
০৫ আগস্ট, ২০২৫ ০২:০০
আজ ৫ আগস্ট পূর্ণ হচ্ছে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তথা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ এবং খুনি শেখ হাসিনার পতনের প্রথম বর্ষপূর্তি। ২০২৪ সালের এই দিনে জুলাই মাসজুড়ে চলা ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণআন্দোলনের মুখে গোপনে পদত্যাগ করে ভারত পালাতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ঐতিহাসিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারী এবং পর্যবেক্ষকরা একে ‘জুলাই অভ্যুত্থান’ নামে অভিহিত করে থাকেন।
এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ, ভোটাধিকার হরণসহ সব ধরনের অত্যাচার, নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম ও আপামর জনতার ক্ষোভের বিস্ফোরণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে বলেছেন, এই বৈষম্যমূলক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সুনিশ্চিত করাই ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য।
আর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তার বাণীতে বলেন, জুলাই আমাদের নতুন করে আশার আলো- একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগ আমাদের রাষ্ট্র সংস্কারের যে সুযোগ এনে দিয়েছে তা যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে।
পতিত স্বৈরাচার ও তার স্বার্থলোভী গোষ্ঠী এখনও দেশকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করতে হবে। আসুন সবাই মিলে আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে আর কোনো স্বৈরাচারের ঠাঁই হবে না।
আন্দোলনের সূচনা: কোটা সংস্কার থেকে একদফা
২০২৪ সালের জুনের শেষদিকে তরুণদের একটি অংশ সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। এই দাবি পুরোনো হলেও নতুন মাত্রা পায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমর্থন এবং সারা দেশের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একযোগে মানববন্ধন, রোডমার্চ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। কিন্তু আন্দোলন দ্রুতই কোটা সংস্কারের গন্ডি ছাড়িয়ে স্বৈরশাসন, নির্বাচনি অনিয়ম, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক বিস্তৃত গণজাগরণে রূপ নেয়।
জুলাই মাসজুড়ে উত্তাল রাজপথ
২০২৪ সালের জুলাই মাস ছিল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব উত্তেজনার সময়। শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকদের প্রতিদিনের বিক্ষোভে রাজধানীসহ দেশের বড় বড় শহরে অচলাবস্থা তৈরি হয়। ‘মেধা না কোটা? মেধা মেধা’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে রাজপথ। প্রশাসনের দমননীতি, বারবার ইন্টারনেট বন্ধ, গ্রেপ্তার ও গুমের প্রতিবাদে আন্দোলনের মাত্রা আরও তীব্র হয়।
দেশের সর্বস্তরের মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম একটানা রাজপথে থেকে সরকারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বার্তা দেয়Ñ পরিবর্তন চাই। দেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত না করে ছাত্র-জনতা যে ঘরে ফিরবেন না, সেই সংকল্পে বোঝা যায় আগস্ট মাসকেও জুলাই হিসেবে গণনার মধ্য দিয়ে। আগস্ট মাসের প্রথম দিনটিকে ১ আগস্টের বদলে, ৩২ জুলাই হিসেবে অভিহিত করতে থাকে আন্দোলনকারীরা। এভাবে ৫ আগস্ট হাসিনার পলায়নের দিন অভ্যুত্থানকারীদের পঞ্জিকায় স্থান পায় ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে।
৩৬ জুলাই তথা ৫ আগস্ট: শেখ হাসিনার ভারত পলায়ন
আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবন অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। সেদিন দুপুরে ঘোষণা আসে যে, সেনাবাহিনী প্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। এই ঘোষণার পর অনুমান করা যায় যে, দেশের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে। তবে তখনো জানা যায়নি যে, হাসিনা ভারত পালিয়েছেন। বিকেল ৩টার দিকে শেখ হাসিনার ভারত পালানোর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন ও নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়
৫ আগস্টের ঘটনার পর দেশের ভার পড়ে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের ওপর। কয়েক দিনের মধ্যে একজন সর্বজনগ্রাহ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আলোচনার মাধ্যমে অর্থনীতিবিদ ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই সরকার গণতান্ত্রিক সংস্কার, মানবাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়।
বর্ষপূর্তিতে দেশজুড়ে কর্মসূচি
আজকের বর্ষপূর্তিকে ঘিরে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক সমাজ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর নিজেদের মতো নানা কর্মসূচি পালন করবে। রাজধানীর বাইরেও বিভিন্ন জেলা শহর, উপজেলা এবং পৌরসভাতেও দিবসটি উদযাপন করা হবে।
এদিন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করে দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে; বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেন। ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস উপলক্ষে দিনটি উদযাপন করবে সরকার।
প্রধান অনুষ্ঠানটি রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ‘জুলাই অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালিত হবে। সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে এরই মধ্যেই প্রায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় শুরু হয়ে রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে এই অনুষ্ঠান।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে থাকছে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ড্রোন শো। অনুষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে আছে বেলা ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পীগোষ্ঠীর সংগীত পরিবেশনা, হাসিনার পালানোর ঘটনা উদযাপনে দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে ফ্যাসিস্টের পলায়ন উদযাপন, বিকেল ৫টায় ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশেষ ড্রোন শো এবং রাত ৮টায় ব্যান্ড দল আর্টসেলের পরিবেশনা। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের জেলা থেকে হাজার হাজার জনতা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
আজ ৫ আগস্ট পূর্ণ হচ্ছে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তথা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ এবং খুনি শেখ হাসিনার পতনের প্রথম বর্ষপূর্তি। ২০২৪ সালের এই দিনে জুলাই মাসজুড়ে চলা ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণআন্দোলনের মুখে গোপনে পদত্যাগ করে ভারত পালাতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ঐতিহাসিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারী এবং পর্যবেক্ষকরা একে ‘জুলাই অভ্যুত্থান’ নামে অভিহিত করে থাকেন।
এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ, ভোটাধিকার হরণসহ সব ধরনের অত্যাচার, নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম ও আপামর জনতার ক্ষোভের বিস্ফোরণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে বলেছেন, এই বৈষম্যমূলক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সুনিশ্চিত করাই ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য।
আর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তার বাণীতে বলেন, জুলাই আমাদের নতুন করে আশার আলো- একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগ আমাদের রাষ্ট্র সংস্কারের যে সুযোগ এনে দিয়েছে তা যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে।
পতিত স্বৈরাচার ও তার স্বার্থলোভী গোষ্ঠী এখনও দেশকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করতে হবে। আসুন সবাই মিলে আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে আর কোনো স্বৈরাচারের ঠাঁই হবে না।
আন্দোলনের সূচনা: কোটা সংস্কার থেকে একদফা
২০২৪ সালের জুনের শেষদিকে তরুণদের একটি অংশ সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। এই দাবি পুরোনো হলেও নতুন মাত্রা পায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমর্থন এবং সারা দেশের শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একযোগে মানববন্ধন, রোডমার্চ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। কিন্তু আন্দোলন দ্রুতই কোটা সংস্কারের গন্ডি ছাড়িয়ে স্বৈরশাসন, নির্বাচনি অনিয়ম, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক বিস্তৃত গণজাগরণে রূপ নেয়।
জুলাই মাসজুড়ে উত্তাল রাজপথ
২০২৪ সালের জুলাই মাস ছিল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব উত্তেজনার সময়। শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকদের প্রতিদিনের বিক্ষোভে রাজধানীসহ দেশের বড় বড় শহরে অচলাবস্থা তৈরি হয়। ‘মেধা না কোটা? মেধা মেধা’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে রাজপথ। প্রশাসনের দমননীতি, বারবার ইন্টারনেট বন্ধ, গ্রেপ্তার ও গুমের প্রতিবাদে আন্দোলনের মাত্রা আরও তীব্র হয়।
দেশের সর্বস্তরের মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম একটানা রাজপথে থেকে সরকারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বার্তা দেয়Ñ পরিবর্তন চাই। দেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত না করে ছাত্র-জনতা যে ঘরে ফিরবেন না, সেই সংকল্পে বোঝা যায় আগস্ট মাসকেও জুলাই হিসেবে গণনার মধ্য দিয়ে। আগস্ট মাসের প্রথম দিনটিকে ১ আগস্টের বদলে, ৩২ জুলাই হিসেবে অভিহিত করতে থাকে আন্দোলনকারীরা। এভাবে ৫ আগস্ট হাসিনার পলায়নের দিন অভ্যুত্থানকারীদের পঞ্জিকায় স্থান পায় ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে।
৩৬ জুলাই তথা ৫ আগস্ট: শেখ হাসিনার ভারত পলায়ন
আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবন অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। সেদিন দুপুরে ঘোষণা আসে যে, সেনাবাহিনী প্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। এই ঘোষণার পর অনুমান করা যায় যে, দেশের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে। তবে তখনো জানা যায়নি যে, হাসিনা ভারত পালিয়েছেন। বিকেল ৩টার দিকে শেখ হাসিনার ভারত পালানোর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন ও নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়
৫ আগস্টের ঘটনার পর দেশের ভার পড়ে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের ওপর। কয়েক দিনের মধ্যে একজন সর্বজনগ্রাহ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আলোচনার মাধ্যমে অর্থনীতিবিদ ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই সরকার গণতান্ত্রিক সংস্কার, মানবাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়।
বর্ষপূর্তিতে দেশজুড়ে কর্মসূচি
আজকের বর্ষপূর্তিকে ঘিরে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক সমাজ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর নিজেদের মতো নানা কর্মসূচি পালন করবে। রাজধানীর বাইরেও বিভিন্ন জেলা শহর, উপজেলা এবং পৌরসভাতেও দিবসটি উদযাপন করা হবে।
এদিন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করে দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে; বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেন। ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস উপলক্ষে দিনটি উদযাপন করবে সরকার।
প্রধান অনুষ্ঠানটি রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ‘জুলাই অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালিত হবে। সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে এরই মধ্যেই প্রায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় শুরু হয়ে রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে এই অনুষ্ঠান।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে থাকছে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ড্রোন শো। অনুষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে আছে বেলা ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পীগোষ্ঠীর সংগীত পরিবেশনা, হাসিনার পালানোর ঘটনা উদযাপনে দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে ফ্যাসিস্টের পলায়ন উদযাপন, বিকেল ৫টায় ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশেষ ড্রোন শো এবং রাত ৮টায় ব্যান্ড দল আর্টসেলের পরিবেশনা। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের জেলা থেকে হাজার হাজার জনতা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৩:২৬
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.