
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৩
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৮
জ্বালানি সংকট বরিশালেও প্রকট আকার ধারণ করেছে। ডিলার বা পাম্প মালিকদের চাহিদা অনুযায়ী অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি।
আবার যেটুকু সরকারি এই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাম্প এবং ডিলারদের দিচ্ছে, তা বিক্রিতেও বড় ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। কীর্তনখোলা নদীর তীরের বিভাগীয় শহর বরিশালে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান পেট্রোল-অকটেন ১৫০–২০০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
পাশাপাশি শহরের পাম্পগুলোতেও কখনও কখনও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা যাচ্ছে। ফলে পরিবহনসংশ্লিষ্টরা এক ধরনের হয়রানির শিকার হয়ে হতাশায় ভুগছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে প্রতিদিনের ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার লিটার, অকটেন ৬০ হাজার লিটার এবং পেট্রোল ২ লাখ ৪০ হাজার লিটার। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি সরবরাহ করতে সক্ষম হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি। ডিপো থেকে কম প্রাপ্তি এবং জ্বালানি সরবরাহে চৌর্যবৃত্তির আশ্রয় নেওয়ায় খুচরা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হয়।
ভুক্তভোগী, বিশেষ করে পরিবহনসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পাম্পগুলো জ্বালানি অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করতে না পারলেও প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে সরবরাহ বন্ধ রাখে। এতে শহরের প্রতিটি পাম্পে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় থাকে এবং স্থানীয় অলিগলির কিছু দোকানে বিক্রি হলেও তা নিতে অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়। অভিযোগ আছে, এই দোকানিরা মোটরসাইকেল আরোহীদের কাছে প্রতি লিটার অকটেন-পেট্রোল ১৫০–২০০ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন। ঈদ পূর্বাপর বরিশালের জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তদারকির অভাবে এই অনিয়ম চলছে।
তবে পাম্প মালিকেরা বলছেন, সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে জ্বালানির চাহিদা অধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পাম্পে গ্রাহকদের ভিড় থাকছে এবং সংকটে পড়ে কখনও কখনও অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
কম জ্বালানি সরবরাহের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পদ্মা ওয়েল পিএলসি বরিশালের সেলস অফিসার শরীফুল ইসলাম মজুমদার। এই কর্মকর্তা জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠান ডিজেল সরবরাহ করে থাকে। গত বছরের মার্চে যে পরিমাণ জ্বালানি বিক্রি করা হয়েছিল, এবারও সেই পরিমাণ পাম্প এবং ডিলারদের দেওয়া হয়েছে। এবং এই জ্বালানি কোথাও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি বা মজুত করে রাখা হয়েছে কি না, অভিযোগ প্রাপ্তির সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তাহলে খোলা বাজারে ১৫০–২০০ টাকা দামে কীভাবে বিক্রি হয়—এমন প্রশ্নে শরীফুল ইসলাম বলেন, গুরুতর অভিযোগ পেলে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে ডিজেল বিক্রির দায়ে তিন দিন আগে, গত ২৬ মার্চ নগরীর পোর্ট রোডের মেসার্স ফারুক এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং ১০ লিটার ডিজেলে দেড়শ মিলিলিটার কম দেওয়ায় মেসার্স জিয়া ব্রাদার্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এই অনিয়ম রোধে খুচরা বাজার ভোক্তা অধিদপ্তরসহ জেলা প্রশাসন তদারকি করতে পারে, মাঝে মধ্যে করছেও- জানান পদ্মা ওয়েল কোম্পানির এই কর্মকর্তা।
তবে সংকটের মধ্যে জ্বালানি বিক্রিতে মাঠপর্যায়ে এই চৌর্যবৃত্তি বন্ধে বরিশাল জেলা প্রশাসনের তদারকি তেমন লক্ষ্যণীয় নয়। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অনুরূপভাবে মেঘনা এবং যমুনা ডিপোর কর্মকর্তাদের ফোন করা হলেও তাদের তরফ থেকেও সাড়া মেলেনি।
অবশ্য বরিশালে জ্বালানি সংকট নিয়ে খোদ জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমও বেশ বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। শহরের জনৈক ডিলার, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আলো এবং জেলা প্রশাসকের জ্বালানি কাণ্ড নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় নেতিবাচক শিরোনাম হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট কোথায় গিয়ে ঠেকে তা দেখার বিষয় হলেও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা আছেন দুশ্চিন্তার মধ্যে। পাশাপাশি শহরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা গেছে, কারণ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ বা দাম বেড়ে গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর প্রভাব পড়ে, হু হু করে বেড়ে যায় সকল পণ্যের মূল্য। ফলে বলা যায়, আমেরিকা–ইসরায়েল এবং ইরানের যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা ভরসা নয়।
জ্বালানি সংকট বরিশালেও প্রকট আকার ধারণ করেছে। ডিলার বা পাম্প মালিকদের চাহিদা অনুযায়ী অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি।
আবার যেটুকু সরকারি এই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাম্প এবং ডিলারদের দিচ্ছে, তা বিক্রিতেও বড় ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। কীর্তনখোলা নদীর তীরের বিভাগীয় শহর বরিশালে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান পেট্রোল-অকটেন ১৫০–২০০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
পাশাপাশি শহরের পাম্পগুলোতেও কখনও কখনও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা যাচ্ছে। ফলে পরিবহনসংশ্লিষ্টরা এক ধরনের হয়রানির শিকার হয়ে হতাশায় ভুগছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে প্রতিদিনের ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার লিটার, অকটেন ৬০ হাজার লিটার এবং পেট্রোল ২ লাখ ৪০ হাজার লিটার। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি সরবরাহ করতে সক্ষম হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি। ডিপো থেকে কম প্রাপ্তি এবং জ্বালানি সরবরাহে চৌর্যবৃত্তির আশ্রয় নেওয়ায় খুচরা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হয়।
ভুক্তভোগী, বিশেষ করে পরিবহনসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পাম্পগুলো জ্বালানি অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করতে না পারলেও প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে সরবরাহ বন্ধ রাখে। এতে শহরের প্রতিটি পাম্পে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় থাকে এবং স্থানীয় অলিগলির কিছু দোকানে বিক্রি হলেও তা নিতে অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়। অভিযোগ আছে, এই দোকানিরা মোটরসাইকেল আরোহীদের কাছে প্রতি লিটার অকটেন-পেট্রোল ১৫০–২০০ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন। ঈদ পূর্বাপর বরিশালের জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তদারকির অভাবে এই অনিয়ম চলছে।
তবে পাম্প মালিকেরা বলছেন, সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে জ্বালানির চাহিদা অধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পাম্পে গ্রাহকদের ভিড় থাকছে এবং সংকটে পড়ে কখনও কখনও অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
কম জ্বালানি সরবরাহের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পদ্মা ওয়েল পিএলসি বরিশালের সেলস অফিসার শরীফুল ইসলাম মজুমদার। এই কর্মকর্তা জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠান ডিজেল সরবরাহ করে থাকে। গত বছরের মার্চে যে পরিমাণ জ্বালানি বিক্রি করা হয়েছিল, এবারও সেই পরিমাণ পাম্প এবং ডিলারদের দেওয়া হয়েছে। এবং এই জ্বালানি কোথাও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি বা মজুত করে রাখা হয়েছে কি না, অভিযোগ প্রাপ্তির সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তাহলে খোলা বাজারে ১৫০–২০০ টাকা দামে কীভাবে বিক্রি হয়—এমন প্রশ্নে শরীফুল ইসলাম বলেন, গুরুতর অভিযোগ পেলে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে ডিজেল বিক্রির দায়ে তিন দিন আগে, গত ২৬ মার্চ নগরীর পোর্ট রোডের মেসার্স ফারুক এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং ১০ লিটার ডিজেলে দেড়শ মিলিলিটার কম দেওয়ায় মেসার্স জিয়া ব্রাদার্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এই অনিয়ম রোধে খুচরা বাজার ভোক্তা অধিদপ্তরসহ জেলা প্রশাসন তদারকি করতে পারে, মাঝে মধ্যে করছেও- জানান পদ্মা ওয়েল কোম্পানির এই কর্মকর্তা।
তবে সংকটের মধ্যে জ্বালানি বিক্রিতে মাঠপর্যায়ে এই চৌর্যবৃত্তি বন্ধে বরিশাল জেলা প্রশাসনের তদারকি তেমন লক্ষ্যণীয় নয়। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অনুরূপভাবে মেঘনা এবং যমুনা ডিপোর কর্মকর্তাদের ফোন করা হলেও তাদের তরফ থেকেও সাড়া মেলেনি।
অবশ্য বরিশালে জ্বালানি সংকট নিয়ে খোদ জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমও বেশ বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। শহরের জনৈক ডিলার, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আলো এবং জেলা প্রশাসকের জ্বালানি কাণ্ড নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় নেতিবাচক শিরোনাম হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট কোথায় গিয়ে ঠেকে তা দেখার বিষয় হলেও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা আছেন দুশ্চিন্তার মধ্যে। পাশাপাশি শহরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা গেছে, কারণ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ বা দাম বেড়ে গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর প্রভাব পড়ে, হু হু করে বেড়ে যায় সকল পণ্যের মূল্য। ফলে বলা যায়, আমেরিকা–ইসরায়েল এবং ইরানের যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা ভরসা নয়।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৩
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে উপজেলার কুতুবপুরে মাদক প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে
কুতুবপুর এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে গৌরনদী উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ও নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আলহাজ মো. জামাল উদ্দিন ফকিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন গৌরনদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসান। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান।
বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো. আবু বক্কর গাজী, মো. শামীম খলিফা, গৌরনদী পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মো. কামরুজ্জামান খোকন, বরিশাল জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি কেএম আনোয়ার হোসেন বাদল, গৌরনদী মডেল থানার এসআই মিতুল, সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ফুয়াদ হোসেন এ্যানি, নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপি যুগ্ন আহবায়ক মো. হারুন শিকদার, মো. বাদল খান, উপজেলা কৃষকদলের প্রচার সম্পাদক কাজী ছানাউল, যুবদল নেতা মামুন হাওলাদার, রুহুল আমিন বেপারী প্রমুখ।
সমাবেশে মাদকের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানান। পাশাপাশি এ কাজে নিয়োজিতদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়ার আশ্বাস প্রদান করা হয়।
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে উপজেলার কুতুবপুরে মাদক প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে
কুতুবপুর এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে গৌরনদী উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ও নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আলহাজ মো. জামাল উদ্দিন ফকিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন গৌরনদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসান। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান।
বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো. আবু বক্কর গাজী, মো. শামীম খলিফা, গৌরনদী পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মো. কামরুজ্জামান খোকন, বরিশাল জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি কেএম আনোয়ার হোসেন বাদল, গৌরনদী মডেল থানার এসআই মিতুল, সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ফুয়াদ হোসেন এ্যানি, নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপি যুগ্ন আহবায়ক মো. হারুন শিকদার, মো. বাদল খান, উপজেলা কৃষকদলের প্রচার সম্পাদক কাজী ছানাউল, যুবদল নেতা মামুন হাওলাদার, রুহুল আমিন বেপারী প্রমুখ।
সমাবেশে মাদকের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানান। পাশাপাশি এ কাজে নিয়োজিতদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়ার আশ্বাস প্রদান করা হয়।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪৬
বরিশাল সদর উপজেলার কড়াই নদী থেকে নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্য হারানো ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ মার্চ) ভোরে নদীর রাজারচর এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয় বলে বরিশাল সদর নৌ-পুলিশের ওসি অসীম কুমার সিকদার জানিয়েছেন।
ওই ব্যক্তি হলেন-সবুজ হাওলাদার (৬০)। তিনি সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের দক্ষিণ দূর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ছেলে।
স্বজনদের বরাতে ওসি জানান, শুক্রবার দুপুরে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলো সবুজ হাওলাদার। শনিবার সকাল ৬টার দিকে স্থানীয়রা কড়াইতলা নদীর রাজারহাট এলাকায় দেখতে পায়।
খবর পেয়ে তারা গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছেন। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি অসীম কুমার সিকদার।
বরিশাল সদর উপজেলার কড়াই নদী থেকে নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্য হারানো ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ মার্চ) ভোরে নদীর রাজারচর এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয় বলে বরিশাল সদর নৌ-পুলিশের ওসি অসীম কুমার সিকদার জানিয়েছেন।
ওই ব্যক্তি হলেন-সবুজ হাওলাদার (৬০)। তিনি সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের দক্ষিণ দূর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ছেলে।
স্বজনদের বরাতে ওসি জানান, শুক্রবার দুপুরে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলো সবুজ হাওলাদার। শনিবার সকাল ৬টার দিকে স্থানীয়রা কড়াইতলা নদীর রাজারহাট এলাকায় দেখতে পায়।
খবর পেয়ে তারা গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছেন। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি অসীম কুমার সিকদার।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.