
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১২
পটুয়াখালীর বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে তল্লাশির কারণে এ অভিযোগ তোলে দলটি।
বিশেষ করে ছাত্রদল নেতার উপস্থিতিতে জামায়াত অফিসে পুলিশি অভিযান চালানোর অভিযোগ তোলেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি বাউফল থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানান। এছাড়াও ঘটনার পরদিন ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, বাউফল থানার ওসি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, তাকে বহাল রেখে নিরপেক্ষ পরিবেশ আশা করা যায় না। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে তাকে নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো উচিত ছিল। কিন্তু তিনি সেটি না করে অন্য আরেকটি দলের প্ররোচনায় আমাদের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, একটা রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালাবে, আর সেখানে ছাত্রদলের আহ্বায়ক তার সহযোগীদের নিয়ে উপস্থিত থাকবেন- এর মানে কী বোঝায়? অভিযানের আগাম খবর তারা জানল কীভাবে? তাছাড়া পুলিশ জামায়াত কার্যালয়ে আসার আগে কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযানের খবর জানলেন কীভাবে?
১১ দলীয় জোটের এ প্রার্থী বলেন, পুলিশ একটি দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিছুই পায়নি। আসলে বাউফল থানার ওসি প্ররোচিত হয়ে কাজটি করেছেন, তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। তাকে এ থানায় রেখে নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা যায় না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত তাকে বাউফল থানা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
এদিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে করা আবেদনে বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান লেখেন, আমি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০২ (বাউফল) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বাউফল থানার ওসি মো. ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, তিনি একজন দলকানা ও সেবাদাস পুলিশ অফিসার।
তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদারের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর থেকে তার আচার-আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্যণীয়। বিএনপির প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীরা বাউফল সংসদীয় এলাকায় জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকি দিলে আমরা থানায় অভিযোগ করলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই।
বিভিন্ন মামলার এজহারনামীয় আসামিদের গ্রেপ্তার করেনি। জুলাই শহীদ সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বাবা মোশাররফ হোসেনের ওপর হামলাকারীরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও তাদের গ্রেপ্তার করে নাই।
এছাড়াও তিনি বিগত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ ফাহাদ, সাইফুল ইসলাম ঝুরন, ফজলুল হক খোকন, রেদোয়ান উল মজিদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশি অভিযান চালিয়ে জামায়াত নেতা কর্মীদের হয়রানি করেন।
ওসি সম্পূর্ণভাবে বিশেষ একটি দলের দ্বারা প্রভাবিত। ওনার দ্বারা একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। এমতাবস্থায়, পটুয়াখালী জেলাধীন বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানকে অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার একান্ত আবশ্যক। অন্যথায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিংবা কারো পক্ষাবলম্বন করে অভিযান চালানো হয়নি। জরুরি নম্বর ৯৯৯ এ একটি কল আসে। কলদাতা তার পরিচয় গোপন করে ফোন করেছিলেন।
তখন বলা হয়েছিল, বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের সামনে একটি বিল্ডিংয়ে কিছু দুষ্কৃতিকারী অবৈধ অস্ত্র জমা করেছে। পরে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।
কিন্তু অভিযোগের বিষয়ে আমরা সেখান কোনো সত্যতা খুঁজে পাইনি। ছাত্রদলের সভাপতি কীভাবে উপস্থিত হয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে পুলিশকে হয়রানি করার কারণে কলদাতার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।
পটুয়াখালীর বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে তল্লাশির কারণে এ অভিযোগ তোলে দলটি।
বিশেষ করে ছাত্রদল নেতার উপস্থিতিতে জামায়াত অফিসে পুলিশি অভিযান চালানোর অভিযোগ তোলেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি বাউফল থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিও জানান। এছাড়াও ঘটনার পরদিন ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, বাউফল থানার ওসি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, তাকে বহাল রেখে নিরপেক্ষ পরিবেশ আশা করা যায় না। একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে তাকে নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো উচিত ছিল। কিন্তু তিনি সেটি না করে অন্য আরেকটি দলের প্ররোচনায় আমাদের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, একটা রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালাবে, আর সেখানে ছাত্রদলের আহ্বায়ক তার সহযোগীদের নিয়ে উপস্থিত থাকবেন- এর মানে কী বোঝায়? অভিযানের আগাম খবর তারা জানল কীভাবে? তাছাড়া পুলিশ জামায়াত কার্যালয়ে আসার আগে কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযানের খবর জানলেন কীভাবে?
১১ দলীয় জোটের এ প্রার্থী বলেন, পুলিশ একটি দলের কার্যালয়ে অভিযান চালানোর আগে শতভাগ নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল। পুলিশ অভিযান চালিয়ে কিছুই পায়নি। আসলে বাউফল থানার ওসি প্ররোচিত হয়ে কাজটি করেছেন, তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। তাকে এ থানায় রেখে নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করা যায় না। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত তাকে বাউফল থানা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
এদিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে ওসি ছিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ চেয়ে করা আবেদনে বাউফল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. খালিদুর রহমান লেখেন, আমি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-০২ (বাউফল) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলামের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বাউফল থানার ওসি মো. ছিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, তিনি একজন দলকানা ও সেবাদাস পুলিশ অফিসার।
তিনি বিএনপির সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদারের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর থেকে তার আচার-আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্যণীয়। বিএনপির প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীরা বাউফল সংসদীয় এলাকায় জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও হুমকি দিলে আমরা থানায় অভিযোগ করলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই।
বিভিন্ন মামলার এজহারনামীয় আসামিদের গ্রেপ্তার করেনি। জুলাই শহীদ সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বাবা মোশাররফ হোসেনের ওপর হামলাকারীরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও তাদের গ্রেপ্তার করে নাই।
এছাড়াও তিনি বিগত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ ফাহাদ, সাইফুল ইসলাম ঝুরন, ফজলুল হক খোকন, রেদোয়ান উল মজিদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশি অভিযান চালিয়ে জামায়াত নেতা কর্মীদের হয়রানি করেন।
ওসি সম্পূর্ণভাবে বিশেষ একটি দলের দ্বারা প্রভাবিত। ওনার দ্বারা একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। এমতাবস্থায়, পটুয়াখালী জেলাধীন বাউফল থানার ওসি ছিদ্দিকুর রহমানকে অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার একান্ত আবশ্যক। অন্যথায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিংবা কারো পক্ষাবলম্বন করে অভিযান চালানো হয়নি। জরুরি নম্বর ৯৯৯ এ একটি কল আসে। কলদাতা তার পরিচয় গোপন করে ফোন করেছিলেন।
তখন বলা হয়েছিল, বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের সামনে একটি বিল্ডিংয়ে কিছু দুষ্কৃতিকারী অবৈধ অস্ত্র জমা করেছে। পরে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করে।
কিন্তু অভিযোগের বিষয়ে আমরা সেখান কোনো সত্যতা খুঁজে পাইনি। ছাত্রদলের সভাপতি কীভাবে উপস্থিত হয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে পুলিশকে হয়রানি করার কারণে কলদাতার পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।

১১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৪

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:১০

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:০৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় লিপি আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে হাত–পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী শাহ জামাল (৩৫) এবং শ্বশুর মোসলেম মৃধাকে (৭০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই নারীর করা মামলায় পরে স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীকে নির্যাতনের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
২ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, টমটমের ওপর এক নারীর হাত বেঁধে তাঁকে মারধর করা হচ্ছে। মারধরের শিকার ওই নারী চিৎকার করে সাহায্য চাইছেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি টমটম থামিয়ে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে নির্যাতনে যুক্ত দুই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত দুজনকে আটক করেন এবং দশমিনা থানা-পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভুক্তভোগী লিপি আক্তারকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল মৃধা (৬৫) আহত হন। অভিযোগ আছে, এ সময় লিপি আক্তারের শ্বশুর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে হেলাল মৃধার মাথায় আঘাত করেন। এতে হেলালের মাথা ফেটে যায় এবং তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত অবস্থায় হেলাল মৃধা বলেন, ওই নারীর চিৎকার শুনে তিনি এবং আরও কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে টমটমটি থামান। তখন টমটমে থাকা শাহ জামাল ও তাঁর বাবা মোসলেম মৃধা তাঁদের ওপর চড়াও হন এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের আটক করে পুলিশে খবর দেন।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন লিপি আক্তার বলেন, তাঁর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে আছে। তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। এর পর থেকে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। স্বামী শাহ জামাল ও শ্বশুর মোসলেম মৃধা প্রায়ই তাঁর ওপর নির্যাতন চালাতেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিসবৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
লিপি আক্তারের ভাষ্য, গতকাল সকালে মারধরের একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জ্ঞান ফিরলে দেখেন, তাঁর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় টমটমে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে স্বামী শাহ জামাল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে প্রথম স্ত্রী লিপি আক্তারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকালও তাঁকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে স্বামী ও শ্বশুর কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।’
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় লিপি আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে হাত–পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী শাহ জামাল (৩৫) এবং শ্বশুর মোসলেম মৃধাকে (৭০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই নারীর করা মামলায় পরে স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীকে নির্যাতনের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
২ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, টমটমের ওপর এক নারীর হাত বেঁধে তাঁকে মারধর করা হচ্ছে। মারধরের শিকার ওই নারী চিৎকার করে সাহায্য চাইছেন। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি টমটম থামিয়ে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে নির্যাতনে যুক্ত দুই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্ত দুজনকে আটক করেন এবং দশমিনা থানা-পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নারীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভুক্তভোগী লিপি আক্তারকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল মৃধা (৬৫) আহত হন। অভিযোগ আছে, এ সময় লিপি আক্তারের শ্বশুর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে হেলাল মৃধার মাথায় আঘাত করেন। এতে হেলালের মাথা ফেটে যায় এবং তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত অবস্থায় হেলাল মৃধা বলেন, ওই নারীর চিৎকার শুনে তিনি এবং আরও কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে টমটমটি থামান। তখন টমটমে থাকা শাহ জামাল ও তাঁর বাবা মোসলেম মৃধা তাঁদের ওপর চড়াও হন এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের আটক করে পুলিশে খবর দেন।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন লিপি আক্তার বলেন, তাঁর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে আছে। তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। এর পর থেকে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। স্বামী শাহ জামাল ও শ্বশুর মোসলেম মৃধা প্রায়ই তাঁর ওপর নির্যাতন চালাতেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিসবৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
লিপি আক্তারের ভাষ্য, গতকাল সকালে মারধরের একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে জ্ঞান ফিরলে দেখেন, তাঁর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় টমটমে করে কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তখন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে স্বামী শাহ জামাল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে প্রথম স্ত্রী লিপি আক্তারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকালও তাঁকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে স্বামী ও শ্বশুর কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।