রোগীরা কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হইল।
এই আদেশের ব্যতয় হইলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে। হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালদের দৌরাত্ম্যের কারণে সাধারণ রোগীরা চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হচ্ছেন।
বিশেষ করে প্রসূতি মায়েরা স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। দালাল সিন্ডিকেটের কারণে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। একটি চক্র হাসপাতালের জরুরী প্রসূতি সেবা (ইওসি) বিভাগ বন্ধ রেখে ক্লিনিকে সিজার বাণিজ্য করছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগীর নরমাল ডেলিভারির পজিশন থাকলেও দালালের খপ্পরে পড়ে বাণিজ্যিক ক্লিনিকে নিয়ে সিজার অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসব করানো হচ্ছে।
দালালদের কবল থেকে রক্ষা পেতে এবং সরকারি স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে অবশেষে উপজেলা স্বা¯’্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রউফ বলেন, এই নির্দেশের পরও হাসপাতাল চত্বরে কোন দালাল অবস্থান করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে দালাল তাড়ানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক ব্যবসায়ী, অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার এবং অটোরিকশাচালকদের উদ্দেশ্য করে বুধবার ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রউফ। তার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আপনাদের স্টাফ ও কর্মচারীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে অবস্থান করায় দালালের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে।
এতে হাপাতালে আসা রোগীরা কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হইল।
এই আদেশের ব্যতয় হইলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে। হাসপাতাল সূত্রে জানাযায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালদের দৌরাত্ম্যের কারণে সাধারণ রোগীরা চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হচ্ছেন।
বিশেষ করে প্রসূতি মায়েরা স্থানীয় ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। দালাল সিন্ডিকেটের কারণে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। একটি চক্র হাসপাতালের জরুরী প্রসূতি সেবা (ইওসি) বিভাগ বন্ধ রেখে ক্লিনিকে সিজার বাণিজ্য করছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগীর নরমাল ডেলিভারির পজিশন থাকলেও দালালের খপ্পরে পড়ে বাণিজ্যিক ক্লিনিকে নিয়ে সিজার অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা প্রসব করানো হচ্ছে।
দালালদের কবল থেকে রক্ষা পেতে এবং সরকারি স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে অবশেষে উপজেলা স্বা¯’্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রউফ বলেন, এই নির্দেশের পরও হাসপাতাল চত্বরে কোন দালাল অবস্থান করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।

০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৬
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) গভীর রাতে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত প্রায় ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জিয়াউর রহমান হল ও বিজয়-২৪ হলের সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে দুপক্ষের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক ও ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার প্রধান মুকিত মিয়া বলেন, ‘জিয়াউর রহমান হল ও বিজয়-২৪ হলের সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।’
দুমকি থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলে ফিরে যায়।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবুল বশার খানের সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) গভীর রাতে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
বুধবার (৪ মার্চ) রাত প্রায় ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জিয়াউর রহমান হল ও বিজয়-২৪ হলের সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে দুপক্ষের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক ও ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার প্রধান মুকিত মিয়া বলেন, ‘জিয়াউর রহমান হল ও বিজয়-২৪ হলের সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।’
দুমকি থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলে ফিরে যায়।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবুল বশার খানের সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতার মারধরের শিকার মো. ইদ্রিস (৩৫) নামের এক সবজি বিক্রেতার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইদ্রিসের স্বজনরা মরদেহ থানায় নিয়ে আসেন। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে যুবদলের কার্যালয়ে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মো. ইদ্রিস (৪৫) ওই এলাকার দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।
পরিবারের অভিযোগ, উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের মারধরে গুরুতর আহত হন ইদ্রিস।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরি ও অন্যান্য অপকর্মের অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জহিরুল ইসলাম তাকে মারধর করেন বলে দাবি পরিবারের।
পরিবারের অভিযোগ, সম্প্রতি ঢাকা থেকে বাড়িতে আসার পর ২৬ ফেব্রুয়ারি পাখিমারা বাজারে গেলে জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তাকে ডেকে নিয়ে যুবদলের কার্যালয়ে ব্যাপক মারধর করেন।
এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে যান। নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে সোমবার রাত ১০টার দিকে তিনি পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ইদ্রিসের ছেলে পারভেজ জানান, তার বাবা অভিযুক্ত নেতার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন ও ফেসবুকে কোনো আপত্তিকর মন্তব্য করেননি বলে দাবি করেছিলেন।
তবুও তাকে মারধর করা হয়। পারভেজের অভিযোগ, একপর্যায়ে তার বাবাকে হুমকি দিয়ে এলাকায় না থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
ইদ্রিসের স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, মারধরের পর থেকেই আমার স্বামী বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্টের কথা বলছিলেন। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম, সন্তানরা এতিম হয়ে গেল, আমরা বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে জহিরুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস তার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিলেন। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ও এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতার মারধরের শিকার মো. ইদ্রিস (৩৫) নামের এক সবজি বিক্রেতার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইদ্রিসের স্বজনরা মরদেহ থানায় নিয়ে আসেন। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে যুবদলের কার্যালয়ে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মো. ইদ্রিস (৪৫) ওই এলাকার দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।
পরিবারের অভিযোগ, উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের মারধরে গুরুতর আহত হন ইদ্রিস।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরি ও অন্যান্য অপকর্মের অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জহিরুল ইসলাম তাকে মারধর করেন বলে দাবি পরিবারের।
পরিবারের অভিযোগ, সম্প্রতি ঢাকা থেকে বাড়িতে আসার পর ২৬ ফেব্রুয়ারি পাখিমারা বাজারে গেলে জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তাকে ডেকে নিয়ে যুবদলের কার্যালয়ে ব্যাপক মারধর করেন।
এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে যান। নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে সোমবার রাত ১০টার দিকে তিনি পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ইদ্রিসের ছেলে পারভেজ জানান, তার বাবা অভিযুক্ত নেতার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন ও ফেসবুকে কোনো আপত্তিকর মন্তব্য করেননি বলে দাবি করেছিলেন।
তবুও তাকে মারধর করা হয়। পারভেজের অভিযোগ, একপর্যায়ে তার বাবাকে হুমকি দিয়ে এলাকায় না থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
ইদ্রিসের স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, মারধরের পর থেকেই আমার স্বামী বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্টের কথা বলছিলেন। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম, সন্তানরা এতিম হয়ে গেল, আমরা বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে জহিরুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস তার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিলেন। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ও এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.