
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৭
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ভেন্যু পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসি পরশু জানিয়ে দেয়, সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে এবং ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এরপর সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আইসিসির কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছিল বিসিবি। তবে সে সময় পার হলেও বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
গতকাল রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলবে না।’
এরপর নিজেদের অটল অবস্থানের কথা জানিয়ে আবারও ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিটি আইসিসির স্বাধীন ডিসপিউট রেজল্যুশন কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কমিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকে।
বিসিবির আশা, আইসিসি বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিটির কাছে পাঠাবে। তবে আইসিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)ও নীরব অবস্থান বজায় রেখেছে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরো জানান, আইসিসি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানলে বাংলাদেশ দল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ছিল ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ে।
বৈঠকে ক্রিকেটারদের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। জানা গেছে, ক্রিকেটাররা সরকারের অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। তারা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় হিসেবে তাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা, তবে অভিভাবক হিসেবে সরকার ও বিসিবি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিকেই তারা সমর্থন করবেন।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পক্ষে তারা অনড়। তিনি জানান, ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসির কাছে আইনি ও প্রশাসনিক সব পথেই লড়াই চালিয়ে যাবে বিসিবি।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ভেন্যু পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসি পরশু জানিয়ে দেয়, সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে এবং ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এরপর সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আইসিসির কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছিল বিসিবি। তবে সে সময় পার হলেও বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
গতকাল রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলবে না।’
এরপর নিজেদের অটল অবস্থানের কথা জানিয়ে আবারও ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিটি আইসিসির স্বাধীন ডিসপিউট রেজল্যুশন কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কমিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকে।
বিসিবির আশা, আইসিসি বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিটির কাছে পাঠাবে। তবে আইসিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)ও নীরব অবস্থান বজায় রেখেছে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরো জানান, আইসিসি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানলে বাংলাদেশ দল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ছিল ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ে।
বৈঠকে ক্রিকেটারদের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। জানা গেছে, ক্রিকেটাররা সরকারের অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। তারা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় হিসেবে তাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা, তবে অভিভাবক হিসেবে সরকার ও বিসিবি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিকেই তারা সমর্থন করবেন।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পক্ষে তারা অনড়। তিনি জানান, ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসির কাছে আইনি ও প্রশাসনিক সব পথেই লড়াই চালিয়ে যাবে বিসিবি।

২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে আসর শুরু করা নিগার সুলতানা জ্যোতি-স্বর্ণা আক্তারদের দল আজ পাপুয়া নিউগিনিকে ৩০ রানে পরাজিত করেছে। এই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে বাংলাদেশ।
নেপালের কীর্তিপুরে ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাপুয়া নিউগিনি শুরুতে ভালো লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয়। একপর্যায়ে ৩ উইকেটে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯৮ রান। তবে শেষ দিকে একের পর এক রান আউটে পড়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় দলটি। শেষ পর্যন্ত ১৩৮ রানেই থামে পাপুয়া নিউগিনির ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন বেন্ড্রা টাউ, সিবোনা জিমি করেন ২৮ রান।
বাংলাদেশের হয়ে সুলতানা খাতুন ছাড়া বাকি ছয় বোলারই একটি করে উইকেট নেন। এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ পায় দারুণ শুরু। দুই ওপেনার দিলারা আক্তার (৩৫) ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস (১৭) উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৪৯ রান। তিন নম্বরে নেমে শারমিন আক্তার করেন ২৮ রান।
শেষ দিকে ঝড় তোলেন স্বর্ণা আক্তার। মাত্র ২৬৪.২৮ স্ট্রাইক রেটে ৩৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। এক চারের সঙ্গে হাঁকান চারটি ছক্কা। বল হাতেও এক উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন স্বর্ণা। সোবহানা মোস্তারিও কার্যকর অবদান রাখেন—সমান দুটি চার ও ছক্কায় করেন ৩৪ রান।
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে আসর শুরু করা নিগার সুলতানা জ্যোতি-স্বর্ণা আক্তারদের দল আজ পাপুয়া নিউগিনিকে ৩০ রানে পরাজিত করেছে। এই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে বাংলাদেশ।
নেপালের কীর্তিপুরে ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাপুয়া নিউগিনি শুরুতে ভালো লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয়। একপর্যায়ে ৩ উইকেটে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯৮ রান। তবে শেষ দিকে একের পর এক রান আউটে পড়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় দলটি। শেষ পর্যন্ত ১৩৮ রানেই থামে পাপুয়া নিউগিনির ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন বেন্ড্রা টাউ, সিবোনা জিমি করেন ২৮ রান।
বাংলাদেশের হয়ে সুলতানা খাতুন ছাড়া বাকি ছয় বোলারই একটি করে উইকেট নেন। এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ পায় দারুণ শুরু। দুই ওপেনার দিলারা আক্তার (৩৫) ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস (১৭) উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৪৯ রান। তিন নম্বরে নেমে শারমিন আক্তার করেন ২৮ রান।
শেষ দিকে ঝড় তোলেন স্বর্ণা আক্তার। মাত্র ২৬৪.২৮ স্ট্রাইক রেটে ৩৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। এক চারের সঙ্গে হাঁকান চারটি ছক্কা। বল হাতেও এক উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন স্বর্ণা। সোবহানা মোস্তারিও কার্যকর অবদান রাখেন—সমান দুটি চার ও ছক্কায় করেন ৩৪ রান।

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮